logo
/অন্যান্য
জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে যুবদের মূল আলোচনায় রাখার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের - image

জলবায়ু অর্থায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরে যুবদের মূল আলোচনায় রাখার আহ্বান বিশেষজ্ঞদের

17 জুন 2026, বিকাল 6:30

অক্সফাম ইন বাংলাদেশ ও মিশন গ্রিন বাংলাদেশ-এর যৌথ উদ্যোগে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ অডিটরিয়ামে “Enabling Technology Transfer Negotiations for a Just Transition: Fair Climate Finance and Future Pathways” শীর্ষক একটি বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় দেশের শীর্ষস্থানীয় জলবায়ু বিজ্ঞানী, পরিবেশ অর্থনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক এবং দেশের ৮টি বিভাগ থেকে আগত যুব প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা একটি ন্যায়সঙ্গত জ্বালানি রূপান্তর (জাস্ট এনার্জি ট্রানজিশন) নিশ্চিত করতে জলবায়ু অর্থায়নে ঋণের বোঝা বন্ধ করে অনুদান নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় যুবদের কৌশলগত অংশগ্রহণের ওপর জোর দেন।প্রধান বক্তা হিসেবে দেশের প্রথিতযশা জলবায়ু বিজ্ঞানী এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত বৈশ্বিক জলবায়ু দায়বদ্ধতা এবং বাংলাদেশের দীর্ঘ দরকষাকষির অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “২০৫০ সালের মধ্যে কিরিবাতি বা টুভালুর মতো বহু উপকূলীয় ও দ্বীপরাষ্ট্র সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সম্পূর্ণ বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। অথচ উন্নত দূষণকারী দেশগুলো তাদের আর্থিক দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাচ্ছে। তরুণদের প্যারিস চুক্তির মূল স্তম্ভ-প্রশমন, অভিযোজন, অর্থায়ন, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরকে ধারণ করে তৃণমূল পর্যায়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নবায়নযোগ্য শক্তি নিয়ে কাজ করতে হবে। আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে কার্যকর দরকষাকষির জন্য চিৎকার নয়, বরং কৌশলগতভাবে কণ্ঠস্বর তুলতে হবে। এজন্য আইপিসিসি-এর ৬ষ্ঠ মূল্যায়ন প্রতিবেদন (IPCC-6) এবং ইউএনডিপি (UNDP)-এর বৈজ্ঞানিক তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার করা অপরিহার্য।” তিনি দেশের হাওরাঞ্চলের ফসল রক্ষায় আগাম সতর্কবার্তা এবং বাঁধ ব্যবস্থাপনার ওপরও বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।ইউল্যাব-এর স্কুল অব বিজনেস-এর ডিন অধ্যাপক সারওয়ার উদ্দিন আহমেদ জলবায়ু অর্থায়নের বৈষম্য ও ঋণ-ফাঁদ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “জলবায়ু অর্থায়নকে ঐতিহাসিকভাবে দাতব্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই, এটি আমাদের অধিকার। বর্তমানে প্রচলিত আন্তর্জাতিক ঋণগুলো কার্যকর তো হচ্ছেই না, উল্টো তা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ডলারের ঋণের ফাঁদে ফেলছে এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির কারণে এর সঠিক ব্যবহার ব্যাহত হচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, আমাদের সমস্যা আমাদেরই সমাধান করতে হবে। আন্তর্জাতিক ফোরামে জোরালো দরকষাকষির জন্য ক্ষতি ও ক্ষতিপূরণ (Loss and Damage), আইনি দায়বদ্ধতা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের মতো স্তম্ভগুলোর ওপর আমাদের জোর দিতে হবে।”জলবায়ু কূটনীতি ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর আলোকপাত করে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ (সিথ্রিইআর)-এর ডেপুটি ডিরেক্টর রউফা খানম যুবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “প্রযুক্তি হস্তান্তর মানে কেবল যন্ত্রপাতির আদান-প্রদান নয়, এটি হলো প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও টেকসই পদ্ধতির ভাগাভাগি। জলবায়ু কূটনীতি একটি চলমান প্রক্রিয়া, যেখানে সফল হতে হলে আমাদের তরুণদের আন্তর্জাতিক পরিভাষা এবং আইনি কাঠামো সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে হবে। তরুণদের কেবল সামাজিক আন্দোলন করলেই হবে না, বরং নীতিনির্ধারকদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে আইপিসিসি (IPCC) রিপোর্টের মতো বৈশ্বিক বৈজ্ঞানিক নথিপত্র পর্যালোচনা করে সরাসরি নীতি-নির্ধারণে প্রবেশ করতে হবে।”স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান মজুমদার সেশনের গভীর বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেন, “মাঠপর্যায়ের পরিবেশগত সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রকৃত প্রভাবগুলোকে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তুলে ধরার জন্য আমাদের তরুণদের নিখুঁত ডেটা মডেলিং এবং বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ ব্যবহার করতে হবে।”এর আগে কর্মশালার শুরুতে অক্সফাম ইন বাংলাদেশ-এর জলবায়ু নীতি বিশেষজ্ঞ এস. এম. সাইফী ইকবাল বৈশ্বিক জলবায়ু নীতি কাঠামো, প্যারিস চুক্তির কার্যকারিতা এবং বাংলাদেশের জাতীয় জলবায়ু কর্মপরিকল্পনার একটি সামষ্টিক চিত্র তুলে ধরেন। কর্মশালার সমাপনী বক্তব্যে অক্সফাম ইন বাংলাদেশ-এর ইনফ্লুয়েন্সিং, কমিউনিকেশনস, অ্যাডভোকেসি অ্যান্ড মিডিয়া (ICAM) প্রধান মো. শরিফুল ইসলাম কর্মশালার মূল শিক্ষণসমূহ সারসংক্ষেপ করেন এবং আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় যুবকদের দাবি আদায়ের একটি রূপরেখা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী যুব প্রতিনিধিদের মাঝে বিশেষ উপহার হিসেবে টবসহ গাছ বিতরণ করা হয়।উল্লেখ্য, এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মশালায় আরও উপস্থিত ছিলেন মিশন গ্রিন বাংলাদেশ (এমজিবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ও অক্সফামের এই প্রজেক্টের লিড ইয়ুথ কনসালটেন্ট আহসান রনিসহ বিভিন্ন পরিবেশবাদী ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও যুব প্রতিনিধিবৃন্দ।

