ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সালিশে বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দল নেতা নিহত হয়েছেন। সদর উপজেলার সুলতানপুর উত্তরপাড়ায় সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর ওই এলাকার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সহসভাপতি প্রার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সদর মডেল থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ এজাহারভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তারা হলেন নাসির ও মোরশেদ। স্থানীয় সূত্র ও নিহতের পরিবার জানায়, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ লেগে থাকত। এ নিয়ে সোমবার সালিশ বৈঠক বসে। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়। তখন আতাউল্লার লোকজন প্রতিপক্ষের ওপর হামলা করে। সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, দুই আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে। এদিকে কথা কাটাকাটির জেরে রংপুর নগরীতে মো. শাওন (২৫) নামে এক দোকান কর্মচারীকে হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দোকান মালিকের বিরুদ্ধে। গতকাল রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর খামার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত দোকান মালিক মিজানুর রহমান মনুকে (৩০) আটক করে পুলিশে দেয়। রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন, ডিবির উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী। স্থানীয়রা জানায়, চার বছর ধরে নগরীর খামার মোড়ে পুড়ি-পিঁয়াজুর দোকানে কাজ করে আসছিল শাওন। রাতে শাওন দোকান থেকে বের হলে পেছন থেকে দোকান মালিক মনু হাতুড়ি দিয়ে শাওনকে উপর্যুপরী আঘাত করেন।
উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনু জানিয়েছে দোকানের থালাবাসন ধোয়ার স্থানে শাওন থু থু ফেলত। এ নিয়ে রাতে শাওন ও মনুর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এরই একপর্যায়ে শাওনকে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করে মনু।