নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন, উন্নয়ন কার্যক্রম, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ভূরাজনৈতিক ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবেলার এ বহুমাত্রিক প্রেক্ষাপটে ‘রাজস্ব আহরণ’ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাওয়ার দাবি রাখে। এক্ষেত্রে ‘প্রাপ্তি’ আর ‘রাজস্ব’-এর মৌলিক পার্থক্য বোঝা জরুরি। সরকার ঋণ নিলে তা সংযুক্ত তহবিলে প্রাপ্তি হিসেবে যুক্ত হয়। আবার একই সময় সরকারের দায় বাড়ে। এজন্য এটিকে রাজস্ব বলা যায় না। এজন্য সরকারি বাজেট ও হিসাবরক্ষণ শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী প্রাপ্তিকে রাজস্ব প্রাপ্তি এবং মূলধন প্রাপ্তি এ দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়। অনুদান থেকে প্রাপ্ত অর্থ রাজস্ব প্রাপ্তি হিসেবে এবং ঋণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ দায় হিসেবে যুক্ত হয়। অন্যদিকে রাজস্ব প্রাপ্তি পরিচালন ব্যয়ের চেয়ে বেশি হলে তা পরিচালন স্থিতি হিসেবে উন্নয়ন ব্যয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সরকারকে ঋণের চাপ থেকে কিছুটা সুরক্ষা দেয়। তবে বাস্তবে রাজস্ব প্রাপ্তির বড় অংশই ঋণ ও সুদ পরিশোধে ব্যয় হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে কর ও করবহির্ভূত রাজস্ব বাড়ানোর কোনো বিকল্প বাংলাদেশের সামনে নেই।
বাংলাদেশের কর-জিডিপির অনুপাত বৈশ্বিক মান অনুযায়ী নিম্নতম। অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক্যাল কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) প্রকাশিত ‘রেভেন্যু স্ট্যাটিসটিকস ইন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক-২০২৫’ অনুযায়ী, বাংলাদেশের কর-জিডিপি হার মাত্র ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। এটি এশিয়া-প্যাসিফিক গড়ের (১৯ দশমিক ৫ শতাংশ) তুলনায় ১২ দশমিক ২ শতাংশ এবং ওইসিডি গড়ের (৩৩ দশমিক ৯ শতাংশ) তুলনায় ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ কম। যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তান কিংবা নাজুক অর্থনীতির পাকিস্তানের চেয়েও বাংলাদেশের অবস্থা নাজুক। নতুন সরকার মধ্যমেয়াদে এ হার ১০ শতাংশ এবং ২০৩০ সাল নাগাদ তা ১৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রকাশিত মার্চের ‘ট্যাক্স জাস্টিজ ফর গ্র্যাজুয়েটিং বাংলাদেশ’ নীতিপত্রের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া কেবল রাজস্ব বাড়ানোর চাপ বৈষম্য বাড়াতে পারে এবং আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করতে পারে। কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে হলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে করজালের আওতায় আনাই হবে সবচেয়ে কার্যকর পথ।
এনবিআরবহির্ভূত কর ও করবহির্ভূত রাজস্ব: আগামীর সম্ভাবনা
বাংলাদেশ সরকার আয় বাড়ানোর লক্ষ্যে করভিত্তিক রাজস্ব কাঠামোর পাশাপাশি অন্যান্য উৎস উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করছে। দেশে প্রত্যাশিত হারে রাজস্ব আয় বাড়েনি বলে সরকার বিকল্প উৎস হিসেবে করবহির্ভূত রাজস্ব আহরণের ওপর ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব আরোপ করছে। এ প্রেক্ষাপটে অর্থ মন্ত্রণালয় সরকারি বিভিন্ন সেবার ফি ও চার্জ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অপরিবর্তিত থাকা এসব ফি পুনর্নির্ধারণে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য করবহির্ভূত রাজস্বের গুরুত্ব বহুমাত্রিক। প্রথমত, এটি করের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে রাজস্ব কাঠামোকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও স্থিতিশীল করে। দ্বিতীয়ত, এটি সরকারের উন্নয়ন ব্যয়ের জন্য অতিরিক্ত অর্থের সংস্থান করে, যা অবকাঠামো, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়তা করে। তৃতীয়ত, এটি বাজেট ঘাটতি হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিশেষত যখন কর আদায়ে ঘাটতি দেখা দেয়। চতুর্থত, সরকারি সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে; যেমন