<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>  
	<?xml-stylesheet title="XSL_formatting" type="text/xsl" href="/shared/bsp/xsl/rss/nolsol.xsl"?>
	<rss xmlns:media="https://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:atom="https://www.w3.org/2005/Atom" version="2.0" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xml:base="https://www.newsbangla24.com/">  
    <channel>  
    <title>Newsbangla24 RSS Feed</title>  
    <link>https://www.newsbangla24.com</link>
    <description>newsbangla24.com RSS Feed</description>  
    <copyright>Copyright: © 2026-newsbangla24</copyright>  

    <image> 
      <url>https://www.newsbangla24.com/assets/importent_images/logo.png</url>  
      <title>Latest Bangla News | Online Bangla News Portal | Newsbangla24</title>  
      <link>https://www.newsbangla24.com</link>  
      <width>120</width>  
      <height>60</height> 
    </image>  
    <ttl>15</ttl>  

	<atom:link href="https://www.newsbangla24.com/rss.xml" rel="self" type="application/rss+xml" />        <item>  
            <title>চাঁপাইনবাবগঞ্জে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, পরিদর্শন করলেন প্রাচীন প্রত্নস্থল</title>  
            <description>ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শন করেছেন।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে তিনি প্রাচীন গৌড়ের বিভিন্ন প্রত্নস্থল ঘুরে দেখার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সোনামসজিদ ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।
সফরকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ ছাড়া সোনামসজিদ সীমান্ত ফাঁড়িতে (বিওপি) দায়িত্ব পালনরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং স্থলবন্দরের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূতকে বিভিন্ন স্থাপনার ছবি তুলতে দেখা যায়। তিনি এলাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সফরকালে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276188/The-US-ambassador-visited-the-ancient-archaeological-site-in-Chapainawabganj</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276188/The-US-ambassador-visited-the-ancient-archaeological-site-in-Chapainawabganj</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 21:19:48 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B7%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B7%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B7%5D.jpg" alt="চাঁপাইনবাবগঞ্জে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, পরিদর্শন করলেন প্রাচীন প্রত্নস্থল" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পরিদর্শন করেছেন।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) সকালে তিনি প্রাচীন গৌড়ের বিভিন্ন প্রত্নস্থল ঘুরে দেখার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী সোনামসজিদ ও সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেন।</p>
<p>সফরকালে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সোনামসজিদ স্থলবন্দর ও ইমিগ্রেশন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। এ ছাড়া সোনামসজিদ সীমান্ত ফাঁড়িতে (বিওপি) দায়িত্ব পালনরত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।</p>
<p>এ সময় তিনি সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং স্থলবন্দরের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।</p>
<p>প্রাচীন গৌড়ের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূতকে বিভিন্ন স্থাপনার ছবি তুলতে দেখা যায়। তিনি এলাকার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।</p>
<p>সফরকালে রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান, ৫৯ বিজিবি মহানন্দা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ট্রাম্প-মোদি বৈঠক: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে?</title>  
            <description>গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭) শীর্ষ সম্মেলনে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ পর হতে যাওয়া এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও টানাপোড়েনের সম্পর্ককে আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি হয়তো সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছেন, তবে তার জন্য এই কাজ অত্যন্ত কঠিন হবে। কারণ, ইরান যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া ভারতের পক্ষ থেকে যেকোনো আপত্তি বা অভিযোগ জানানো হবে এমন এক পরাশক্তির বিরুদ্ধে, যা নিজে এই যুদ্ধ শুরু করেছে এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ভারতের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখিয়েছে।
রুশ তেল কেনার অপরাধে গত আগস্টে ভারতের ওপর ট্রাম্পের শাস্তিমূলক শুল্কারোপের পর ভারত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছিল। এর ওপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অশোধিত তেল আমদানিতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আরোপের ফলে তেল আমদানিকারক দেশ ভারত বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে। দুই দেশের একটি কাঙ্ক্ষিত বাণিজ্য চুক্তিও এখনো অধরা রয়ে গেছে।
ওমান উপসাগরে নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আশাও বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। গত সপ্তাহে ওমান উপসাগরে ইরানের নৌ-অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত ও বেশ কয়েকজন উদ্ধার হন। এই ঘটনা ভারতে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
ট্রাম্প ও মোদির এই প্রত্যাশিত বৈঠকটি হবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। সে সময় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন জানাতে ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন মোদি। তখন দুই নেতার মধ্যে উষ্ণ হৃদ্যতা দেখা গিয়েছিল।
তবে গত ১৬ মাসে ট্রাম্পের খামখেয়ালি ও আক্রমণাত্মক মনোভাব এবং মার্কিন বাজার উন্মুক্ত করার একতরফা চাপ ভারতের স্বার্থকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ওপর কঠোর অভিবাসন নীতি আরোপের ফলে ভারতের অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিল।
ইউএস-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং ভারতে মার্কিন দূতাবাসের সাবেক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অতুল কেশপ বলেন, দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গত ২৫ বছরের যে ঘনিষ্ঠতা ও মেলবন্ধন ছিল, তা একটা স্থবিরতার মধ্য দিয়ে গেছে এবং এখন তা ভিন্নমুখী বা দূরত্ব তৈরির দিকে ধাবিত হতে পারে বলে যৌক্তিক উদ্বেগ রয়েছে। তিনি দুই দেশের চিরন্তন বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা দীর্ঘায়িত না করে ডিজিটাল অর্থনীতি ও পারমাণবিক শক্তির মতো অভিন্ন স্বার্থের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।
গত বছর ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি দেশের ওপর শুল্কারোপের পর ভারতের সঙ্গেও নতুন বাণিজ্য চুক্তি ঝুলে আছে। তবে সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভারত সফরের সময় সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি (ক্রিটিক্যাল মিনারেলস ডিল) সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুই নেতার আলোচনায় বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি উঠতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করলেও চূড়ান্ত চুক্তি সইয়ের মেয়াদ এখনো অনিশ্চিত। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এই বৈঠকে চূড়ান্ত কোনো বাণিজ্য চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
এ ছাড়া ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তিনি দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে মধ্যস্থতা করেছেন। মোদি বারবার ট্রাম্পের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তার নাম সুপারিশ করতে অস্বীকৃতি জানান, যা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন বিরোধের জন্ম দেয়।
ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক হাডসন ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অপর্ণা পান্ডে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কটি ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক। তার মতে, চীনের মতো বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনর্গঠন করার মতো বড় কোনো সুবিধা ভারতের হাতে না থাকায়, ভারতের উচিত কিছুটা নমনীয় হওয়া।
মার্কিন হামলার ঘটনায় ভারতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। ভারত সরকার দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের শীর্ষ কূটনীতিকের কাছে তীব্র প্রতিবাদ জানালেও বিরোধী দলগুলো সরকারের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেছে। ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী মোদির নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে তাকে ট্রাম্পের বাধ্য অনুগত সেবক বলে কটাক্ষ করেছেন।
বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে সম্পর্কের এমন টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই নেতার আনুষ্ঠানিক সৌজন্যপূর্ণ আচরণ অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প মোদিকে ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে লেখেছেন, এবং তিনি একজন মহান নেতা!