জুন ১৭, ২০২৬

দুর্যোগে সর্তকবার্তা মানলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমবে

বাংলাদেশে প্রতিবছর মৌসুমি ও আকস্মিক বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, তাপদাহ, শৈত্যপ্রবাহ, অতিবৃষ্টি, খরা, নদীভাঙন ও ভূমিকম্পসহ নানা ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হতে হয়। উপকূলীয় অঞ্চলে পানি ও মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। একই সঙ্গে বজ্রপাতেও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে। তবে ঝড়, বন্যা, অতিবৃষ্টি ও বজ্রপাতের মতো দুর্যোগে আগাম সতর্কবার্তা প্রচার এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘দুর্যোগ বিষয়ক সতর্কতা’ শীর্ষক এক মিডিয়া সংলাপে বক্তারা এসব কথা বলেন। সংলাপটির আয়োজন করে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ও প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ।বক্তারা বলেন, দুর্যোগের আগাম সতর্কবার্তা যথাযথভাবে মেনে চললে ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কাছে সময়মতো আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা এবং সংবাদমাধ্যমকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক ফিরোজ চৌধুরী।প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যার ঘনত্ব এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। তিনি বলেন, বর্তমানে সংবাদমাধ্যম দ্রুততার সঙ্গে মানুষের কাছে দুর্যোগের আগাম বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। ১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে যেখানে লাখো মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল, সেখানে এখন সেই সংখ্যা ২০-এর নিচে নেমে এসেছে—যা আগাম সতর্কবার্তার কার্যকারিতার বড় উদাহরণ। তিনি আরও বলেন, কৃষি ফসল ও গবাদিপশুর ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কবার্তাকে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি মানুষ যেন সহজ ভাষায় সতর্কবার্তা বুঝতে পারে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে গেলে তাদের সম্পদের নিরাপত্তা নিয়েও আস্থা পায়—সে বিষয়েও গুরুত্ব দিতে হবে।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৩তম দুর্যোগপ্রবণ দেশ হলেও সম্মিলিত উদ্যোগে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে বহুমুখী ব্যবহারযোগ্য আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে, যেগুলো সাধারণ সময়ে বিদ্যালয় এবং দুর্যোগকালে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এসব কেন্দ্রে গবাদিপশু রাখার ব্যবস্থা, রান্নার সুবিধা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য উপযোগী শৌচাগারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। তবে অনেকেই সম্পদ ও গবাদিপশুর নিরাপত্তার উদ্বেগে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনাগ্রহ দেখান—তাই এসব সুবিধার তথ্য আরও ব্যাপকভাবে প্রচার করা প্রয়োজন।বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বন্যার সময় সংবাদমাধ্যম তথ্য জানতে বেশি যোগাযোগ করে। তবে বন্যার আগেই নিয়মিতভাবে আগাম সতর্কবার্তা প্রচার করা গেলে মানুষ প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সময় পায়।দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (প্রশাসন) ও যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ নাজমুল আবেদীন বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আগাম সতর্কবার্তা পাওয়ার পর আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষকে নেওয়ার কাজ করে তাঁর মন্ত্রণালয়। এ কাজে প্রায় ৮০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছেন। তবে মানুষ অনেক সময় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের ওপর বেশি আস্থা রাখে। তাই আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং আগাম সতর্কবার্তা প্রচারে সংবাদমাধ্যমকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর কবিতা বোস বলেন, দুর্যোগের প্রভাব সবার ওপর সমানভাবে পড়ে না। নারী, কিশোরী, বয়স্ক ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তাদের জন্য দুর্যোগপূর্ব সতর্কবার্তা ও দুর্যোগ-পরবর্তী সেবার নিশ্চয়তা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বজ্রপাতের আগাম সতর্কবার্তা ও করণীয় বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।