লেনদেনের শীর্ষে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট

সেবা ও আবাসন খাতের কোম্পানি সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেডের গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬৩ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।

এতে ডিএসইর লেনদেনের তালিকায় শীর্ষস্থানে ঊঠে আসে কোম্পানিটি। এদিন কোম্পানিটির শেয়ারদর ৫৬ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৬২ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৬২ পয়সা, এর আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ৩৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৩৭ পয়সায়।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১৮ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭৫ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৬৭ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭১ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ২২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ১১ পয়সায়।

২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৩৪ টাকা ৩৪ পয়সায়।

সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এএ২’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-২’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত ব্যাংক ঋণের অবস্থান এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিআরএবি)।

২০০৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সামিট অ্যালায়েন্স পোর্টের অনুমোদিত মূলধন ৩০০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ২৩৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

রিজার্ভে রয়েছে ৫৮৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ২৩ কোটি ৬৮ লাখ ৬৭ হাজার ১২৩। এর ৬২ দশমিক ৬৮ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১১ দশমিক ১৪, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে দশমিক শূন্য ১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ২৬ দশমিক ১৭ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আরও