ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সমঝোতা চুক্তির খসড়া পর্যালোচনার জন্য তেলআবিবের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে ওয়াশিংটন— এমন দাবি করেছে ইসরায়েলি গণমাধ্যম। ফলে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সই হতে যাওয়া বহুল আলোচিত চুক্তিটির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এখনো জানে না ইসরায়েল।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারক (MoU) দেখতে মার্কিন প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলেন ইসরায়েলি কর্মকর্তারা। তবে যুক্তরাষ্ট্র সেই অনুরোধ নাকচ করে দেয়। যদিও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র দাবি করেছে, তেলআবিব এমন কোনো অনুরোধই জানায়নি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনকে ‘ভুল’ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, আলোচনা প্রক্রিয়ার পুরো সময়জুড়ে ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চুক্তির প্রতিটি শব্দ নিজে পর্যালোচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে নথির বিস্তারিত কবে প্রকাশ করা হবে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি।
এদিকে ইরানি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সমঝোতা স্মারকে ১৪টি ধারা রয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এসব ধারার মধ্যে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল বা প্রত্যাহার, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে ইরান পুনর্গঠনের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি সই হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত ওয়াশিংটন ও তেহরান— কোনো পক্ষই চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি।
কেকে/ এমএস