জমি, ভবন বা অন্যান্য সম্পদ থেকে ভাড়া ও লিজের মাধ্যমে আয় বাড়ানো যায়। পঞ্চমত, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা সম্ভব। তবে এ সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে হলে একটি সুসংহত ও দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। শুধু ফি বৃদ্ধি নয়, বরং সরকারি সেবার গুণগত মান উন্নয়ন, ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার, প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দুর্নীতি হ্রাসের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পেশাদারত্বের সঙ্গে পরিচালনা করা এবং সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা জরুরি। যদি নাগরিকরা সহজ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা পায়, তবে তারা যুক্তিসংগত হারে ফি প্রদান করতে আগ্রহী হবে, যা করবহির্ভূত রাজস্ব বাড়ানোর জন্য একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করবে।
সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ বিভাগ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রয়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর করবহির্ভূত রাজস্ব বিশেষভাবে পর্যালোচনা করছে। সেখানে পরিলক্ষিত হয়েছে, সরকারের করবহির্ভূত রাজস্ব ও এনবিআরবহির্ভূত কর আদায়ের পারফরম্যান্স লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কম। তার পরিপ্রেক্ষিতে এসপিএমএফএস কর্মসূচির সহায়তায় অর্থ বিভাগ ‘করবহির্ভূত ও অন্যান্য কর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ হালনাগাদ করার কাজ করছে। প্রস্তাবিত নীতিমালায় করবহির্ভূত রাজস্ব, আদায়কারী প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক এবং অবিপণনযোগ্য পণ্য ও সেবা, উদ্বৃত্ত তহবিল, চার্জ, জরিমানা, ফি, ভাড়া, রয়্যালটি, লভ্যাংশ, সুদ, স্ক্র্যাপ ইত্যাদির সংজ্ঞা ও আওতা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যান্য কর রাজস্বের (এনবিআরবহির্ভূত) আওতাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নীতিমালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অংশীজনদের নিয়ে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বিভিন্ন রাজস্বের হার পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রণয়ন করবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল করপোরেশন, স্থানীয় সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা, ভূমি রাজস্ব, সড়ক কর, কার্বন কর ইত্যাদি বিষয়েও নীতিমালা সন্নিবেশিত হয়েছে। রাজস্ব আহরণ ও ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন করা, যথাযথ মনিটরিং করা, ডেটা এনালাইটিকসের মাধ্যমে তথ্য বিশ্লেষণ করা, রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো প্রস্তাবিত নীতিমালায় সংযুক্ত করা হয়েছে।
রাজস্ব আয় বাড়ানোর জন্য নীতিমালাই পর্যাপ্ত নয়, এজন্য কিছু কাজও করতে হবে। করবহির্ভূত রাজস্ব ও অন্যান্য করের সম্ভাব্য রাজস্ব আহরণের ওপর বিশেষ গবেষণা করা, যার মাধ্যমে রাজস্বের আওতা বৃদ্ধি, পদ্ধতিগত ত্রুটি, ঝুঁকি ও অনিয়মের ক্ষেত্র চিহ্নিতকরণ, প্রশাসনিক দুর্বলতা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সার্বিক পদ্ধতি আধুনিকায়ন, জনপ্রতিক্রিয়া যাচাইয়ের উপায় ইত্যাদির বাস্তবিক অবস্থা উঠে আসবে এবং প্রয়োগযোগ্য সুপারিশ প্রণীত হবে। বিদ্যমান ফি, চার্জ, জরিমানা, ভাড়া ইত্যাদির হার যৌক্তিকীকরণের লক্ষ্যে ধারাবাহিক কার্যক্রম নেয়া আবশ্যক। এছাড়া প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি পর্যায়ে করবহির্ভূত রাজস্বের ব্যাপারে জনসচেতনতা বাড়ানোর জন্য প্রতি বছর সচেতনতা সপ্তাহ বা মাস পালন করা যেতে পারে। দেখা যায় অনেক সময় করবহির্ভূত রাজস্ব আদায় হলেও তা সরকারি কোষাগারে যথাযথভাবে জমা হয় না। সরকারি সব দপ্তর ও সেবাগ্রহীতাদের মাঝে সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক কোড অবহিতকরণের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। মাঠ পর্যায় থেকে যথাযথ কোডে অর্থ জমা না হলে মন্ত্রণালয় বা বিভাগ পর্যায়ের প্রতিবেদনে রাজস্ব প্রাপ্তির সঠিক পরিসংখ্যান প্রতিফলিত হবে না।