মোদিও প্রায়শই ট্রাম্পের প্রশংসা ফিরিয়ে দিলেও নেপথ্যে সম্পর্ক বেশ শীতল রয়েছে। গত জুনে কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প বৈঠক থেকে আগে চলে যাওয়ায় মোদি তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং ট্রাম্পের দেওয়া ওয়াশিংটন সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন। উল্লেখ্য, ভারত জি-৭ এর স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে এই সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276187/Trump-Modi-meeting-India-and-US-relations-will-be-normal?</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276187/Trump-Modi-meeting-India-and-US-relations-will-be-normal?</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 21:03:39 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8_1.jpg" alt="ট্রাম্প-মোদি বৈঠক: ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে?" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>গ্রুপ অব সেভেন (জি-৭) শীর্ষ সম্মেলনে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওমান উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজে মার্কিন হামলায় তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর মাত্র এক সপ্তাহ পর হতে যাওয়া এই বৈঠক দুই দেশের মধ্যকার চরম উত্তেজনাপূর্ণ ও টানাপোড়েনের সম্পর্ককে আরও একবার সামনে নিয়ে এসেছে।</p>
<p>প্রধানমন্ত্রী মোদি হয়তো সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে চাইছেন, তবে তার জন্য এই কাজ অত্যন্ত কঠিন হবে। কারণ, ইরান যুদ্ধের কারণে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়া ভারতের পক্ষ থেকে যেকোনো আপত্তি বা অভিযোগ জানানো হবে এমন এক পরাশক্তির বিরুদ্ধে, যা নিজে এই যুদ্ধ শুরু করেছে এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে ভারতের প্রতি চরম উদাসীনতা দেখিয়েছে।</p>
<p>রুশ তেল কেনার অপরাধে গত আগস্টে ভারতের ওপর ট্রাম্পের শাস্তিমূলক শুল্কারোপের পর ভারত তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে হিমশিম খাচ্ছিল। এর ওপর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অশোধিত তেল আমদানিতে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আরোপের ফলে তেল আমদানিকারক দেশ ভারত বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে। দুই দেশের একটি কাঙ্ক্ষিত বাণিজ্য চুক্তিও এখনো অধরা রয়ে গেছে।</p>
<p>ওমান উপসাগরে নাবিকদের মৃত্যুর ঘটনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আশাও বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে। গত সপ্তাহে ওমান উপসাগরে ইরানের নৌ-অবরোধ লঙ্ঘনের অভিযোগে তিনটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তিন ভারতীয় নাবিক নিহত ও বেশ কয়েকজন উদ্ধার হন। এই ঘটনা ভারতে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।</p>
<p>ট্রাম্প ও মোদির এই প্রত্যাশিত বৈঠকটি হবে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর এই দুই নেতার প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। সে সময় ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে অভিনন্দন জানাতে ওয়াশিংটনে গিয়েছিলেন মোদি। তখন দুই নেতার মধ্যে উষ্ণ হৃদ্যতা দেখা গিয়েছিল।</p>
<p>তবে গত ১৬ মাসে ট্রাম্পের খামখেয়ালি ও আক্রমণাত্মক মনোভাব এবং মার্কিন বাজার উন্মুক্ত করার একতরফা চাপ ভারতের স্বার্থকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় শিক্ষার্থী ও কর্মীদের ওপর কঠোর অভিবাসন নীতি আরোপের ফলে ভারতের অর্থনীতি বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছিল।</p>
<p>ইউএস-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং ভারতে মার্কিন দূতাবাসের সাবেক চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স অতুল কেশপ বলেন, &lsquo;দিল্লি ও ওয়াশিংটনের মধ্যে গত ২৫ বছরের যে ঘনিষ্ঠতা ও মেলবন্ধন ছিল, তা একটা স্থবিরতার মধ্য দিয়ে গেছে এবং এখন তা ভিন্নমুখী বা দূরত্ব তৈরির দিকে ধাবিত হতে পারে বলে যৌক্তিক উদ্বেগ রয়েছে।&rsquo; তিনি দুই দেশের চিরন্তন বাণিজ্য চুক্তির আলোচনা দীর্ঘায়িত না করে ডিজিটাল অর্থনীতি ও পারমাণবিক শক্তির মতো অভিন্ন স্বার্থের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
<p>গত বছর ট্রাম্পের বেশ কয়েকটি দেশের ওপর শুল্কারোপের পর ভারতের সঙ্গেও নতুন বাণিজ্য চুক্তি ঝুলে আছে। তবে সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ভারত সফরের সময় সম্পাদিত গুরুত্বপূর্ণ খনিজ চুক্তি (ক্রিটিক্যাল মিনারেলস ডিল) সম্পর্ক পুনর্গঠনের একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, বুধবার দুই নেতার আলোচনায় বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি উঠতে পারে। গত ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাণিজ্য চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করলেও চূড়ান্ত চুক্তি সইয়ের মেয়াদ এখনো অনিশ্চিত। ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এই বৈঠকে চূড়ান্ত কোনো বাণিজ্য চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা নেই।</p>
<p>এ ছাড়া ২০২৫ সালের মে মাসে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে তিনি দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে মধ্যস্থতা করেছেন। মোদি বারবার ট্রাম্পের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেন এবং নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তার নাম সুপারিশ করতে অস্বীকৃতি জানান, যা দুই দেশের সম্পর্কে নতুন বিরোধের জন্ম দেয়।</p>
<p>ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংক ট্যাংক হাডসন ইনস্টিটিউটের দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ অপর্ণা পান্ডে বলেন, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কটি ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক।&rsquo; তার মতে, চীনের মতো বৈশ্বিক অর্থনীতি পুনর্গঠন করার মতো বড় কোনো সুবিধা ভারতের হাতে না থাকায়, ভারতের উচিত কিছুটা নমনীয় হওয়া।&rsquo;</p>
<p>মার্কিন হামলার ঘটনায় ভারতে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। ভারত সরকার দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের শীর্ষ কূটনীতিকের কাছে &lsquo;তীব্র প্রতিবাদ&rsquo; জানালেও বিরোধী দলগুলো সরকারের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনা করেছে। ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের নেতা রাহুল গান্ধী মোদির নীরবতার তীব্র সমালোচনা করে তাকে ট্রাম্পের &lsquo;বাধ্য অনুগত সেবক&rsquo; বলে কটাক্ষ করেছেন।</p>
<p>বাণিজ্য ও ভূরাজনীতিতে সম্পর্কের এমন টানাপোড়েনের মধ্যেও দুই নেতার আনুষ্ঠানিক সৌজন্যপূর্ণ আচরণ অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে ট্রাম্প মোদিকে ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য অভিনন্দন জানিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে লেখেছেন, &lsquo;এবং তিনি একজন মহান নেতা!&rsquo;</p>
