ভাইরাল হওয়ার নেশায় বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

180
মাহফুজ সাদি

ভাইরাল হওয়ার নেশায় বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা

দেশের মহাসড়কগুলোয় দূরপাল্লার বাস, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের অতিরিক্ত গতির অসুস্থ প্রতিযোগিতা যেন থামছেই না। অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের ভিডিওধারণ করে ‘ভাইরাল’ হওয়ার নেশায় সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ফেসবুক এবং ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ফলে সড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের এমন সব কনটেন্ট সমাজ ও রাষ্ট্রে নেতিবাচক প্রবণতাকে উৎসাহিত করলেও এসব ঘটনায় কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না হাইওয়ে পুলিশ। ফলে অনেকেই এমন ভিডিও ধারণ এবং তা সামাজিকমাধ্যমে ছড়াতে উৎসাহিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভাইরাল হওয়ার নেশায় বিভিন্ন ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় নিয়মিত মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতার ভিডিও ছড়ানো হচ্ছে। এমন অনেক ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, কখনো কখনো দুই বা ততোধিক বাস, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন গতির অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নামছে। এতে যাত্রী ও চালকদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে।

পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এসব ভিডিওধারণের সময় অনেক ক্ষেত্রে চালক, চালকের সহযোগী ও অন্যদের উৎসাহিত করার মতো বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তাও বলতে শোনা যাচ্ছে। কখনো কখনো ভিডিওতে মারাত্মক দুর্ঘটনার চিত্রও দেখানো হচ্ছে। এমন ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে আপলোড হওয়ার পর বিপুলসংখ্যক মানুষ দেখছেন এবং লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করছেন। এ ধরনের ভিডিও ছড়িয়ে কেউ কেউ অর্থও উপার্জন করছেন। এর বিপরীতে তাদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এতে একদিকে যেমন ভিডিওধারণের প্রবণতা বাড়ছে, অন্যদিকে সড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা।

এসব ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলের নামের সঙ্গে ‘বাস লাভার’ যুক্ত করে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতার ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে। এতে কোনো কোনো বাস কোম্পানির নাম উল্লেখ করে ‘মহাসড়কের কিং’-সহ বিভিন্ন আখ্যা দিয়ে ভিডিওগুলো অনলাইনে ছাড়া হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনই এমন ভিডিও ছড়িয়ে পড়ছে অসংখ্য ফেসবুক পেজ, অ্যাকাউন্ট ও ইউটিউব চ্যানেলে। এ তালিকায় বাসচালক ও চালকের সহযোগীসহ অনেকে রয়েছেন।

একই ভাবে ছড়ানো হচ্ছে অতিরিক্ত গতিতে মোটরসাইকেল চালানোর অসুস্থ প্রতিযোগিতার ভিডিও। এমনকি বাইকাররা তাদের রেসিংয়ের ভিডিও হেলমেট ক্যামেরা বা অ্যাকশন ক্যামেরায় ধারণ করে সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। যানবাহনের এ ধরনের অতিরিক্ত গতির অসুস্থ প্রতিযোগিতা ট্রাফিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনেক ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, অতিরিক্ত গতির অসুস্থ প্রতিযোগিতার কারণে একাধিক যাত্রীবাহী বাস, মোটরসাইকেল বা অন্যান্য যানবাহন বিপজ্জনকভাবে চলাচল করছে। ঝুঁকিপূর্ণভাবে ওভারটেকিং করছে। মহাসড়কে এভাবে যানবাহন চলাচলের ফলে অনেক ক্ষেত্রে বাস ও মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাচ্ছে। তেমন ভিডিও অনলাইনে দেখা যাচ্ছে। এতে সড়ক দুর্ঘটনা যেমন বাড়ছে, তেমনি হতাহতের ঘটনাও বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক নিয়ে কাজ করা অনেকে।

বাস্তবেও একই চিত্র ফুটে উঠছে বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যানে। মে মাসে সারা দেশে ৬১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত এবং এক হাজার ৬৫২ জন আহত হন বলে জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। অন্যদিকে গত বছর সারা দেশে সাত হাজার ৫৮৪ সড়ক দুর্ঘটনায় সাত হাজার ৩৫৯ জন নিহত এবং ১৬ হাজার ৪৭৬ জন আহত হন বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। উভয় সংগঠন বলেছে, সড়কে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম প্রধান কারণের মধ্যে রয়েছে মহাসড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন, বেপরোয়া গতি এবং ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রী পরিবহন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান বলেন, মহাসড়কে মোটরসাইকেল এবং বাস আলাদা লেনে নিয়ন্ত্রিত গতিসীমার মধ্যে চলাচলের কথা। কিন্তু চালকরা সেটি মানছেন না। উল্টো অনেক ক্ষেত্রে বাইক বা বাসের রেসিং বা অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা চলছে। এতে দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনাও বাড়ছে। রেসিংয়ের ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ায় অন্যরাও এতে উৎসাহিত হচ্ছেন।

