ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীর হাত-পা ও মুখ বেঁধে গৃহবধূকে (২৫) তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার পাগলা থানা এলাকায় এই নৃশংস ঘটনা ঘটে।
বুধবার ওই গৃহবধূর মা বাদী হয়ে আটজনকে অভিযুক্ত করে পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী নারীর স্বামী ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, আমরা ঘরের দুটি কক্ষের একটিতে মা এবং অন্যটিতে সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করি। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে আটজন মুখ বাঁধা অবস্থায় হঠাৎ আমাদের ঘরে ঢোকেন। তারা প্রথমে আমাকে মারধর করেন এবং আমার হাত, পা ও মুখ বেঁধে ফেলেন। এ সময় আমার স্ত্রী আমাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা তাকে জোরপূর্বক ঘর থেকে তুলে নিয়ে যান। বাড়ি থেকে প্রায় ১৫০ মিটার দূরে একটি স্থানে নিয়ে তারা আমার স্ত্রীর ওপর সংঘবদ্ধ পাশবিক নির্যাতন চালান। পরে স্বজনরা বিষয়টি টের পেয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসেন।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী নারীর মা বলেন, ‘আমি এক অসহায় মা। আমার স্বামী প্রতিবন্ধী আছিল, মইরা গেছে। এই মায়াডারে (মেয়ে) লইয়া থাকতাম। যারা আমার মায়াডার এই সর্বনাশ করছে, আমি তাগর কঠিন বিচার চাই।’
এ বিষয়ে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার শিকার ওই নারীকে ফরেনসিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
সাখাওয়াত সুমন/এএমকে
