logo
/রাজনীতি
বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী - image

বুধবার মৌলভীবাজার যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

16 জুন 2026, বিকাল 3:48

‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন উপলক্ষে আগামীকাল বুধবার (১৭ জুন) মৌলভীবাজার সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসন ও বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পরে তিনি দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক সভায় যোগ দেবেন। এ সফরকে ঘিরে প্রশাসন ও রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে।প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং অবকাঠামোগত প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল সড়ক ও সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের দুই পাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার করা হচ্ছে। পাশাপাশি জেলা সার্কিট হাউসের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জেলা শহর ও শ্রীমঙ্গল শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করার কাজও চলছে। প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহৃত সড়কগুলোর আশপাশ পরিষ্কার ও প্রয়োজনীয় মেরামতও করা হচ্ছে।এ ছাড়া সমাবেশস্থল হিসেবে নির্ধারিত ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এবং মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মঞ্চ নির্মাণ ও সংস্কারকাজ চলছে। জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যানের আগমনকে কেন্দ্র করে দলটির নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। জেলা বিএনপির নেতাদের ভাষ্য, তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব আয়োজন ইতোমধ্যে শেষ করা হয়েছে।/টি

জুন ১৬, ২০২৬

জনগনের প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন জাতিকে সামনে রেখে এবং বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে  ।তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।আমির খসরু বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।/টিএ 

জুন ১১, ২০২৬

ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠক অত্যন্ত আন্তরিক, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়।সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কাউন্সেলর এরিক গিলান এবং রাজনৈতিক কর্মকর্তা হারমানোশি বার্নার্ড উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে খোলামেলা মতবিনিময় করেন।বৈঠকের আলোচনায় নির্বাচন-পরবর্তী দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি আসন্ন জাতীয় বাজেট, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।এছাড়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের বিকাশ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।বৈঠকে বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা টিমের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা বৈঠককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতবিনিময়ের একটি ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।/টি

জুন ১০, ২০২৬

তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখি: মির্জা ফখরুল

তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখি: মির্জা ফখরুলস্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে জিয়াউর রহমানের প্রতিচ্ছবি দেখতে পাই। আশা করি, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সংবাদপত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম থেকে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা করেছিলেন।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমরা আধিপত্যবাদের বাইরে গিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াব, দেশের মানুষ এখন সেই বাংলাদেশ দেখতে চায়। তথ্যও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা ও নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব পক্ষকে সমন্বয়ের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মিত্রদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়েছিলেন। পাশাপাশি গার্মেন্টস শিল্পের বিকাশ এবং জনশক্তি রপ্তানির মাধ্যমে অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছিলেন।এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক অবদানভিত্তিক সংবাদপত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন। প্রদর্শনীতে তার রাজনৈতিক জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনা এবং দেশের উন্নয়নে অবদান সংবলিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন, আলোকচিত্র ও দলিল উপস্থাপন করা হয়।এফ/এইচ 

জুন ০৪, ২০২৬

সাবেক পাঁচবারের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ আর নেই

সাবেক পাঁচ বারের সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহ আর নেইআওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ও ঢাকার পাঁচবারের এমপি এ কে এম রহমতুল্লাহ মারা গেছেন।দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এ রাজনীতিবিদ বুধবার ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে মারা যান; তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন প্রভাবশালী এক নাম।স্কয়ার হাসপাতালের কাস্টমার সার্ভিসে ফোন করলে মিজানুর নামে একজন বলেন, ভোরে মারা গেছেন এ কে এম রহমতুল্লাহ। সকালেই পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে লাশ নিয়ে গেছেন।রহমতুল্লাহর ভাগ্নে ফারুক হোসাইন বলেন, আজ রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে তিনি মারা যান| খবর পাওয়ার পর হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ বাড্ডার বেরাইদের নিজের বাসভবনে আনা হয়েছে।বুধবার বিকেল ৪টায় রেরাইদ মাঠে জানাজার পর বেরাইদ কবরস্থানে রহমতুল্লাহকে দাফন করা হবে বলে জানান ফারুক। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করা রহমতুল্লাহ জন প্রতিনিধি হয়ে সংসদে গেছেন পাঁচবার। ১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তিনি তৎকালীন ঢাকা-৫ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি এমপি হন তৎকালীন ঢাকা-৫ আসন থেকে। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ঢাকা-১০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন রহমতুল্লাহ। ২০১৪ সালের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।এরপর ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচিত হন তিনি।এফ/এইচ

