শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদীর তীরে দোকানঘর নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অর্ধশতাধিক ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৯ মে) দিবাগত রাত ৯টার দিকে উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার-সংলগ্ন পদ্মা নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন রাসেল ব্যাপারী। এতে বাধা দেন স্থানীয় রাজীব ছৈয়ালের সমর্থকরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এলাকায় মহড়া দেয়। পরে রাত ৯টার দিকে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। কয়েক দফা সংঘর্ষের সময় ৫০-৬০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হন। আহতদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ সময় নদীর তীরে নির্মিত দুটি টং দোকান ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় কেদারপুর এলাকার রাসেল ব্যাপারী ও রাজীব ছৈয়ালের সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে রাসেল ব্যাপারী ও রাজীব ছৈয়াল আত্মগোপনে রয়েছেন।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, পদ্মা নদীর তীরে একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কয়েকজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাস্থলের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নয়ন দাস/এএমকে