সাইদুর আরো বলেন, মহাসড়কে অতিরিক্ত গতিতে যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেই। ৯ হাজার কিলোমিটার মহাসড়কের মধ্যে মাত্র তিন হাজার কিলোমিটার পুলিশি নজরদারিতে রয়েছে, তাতেও কড়া নজরদারি লক্ষ করা যায় না। সেখানে স্পিড ক্যামেরাও সেভাবে কার্যকর নেই। আবার ক্যামেরা থাকা এলাকা এড়িয়ে অতিরিক্ত গতিতে প্রতিযোগিতা চলে। পুরো মহাসড়ক স্পিড ক্যামেরার আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে পুলিশি নজরদারি বাড়ানো এবং সামাজিকমাধ্যমে গতির প্রতিযোগিতার ভিডিও ছড়ানো বন্ধ করতে হবে। এছাড়া সরকারের সব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করা এবং বিষয় হাইওয়ে পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে।

হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, তাদের নজরদারির এলাকার বাইরে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা হওয়ায় ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না। সামাজিকমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিওর ভিত্তিতে ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করা যাচ্ছে না।

হাইওয়ে পুলিশের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেন, ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটলে আইন প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু সামাজিকমাধ্যমের ভিডিও আমলে নিয়ে তা বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। অর্থাৎ নির্ধারিত গতির চেয়ে বেশি গতিতে গাড়ি চালালে স্পিডগানের মাধ্যমে প্রমাণ সংগ্রহ করে মামলা দেওয়া হয়। কয়েকদিন আগের ভিডিওর ভিত্তিতে চালকদের বিরুদ্ধে অথবা ভিডিও ছড়িয়ে কেউ চালককে অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালাতে উৎসাহিত করলেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারি না।

হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা আমার দেশকে বলেন, মহাসড়কে কোনো মোটরসাইকেল বা বাস অতিরিক্ত গতিতে চলাচল করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিচ্ছি। ভিডিওতে মহাসড়কের যেসব এলাকায় এমনটা ঘটছে, সেসব এলাকায় আমরা বিশেষভাবে নজর রাখছি, যাতে ভবিষ্যতে তেমনটি আর না ঘটে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, জননিরাপত্তার বিষয়ে আন্তরিক হলে বিদ্যমান আইনের মধ্যেই এর সমাধান রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের একাধিক আইনজীবী বলেন, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কোনো ভিডিও জনস্বার্থ, জনস্বাস্থ্য বা জননৈতিকতার পরিপন্থীভাবে প্রচার করা হলে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৬-এর প্রাসঙ্গিক বিধান অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। ভিডিওটি নিজেই সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ১০৫ ধারার অধীন অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। পুলিশ নম্বর প্লেট থেকে যানবাহনটি শনাক্ত করতে এবং স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলা করতে পারে। চালককে গ্রেপ্তার এবং তার লাইসেন্স জব্দ করা যেতে পারে। ট্যাকোগ্রাফ, জিপিএস ট্র্যাকার এবং ওবিডি-২ ডিভাইসের মতো আধুনিক যানবাহন প্রযুক্তি মামলার ভিত্তি মজবুত করার জন্য গতির তথ্য আরো যাচাই করতে পারে।

আইনজীবীদের মতে, দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো, ওভারটেক করা এবং সংগীতের তালে তালে যানবাহন চালানো যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। এর বিরুদ্ধে ২০২৬ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইনের অধীন মামলা করা যেতে পারে। পুলিশ ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে। ভিডিওগুলো উসকানিমূলক হলে পুলিশ প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে ওই কনটেন্ট ব্লক বা সরিয়ে ফেলার জন্য বিটিআরসিকে অনুরোধ করতে পারে। পুলিশ এআই ক্যামেরার মাধ্যমে যানবাহনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে অনিয়মের জন্য চালক ও মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে পারে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সম্প্রতি সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিটি সার্ভিসের একটি বাসের বিরুদ্ধে পুলিশ ও বিআরটিএ যৌথভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হলে, মহাসড়কে অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতার ভিডিও দেখেও ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় সড়কে শৃঙ্খলা আসবে না, দুর্ঘটনা ও হতাহতের ঘটনাও বাড়তে থাকবে।

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট মো শাহীন মন্ডল বলেন, সম্প্রতি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের মহাসড়কে রেসিং, অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ওভারটেকিংয়ের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

তিনি আরো বলেন, উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এসব ভিডিও অনেক সময় স্বয়ং চালক, চালকের সহকারী বা তাদের সহযোগীদের অ্যাকাউন্ট থেকেই প্রকাশিত হচ্ছে। অথচ হাইওয়ে পুলিশ বলছে, স্পিড গানের মাধ্যমে সংগৃহীত ভিডিও ছাড়া সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওর ভিত্তিতে তারা মামলা দিতে পারে না। একজন আইনজীবী হিসেবে আমি মনে করি, এই অবস্থানটি আইনগতভাবে সঠিক নয় এবং এটি প্রশাসনিক সদিচ্ছার অভাবকেই প্রতিফলিত করে।

আইন কী বলে?

সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৪(২) ও ৪৪(৩) সুস্পষ্টভাবে বলছে, কোনো চালক সড়ক বা মহাসড়কে নির্ধারিত গতিসীমার অতিরিক্ত গতিতে বা বেপরোয়াভাবে মোটরযান চালাতে পারবেন না এবং বিপজ্জনকভাবে বা অননুমোদিতভাবে ওভারটেকিং করতে পারবেন না। এই বিধান লঙ্ঘনের শাস্তি ধারা ৮৭-তে নির্ধারিত — অনধিক ৩ মাস কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড এবং চালকের লাইসেন্স থেকে ১টি দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারা ১১৭(১)(ক)। এই ধারা বলছে, এই আইনের অধীন সংঘটিত সকল অপরাধ আমলযোগ্য (Cognizable)। আমলযোগ্য অপরাধের অর্থ হলো পুলিশ বিনা পরোয়ানায়, স্বতঃপ্রণোদিতভাবে তদন্ত শুরু করতে এবং ব্যবস্থা নিতে পারে। এর জন্য শুধু প্রয়োজন একজন সাব-ইন্সপেক্টর বা তদূর্ধ্ব পুলিশ অফিসারের আদালতকে অবহিত করার সদিচ্ছা।

স্পিড গান কি একমাত্র পথ?

কোথাও বলা নেই যে প্রমাণ কেবল স্পিড গান থেকেই আসতে হবে। যখন কোনো চালক নিজেই তার বেপরোয়া গাড়ি চালানোর ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন, তখন সেটি কার্যত একটি স্বীকারোক্তিমূলক ডিজিটাল সাক্ষ্য। ভিডিওতে যদি গাড়ির নম্বর, স্থান বা চালকের পরিচয় শনাক্ত করা যায়, তাহলে তা তদন্তের ভিত্তি হিসেবে যথেষ্ট। বিদ্যমান আইনের আওতায় এই ধরনের ডিজিটাল সাক্ষ্য আদালতে গ্রহণযোগ্য।

অপরাধে সহায়তার দায়

ধারা ৯৯ অনুযায়ী, যিনি এই অপরাধে সহায়তা করেন বা প্ররোচনা দেন, তিনিও মূল অপরাধীর সমান দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। সুতরাং চালকের সহকারী যদি ভিডিও ধারণ করে প্রকাশ করেন বা এতে উৎসাহিত করেন, তিনিও আইনের আওতায় আসবেন।

করণীয়

হাইওয়ে পুলিশ, BRTA এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাইলেই সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এসব ভিডিওর ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করতে এবং মামলা দায়ের করতে পারে। এক্ষেত্রে নাগরিকরাও ভিডিওর লিংকসহ নিকটস্থ থানায় সাধারণ ডায়েরি বা BRTA-তে লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন।

আইন যথেষ্ট শক্তিশালী। ঘাটতি কেবল প্রয়োগের ইচ্ছায়। বেপরোয়া গাড়ি চালানো যখন সামাজিক মাধ্যমে বীরত্বের বিষয় হয়ে ওঠে, তখন আইনের নীরবতা কার্যত সেই বেপরোয়াপনাকে উৎসাহিত করে। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হলে আইনের কঠোর ও দৃশ্যমান প্রয়োগ এখনই প্রয়োজন।

এমবি

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ

এলাকার খবর
Loading...