প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগের বাজেট প্রাক্কলনে করবহির্ভূত রাজস্ব, অন্যান্য কর, মূলধন প্রাপ্তি ইত্যাদি যথাযথ তথ্য-উপাত্তসহ রাজস্ব টার্গেট নির্ধারণ করা। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় দপ্তরগুলো অনুমাননির্ভর বা বিগত বছরের সঙ্গে ৫-১০ শতাংশ বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে, যা বাস্তবসম্মত নয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে দেশের হাজার হাজার বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কোটি কোটি টাকা শুধু লাইসেন্স ফি আদায় হওয়ার কথা, কিন্তু বাস্তবে তা প্রতিফলিত হয় না। এসব ক্ষেত্রে প্রকৃত সমস্যা চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। হিসাব মহানিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অধীন প্রতিটি চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফাইন্যান্স অফিস মাসিক হিসাব প্রণয়নের সময় রাজস্ব প্রাপ্তিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে রিপোর্ট করবে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা দপ্তর পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নেবে। সরকারি পাওনা (যেমন স্বায়ত্তশাসিত এবং সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ ও ঋণের সুদ, আয়কর, ভ্যাট, শেয়ারের লভ্যাংশ, কোয়াসি করপোরেশনের উদ্বৃত্ত আয়, ভাড়া ইত্যাদি) আদায়ে কঠোর ও বাস্তবসম্মত প্রক্রিয়া নেয়া দরকার। এক্ষেত্রে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (এফআরসি) ও বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল কার্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। অন্যান্য কর (এনবিআর-বহির্ভূত) রাজস্ব যেমন ভূমিকর, মাদক কর, যানবাহন কর, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, সারচার্জ ইত্যাদির বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, এসব বিবিধ কর বিভিন্নভাবে ফাঁকি দেয়া হয়, যার ব্যাপারে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারলে রাজস্ব আহরণ বাড়বে। নন-জুডিশয়াল স্ট্যাম্পের নকল নিয়ন্ত্রণে বারকোড ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল কার্যালয়ের অধীন ১৭টি অডিট অধিদপ্তরের আওতায় নিয়মিত করবহির্ভূত রাজস্ব এবং অন্যান্য কর রাজস্ব ইস্যুতে বিশেষ ইস্যুভিত্তিক অডিট, পারফরম্যান্স অডিট করা ও সুপারিশ প্রণয়ন করা হলে তা রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। সরকার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রায় ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বড়। এ বাজেট বাস্তবায়নে রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। বিপুল বাজেট ঘাটতি, ঋণের চাপ ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আগামী অর্থবছরে করবহির্ভূত রাজস্ব ৪৩ দশমিক ৪৮ এবং এনবিআর-বহির্ভূত কর ৩১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) চায়, আগামী অর্থবছরে কর-জিডিপি অনুপাত বর্তমান ৬ দশমিক ৯ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ২১ শতাংশে উন্নীত হোক। এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া অপরিহার্য। বিশাল অর্থনৈতিক চাপ, জনগণের বিপুল প্রত্যাশা এবং বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও আর্থিক সংকটের এ বাস্তবতায় কর রাজস্বের পাশাপাশি করবহির্ভূত রাজস্ব ও এনবিআর-বহির্ভূত কর রাজস্ব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এখনো অপূর্ণ সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত। যথাযথ নীতি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও সেবার মানোন্নয়নের মাধ্যমে এ খাতকে শক্তিশালী করা গেলে তা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা, বাজেট ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে সক্ষম হবে।
কাজী কাইয়ুম হোসেন: পরিচালক, রাজস্ব অডিট অধিদপ্তর, সুপ্রিম অডিট ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