Logo
Logo
×

প্রথম পাতা

পর্তুগালের স্বপ্নসারথি রোনাল্ডোর স্বপ্নযাত্রা

Icon

ইশতিয়াক সজীব

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

পর্তুগালের স্বপ্নসারথি রোনাল্ডোর স্বপ্নযাত্রা

ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আজ বিশ্বকাপ অভিযান শুরুর আগে অনুশীলনে নিমগ্ন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। মঙ্গলবার ফ্লোরিডায় -ফেসবুক

মায়ামির সমুদ্রসৈকতে আদুল গায়ে সানগ্লাস পরা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর রোদ পোহানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। ৪১ বছর বয়সি পর্তুগাল অধিনায়কের দুর্দান্ত শারীরিক গঠন ও ফিটনেস চমকে দেয় তার হাঁটুর বয়সি সতীর্থদেরও। ক্যারিয়ারজুড়ে কঠোর পরিশ্রম ও একনিষ্ঠ নিয়মানুবর্তিতার পুরস্কার হিসাবে এই বয়সে রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপে খেলছেন রোনাল্ডো। শুধু খেলা নয়, অধরা বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাব্য শেষ সুযোগটা কাজে লাগিয়ে নিজের মহামহিম ক্যারিয়ারকে পূর্ণতা দিতে উদগ্রীব পর্তুগিজ মহাতারকা। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ১১টায় আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর মুখোমুখি হয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল।

আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ (২২৮) ও সবচেয়ে বেশি গোলের (১৪৩) রেকর্ড ঝুলিতে নিয়ে নিজের এবং দেশের সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরণের মিশনে নামছেন রোনাল্ডো। বিশ্বকাপে তার সেরা সাফল্য ২০০৬ আসরে চতুর্থ হওয়া। আর পর্তুগালের সেরা সাফল্য ১৯৬৬ আসরে তৃতীয় হওয়া। দেশের হয়ে একটি ইউরো ও দুটি নেশন্স লিগ জেতা রোনাল্ডোকে এবার বিশ্বকাপ ট্রফি উপহার দিতে চান তার সতীর্থরা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসিকে শিরোপা জেতানোর জন্য এভাবেই একজোট হয়েছিল আর্জেন্টিনা। পর্তুগাল দলে এবার তারকার ছড়াছড়ি। মাঝমাঠে ম্যানইউর ব্রুনো ফার্নান্দেসের সঙ্গে আছেন পিএসজির হয়ে এবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতা ভিতিনিয়া ও জোয়াও নেভেস। আক্রমণভাগে রোনাল্ডোর সঙ্গী জোয়াও ফেলিক্স, পেদ্রো নেতো ও রাফায়েল লিয়াও। রক্ষণও দারুণ জমাট। বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে রোনাল্ডো গোল না পেলেও অধিনায়ককেই দলের বড় প্রেরণা মানছেন ভিতিনিয়া, ‘ক্রশ্চিয়ানো আমাদের বড় প্রেরণা। শুধু ফারফরম্যান্স নয়, ফিটনেসের প্রতি তার নিবেদনও সবার জন্য উদাহরণ। একটু মজা করতে আমরা সৈকতে গিয়েছিলাম। তার সুঠাম শরীর দেখে কে বলবে, বয়স ৪১ বছর। এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আমার বয়স ২৬ বছর, কিন্তু আমাকে দেখতে এমন লাগে না! ক্রিশ্চিয়ানোকে ঘিরে আমাদের দলটা এবার শক্তিশালী। নিজেদের আমরা ফেভারিট দাবি না করলেও এটা বলা যায় যে, পর্তুগাল শিরোপার অন্যতম দাবিদার।’

পর্তুগালের প্রথম প্রতিপক্ষ ডিআর কঙ্গো ৫২ বছর পর ফিরেছে বিশ্বকাপে। কিন্তু দেশে ইবোলার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রে আসতে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তাদের খেলোয়াড়দের। ইউরোপে ২১ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে এসেও নানা বিধিনিষেধের কারণে ব্যাহত হয়েছে কঙ্গো দলের বিশ্বকাপ-প্রস্তুতি। তবে দলটির ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়েন দেসাব্রের বিশ্বাস, সব প্রতিকূলতা জয় করে আজ মাঠে চমক দেখাবেন তার শিষ্যরা। স্পেনের মতো পরাশক্তিকে নবাগত কেপ ভার্দে রুখে দেওয়ার পর ডিআর কঙ্গোকে নিয়ে স্বস্তিতে থাকার কথা নয় পর্তুগালের।

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম