বাজেট নিয়ে সিপিডির বিশ্লেষণ
ভিত্তি বাস্তবসম্মত নয়
বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
অর্থনীতির সূচকগুলোর যে অবস্থানকে ভিত্তি ধরে প্রস্তাবিত ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেটের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তা বাস্তবসম্মত নয়। প্রকৃতপক্ষে সূচকগুলোর ভিত্তি আরও দুর্বল। ফলে এই বাজেট বাস্তবায়ন অত্যন্ত কঠিন। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজস্ব আদায়। শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত বাজেট বিশ্লেষণে এসব কথা বলা হয়।
সংস্থাটি জানায়, নতুন সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট এটি। এ কারণে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। এই রূপরেখা ইতিবাচক ও বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। তবে কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও ধারাবাহিক কাঠামোগত সংস্কার প্রয়োজন। এছাড়া বাজেটে যে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, তা নৈতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সিপিডির ‘সম্মাননীয় ফেলো’ ড. মোস্তাফিজুর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। বক্তারা বলেন, বাজেটের সাফল্য আকারের ওপর নয়, বাজেট কতটা কার্যকর বাস্তবায়ন হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
ব্রিফিংয়ে ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী পাঁচ বছরের জন্য করকাঠামোর একটি প্রক্ষেপণ বা পথরেখা দেওয়া হয়েছে। যেমন ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা একরকম থাকলেও ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ অর্থবছরে তা হবে ৪ লাখ টাকা। পরবর্তী বছর, অর্থাৎ ২০৩০-৩১ অর্থবছরে এই সীমা বাড়িয়ে সাড়ে ৪ লাখ টাকা করার পরিকল্পনা রয়েছে। করের ক্ষেত্রে এমন দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্যমাত্রা ইতিবাচক। ফলে করদাতারা আগে থেকেই জানতে পারেন, কত আয় করলে কত টাকা কর দিতে হবে। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে। এটি ইতিবাচক। তবে বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় করমুক্ত আয়ের সীমা আরও কিছুটা বাড়লে সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেত।
মূল প্রবন্ধে আরও বলা হয়, বাজেটে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৯ শতাংশ ধরা হয়েছে। কিন্তু চলতি অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। আবার আমদানি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১৫ দশমিক ৮ শতাংশ, যা বর্তমান বাস্তবতার তুলনায় অনেক বেশি। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হওয়ার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ জুনের শুরুতে রিজার্ভ ছিল ৩৪.৮ বিলিয়ন ডলার। ফলে বৈদেশিক খাতের লক্ষ্যমাত্রাগুলো উচ্চাভিলাষী মনে হয়েছে।
দুর্বল ভিত্তিতে বড় লক্ষ্যমাত্রা : ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এবারের বাজেটে সরকার যে সামষ্টিক অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, তা অবাস্তব। সব ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধির হিসাব, যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে, সেই ভিত্তিটাই ঠিক নেই। তিনি বলেন, অর্থনীতির এসব মৌলিক সূচকগুলোর মধ্যে রয়েছে-রাজস্ব আয়, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণ, রপ্তানি, আমদানি ও জিডিপি প্রবৃদ্ধি। এসব ক্ষেত্রে সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতাকে আড়াল করা হয়েছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছরের সংশোধিত বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। এই লক্ষ্যমাত্রার ওপর ভিত্তি করে আগামী অর্থবছরে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আয় সাড়ে ৪ লাখ টাকার বেশি হবে না। ফলে এই দুর্বল ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বাজেটের সামষ্টিক লক্ষ্যমাত্রাগুলো অর্জন করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে। বাস্তবসম্মত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে প্রাক্কলনগুলো করা হলে, বাজেটের পর সামষ্টিক অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ও এর বাস্তবায়নযোগ্যতা অনেক বেশি সুদৃঢ় হতো। অথচ সরকারের সামনে সুযোগ ছিল প্রকৃত বাস্তবতা স্বীকার করে ভিত্তি ঠিক করার। কারণ অর্থনীতিতে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলো তারা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে। কিন্তু নতুন সরকার এটি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
কালোটাকা সাদা করার সুযোগ : সিপিডির বিশ্লেষণে বলা হয়, বরাবরের মতো এবারও বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বা কালোটাকা আবাসন খাতে (জমি, ভবন, অ্যাপার্টমেন্ট) বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈধ করার সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। এটি যৌক্তিক নয়। ফাহমিদা খাতুন বলেন, কালোটাকা সাদা করার এই সুযোগ করের ন্যায্যতা নষ্ট করে। যারা নিয়মিত ও সততার সঙ্গে কর দিয়ে আসছেন, তাদের সঙ্গে এটি এক ধরনের চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। এটি সমাজে নৈতিক স্খলনের ঝুঁকি তৈরি করে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এ ব্যাপারে ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নৈতিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কোনো বিবেচনায়ই কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ যৌক্তিক নয়।
প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য বাস্তবতার চেয়ে বেশি : সিডিপির বিশ্লেষণে বলা হয়, বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৬.৫ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে মাত্র ৪.১৪ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ২.৩৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সিপিডির মতে, বর্তমান বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের পরিস্থিতিতে এ লক্ষ্য অর্জন কঠিন হবে। বাজেটে বেসরকারি বিনিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা জিডিপির ২১.২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে মাত্র ২১.৩ শতাংশে উন্নীত হবে বলে ধরা হয়েছে। এই সামান্য বৃদ্ধির জন্যও অতিরিক্ত ১ লাখ ৬৫ হাজার ৭৬৭ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। অথচ দেশে বর্তমানে বিনিয়োগ পরিবেশ দুর্বল, শিল্পে নতুন বিনিয়োগ কম এবং উদ্যোক্তারা উচ্চ সুদহার ও নীতিগত অনিশ্চয়তার মুখোমুখি।