স্বাগত বক্তব্যে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মো. মোমেনুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়ার পূর্বাভাস, আগাম সতর্কবার্তা এবং জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত তথ্য নিয়মিতভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সঠিক তথ্য যেমন প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে, তেমনি ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই সহজ ও বোধগম্য ভাষায় নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রচারে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।মিডিয়া সংলাপে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের ৫০ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।

জুন ১১, ২০২৬

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত’র ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী আজ

আজ ৩০ মে ২০২৬ শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লি. এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত’র ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী।গত ৩০ মে ২০২০ সালে করোনা আক্রান্ত হয়ে ঢাকা সিএমএইচ’এ দেশের এই কৃতী সন্তান ইন্তেকাল করেন এবং সেদিনই বিকালে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪ সালে ঢাকার নাখালপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত ব্যক্তি জীবনে একজন সফল উদ্যোক্তা, শিক্ষানুরাগী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ছিলেন। মাত্র ১৭ বছর বয়সে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধ শেষে অর্থনৈতিকভাবে ভঙ্গুর বাংলাদেশে কর্মমুখী শিক্ষার বাস্তবায়ন ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তিনি শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রা.) লি., দৈনিক আজকের প্রত্যাশা, শান্ত-মারিয়াম একাডেমি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম ইন্সটিটিউট অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, শান্ত-মারিয়াম স্কুল অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি এবং শিশু ও বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র শান্তনিবাসসহ একাধিক মসজিদ, মাদ্রাসা ও এতিমখানা প্রতিষ্ঠা করেন।দিবসটি উপলক্ষ্যে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস প্রাইভেট লিঃ এর চেয়ারম্যান ও শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য ডাঃ মোঃ আহসানুল কবির এবং শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান বরেণ্য চিত্রশিল্পী অধ‍্যাপক মোস্তাফিজুল হকের উদ্যোগে মরহুমের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, কোরআন খতম ও দোয়াসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করা হয়।/টিএ

মে ৩১, ২০২৬

এটিএন বাংলার হেড অব ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ সিদ্দিকীর বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ সিদ্দিক আর নেই

এটিএন বাংলার হেড অব ইঞ্জিনিয়ার ও ডিজিটাল-অনলাইন বিভাগের প্রধান রাশেদ সিদ্দীকির বাবা, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ সিদ্দিক আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন তিনি। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।পেশাগত জীবনে এম এ সিদ্দিক একজন স্বনামধন্য ব্যাংকার হিসেবে পরিচিত ছিলেন।মরহুমের জানাজার নামাজ আজ বাদ আসর রাজধানীর তাজমহল রোডস্থ মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে মোহাম্মদপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে, এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।/টিএ