<p>মোদিও প্রায়শই ট্রাম্পের প্রশংসা ফিরিয়ে দিলেও নেপথ্যে সম্পর্ক বেশ শীতল রয়েছে। গত জুনে কানাডায় অনুষ্ঠিত জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ট্রাম্প বৈঠক থেকে আগে চলে যাওয়ায় মোদি তার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং ট্রাম্পের দেওয়া ওয়াশিংটন সফরের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেন। উল্লেখ্য, ভারত জি-৭ এর স্থায়ী সদস্য নয়, তবে অতিথি রাষ্ট্র হিসেবে এই সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে বিতর্কের মুখে যুক্তরাষ্ট্র</title>  
            <description>চলমান মার্কিন-ইরান যুদ্ধ অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্প্রতি যে সমঝোতা স্মারক (এমওআই) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে, তার ভাষা ও শর্তাবলি নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনর এক প্রতিবেদনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই চুক্তির মূল খসড়াটি অত্যন্ত কৌশলগতভাবে অস্পষ্ট বা ভেগ রাখা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, চুক্তিটির ভাষা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা কোনো সুনির্দিষ্ট জটিল দ্বিপক্ষীয় বিরোধের চূড়ান্ত মীমাংসা করে না, বরং পরবর্তী দফার কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে চায়।
কেন এই অস্পষ্টতা?
মার্কিন কর্মকর্তারা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই সমঝোতা স্মারকটি মূলত একটি রাজনৈতিক দলিল। এটিকে খুব বেশি আইনি কড়াকড়িতে না বেঁধে সাধারণ মোড়কে উপস্থাপনের মূল কারণ হলোযাতে উভয় দেশই নিজ নিজ দেশের জনগণের কাছে এটিকে নিজেদের রাজনৈতিক বিজয় হিসেবে তুলে ধরতে পারে। বিশেষ করে ইরানের বর্তমান রক্ষণশীল সরকার যেন দেশের অভ্যন্তরে উগ্রপন্থীদের শান্ত রাখতে পারে, সে সুযোগ রাখা হয়েছে এই টেক্সটে।
একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, কাগজে কী লেখা আছে তার চেয়ে বড় বিষয় হলোদুই দেশের প্রশাসনের মধ্যে পর্দার আড়ালে আসলে কী বোঝাপড়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পরমাণু চুক্তি কিংবা ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় বিষয়গুলো সরাসরি এই চুক্তি দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে না, বরং এগুলো ভবিষ্যতের আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।
হরমুজ প্রণালী ও ড্রোন বিতর্ক
চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও সেখানে সার্ভিস ফি আদায়ের আইনি অধিকার তেহরানের হাতেই থাকবে।
এদিকে, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরও প্রতি রাতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) কর্তৃক একাধিক ড্রোন উৎক্ষেপণের ঘটনা মার্কিন সামরিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে।
হোয়াইট হাউসের পক্ষে সাফাই
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মার্কিন সংবাদমাধ্যমে চুক্তিটির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন। চুক্তিটির মাধ্যমে ইরানকে মোটা অঙ্কের সুবিধা দেওয়া হচ্ছেএমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, মার্কিন জনগণের এক সেন্টও শর্তহীনভাবে ইরানে যাবে না। ইরান যদি আমাদের দেওয়া শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে চলে, তবেই কেবল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো তৃতীয় কোনো দেশকে ইরানের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই চুক্তিকে বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য একটি গেম চেঞ্জার বলে অভিহিত করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সতর্ক করে দিয়েছে যে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে না আসে, তবে যেকোনো সময় আবার সামরিক হামলা শুরু হতে পারে।
আপাতত যুদ্ধবিরতির এই ৬০ দিনের ক্ষণগণনা শুরু হলেও, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই অস্পষ্ট সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনবে নাকি কেবলই একটি বড় যুদ্ধের সাময়িক বিরতি, তা নিয়ে সন্দিহান আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276186/The-United-States-is-in-the-face-of-controversy-over-the-cease-fire-agreement</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276186/The-United-States-is-in-the-face-of-controversy-over-the-cease-fire-agreement</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:59:16 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7_1.jpg" alt="যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে বিতর্কের মুখে যুক্তরাষ্ট্র" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>চলমান মার্কিন-ইরান যুদ্ধ অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সম্প্রতি যে সমঝোতা স্মারক (এমওআই) স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে, তার ভাষা ও শর্তাবলি নিয়ে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন&rsquo;র এক প্রতিবেদনে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই চুক্তির মূল খসড়াটি অত্যন্ত &lsquo;কৌশলগতভাবে অস্পষ্ট&rsquo; বা ভেগ রাখা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে জানানো হয়, চুক্তিটির ভাষা এমনভাবে সাজানো হয়েছে যা কোনো সুনির্দিষ্ট জটিল দ্বিপক্ষীয় বিরোধের চূড়ান্ত মীমাংসা করে না, বরং পরবর্তী দফার কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত আলোচনার জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে চায়।</p>
<p><strong>কেন এই অস্পষ্টতা?</strong></p>
<p>মার্কিন কর্মকর্তারা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই সমঝোতা স্মারকটি মূলত একটি &lsquo;রাজনৈতিক দলিল&rsquo;। এটিকে খুব বেশি আইনি কড়াকড়িতে না বেঁধে সাধারণ মোড়কে উপস্থাপনের মূল কারণ হলো&mdash;যাতে উভয় দেশই নিজ নিজ দেশের জনগণের কাছে এটিকে নিজেদের &lsquo;রাজনৈতিক বিজয়&rsquo; হিসেবে তুলে ধরতে পারে। বিশেষ করে ইরানের বর্তমান রক্ষণশীল সরকার যেন দেশের অভ্যন্তরে উগ্রপন্থীদের শান্ত রাখতে পারে, সে সুযোগ রাখা হয়েছে এই টেক্সটে।</p>
<p>একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, &lsquo;কাগজে কী লেখা আছে তার চেয়ে বড় বিষয় হলো&mdash;দুই দেশের প্রশাসনের মধ্যে পর্দার আড়ালে আসলে কী বোঝাপড়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পরমাণু চুক্তি কিংবা ইরানের অবরুদ্ধ তহবিল ফিরিয়ে দেওয়ার মতো বড় বিষয়গুলো সরাসরি এই চুক্তি দ্বারা বাস্তবায়িত হচ্ছে না, বরং এগুলো ভবিষ্যতের আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করবে।&rsquo;</p>
<p><strong>হরমুজ প্রণালী ও ড্রোন বিতর্ক</strong></p>
<p>চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ও সেখানে &lsquo;সার্ভিস ফি&rsquo; আদায়ের আইনি অধিকার তেহরানের হাতেই থাকবে।</p>
<p>এদিকে, চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরও প্রতি রাতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (IRGC) কর্তৃক একাধিক ড্রোন উৎক্ষেপণের ঘটনা মার্কিন সামরিক মহলে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। তবে মার্কিন প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে এই চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মার্কিন নৌ-অবরোধ বহাল থাকবে।</p>
<p><strong>হোয়াইট হাউসের পক্ষে সাফাই</strong></p>
<p>মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মার্কিন সংবাদমাধ্যমে চুক্তিটির পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়ে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন। চুক্তিটির মাধ্যমে ইরানকে মোটা অঙ্কের সুবিধা দেওয়া হচ্ছে&mdash;এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, &lsquo;মার্কিন জনগণের এক সেন্টও শর্তহীনভাবে ইরানে যাবে না। ইরান যদি আমাদের দেওয়া শর্তগুলো পুরোপুরি মেনে চলে, তবেই কেবল সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো তৃতীয় কোনো দেশকে ইরানের অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের অনুমতি দেওয়া হবে।&rsquo;</p>
<p>কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই চুক্তিকে বৈশ্বিক রাজনীতির জন্য একটি &lsquo;গেম চেঞ্জার&rsquo; বলে অভিহিত করেছেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন সতর্ক করে দিয়েছে যে, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে সুনির্দিষ্ট চুক্তিতে না আসে, তবে যেকোনো সময় আবার সামরিক হামলা শুরু হতে পারে।</p>
<p>আপাতত যুদ্ধবিরতির এই ৬০ দিনের ক্ষণগণনা শুরু হলেও, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার এই &lsquo;অস্পষ্ট&rsquo; সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি আনবে নাকি কেবলই একটি বড় যুদ্ধের সাময়িক বিরতি, তা নিয়ে সন্দিহান আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>চবির নবনিযুক্ত দুই উপউপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ</title>  
            <description>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলামের সঙ্গে বুধবার (১৭ জুন) সাক্ষাৎ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা।
উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. সফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সকল নেতারা এবং কর্মীদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। উপউপাচার্যরা বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হোক। শিক্ষার্থীবান্ধব সকল কাজে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ছাত্রদলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে। উপউপাচার্যরা আরও বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে, এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলের সহযোগিতা লাগবে। উপস্থিত সবাইকে মাননীয় উপউপাচার্যরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
ছাত্রদলের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা এবং নানা বিষয়ে উপউপাচার্যদের অবহিত করেন। বিশেষ করে আবাসন, নিরাপত্তাহীনতা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাবসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন নেতারা।
শাখা ছাত্রদলের নেতারা নবনিযুক্ত উপউপাচার্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন ছাত্রদলের নেতারা।
এ সময় বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় প্রমুখ। এ সময় শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/politics/276185/Courtesy-meeting-of-Chhatra-Dal-with-two-newly-appointed-vice-chancellors-of-Chabir</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/politics/276185/Courtesy-meeting-of-Chhatra-Dal-with-two-newly-appointed-vice-chancellors-of-Chabir</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:55:17 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B6%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B6%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B6%5D.jpg" alt="চবির নবনিযুক্ত দুই উপউপাচার্যের সঙ্গে ছাত্রদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সফিকুল ইসলামের সঙ্গে বুধবার (১৭ জুন) সাক্ষাৎ করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতারা।</p>
<p>উপউপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-আমীন ও উপউপাচার্য (প্রশাসন) ড. মো. সফিকুল ইসলাম চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সকল নেতারা এবং কর্মীদের শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানান। উপউপাচার্যরা বলেন, &lsquo;চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সাধারণ শিক্ষার্থীদের কণ্ঠস্বর হোক। শিক্ষার্থীবান্ধব সকল কাজে এবং ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে ছাত্রদলকে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।&rsquo; উপউপাচার্যরা আরও বলেন, &lsquo;এ বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন রয়েছে, এসব স্বপ্ন বাস্তবায়নে ছাত্রদলের সহযোগিতা লাগবে।&rsquo; উপস্থিত সবাইকে মাননীয় উপউপাচার্যরা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।</p>
<p>ছাত্রদলের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা এবং নানা বিষয়ে উপউপাচার্যদের অবহিত করেন। বিশেষ করে আবাসন, নিরাপত্তাহীনতা এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাবসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন নেতারা।</p>
<p>শাখা ছাত্রদলের নেতারা নবনিযুক্ত উপউপাচার্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন ছাত্রদলের নেতারা।</p>
<p>এ সময় বক্তব্য রাখেন শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসিন, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় প্রমুখ। এ সময় শাখা ছাত্রদলের অন্যান্য নেতারা এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>এবারের এল নিনো ভয়াবহ হবে</title>  
            <description>বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনো আবারও শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) নতুন এল নিনোর সূচনার ঘোষণা দিয়েছে। বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস বলছে, এবারের এল নিনো অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, দাবানল ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, এবারের এল নিনো যদি পূর্বাভাস অনুযায়ী শক্তিশালী হয়, তাহলে এটি গত ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর এল নিনো হতে পারে। বিশেষ করে আফ্রিকা, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার কিছু অংশে খরা ও বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।
শত শত বছর আগে পেরুর জেলেরা লক্ষ করেছিলেন, কয়েক বছর পরপর বড়দিনের সময় প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে অ্যাঙ্কোভি মাছ হঠাৎ কমে যায়। তারা এ ঘটনাকে এল নিনো নামে অভিহিত করেন, যার অর্থ শিশু যিশু।
বর্তমানে এল নিনোকে একটি বৈশ্বিক জলবায়ুগত চক্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ুর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরন বদলে যায়।
রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কা
এল নিনোর শক্তি নির্ধারণ করা হয় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কতটা বেড়েছে তার ওপর। সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো ধরা হয়।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বাকি সময় এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা গড়ে ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি, এমনকি ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও উপরে উঠতে পারে।
এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো ছিল ১৯৮২-৮৩ সালের, যখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবারের এল নিনো সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও উষ্ণ হতে পারে পৃথিবী
