ইরানি প্রতিনিধিদলের পর এবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দল। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্ব দিলেও এখন পর্যন্ত পৌঁছেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বন্ধু ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনার। তবে ভ্যান্স এখনো পৌঁছাননি।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের সূত্রগুলো জানিয়েছে—স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার ইরানের সঙ্গে আলোচনা করতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মার্কিন আলোচক দলকে বহনকারী একটি বিমান পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে অবতরণ করেছে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই আলোচনা ‘মেক অর ব্রেক’ বা চূড়ান্ত মোড় ঘোরানো মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে, ইরানি প্রতিনিধিদলের বিমান পাকিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করার সময় তাদের চারদিক ঘিরে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। এতে ছিল এডব্লিউএসিএস আগাম সতর্কতা বিমান, ইলেকট্রনিক যুদ্ধবিমান এবং যুদ্ধবিমান, যারা ইরানি প্রতিনিধিদের ইসলামাবাদ পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছে দেয়।
ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর তাদের অভ্যর্থনা জানান—দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। রাজধানীর বাণিজ্যিক কেন্দ্র ব্লু এরিয়া দিয়ে যাওয়া দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়কটি এখন পুরোপুরি স্থবির। সরকার দুই দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে, আর মোতায়েন করা হয়েছে ১০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য।
বিমানবন্দর থেকে ইরানি প্রতিনিধিদল যখন শহরের দিকে রওনা দেয়, তখন তাদের নিরাপত্তা দেয় পাকিস্তানের এলিট কমান্ডো ইউনিট স্পেশাল সার্ভিসেস গ্রুপ। ইসলামাবাদ স্থানীয় সময় সকাল ১০টার কিছু পর, মেঘলা আকাশের নিচে ইসলামাবাদ প্রস্তুত সেই বহুল প্রতীক্ষিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার জন্য।

