Logo
Logo
×

অনুসন্ধান

গোপন ক‍্যামেরায় প্রকাশ পেলো বিআইডব্লইউটিএর প্রধান কার্যালয়ে ঘুষের লেনদেন

জুলকারনাইন সায়ের

জুলকারনাইন সায়ের

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:১৬ পিএম

গোপন ক‍্যামেরায় প্রকাশ পেলো বিআইডব্লইউটিএর প্রধান কার্যালয়ে ঘুষের লেনদেন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) প্রধান কার্যালয়ে (যা মতিঝিলে অবস্থিত) ঘুষের লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। গত ২৭ জুলাই গোপন ক্যামেরায় ধারণ করা ওই ঘুষের লেনদেনের ভিডিও বাংলা আউটলুকের হাতে এসেছে। অনুসন্ধানে ওই ভিডিও সত্যতাও পাওয়া গেছে।

ভিডিও ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিআইডব্লিউটিএর নৌ সংরক্ষণ এবং পরিচালন বিভাগের জ্বালানি তেলের ঠিকাদারি কাজ দেওয়ার বিনিময়ে উৎকোচ লেনদেনে জড়িত ব্যক্তিরা হলেন টেন্ডার কমিটির আহ্বায়ক অতিরিক্ত পরিচালক আব্দুর রহিম এবং নারায়ণগঞ্জ শাখার সিপিএস ওবায়দুল করিম খান। তাঁরা বিআইডব্লিউটিএ ভবনে একজন ঠিকাদারকে চাপ দিচ্ছেন বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার ভগ্নিপতি (কাজিনের স্বামী) বীনাকে ঠিকাদারি কাজের লভ্যাংশের তিন ভাগের ক ভাগ দেওয়ার জন্যে। মূলত এই চক্র ঠিকাদারদের আর্থিক লেনদেনের বিনিময়ে কাজ পাইয়ে দেয় এবং কাজ দেওয়ার পর নিজেদের টাকা এভাবেই আদায় করে নেয়। 


অনুসন্ধানে নিশ্চিত হওয়া গেছে, এই বীনা এবং নৌ সংরক্ষণ এবং পরিচালন বিভাগের পরিচালক (ডিসিপি) মো. শাহজাহান এবং উপরে উল্লিখিত দুই কর্মকর্তার চক্র মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন অযোগ্য প্রতিষ্ঠানকে কাজ পাইয়ে দেন। বিআইডব্লিউটিএ ভবনে বীনা সংস্থাটির চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফার ভগ্নিপতি হিসেবেই পরিচিত এবং এই পরিচয় ব্যবহার করেই তিনি ও তাঁর চক্রে সদস্যরা বিআইডব্লিউটিএ ঘিরে রীতিমতো এক দুর্নীতির আখড়া পরিচালনা করছেন। 

এ বিষয়ে জানতে কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বীনা তাঁর 'কাজিনের স্বামী' এবং তিনি গতবছর তাঁকে দেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, তখন বীনা ক্যান্সার আক্রান্ত ছিলেন। তাই তিনি কাজ দেওয়ার চেষ্টা করবেন এমন কিছু হয়তো বলেছেন। কিন্তু বর্তমানে তাঁর সাথে বীনার কোনো যোগাযোগ নেই বলে দাবি করেন তিনি। বীনার এ ধরনের অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন