Logo
Logo
×

আন্তর্জাতিক

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা: রয়টার্স

ডেস্ক রিপোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম

চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে আবারও আলোচনায় বসতে পারে।  সম্ভাব্য এই বৈঠকও অনুষ্ঠিত হতে পারে ইসলামাবাদে। দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের বৈরিতার প্রেক্ষাপটে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন করে আলোচনায় ফেরার এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের বরাতে রয়টার্স জানায়, এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত হয়নি। তবে দুই দেশই শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে সময় খোলা রেখেছে।

আলোচনার বিষয়ে অবগত একটি সূত্র জানায়, দুই দেশের প্রতিনিধিদের আবারও ইসলামাবাদে পাঠানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এ নিয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছে। পাকিস্তানের পক্ষ থেকেও উভয় দেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

পাকিস্তান সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ইরান দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য প্রস্তুতির ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সামরিক বাহিনী বা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। একইভাবে হোয়াইট হাউস থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বৈঠকটি ছিল গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এমনকি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব-এর পর এটিই ছিল সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ।

সেই বৈঠকে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

বৈঠকে হরমুজ প্রণালীসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ইরান কার্যত বন্ধ করে দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা পুনরায় চালুর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও তেহরানের ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

আলোচনা শেষে জেডি ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা একটি সহজ কিন্তু কার্যকর প্রস্তাব নিয়ে ফিরছি, যা আমাদের চূড়ান্ত ও সেরা প্রস্তাব।”

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে এই আলোচনা শুরু হলে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা কমার পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে আরও সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Logo

ই-মেইল: [email protected]

অনুসরণ করুন