মূল্যস্ফীতির চাপ কমছে না : সিপিডির বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয় চার বছর ধরে দেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সংকট মূল্যস্ফীতি। বাজেটে আগামী অর্থবছরের জন্য মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৭.৫ শতাংশ। কিন্তু ২০২৬ সালের মে মাসে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৬৩ শতাংশ। পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি ৯.৪২ শতাংশ। অর্থাৎ বাস্তব পরিস্থিতি এখনো লক্ষ্যমাত্রার অনেক ওপরে। সিপিডি বলছে, খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল করা, জ্বালানি সংকট দূর করা এবং কঠোর মুদ্রানীতি ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়।
বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ নিয়ে সংশয় : অর্থনীতির গতি বাড়াতে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৯.৪ শতাংশ। কিন্তু ২০২৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৪.৭৫ শতাংশ। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য ঋণপ্রবাহ প্রায় দ্বিগুণ করতে হবে। সিপিডির মতে, সরকারের উচ্চ ব্যাংক ঋণনির্ভরতা এবং অর্থনৈতিক মন্দাভাবের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানো সহজ হবে না।
রাজস্ব আদায়ে বিশাল চ্যালেঞ্জ : বাজেটের সবচেয়ে দুর্বল দিকগুলোর একটি হলো রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য অর্জন। সরকার আগামী অর্থবছরে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এটি ১৮.২ শতাংশ বেশি। কিন্তু সিপিডির হিসাব অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রকৃত রাজস্ব আদায় প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকায় সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে আগামী বছরে রাজস্ব আদায় বাড়াতে হবে ৫৪.৪ শতাংশ। অর্থাৎ অতিরিক্ত প্রায় ২ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করতে হবে, যা সাম্প্রতিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। সিপিডি মনে করে, কর প্রশাসনে বড় ধরনের সংস্কার ছাড়া এ লক্ষ্য বাস্তবসম্মত নয়।
ঘাটতি অর্থায়নে ব্যাংক ও বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা : প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। সংখ্যার হিসাবে যা ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণে ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা আসবে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে এবং ১ লাখ ৯ হাজার ৮৫০ কোটি টাকা বিদেশি ঋণ থেকে। সিপিডির মতে, ব্যাংক ঋণের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বেসরকারি খাতকে ঋণপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করতে পারে। অন্যদিকে বিদেশি ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়লে ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের চাপও বাড়বে।
ব্যাংক খাতের সংকট অমীমাংসিত : সিপিডির পর্যালোচনায়, ব্যাংক খাতের কয়েকটি গুরুতর দুর্বলতা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ খেলাপি ঋণ, কয়েকটি ব্যাংকে তারল্য সংকট এবং ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর আস্থাহীনতা। অথচ বাজেটে এসব সমস্যার কাঠামোগত সমাধানের স্পষ্ট রূপরেখা নেই।
কৃষি খাতে উদ্বেগ : সিপিডি বলছে, একদিকে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কৃষি খাতের উন্নয়ন বরাদ্দ কমে যাওয়া উদ্বেগের কারণ। এডিপিতে কৃষির অংশ ৪.৭ শতাংশ থেকে কমে ৩.৬ শতাংশে নেমে এসেছে। সিপিডি একে ‘অ্যালার্মিং সিগন্যাল’ বা সতর্কবার্তা হিসাবে উল্লেখ করেছে। যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি এখনো সাধারণ মানুষের প্রধান উদ্বেগ, সেখানে কৃষি খাতে তুলনামূলক কম গুরুত্ব ভবিষ্যতে নতুন ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বড় দুর্বলতা : উন্নয়ন কর্মসূচির আকার ৩ লাখ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩০.৪ শতাংশ বেশি। কিন্তু চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছে মাত্র ৩৫.৪ শতাংশ। এছাড়া ৯৭৬টি বিনিয়োগ প্রকল্পের গড় বয়স ৫ দশমিক ৭ বছর। এর মধ্যে ৩২২টি প্রকল্পের বয়স ৬ থেকে ১০ বছর এবং ৪৭টি প্রকল্প ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান। ৪৮ শতাংশ প্রকল্প একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে এবং সময় বাড়ানোর ঘটনা বেড়েই চলেছে। এতে ব্যয় বৃদ্ধি ও সম্পদ অপচয়ের ঝুঁকি বাড়ছে। শীর্ষ ২০টি মেগা প্রকল্পে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৮ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির প্রায় ২০ শতাংশ। তবে সিপিডির পর্যবেক্ষণ হলো, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব প্রকল্প শেষ হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
বাজেট পর্যালোচনায় সিপিডি বলেছে, প্রস্তাবিত বাজেটের অন্তর্নিহিত দর্শন হলো মানবসম্পদ উন্নয়ন, বেসরকারি খাতের নেতৃত্বে প্রবৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষার মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং জনকল্যাণমূলক খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সংস্থাটির মতে, বাজেটের এই দৃষ্টিভঙ্গি বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সিপিডির মতে, বাজেট বাস্তবায়নের জন্য এমন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, যারা নির্ধারিত কর্মসূচিগুলো দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারবে এবং জনগণের জন্য দৃশ্যমান ফলাফল নিশ্চিত করবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না, বরং সেই অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কি না এবং কাঙ্ক্ষিত ফল আসছে কি না, সেদিকেও নজর দিতে হবে।
