Logo
Logo
×

চিঠিপত্র

ব্যবহারিক খাতা নামের প্রহসন বন্ধ করুন

Icon

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম

প্রিন্ট সংস্করণ

মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের সাধারণত পাঁচটি ও ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিকের শিক্ষার্থীদের দুটি করে ব্যবহারিক পরীক্ষা হয়। উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে যা বেড়ে দাঁড়ায় বিজ্ঞান বিভাগের পাঁচটি এবং মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে দুটিতে। মূলত পুঁথিগত বিদ্যার পাশাপাশি পড়াশোনাকে আকর্ষণীয় করে তোলা এবং জটিল বিষয়গুলোর ব্যবহারিক দিক শেখানোই ছিল এর উদ্দেশ্য। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এটি বর্তমানে শুধু ব্যবহারিক খাতা লেখাতেই সীমিত। দেশের ৬০ শতাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব নেই। বিজ্ঞানাগার থাকলেও সেসব ব্যবহারের জন্য নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক। কয়েকটি স্কুল-কলেজের কথা বাদ দিলে বাকি সব স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের একটি বা দুটি পরীক্ষা করেই খাতায় গৎবাঁধা বুলির মতো লিখতে হচ্ছে ৩০-৩৫টি পরীক্ষার বিবরণ, কার্যপদ্ধতি ও ফলাফল।

আগের ব্যাচের খাতা দেখে নিজের খাতা পূরণ করার নামই যেন ব্যবহারিক। ছোট ভাইবোন বা পরিচিত কাউকে দিয়ে ব্যবহারিক খাতা লেখানো খুবই পরিচিত দৃশ্য। জানা যায়, অনলাইনে পেজে এসএসসি ব্যবহারিক খাতা ফুলসেট ১ হাজার ২০০ টাকায় এবং এইচএসসির ফুলসেট ৩ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আবার পরীক্ষার সময় নামমাত্র সই করে জমা নেওয়া এসব খাতাও পরীক্ষা শেষে কেজি দরে বিক্রি হয়। ল্যাব সহকারীর পকেট ভারী করে ব্যবহারিকে ভালো নম্বর তোলার অভিযোগও পাওয়া যায় প্রতিনিয়ত। ২৫ শতাংশ নম্বরের টানে শিক্ষার্থীদের মেনে নিতে হয় এ দুর্নীতি। কর্তৃপক্ষের এদিকে দ্রুত নজর দেওয়া দরকার।

আনিকা বুশরা সিফাত, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

Logo

সম্পাদক : আবদুল হাই শিকদার

প্রকাশক : সালমা ইসলাম