মে ২৭, ২০২৬

বিজিএমইএ’র স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান পদে মাশরুকুর রহমান

বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)-এর স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান (মার্কেট ডেভেলপমেন্ট–কানাডা) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লেটেস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক জনাব মাশরুকুর রহমান।বিজিএমইএ জানিয়েছে, কানাডার বাজারে বাংলাদেশের পোশাক খাতের অবস্থান আরও শক্তিশালী করা, নতুন ক্রেতা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং রপ্তানি সম্ভাবনা বৃদ্ধি করাই এই কমিটির মূল লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে বাজার উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে কাজ করবেন মাশরুকুর রহমান।পোশাক শিল্পে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও দক্ষ নেতৃত্বের কারণে মাশরুকুর রহমান ইতোমধ্যে শিল্প সংশ্লিষ্ট মহলে সুপরিচিত। লেটেস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তিনি সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার নতুন দায়িত্ব দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।বিজিএমইএ’র স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে মাশরুকুর রহমানের নিয়োগে বিভিন্ন মহল থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এটিএন বাংলা পরিবারের পক্ষ থেকেও তাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়েছে।/টিএ

মে ১৪, ২০২৬

অশ্লীল ভিডিও আসক্তি, পরকাল ও ব্যক্তিজীবনে এর বিধ্বংসী প্রভাব

বর্তমান ডিজিটাল যুগে পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল ভিডিওর সহজলভ্যতা চারিত্রিক ও ধর্মীয় অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী, মহান আল্লাহ তাআলা প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল প্রকার অশ্লীলতাকে কঠোরভাবে হারাম করেছেন। পবিত্র কুরআনের সূরা আরাফে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যে, পাপাচার ও অন্যায়-অত্যাচার আল্লাহ পছন্দ করেন না। পরপুরুষ বা পরনারীর দিকে কামনাবাসনা নিয়ে তাকানো যেমন গুনাহ, তেমনি ছবি বা ভিডিওর মাধ্যমে অশ্লীলতা দেখা চোখের গুরুতর পাপ হিসেবে বিবেচিত।কিয়ামতের কঠিন দিনে মানুষের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। সূরা ইয়াসিন ও সূরা ইসরা-তে বর্ণিত হয়েছে যে, মানুষের কান, চোখ এবং অন্তঃকরণ—প্রত্যেকটি বিষয়েই সেদিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আজ যা গোপনে দেখা হচ্ছে, তওবা না করলে পরকালে সেই গোপনীয়তা ফাঁস হয়ে যাবে এবং হাত-পা আল্লাহর কাছে ব্যক্তির পাপের সাক্ষ্য প্রদান করবে। ফেরেশতারা প্রতিটি মুহূর্তের রেকর্ড রাখছেন, যা থেকে বাঁচার কোনো উপায় নেই।অশ্লীল ভিডিও দেখার কুফল কেবল পরকালেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি মানুষের ইহকালীন জীবনকেও বিষাক্ত করে তোলে। এর ফলে মানুষের অন্তর থেকে ঈমানের স্বাদ ও আল্লাহর ভীতি উঠে যায় এবং অন্তর শয়তানের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। আসক্ত ব্যক্তি মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা ও একাকীত্বে ভোগে। এটি তাকে ধীরে ধীরে জিনা-ব্যভিচার ও হস্তমৈথুনের মতো আরও বড় পাপাচারের দিকে ঠেলে দেয়, যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের চরম ক্ষতিসাধন করে।পারিবারিক জীবনেও এর প্রভাব অত্যন্ত ভয়াবহ। বিবাহিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর স্বাভাবিক সম্পর্কে ফাটল ধরে এবং পরকীয়ার মতো সামাজিক ব্যাধি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। অশ্লীলতায় অভ্যস্ত হওয়ার ফলে হালাল জীবনসঙ্গীও অপছন্দনীয় হয়ে উঠতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত সংসার ভাঙার কারণ হয়। এর ফলে ইবাদত-বন্দেগিতে অনীহা তৈরি হয় এবং ব্যক্তি ধীরে ধীরে দ্বীন থেকে দূরে সরে গিয়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়।তবে প্রচলিত একটি ধারণা যে, পর্নোগ্রাফি দেখলে পরকালে কোনো আমলই কাজে আসবে না বা সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে—এটি সঠিক নয়। এটি বড় গুনাহ হলেও শিরক বা কুফরি নয় যে সব নেক আমল ধ্বংস হয়ে যাবে। এই পাপ থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো একনিষ্ঠভাবে তওবা করা, অশ্লীলতার সকল মাধ্যম থেকে দূরে থাকা এবং ইবাদত ও সৎকাজে নিজেকে মগ্ন রাখা। আল্লাহ আমাদের এই ফিতনা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

