Logo
Logo
×

প্রথম পাতা

আসলামের কলাম

স্পেনের খেলা আমাকে হতাশ করেছে

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

স্পেনের খেলা আমাকে হতাশ করেছে

সত্যি বলতে, স্পেনের খেলা আমাকে প্রচণ্ড হতাশ করেছে। ওরা এবারের আসরের অন্যতম ফেভারিট। প্রথম ম্যাচে তার বিন্দুমাত্র ঝলক দেখা যায়নি। লামিনে ইয়ামাল স্পেনের আক্রমণের উৎস। বার্সেলোনার এই টিনএজ উইঙ্গার বদলি হিসাবে মাঠে নামার পর স্পেনের আক্রমণের ধার বেড়ে যায়। ইয়ামাল যখনই মুভ করেছে, চাঙা হয়ে উঠেছে লা রোহারা।

দলটা স্পেন বলেই এত কথা বলা। তবে ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের কাছে আরও ভালো পারফরম্যান্স আশা করেছিলাম। এই যে স্পেনের হতাশা, গোল ও জয় না পাওয়া-এর জন্য দায়ী একজন। কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সি গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। অসম্ভব ভালো খেলেছেন তিনি, এ কথা বললে কম বলা হবে। ছোট্ট দেশ কেপ ভার্দে। জনসংখ্যা ছয় লাখেরও কম। সেই অপরিচিত দেশের প্রথম বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই মহানায়ক হলেন ভোজিনিয়া। তার বীরত্বে ফুটবলবিশ্ব চিনল কেপ ভার্দে নামের অখ্যাত দেশটিকে। এভাবেই ফুটবল কাউকে ‘জিরো’ থেকে ‘হিরো’ বানায়। কাউকে তুলে দেয় আকাশে। কাউকে নামিয়ে দেয় মাটিতে। ফুটবল এক অসম্ভব সুন্দর খেলা। দর্শকদের মোহাবিষ্ট করে। আবেগে-আনন্দে ভাসায়। আবার বিষাদেও ডুবিয়ে দেয়।

জাপানের পর এশিয়ার আরও দুই প্রতিনিধি সৌদি আরব ও ইরানের ড্রয়ে আমি আপ্লুত। বিশেষ করে ইরান। যুদ্ধ পরিস্থিতির পটভূমিতে বিশ্বকাপে খেলতে আসা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরান দু-দুবার পিছিয়েও যেভাবে এক পয়েন্ট কেড়ে নিয়েছে নিউজিল্যান্ডের কাছ থেকে, তার প্রশংসা করতেই হয়। ইরান দলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ওদের খেলোয়াড়দের উচ্চতা। ফুটবলে স্কিলের সঙ্গে উচ্চতার গুরুত্ব কম নয়। আশা করি, শেষ বত্রিশে এশিয়া থেকে যাবে জাপান।

ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়া বড় ম্যাচ আজ। এই দ্বৈরথ হ্যারি কেইন ও লুকা মদরিচেরও। দুজনই বড় মাপের খেলোয়াড়। বুন্দেসলিগায় বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে দারুণ ছন্দে ছিলেন কেইন। এদিকে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মদরিচ বল পায়ে ভয়ংকর। ওর পায়ে বল গেলে তটস্থ থাকে প্রতিপক্ষ। এই দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ম্যাচটিকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারে। বয়স হওয়া সত্ত্বেও কেইন ও মদরিচই ইংল্যান্ড-ক্রোয়েশিয়ার প্রাণভোমরা।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম