ব্যাটিং বিপর্যয়ে ১৩১ রানে থামল বাংলাদেশ
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
নতুন অধিনায়ক, নতুন প্রত্যাশা। তবে তাওহীদ হৃদয়ের নেতৃত্বে টি-টোয়েন্টি যাত্রার শুরুটা সুখকর হলো না বাংলাদেশের। চট্টগ্রামে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েও ব্যাটিং ধসে পড়ে স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয় টাইগাররা।
ইনিংসের শুরুটা অবশ্য মন্দ ছিল না। দুই ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম ও সাইফ হাসান সতর্কভাবে এগিয়ে নিচ্ছিলেন দলকে। তবে ২৬ রানের মাথায় তামিমের বিদায়ে ভাঙে উদ্বোধনী জুটি। ৯ বলে ১০ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই ওপেনার।
এর দুই ওভার পর সাজঘরের পথ ধরেন সাইফও। ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টিতেও ব্যাট হাতে হতাশ করেন তিনি। ম্যাথিউ রেনশোর বলে মিডঅফে সহজ ক্যাচ দেওয়ার আগে ১৪ বলে ২০ রান করেন ডানহাতি এই ব্যাটার।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ক্রিজে আসেন অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করলেও বড় করতে পারেননি নিজের ইনিংস। অ্যাডাম জাম্পার গুগলিতে বোল্ড হওয়ার আগে করেন ৮ রান। একই বোলারের শিকার হন সৌম্য সরকারও। চট্টগ্রামে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি খেলতে নেমে ১৮ বলে ১৭ রান করেন তিনি।
মিডল অর্ডারের ব্যাটাররাও ছিলেন পুরোপুরি ব্যর্থ। পাঁচ নম্বরে নামা ইমন উচ্চাভিলাষী শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ দেন ডিপ মিডউইকেটে। তাতে ৭৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সেই চাপ আরও বাড়ান শামীম পাটোয়ারী। দায়িত্বহীন শটে আউট হয়ে দলকে ফেলেন আরও বিপদে। ৭৮ রানেই হারায় ষষ্ঠ উইকেট।
ধসের মাঝেও কিছুটা আশা জাগিয়েছিলেন অভিষিক্ত সাকলাইন। দৃষ্টিনন্দন ছক্কা হাঁকিয়ে আত্মবিশ্বাসের আভাস দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১০ বলে ১০ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর রিশাদ হোসেনও ৩ রান করে বিদায় নিলে ১০০ রানের আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ।
১৩ ওভারের মাথায় ৮ উইকেট হারিয়ে পুরো ২০ ওভার খেলাই তখন হয়ে ওঠে বড় চ্যালেঞ্জ। শেষদিকে শেখ মেহেদীর লড়াকু ব্যাটিং কিছুটা সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেয় দলকে। ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রান করেন তিনি। এছাড়া মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের ছোট ছোট অবদানে ১৯ ওভারে ১৩১ রান পর্যন্ত পৌঁছায় বাংলাদেশ।
অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন অ্যাডাম জাম্পা। ৩ উইকেট শিকারের পাশাপাশি টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ১৫০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই লেগ স্পিনার। জুয়েল ডেভিস নেন ৩ উইকেট, ম্যাথিউ রেনশোর শিকার ২টি। আর নিখিল ও জনসন নেন একটি করে উইকেট।