জুন ০৩, ২০২৬

বিএনপি কর্মসংস্থান তৈরির সরকার, ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যের আহ্বান রিজভীর

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বিএনপি কখনো বেকারত্ব সৃষ্টি করেনি, বরং কর্মসংস্থান তৈরির রাজনীতি করেছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমল থেকেই বিদেশে কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।সোমবার (১ জুন) দুপুরে রাজধানীতে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্পে নারীদের কর্মসংস্থান ও ক্ষমতায়নের সুযোগ তৈরি করে তিনি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন।এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের একটি বিশাল জাল তৈরি করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষায় জনগণের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জাতীয় স্বার্থে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।রিজভীর দাবি, একটি রাজনৈতিক দল পরিকল্পিতভাবে উসকানি দিয়ে দেশে মব কালচারের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে অপপ্রচার ও কুৎসা রটানো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং এসব কর্মকাণ্ড গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য ক্ষতিকর।বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা আরও বলেন, কিছু দলের “বটবাহিনী” মব কালচারকে উৎসাহিত করে গণতন্ত্রবিরোধী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতের মতো আবারও ফ্যাসিবাদী শক্তির উত্থান ঘটলে এবং বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা করা হলে তার পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সময় থাকতে সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।/টিএ

জুন ০১, ২০২৬

জিয়া উদ্যানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ঢল

দলের প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জিয়া উদ্যানে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকেই দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন।শনিবার বেলা সাড়ে ১১টায় জিয়াউর রহমানের সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে সুরা ফাতিহা পাঠ করেন এবং বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল ১০টা থেকেই জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিল ও স্লোগান দিতে দিতে জিয়া উদ্যানের আশপাশের এলাকায় অবস্থান নেন।অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এজে এম জাহিদ হোসেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।এ ছাড়া বিএনপি ও সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারাও কর্মসূচিতে অংশ নেন। দলীয় সূত্র জানায়, জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাঁর অবদান স্মরণ করতেই এ আয়োজন করা হয়।/টি

মে ৩০, ২০২৬

ভেদাভেদ ভুলে দেশের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের

পবিত্র কোরবানির ঈদ উপলক্ষে ভেদাভেদ ভুলে জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজন ভুলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের নামাজ শেষে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে তিনি ঠাকুরগাঁও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে ঈদের জামাতে অংশ নেন এবং স্থানীয় মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।মির্জা ফখরুল বলেন, ঈদুল আজহা ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এই শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত জীবনে নয়, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত। তিনি বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, স্থিতিশীলতা ও কল্যাণ কামনা করেন।তিনি আরও বলেন, কোরবানির মাধ্যমে মানুষের ভেতরের হিংসা, বিদ্বেষ ও অকল্যাণ দূর করার শিক্ষা পাওয়া যায়। একই সঙ্গে সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতার ভিত্তিতে একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।ঈদের আগে দেওয়া বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব বলেন, সমাজে বিদ্যমান অসাম্য ও বঞ্চনা দূর করতে হলে সবাইকে মানবিক মূল্যবোধ ও দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। বিশেষ করে দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। /টি 