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনো নিজে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হয় না। তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে মিলিত হয়ে এর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে উঠে। ১৯৯৭-৯৮ সালের শক্তিশালী এল নিনোর পর ১৯৯৮ সাল সে সময়ের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল। একইভাবে ২০১৫-১৬ সালের এল নিনোর পর ২০১৬ সালে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়।
বর্তমানে ২০২৪ সাল সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে রেকর্ডধারী। সে বছর বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। জলবায়ু মডেল অনুযায়ী, ২০২৭ সাল আরও উষ্ণ হতে পারে।
বন্যা-খরার দ্বৈত ঝুঁকি
এল নিনোর প্রভাব সব অঞ্চলে এক রকম হয় না। কোথাও খরা দেখা দেয়, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) গত ৯ জুন সতর্ক করে বলেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সাহেল অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ সালের এল নিনোর সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা দেখা গিয়েছিল।
এফএওর মতে, সোমালিয়ায় আগামী অক্টোবর পর্যন্ত খরা চলতে পারে। এরপর আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে দীর্ঘ খরার পর অতিবৃষ্টি পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে। কারণ শুকিয়ে যাওয়া মাটিতে বৃষ্টির পানি সহজে শোষিত হয় না, ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার বিভিন্ন এলাকাও খরার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক অঞ্চল এরই মধ্যে যুদ্ধ, খাদ্যসংকট ও অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। এমন পরিস্থিতিতে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জটিলতার কারণে সার সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশন সতর্ক করেছে, সুদান, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, চাদ, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও হাইতির মতো দেশগুলো মানবিক সংকটের মুখে পড়তে পারে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276184/This-years-El-Nino-will-be-terrible</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276184/This-years-El-Nino-will-be-terrible</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:52:15 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6_1.jpg" alt="এবারের এল নিনো ভয়াবহ হবে" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বিশ্বজুড়ে আবহাওয়া ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম জলবায়ুগত ঘটনা এল নিনো আবারও শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমোসফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এনওএএ) নতুন এল নিনোর সূচনার ঘোষণা দিয়েছে। বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস বলছে, এবারের এল নিনো অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, খরা, তাপপ্রবাহ, দাবানল ও খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়তে পারে।</p>
<p>আবহাওয়াবিদদের মতে, এবারের এল নিনো যদি পূর্বাভাস অনুযায়ী শক্তিশালী হয়, তাহলে এটি গত ৭৫ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর এল নিনো হতে পারে। বিশেষ করে আফ্রিকা, মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার কিছু অংশে খরা ও বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে।</p>
<p>শত শত বছর আগে পেরুর জেলেরা লক্ষ করেছিলেন, কয়েক বছর পরপর বড়দিনের সময় প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলে অ্যাঙ্কোভি মাছ হঠাৎ কমে যায়। তারা এ ঘটনাকে &lsquo;এল নিনো&rsquo; নামে অভিহিত করেন, যার অর্থ &lsquo;শিশু যিশু&rsquo;।</p>
<p>বর্তমানে এল নিনোকে একটি বৈশ্বিক জলবায়ুগত চক্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি নিরক্ষীয় প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত বায়ুর গতিপথ পরিবর্তনের ফলে সৃষ্টি হয়। এতে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায় এবং বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আবহাওয়ার ধরন বদলে যায়।</p>
<p><strong>রেকর্ড ভাঙার আশঙ্কা</strong></p>
<p>এল নিনোর শক্তি নির্ধারণ করা হয় সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা কতটা বেড়েছে তার ওপর। সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি গড়ের তুলনায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে সেটিকে শক্তিশালী এল নিনো ধরা হয়।</p>
<p>বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আবহাওয়া মডেলের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের বাকি সময় এবং ২০২৭ সালের শুরুর দিকে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা গড়ে ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি, এমনকি ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসেরও উপরে উঠতে পারে।</p>
<p>এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনো ছিল ১৯৮২-৮৩ সালের, যখন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছিল ২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবারের এল নিনো সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
<p><strong>আরও উষ্ণ হতে পারে পৃথিবী</strong></p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এল নিনো নিজে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হয় না। তবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের সঙ্গে মিলিত হয়ে এর প্রভাব আরও তীব্র হয়ে উঠে। ১৯৯৭-৯৮ সালের শক্তিশালী এল নিনোর পর ১৯৯৮ সাল সে সময়ের সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে রেকর্ড গড়েছিল। একইভাবে ২০১৫-১৬ সালের এল নিনোর পর ২০১৬ সালে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়।</p>
<p>বর্তমানে ২০২৪ সাল সবচেয়ে উষ্ণ বছর হিসেবে রেকর্ডধারী। সে বছর বৈশ্বিক গড় তাপমাত্রা শিল্পবিপ্লব-পূর্ব সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। জলবায়ু মডেল অনুযায়ী, ২০২৭ সাল আরও উষ্ণ হতে পারে।</p>
<p><strong>বন্যা-খরার দ্বৈত ঝুঁকি</strong></p>
<p>এল নিনোর প্রভাব সব অঞ্চলে এক রকম হয় না। কোথাও খরা দেখা দেয়, আবার কোথাও অতিবৃষ্টি ও বন্যা হয়। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) গত ৯ জুন সতর্ক করে বলেছে, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং সাহেল অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। এর আগে ২০২৩-২৪ সালের এল নিনোর সময় দক্ষিণ আফ্রিকায় এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা দেখা গিয়েছিল।</p>
<p>এফএও&rsquo;র মতে, সোমালিয়ায় আগামী অক্টোবর পর্যন্ত খরা চলতে পারে। এরপর আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে দীর্ঘ খরার পর অতিবৃষ্টি পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে। কারণ শুকিয়ে যাওয়া মাটিতে বৃষ্টির পানি সহজে শোষিত হয় না, ফলে আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। মধ্য আমেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং এশিয়ার বিভিন্ন এলাকাও খরার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে।</p>
<p><strong>খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ</strong></p>
<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক অঞ্চল এরই মধ্যে যুদ্ধ, খাদ্যসংকট ও অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে। এমন পরিস্থিতিতে শক্তিশালী এল নিনো পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। ইরানকে ঘিরে সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জটিলতার কারণে সার সরবরাহেও চাপ তৈরি হয়েছে। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<p>ইউরোপীয় কমিশন সতর্ক করেছে, সুদান, সোমালিয়া, দক্ষিণ সুদান, চাদ, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা ও হাইতির মতো দেশগুলো মানবিক সংকটের মুখে পড়তে পারে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে মাগুরায় আলোচনা সভা</title>  
            <description>সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্ত সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে মাগুরায় সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় মাগুরা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।
মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ ইলিয়াস মিথুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সঞ্জয় রায় চৌধুরী, মাসুম বিল্লাহ কলিন্স, শাহিন আলম তুহিন, ইমরান হোসেন, শিউলি আফরোজ সাথী, আলিমুজ্জামান উজ্জ্বল, ফয়সাল পারভেজ, জয়ন্ত জোয়ার্দার, শরীফ স্বাধীন, নাঈমুর রহমান, সুজন মাহামুদ, শাহিনুর রহমান ও তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়। ফলে বহু সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। ইতিহাসের সেই ঘটনাকে স্মরণ করে দেশের সাংবাদিক সমাজ প্রতি বছর ১৬ জুনকে সংবাদপত্রের কালো দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।
বক্তারা আরও বলেন, একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। রাষ্ট্র ও সমাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি। অতীতের সে দুঃখজনক ঘটনার শিক্ষা নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।
সভায় মাগুরা প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। 
অনুষ্ঠান শেষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276183/Discussion-meeting-at-Magura-on-the-occasion-of-Newspaper-Black-Day</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276183/Discussion-meeting-at-Magura-on-the-occasion-of-Newspaper-Black-Day</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:46:21 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B5%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B5%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B5%5D.jpg" alt="সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে মাগুরায় আলোচনা সভা" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্ত সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরে মাগুরায় &lsquo;সংবাদপত্রের কালো দিবস&rsquo; উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় মাগুরা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।</p>
<p>মাগুরা প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম শফিক। প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শেখ ইলিয়াস মিথুনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক সঞ্জয় রায় চৌধুরী, মাসুম বিল্লাহ কলিন্স, শাহিন আলম তুহিন, ইমরান হোসেন, শিউলি আফরোজ সাথী, আলিমুজ্জামান উজ্জ্বল, ফয়সাল পারভেজ, জয়ন্ত জোয়ার্দার, শরীফ স্বাধীন, নাঈমুর রহমান, সুজন মাহামুদ, শাহিনুর রহমান ও তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।</p>
<p>আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, &lsquo;১৯৭৫ সালের ১৬ জুন তৎকালীন সরকার মাত্র চারটি সংবাদপত্র রেখে সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়। ফলে বহু সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্মহীন হয়ে পড়েন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়। ইতিহাসের সেই ঘটনাকে স্মরণ করে দেশের সাংবাদিক সমাজ প্রতি বছর ১৬ জুনকে &lsquo;সংবাদপত্রের কালো দিবস&rsquo; হিসেবে পালন করে আসছে।&rsquo;</p>
<p>বক্তারা আরও বলেন, &lsquo;একটি স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। রাষ্ট্র ও সমাজের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।&rsquo; অতীতের সে দুঃখজনক ঘটনার শিক্ষা নিয়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান বক্তারা।</p>
<p>সভায় মাগুরা প্রেসক্লাবের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। </p>
<p>অনুষ্ঠান শেষে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>পাকিস্তান সীমান্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তেল পাচার</title>  
            <description>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাকিস্তান সীমান্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তেল পারাপারে সিন্ডিকেট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মোটরসাইকেলে করে পেট্রোলের কনটেইনার নিয়ে চক্রটি তেল পাচার করছে। ইরান সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে আসা ট্রাক থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ করে থাকে চক্রটি। এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেয় তারা।
বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান থেকে পাকিস্তানে তেল পাচারের ভয়াবহ সিন্ডিকেট কয়েক দশক ধরে গড়ে উঠেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ও ইসরায়েল-মার্কিন উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে এটি বেড়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়েছে। এতে করে ইরান থেকে পাচার হওয়া পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা পাকিস্তানে বেড়েছে। পাকিস্তানে ইরান থেকে আসা সস্তা পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বেলুচিস্তানের হাজার হাজার পাচারকারীর মতো মাজারও খোলা বাজার এবং অননুমোদিত পেট্রোল স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে দেন। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উত্তপ্ত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ৩৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সিন্ধু প্রদেশে জ্বালানি পৌঁছে দেন।
তেল পরিবহনের সময় কখনো কখনো বেলুচিস্তানের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এতে ক্যানগুলো ফুলে নরম হয়ে যায়। ফলে যেকোনো সময় এটি ফেটে বা মুখ খুলে গেলে ভয়াবহ আগুন এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি রয়েছে। অনেক পাচারকারী এভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।
এর বাইরে আরও নানা ধরনের বিপদ রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হলো বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে প্রায় সংঘর্ষ হয়। এমন বিপৎসংকুল পথ তাদের পাড়ি দিতে হয়।
মাজার বলেন, আমাদের কাছে অন্য কোনো বিকল্প নেই বলেই আমরা এটা করছি। প্রচণ্ড গরম আর জিনিসের দামও অত্যাধিক। এ ছাড়া এটি পরিবহনের জন্য আমাদের দিন-রাত সড়কেই পার হয়ে যায়।