এপ্রিল ২২, ২০২৬

সতিকসাসের আয়োজনে সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে সাংবাদিকতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করেছে সরকারী তিতুমীর কলেজ সাংবাদিক সমিতি (সতিকসাস)। কর্মশালায় শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে সাংবাদিকতার হাতেখড়ি লাভ করেন।আজ বুধবার (১৫ এপ্রিল) কলেজের অডিটোরিয়ামের পাঠকক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বেসিক জার্নালিজম, শুদ্ধ উচ্চারণ ও স্ক্রিপ্ট রাইটিং; মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম ও নিউমিডিয়া; ক্যাম্পাস রিপোর্টিং ও ফিচার রাইটিং; টেলিভিশন রিপোর্টিং এবং ফটো সাংবাদিকতার উপর প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।কর্মশালায় বেসিক জার্নালিজম, শুদ্ধ উচ্চারণ ও স্ক্রিপ্ট রাইটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আবিদ আজম, মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম ও নিউমিডিয়া বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন এটিএন বাংলার ডিজিটাল ও অনলাইন নিউজ এডিটর আল ইমরান, ক্যাম্পাস রিপোর্টিং ও ফিচার রাইটিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিজনেস চিফ মানিক মুনতাসীর। এছাড়াও ফটো সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ দেন প্রথম আলোর ডেপুটি হেড অফ ফটোগ্রাফি সাজিদ হোসেন ও টেলিভিশন রিপোর্টিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন একাত্তর টেলিভিশনের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সবুজ মাহমুদ। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।/টিএ

এপ্রিল ১৫, ২০২৬

সারাদেশে প্রতিনিধি নিয়োগ দিচ্ছে এটিএন বাংলা ডিজিটাল-অনলাইন

দেশের অন্যতম জনপ্রিয় গণমাধ্যম এটিএন বাংলা ডিজিটাল অনলাইন-এ সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দক্ষ ও সৃজনশীল প্রতিনিধি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। পদের নাম ও কর্মস্থল• পদের নাম: জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি।• কর্মস্থল: নিজ জেলা বা উপজেলা।আবেদনের যোগ্যতা প্রার্থীদের কেবল সংবাদ সংগ্রহ নয়, বরং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিভিন্ন কারিগরি দিকগুলোতেও দক্ষ হতে হবে:• বাচনভঙ্গী: শুদ্ধ উচ্চারণ ও ক্যামেরার সামনে সাবলীলভাবে কথা বলার দক্ষতা (ক্যামেরা ফ্রেন্ডলি স্মার্ট প্রেজেন্টেশন)।• সৃজনশীলতা: নিউজ স্ক্রিপ্ট রাইটিং এবং চমৎকার স্টোরি টেলিংয়ের ক্ষমতা।• প্রযুক্তিগত দক্ষতা: মোবাইল জার্নালিজম (মোজো), ক্যামেরা পরিচালনা এবং ভিডিও এডিটিংয়ে পারদর্শী হতে হবে।• শিক্ষাগত যোগ্যতা: ইউজিসি (UGC) অনুমোদিত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ন্যূনতম স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি।• বয়সসীমা: ২৫ থেকে ৪০ বছর।আবেদন প্রক্রিয়াআগ্রহী প্রার্থীদের জীবনবৃত্তান্ত (CV) ইমেইলের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।• ইমেইল ঠিকানা: careeratnbangla.do@gmail.com• আবেদনের শেষ সময়: ২০ এপ্রিল, ২০২৬। 

এপ্রিল ১১, ২০২৬

বাংলাদেশের শিল্প ও সমাজ উন্নয়নের অন্যতম ব্যক্তিত্ব সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

