|
ফলো করুন |
|
|---|---|
জাতীয় দলের তারকা ওপেনার সৌম্য সরকারের অবিশ্বাস্য সুন্দর এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ব্যাটসম্যান অ্যালেক্স ক্যারি।
বলটা ধরার পরই সৌম্যর দিকে ছুটে গেলেন সতীর্থরা। নাজমুল হোসেন জড়িয়ে ধরলেন সবার আগে। এরপর এলেন বাকিরাও। তাকে অভিবাদন জানানোটা যে জরুরি হয়ে পড়েছিল ভীষণ!
তাসকিন আহমেদের করা বলটি সামনের পায়ে এসে কাভারের ওপর দিয়ে খেলতে চেয়েছিলেন অ্যালেক্স ক্যারি।শূন্য ভেসে ঝাঁপিয়ে পড়ে অবিশ্বাস্য ক্যাচটি নেন সৌম্য। শুরুতে দিই হাতে ধরতে গেলেও পরে শুধু বাঁ হাতেই ক্যাচটা ধরেছেন সৌম্য।
১১.১ ওভারে দলীয় ৭০ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন অ্যালেক্স ক্যারি। তার আগে ১৬ বলে এক চারে মাত্র ৮ রান করেন তিনি।
এর আগে দলকে ব্রেক থ্রু উপহার দেন শরীফুল ইসলাম। এক ওভারে ২ উইকেট শিকার করেন পেস বোলার শরীফুল ইসলাম। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার জশ ইংলিস ক্যাচ তুলে দিয়ে ১২ বলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২১ রান করেন। ওয়ান ডাউনে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্বিতীয় বলেই বোল্ড হয়ে ফেরেন ম্যাট রেনশ।
রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আগের ম্যাচে ৪২ রান করা সৌম্য সরকার আজ ফেরেন মাত্র ২ রানে।
অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৫১ রানের জুটি গড়ে সাজঘরে ফেরেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। তার আগে করেন ১৯ রান। ৫০ বল খেলে মাত্র ২৪ রান করে ফেরেন অধিনায়ক শান্ত।
৬১ রানে ৩ উইকেট পতনের পর দলের হাল ধরেন লিটন কুমার দাস ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে তারা ১০৯ বলে ৯৫ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১৫৩ রানে রিটায়ার্ডহার্ট হয়ে ফেরেন লিটন। তিনি ৭৮ বলে চারটি চার আর দুটি ছক্কায় ৫৮ রান করেন।
এরপর সোমাদ্দেক হোসেন সৈকতকে সঙ্গে নিয়ে ৮১ বলে ৯০ রানের জুটি গড়েন মোদাদ্দেক হোসেন সৈকত। দলীয় দলীয় ২৪৬ রানে চতুর্থ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন হৃদয়। তার আগে ৮৮ বলে ৮টি বাউন্ডারির সাহায্যে করেন ৮৩ রান। ৫১ বলে ৫টি চার আর এক ছক্কায় ৫১রান করে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। ৫০ ওভারের খেলা শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৪ রান।