সীমান্তে পাচারকৃত তেলের সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ২০২৪ সালে নিক্কেই এশিয়া পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার একটি ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনের বরাতে জানায়, প্রতি বছর ইরান থেকে পাকিস্তানে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জ্বালানি পাচার হয়।
পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী জ্বালানি পাচার অবৈধ। দেশটিতে এর শাস্তি হিসেবে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বেলুচিস্তানের কোয়েটা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ফিদা হোসেন দস্তি বলেন, কর্মসংস্থানের অভাবে এই অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ নিরুপায়। এমনকি এমএ পাস করা ছাত্ররাও শেষ পর্যন্ত এই তেলের ব্যবসায় নামতে বাধ্য হয়।
দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা পাচারচক্রের পেছনে অত্যন্ত জটিল রাজনীতি রয়েছে। পাকিস্তান একদিকে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ দুর্গম সীমান্ত হওয়ায় এটি পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ ছাড়া বেলুচিস্তানের মানুষের জন্য বেঁচে থাকার একমাত্রা উপায় হয়ে উঠেছে এটি।
বিবিসি বলছে, সীমান্তে তেল পাচারের জন্য ইরান অপরাধী চক্রকে দায়ী করে আসছে। তবে গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমের প্যাডি গিন বলেন, প্রধান পাচারকারীরা ইরানি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তারা এমনটি করে থাকতে পারে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276182/Smuggling-of-oil-at-the-risk-of-life-on-the-Pakistan-border</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276182/Smuggling-of-oil-at-the-risk-of-life-on-the-Pakistan-border</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:42:17 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5_1.jpg" alt="পাকিস্তান সীমান্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তেল পাচার" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাকিস্তান সীমান্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তেল পারাপারে সিন্ডিকেট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। মোটরসাইকেলে করে পেট্রোলের কনটেইনার নিয়ে চক্রটি তেল পাচার করছে। ইরান সীমান্ত দিয়ে পাচার হয়ে আসা ট্রাক থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে সরবরাহ করে থাকে চক্রটি। এরপর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেয় তারা।</p>
<p>বুধবার বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান থেকে পাকিস্তানে তেল পাচারের ভয়াবহ সিন্ডিকেট কয়েক দশক ধরে গড়ে উঠেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইরান ও ইসরায়েল-মার্কিন উত্তেজনা ও যুদ্ধের প্রভাবে এটি বেড়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানির দাম বেড়েছে। এতে করে ইরান থেকে পাচার হওয়া পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা পাকিস্তানে বেড়েছে। পাকিস্তানে ইরান থেকে আসা সস্তা পেট্রোল ও ডিজেলের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>বেলুচিস্তানের হাজার হাজার পাচারকারীর মতো মাজারও খোলা বাজার এবং অননুমোদিত পেট্রোল স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে দেন। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উত্তপ্ত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে ৩৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে সিন্ধু প্রদেশে জ্বালানি পৌঁছে দেন।</p>
<p>তেল পরিবহনের সময় কখনো কখনো বেলুচিস্তানের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। এতে ক্যানগুলো ফুলে নরম হয়ে যায়। ফলে যেকোনো সময় এটি ফেটে বা মুখ খুলে গেলে ভয়াবহ আগুন এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি রয়েছে। অনেক পাচারকারী এভাবে প্রাণ হারিয়েছেন।</p>
<p>এর বাইরে আরও নানা ধরনের বিপদ রয়েছে। এরমধ্যে অন্যতম হলো বেলুচিস্তানে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মধ্যে প্রায় সংঘর্ষ হয়। এমন বিপৎসংকুল পথ তাদের পাড়ি দিতে হয়।</p>
<p>মাজার বলেন, &lsquo;আমাদের কাছে অন্য কোনো বিকল্প নেই বলেই আমরা এটা করছি। প্রচণ্ড গরম আর জিনিসের দামও অত্যাধিক। এ ছাড়া এটি পরিবহনের জন্য আমাদের দিন-রাত সড়কেই পার হয়ে যায়।&rsquo;</p>
<p>সীমান্তে পাচারকৃত তেলের সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। তবে ২০২৪ সালে নিক্কেই এশিয়া পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থার একটি ফাঁস হওয়া প্রতিবেদনের বরাতে জানায়, প্রতি বছর ইরান থেকে পাকিস্তানে প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জ্বালানি পাচার হয়।</p>
<p>পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী জ্বালানি পাচার অবৈধ। দেশটিতে এর শাস্তি হিসেবে জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। বেলুচিস্তানের কোয়েটা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ফিদা হোসেন দস্তি বলেন, &lsquo;কর্মসংস্থানের অভাবে এই অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ নিরুপায়। এমনকি এমএ পাস করা ছাত্ররাও শেষ পর্যন্ত এই তেলের ব্যবসায় নামতে বাধ্য হয়।&rsquo;</p>
<p>দুই দেশের মধ্যে গড়ে ওঠা পাচারচক্রের পেছনে অত্যন্ত জটিল রাজনীতি রয়েছে। পাকিস্তান একদিকে ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে ৯০০ কিলোমিটার দীর্ঘ দুর্গম সীমান্ত হওয়ায় এটি পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। এ ছাড়া বেলুচিস্তানের মানুষের জন্য বেঁচে থাকার একমাত্রা উপায় হয়ে উঠেছে এটি।</p>
<p>বিবিসি বলছে, সীমান্তে তেল পাচারের জন্য ইরান অপরাধী চক্রকে দায়ী করে আসছে। তবে &lsquo;গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ অ্যাগেইনস্ট ট্রান্সন্যাশনাল অর্গানাইজড ক্রাইমের&rsquo; প্যাডি গিন বলেন, &lsquo;প্রধান পাচারকারীরা ইরানি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে তারা এমনটি করে থাকতে পারে।&rsquo;</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা</title>  
            <description>ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আচমকাই কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে তিনি হলফনামা দাখিল করেন। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও দোলা সেন।
তৃণমূল সূত্র জানায়, ভবানীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনী ফল বাতিলের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রিতে পিটিশনটি অ্যাফার্ম করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্রে বিজেপি নেতা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত করেন।
মমতার আইনজীবী ও তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ভবানীপুরে ভোট গণনায় অনিয়ম হয়েছে। তার দাবি, ১২ রাউন্ড গণনার পর তৃণমূলের এক এজেন্টকে মারধর করে কাউন্টিং সেন্টার থেকে বের করে দেওয়া হয়।