দেশের অর্থনীতি, শিল্প এবং সমাজসেবায় অনন্য অবদান রাখা অন্যতম প্রতিভাবান শিল্পপতি সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী’র প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী ১২ মার্চ পরিবার, শুভানুধ্যায়ী এবং সহকর্মীদের সান্নিধ্যে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে।এপেক্স ফুটওয়্যার লিমিটেড প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের লেদার শিল্পকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ও পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের মতো প্রতিষ্ঠান তৈরিতেও তাঁর অবদান অনবদ্য।একজন সফল উদ্যোক্তা হওয়ার পাশাপাশি তিনি ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে যোগাযোগ, নৌপরিবহন পরিবহনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অত্যন্ত সফলতার সাথে পালন করেন।অবিভক্ত বাংলার প্রধান বিচারপতি স্যার সৈয়দ নাসিম আলীর সন্তান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী কেবল ব্যবসাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, সানবিমস স্কুল, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির মতো অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনের উন্নয়নে তিনি নিরলস কাজ করে গেছেন।তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সততা ও অসামান্য অবদান বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী সমাজের কাছে চিরকাল এক অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে। প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে জাতি তাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে।/টি

মার্চ ১৫, ২০২৬

গণমাধ্যম ভিডিও এডিটরস অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক রাফিদ, সদস্য সচিব সুজন

উৎসবমুখর আয়োজনের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ করলো দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ভিডিও এডিটরদের সংগঠন ‘গণমাধ্যম ভিডিও এডিটরস অ্যাসোসিয়েশন’।গতকাল শুক্রবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি রিসোর্টে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠান ও ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে সর্বসম্মতিতে রাফিদ বিল্লাহকে আহ্বায়ক ও সুজন শর্মাকে সদস্য সচিব করে একটি আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোরের হেড অব ডিজিটাল যাকারিয়া ইবনে ইউসুফ, দৈনিক যুগান্তরের হেড অব মাল্টিমিডিয়া অমিত হাসান রবিন, এনপিবি নিউজের হেড অব ডিজিটাল আকরাম হোসেন এবং কিডস ক্রিয়েশন টিভির ব্রডকাস্ট ইনচার্জ হাবিবুল্লাহ সিকদার।অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান ডিজিটাল যুগে গণমাধ্যমের প্রতিটি সংবাদ ও কন্টেন্ট উপস্থাপনায় ভিডিও এডিটরদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিডিও এডিটরদের সৃজনশীল শ্রমের মাধ্যমেই একটি সংবাদ বা প্রতিবেদন পূর্ণতা পায়।এ সংগঠনের মাধ্যমে এডিটরদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।আহ্বায়ক কমিটি: সংগঠনটি পরিচালনার জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক যুগান্তরের রাফিদ বিল্লাহ ও সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দৈনিক বাংলাদেশ মিডিয়ার সুজন শর্মা।কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন শিপন আহমেদ (কালের কণ্ঠ), শাহারিয়ার হৃদয় (যমুনা টিভি), জাহিদ হাসান লিমন (এনপিবি নিউজ), সাব্বির আহমেদ তনু (রাইজিংবিডি.কম), নজরুল ইসলাম (দৈনিক সংগ্রাম), ইসমাইল হোসাইন (কাজী টিভি) এবং সাগর পন্ডিত (প্রথম আলো)।কমিটির সদস্যরা হলেন– তুষার আহমেদ (বাংলাদেশ প্রতিদিন), শতাব্দী শুভ (নিউজ ২৪), জহিরুল ইসলাম (ডিবিসি নিউজ), গোপাল চন্দ্র (যমুনা টিভি), মো. রাসেল (এটিএন বাংলা), আবিদ মিয়া (বাংলাদেশ প্রতিদিন), শাকিল আহম্মেদ (ইত্তেফাক), আব্দুর রহিম (কালের কণ্ঠ), নাজমুল হোসাইন নয়ন (বাংলাদেশ প্রতিদিন), মুরসালিন ইসলাম (দৈনিক যুগান্তর), এ এইচ এম রিদুয়ান (দৈনিক যুগান্তর), আশিকুর রহমান (দৈনিক যুগান্তর), রহিম সোহাগ (বাংলানিউজ২৪), সাইফুল ইসলাম (এটিএন বাংলা), রুম্মান বিল্লাহ (এটিএন বাংলা), জয় চন্দ্র (দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড), জহিরুল কায়সার তালুকদার (নাগরিক টিভি), জহিরুল ইসলাম তুফান (চ্যানেল ২৪), রাব্বি হোসাইন (কালের কন্ঠ), হাসিবুর রহমান (ঢাকা পোস্ট), জুবলী আক্তার (দৈনিক সমকাল) ও মুহাম্মদ তাশরিফ (টাইমস টুডে)।/টি