মে ২৮, ২০২৬

ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া

রাজপথের আন্দোলন, একের পর এক মামলা, রিমান্ডের বিভীষিকাময় অভিজ্ঞতা এবং দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সক্রিয়তা সব মিলিয়ে বিএনপির ছাত্ররাজনীতিতে আলোচিত এক নাম মোঃ সোহাগ ভূঁইয়া। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল-এর ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন জোর আলোচনা, আসন্ন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন এই ছাত্রনেতা।দলীয় সূত্র, ছাত্রদল ও যুবদলের একাধিক নেতাকর্মীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা সোহাগ ভূঁইয়া প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর আস্থাভাজন তরুণ নেতাদের একজন হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বিশেষ করে সরকারবিরোধী আন্দোলন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং সাংগঠনিক তৎপরতায় ধারাবাহিক উপস্থিতি তাকে যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদের আলোচনায় নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।কুমিল্লার সন্তান সোহাগ ভূঁইয়ার রাজনৈতিক উত্থান মূলত রাজধানীকেন্দ্রিক ছাত্ররাজনীতি ঘিরে। বিএনপি'র বিগত দিনে ২০১৩-১৪ সালে হরতাল অবরোধ কর্মসূচিতে তার রাজপথের অবদান ছিল ব্যাপক যার কারণে তিনি প্রথম  আলোচনায় আসেন। শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার সাংগঠনিক পরিচিতি তৈরি হয়। এরপর তিনি ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সর্বশেষ সভাপতি নির্বাচিত হন। ছাত্রদলের ঢাকা মহানগরের পুনর্গঠিত কমিটিগুলোতে ধারাবাহিকভাবে তার অবস্থান শক্তিশালী হয়েছে বলে দলীয় নেতারা মনে করেন।২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ঘোষিত ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের আংশিক কমিটিতে সভাপতি হিসেবে সোহাগ ভূঁইয়ার নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। ওই কমিটি ঘোষণার পর থেকেই রাজধানীর ছাত্ররাজনীতিতে তার প্রভাব আরও দৃশ্যমান হয়ে ওঠে।আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে সোহাগ ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে ৭৬টিরও বেশি মামলা দায়ের করা হয়। আন্দোলন-সংগ্রামের বিভিন্ন সময় তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার ও রিমান্ডেও নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তার সহকর্মীরা। বিশেষ করে রাজধানীতে বিএনপি ও ছাত্রদলের অবরোধ, বিক্ষোভ ও মিছিলকেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলোতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি “মাঠের কর্মী” হিসেবে পরিচিতি পান।২০১৮ সালে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বহুল আলোচিত পুলিশের সাথে সংঘর্ষের সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোহাগকে গ্রেফতার করতে তার পরিবারের উপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নির্মম নির্যাতন নিপীড়ন করেন।তাকে গ্রেফতার করতে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে তার পরিবারের ২১ সদস্যকে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গ্রেপ্তার পরবর্তী পাঁচ দিন তাকে গুম করে রাখা হয়, ডিবি কার্যালয়ে রিমান্ডে থাকার একটি অভিজ্ঞতা সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় আসে। সেসময়ের এক সহযোদ্ধা ছাত্রদল নেতা তার স্মৃতিচারণে উল্লেখ করেন, কীভাবে দিনের পর দিন আতঙ্ক, মানসিক চাপ ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে সময় কাটাতে হয়েছিল তাদের। তিনি দাবি করেন, একদিন সকালে সোহাগকে আলাদা করে নিয়ে গেলে সহবন্দিরা আশঙ্কা করেছিলেন তিনি হয়তো আর জীবিত ফিরবেন না। পরে অসুস্থ অবস্থায় তাকে ফেরত আনা হয়। সেই ঘটনার পর অনেক নেতাকর্মীর কাছে “ত্যাগী ও নির্যাতিত ছাত্রনেতা” হিসেবেই পরিচিতি আরও জোরালো হয়।দলীয় সুত্র মতে জানা যায়,  সোহাগ ভূঁইয়া দশ বারের অধিক কারাবরণ করেন এবং দশ বছর তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত মামলায়ও তিনি কারাবাস করেছিলেন।২০২২ সালের ৭ই ডিসেম্বর বিএনপি'র পার্টি অফিস থেকে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি গ্রেফতার হয়েছিলেন, ২০২৩ সালের ২৯ জুলাই ও ২৮শে অক্টোবর তার ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মত এবং হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে দলের সমস্ত কর্মসূচি পালনে তার ভূমিকা ছিল অসীম। এছাড়াও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শাহবাগ, খিলগাঁও, রামপুরা সহ বিভিন্ন স্থানে তিনি রাজপথে সম্মুখ সারীতে থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন করেছেন। রাজধানীর কাকরাইলে আন্দোলন করা অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন, যে কারণে জুলাই আন্দোলনে বিভিন্ন মহলে তিনি আলোচিত ছাত্রনেতা। ‌রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপির বর্তমান রাজনীতিতে দীর্ঘদিন রাজপথে থাকা এবং নির্যাতনের শিকার নেতাদের মূল্যায়ন বাড়ছে। বিশেষ করে ছাত্রদল থেকে উঠে আসা নেতাদের যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ পদে আনার বিষয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি চিন্তাভাবনা রয়েছে। আর সেই হিসাব-নিকাশেই সোহাগ ভূঁইয়ার নাম এখন আলোচনার কেন্দ্রে।ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমেও তাকে সরব দেখা গেছে। সম্প্রতি মহানগর পূর্বের আওতাধীন একাধিক ইউনিটের সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ও পুনর্গঠনে তার ভূমিকার খবর প্রকাশিত হয়। এছাড়া ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, গ্রেপ্তার-নির্যাতনের প্রতিবাদে মিছিল এবং মাঠকেন্দ্রিক কর্মসূচিতেও নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে তাকে।যুবদলের সম্ভাব্য কমিটি নিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কেন্দ্র এবার এমন নেতৃত্ব খুঁজছে যারা একইসঙ্গে মাঠে সক্রিয়, সাংগঠনিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা বাস্তবায়নে দক্ষ। সেই বিবেচনায় সোহাগ ভূঁইয়াকে সাধারণ সম্পাদক পদের অন্যতম শক্ত দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছে।তবে যুবদলের রাজনীতিতে একাধিক সাবেক ছাত্রনেতা ও পুরনো যুবদল নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে। ফলে শেষ পর্যন্ত কার ভাগ্যে গুরুত্বপূর্ণ পদ জোটে, তা নির্ভর করবে বিএনপির হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর। তারপরও রাজনৈতিক অঙ্গনের হিসাব-নিকাশে এবং তৃণমূলের আলোচনায় এখন অন্যতম আলোচিত নাম সোহাগ ভূঁইয়া।এই বিষয়ে জানতে চাইলে সোহাগ ভূঁইয়া জানান দল চাইলে আমাকে যে দায়িত্ব দেবেন ইনশাল্লাহ সেটি আমি যথাযথভাবে এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করার চেষ্টা করব। তবে সর্বক্ষেত্রে দলীয় সিদ্ধান্ত আমার কাছে সবচেয়ে বড়। তাছাড়া পদ পদবীর বিষয়ে দলীয় হাই কমান্ড মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি আমার সম্পূর্ণ আস্থা আছে তিনি এ বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিবেন সেটাই চূড়ান্ত।

