চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘মহাবিপন্ন’ হলুদ কাছিম এখন ১৬টি
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
|
ফলো করুন |
|
|---|---|
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় ‘মহাবিপন্ন’ হলুদ কাছিমের পাঁচটি বাচ্চা হয়েছে। ৬ জুন কাছিমের ডিম থেকে বাচ্চাগুলোর জন্ম হয়। মঙ্গলবার চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বর্তমানে এ চিড়িয়াখানায় হলুদ কাছিমের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ তে।
চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, আমাদের কাছে মহাবিপন্ন প্রজাতির ৮টি হলুদ পাহাড়ি কাছিম ছিল। ২০২২ সালে সেগুলোর প্রজনন বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এরই অংশ হিসাবে বয়স্ক আটটি কাছিম ৪ দশমিক ৭৯ বর্গমিটারের খাঁচা থেকে সরিয়ে ৩৩ দশমিক ৭৯ বর্গমিটারের খাঁচায় স্থানান্তর করি। ২০২৩ সালে সেখানে বয়ষ্ক কাছিমগুলো ছয়টি ডিম দেয়। এর মধ্যে চারটি ডিম ফুটে বাচ্চা হয়। তবে একমাস পর একটি মারা যায়।
তিনি আরও বলেন, প্রথমবার সফলতা পাওয়ার পর ২০২৪ সালে খাঁচায় সংস্কার করে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। ওই বছর কোনো ডিম দেয়নি এগুলো। ২০২৫ সালে একটি ডিম দিয়েছিল এবং বাচ্চাও হয়েছিল, কিন্তু সেটি কিছুদিন পর মারা যায়। এ বছর সাতটা ডিম দিয়েছিল। তার মধ্যে দুটি ডিম ফোটেনি। প্রতিবারই ডিম ফুটে বাচ্চা হতে ১২০ দিনের মতো সময় লেগেছে। এ চিড়িয়াখানায় বর্তমানে ৮টি পূর্ণবয়স্ক, তিন বছরের ৩টি এবং ১০ দিন বয়সের ৫টি ছানা রয়েছে।
জানা গেছে, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে পাহাড়ি এলাকায় বাস করা এ কাছিমগুলো ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচারের (আইইউসিএন) লাল তালিকাভুক্ত মহাবিপন্ন প্রজাতির। ফলে সংখ্যা বাড়াতে এগুলোকে উন্মুক্ত পরিবেশে ছাড়ার পরিকল্পনাও করছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।