মার্চ ১৪, ২০২৬

গভর্নরকে নিয়ে অপব্যাখ্যা ও অপপ্রচার করা হচ্ছে: হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ

গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব পওয়ার পর থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার চলছে। কেউ কেউ অপব্যাখ্যা দিয়ে বলছেন নতুন গভর্নর দায়িত্ব পেয়েই ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদান করেছেন। তবে এই তথ্য মোটেও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেছেন এটিএন বাংলার বার্তা বিভাগের পরিচালক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। মূলত মোস্তাকুর রহমান গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পাবার আগেই পূর্বের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সময় ন্যাশনাল ব্যাংক ও এবি ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা করে মোট ২ হাজার কোটি টাকা, প্রিমিয়ার ব্যাংককে ৫ হাজার কোটি টাকা এবং এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, এসআইবিএল, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংককে ৪০ হাজার কোটি টাকা তারল্য সুবিধা প্রদান করা হয়। ৫ আগস্টের পরে বিভিন্ন ব্যাংককে ৫১ হাজার কোটি টাকার উপরে এই তারল্য সুবিধা দেয়া হয়। যেহেতু সরকারদলীয় মন্ত্রীপরিষদের একজন সদস্য ন্যাশনাল ব্যাংকের পর্ষদে  ছিলেন তাই গভর্নরের বিরুদ্ধে এই অপপ্রচার করা হচ্ছে। মূলত পূর্বের গভর্নর দায়িত্বে থাকাকালীন অবস্থায় ন্যাশনাল ব্যাংক এবং এবি ব্যাংক এই দুটি ব্যাংকে ১ হাজার কোটি টাকা করে মোট ২ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদানের অনুমোদন দেয়া হয়। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ব্যাংক দুটিকে ২৫০ কোটি টাকা করে ৫০০ কোটি টাকা এবং ১৫ ফেব্রুয়ারি ৭৫০ কোটি টাকা করে ১৫০০ কোটি টাকাসহ মোট ২ হাজার কোটি টাকা ছাড়করণ করা হয়। অথচ বর্তমান গভর্নর দায়িত্বে যোগদান করেন ২৬ ফেব্রুয়ারি। অর্থাৎ বহুল আলোচিত ন্যাশনাল ব্যাংককে দেয়া ১ হাজার কোটি টাকা বর্তমান গভর্নের নিয়োগের অনেক আগেই দেয়া হয়েছিলো। একইসময় এবি ব্যাংককেও ১ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছিলো। তাহলে দেখা যাচ্ছে নতুন গভর্নর নিয়োগ পেয়েই ন্যাশনাল ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকা যে তারল্য সহায়তা করেছে এই তথ্য সঠিক নয়। এটি শুধুমাত্র ভুল বুঝে নবনিযুক্ত গভর্নরকে টেগিং করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অপব্যাখ্যা ও তাকে অবমূল্যায়ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানকে নিয়ে এ ধরনের অপপ্রচার চালতে থকলে তা হবে তার প্রতি অবিচারের সামিল।

মার্চ ০৭, ২০২৬

বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনতে হবে: হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ

এটিএন বাংলার বার্তা বিভাগের পরিচালক হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেছেন, ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনা জরুরী। ব্যবসায়ীসহ সর্বস্থরের মানুষের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার করা উচিত। ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ঢালাও মামলা, দেশে ফিরে ব্যবসা পরিচালনা করতে না পারা, ব্যাংক হিসাব জব্দকরাসহ নানা কারনে ব্যবসা—বাণিজ্য ও বিনিয়োগে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসায়ীদের আস্থায় আনা অত্যাবশ্যক। তা না হলে মধ্যপ্রচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনর্গঠন করা সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
footer small logo

Design & Developed by:

developed-company-logo