মে ২৬, ২০২৬

ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতি, আওয়ামী লীগের ২৯ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর ধানমন্ডি ও শেরেবাংলা নগর এলাকায় ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ২৯ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২২ মে) বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, ধানমন্ডি-৩২ ও আশপাশের এলাকায় ২৩ জন এবং শেরেবাংলা নগরে আরও ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে বিভিন্ন জেলার ও উপজেলা পর্যায়ের যুবলীগ নেতাও রয়েছেন।পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা বড় ধরনের মিছিলের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এবং সেখানে রাজনৈতিক কর্মসূচির পরিকল্পনাও ছিল। এ ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং গ্রেপ্তারদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই ও আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।

মে ২৩, ২০২৬

শিশু নির্যাতন বাড়ছে নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে: মির্জা ফখরুল

দেশে বাড়তে থাকা শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে ভয়াবহ নৈতিক অবক্ষয়ের ফল বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, এসব ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিনের সামাজিক অবক্ষয়, দায়িত্বহীনতা ও মানবিক মূল্যবোধের পতনের কারণেই এমন অপরাধ বাড়ছে।মির্জা ফখরুল বলেন, শুধু আইন বা সরকারের উদ্যোগ দিয়ে এই সমস্যা মোকাবিলা সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন। পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, গণমাধ্যম ও সমাজের সব মানুষকে একসঙ্গে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।তিনি আরও বলেন, শিশুদের মানবিকতা, দায়িত্ববোধ ও নারীর প্রতি সম্মান শেখাতে হবে। নিরাপদ বাংলাদেশ গড়তে শিশুদের নিরাপত্তাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানে দেশের ভবিষ্যৎকে নিরাপদ করা। /টিএ 

মে ২১, ২০২৬

বিএনপিসহ ২৩ দলকে সময় বেঁধে দিল নির্বাচন কমিশন

আগামী ১৩ জুনের মধ্যে বিএনপিসহ ২৩ দলকে সময় বেঁধে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সময়ের মধ্যে দলগুলোকে ভোটের ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে নির্বাচন কমিশনে।গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।তিনি বলেন, নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব যেসব দল জমা দেয়নি, তাদেরকে ১৩ জুন পর্যন্ত সময় দিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।যে দলগুলোকে চিঠি দিয়েছে ইসি- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (বিএমএল), গণতন্ত্রী পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণফোরাম, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি), নাগরিক ঐক্য, গণসংহতি আন্দোলন, গণফ্রন্ট, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), ইসলামী ঐক্যজোট, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, আমজনতার দল, বাংলাদেশ সমঅধিকার পার্টি (বিইপি), বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি।/টি 

মে ২০, ২০২৬
footer small logo

Design & Developed by:

developed-company-logo