ফিলিস্তিনের হেবরন শহরের রাজনৈতিক ও আইনগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার ইসরাইলি পরিকল্পনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি)। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরাইলের এমন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইন ও সংশ্লিষ্ট জাতিসংঘের প্রস্তাবনার পরিপন্থী।
ওআইসির মহাসচিবালয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ইসরাইলের অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হেবরন পৌরসভার কাছ থেকে ইব্রাহিমি মসজিদ, পুরোনো শহর (ওল্ড সিটি) এবং আশপাশের এলাকার প্রশাসনিক ও পরিকল্পনা-সংক্রান্ত ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে হেবরনের রাজনৈতিক ও আইনগত অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা চলছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ১৯৬৭ সাল থেকে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড, যার মধ্যে হেবরন ও এর পবিত্র স্থানগুলোও অন্তর্ভুক্ত, সেসব এলাকার ওপর ইসরাইলের কোনো সার্বভৌমত্ব নেই। এ বিষয়ে জাতিসংঘ ও ইউনেস্কোর সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রস্তাবনার কথাও উল্লেখ করেছে ওআইসি।
এদিকে, হেবরন চুক্তি বাতিল এবং নগর পরিকল্পনার কর্তৃত্ব পৌরসভার পরিবর্তে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের হাতে হস্তান্তরের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা। তারা এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ওআইসি পুনরায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ইব্রাহিমি মসজিদ ও হেবরনের পুরোনো শহরের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। সংস্থাটি উল্লেখ করে, ইউনেস্কোর ‘বিপদাপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্য’ তালিকাভুক্ত এই স্থানগুলো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ভূখণ্ড ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সূত্র: আল জাজিরা
এআরবি
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



ইরান যু’দ্ধে বড় পরাজয় হয়েছে নেতানিয়াহুর