এ ছাড়া ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা একই রিটার্নিং অফিসারকে ২০২৬ সালে ভবানীপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং ভোটের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ডেপুটি সেক্রেটারী পদে নিয়োগ পান। বর্তমান মুখ্যসচিবও এর আগে রাজ্যের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা (সিইও) ছিলেন। এসব ঘটনাকে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে তৃণমূল।
এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনী ফলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজয়ের পরও তিনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন। সেই মামলাটি এখনও কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৪ মে ভোট-পরবর্তী সহিংসতাসংক্রান্ত একটি মামলায় সওয়াল করতে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় আদালত চত্বরে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ ও স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। প্রায় এক মাসের ব্যবধানে আবারও একই আদালতে হাজির হলেন তৃণমূল নেত্রী।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276181/Mamata-challenges-Shuvendurs-victory-in-Bhavanipur-in-the-High-Court</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276181/Mamata-challenges-Shuvendurs-victory-in-Bhavanipur-in-the-High-Court</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:29:53 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4_1.jpg" alt="ভবানীপুরে শুভেন্দুর জয়কে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মমতা" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আচমকাই কলকাতা হাইকোর্টে গিয়ে তিনি হলফনামা দাখিল করেন। সেখানে তার সঙ্গে ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ ও দোলা সেন।</p>
<p>তৃণমূল সূত্র জানায়, ভবানীপুর কেন্দ্রের নির্বাচনী ফল বাতিলের আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রিতে পিটিশনটি &lsquo;অ্যাফার্ম&rsquo; করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কেন্দ্রে বিজেপি নেতা ও বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ১৫ হাজার ১০৫ ভোটের ব্যবধানে তাকে পরাজিত করেন।</p>
<p>মমতার আইনজীবী ও তৃণমূল সংসদ সদস্য কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, ভবানীপুরে ভোট গণনায় অনিয়ম হয়েছে। তার দাবি, ১২ রাউন্ড গণনার পর তৃণমূলের এক এজেন্টকে মারধর করে কাউন্টিং সেন্টার থেকে বের করে দেওয়া হয়।</p>
<p>এ ছাড়া ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করা একই রিটার্নিং অফিসারকে ২০২৬ সালে ভবানীপুরে দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং ভোটের পর তিনি মুখ্যমন্ত্রীর ডেপুটি সেক্রেটারী পদে নিয়োগ পান। বর্তমান মুখ্যসচিবও এর আগে রাজ্যের প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা (সিইও) ছিলেন। এসব ঘটনাকে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে তৃণমূল।</p>
<p>এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচনী ফলের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০২১ সালের নন্দীগ্রাম বিধানসভা নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে পরাজয়ের পরও তিনি ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে মামলা করেছিলেন। সেই মামলাটি এখনও কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।</p>
<p>উল্লেখ্য, গত ১৪ মে ভোট-পরবর্তী সহিংসতাসংক্রান্ত একটি মামলায় সওয়াল করতে কলকাতা হাইকোর্টে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সে সময় আদালত চত্বরে আইনজীবীদের একাংশের বিক্ষোভ ও স্লোগানের মুখে পড়তে হয়েছিল তাকে। প্রায় এক মাসের ব্যবধানে আবারও একই আদালতে হাজির হলেন তৃণমূল নেত্রী।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ পাড়ি দিলো ইরানের ৩ ট্যাংকার</title>  
            <description>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর আরও আলোচনা শুরু হবে আগামীকাল শুক্রবার। তবে তার দুই দিন আগেই ইরানের তেল বহনকারী কয়েকটি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে একটি জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
তেল পরিবহন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ট্যাংকারট্র্যাকার্স বুধবার জানিয়েছে, ডিজিটাল ট্র্যাকিং তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে যাচাই করে তারা ইরানের দুই মাসের মধ্যে প্রথম অপরিশোধিত তেল রপ্তানি শনাক্ত করেছে।
যুদ্ধ অবসানের চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক পর্বত রিসোর্টে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে যায়।
ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির (এনআইটিসি) দুটি ট্যাংকার ডিওনা এবং হিরো গত মঙ্গলবার অবরোধসীমা অতিক্রম করে বেরিয়ে যায়। এসব জাহাজে মোট ৩৮ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল ছিল। একই সময়ে আরেকটি ট্যাংকার স্ট্রিম গতকাল বুধবার ইরানের বন্দরগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।
এ ছাড়া এনআইটিসি পরিচালিত আরও একটি ট্যাংকার, যাতে ১০ লাখ ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ছিল, গতকাল বুধবার ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে ট্যাংকারট্র্যাকার্স। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সামুদ্রিক পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সোনিয়া আই নামের জাহাজটি গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টা ১১ মিনিটে অবরোধসীমা অতিক্রম করে বেরিয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের পরপরই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনা ৬০ দিন ধরে চলবে এবং এর লক্ষ্য হবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো ও ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নির্ধারণ করা।
গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তাৎক্ষণিকভাবে তেল ও জ্বালানি বিক্রি শুরু করার অনুমতি দেবে। এ বিষয়ে চুক্তির সঙ্গে পরিচিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে এবং এর আওতায় ব্যাংকিং, পরিবহন ও বিমাসহ সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কাঠামোগত চুক্তিটি ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি এবং তেহরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276180/Ignoring-US-blockade-3-Iranian-tankers-crossed-Hormuz</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276180/Ignoring-US-blockade-3-Iranian-tankers-crossed-Hormuz</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:23:38 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B3%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B3%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B3%5D.jpg" alt="মার্কিন অবরোধ উপেক্ষা করে হরমুজ পাড়ি দিলো ইরানের ৩ ট্যাংকার" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানে একটি কাঠামোগত চুক্তিতে পৌঁছানোর পর আরও আলোচনা শুরু হবে আগামীকাল শুক্রবার। তবে তার দুই দিন আগেই ইরানের তেল বহনকারী কয়েকটি ট্যাংকার হরমুজ প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে একটি জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
<p>তেল পরিবহন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ট্যাংকারট্র্যাকার্স বুধবার জানিয়েছে, ডিজিটাল ট্র্যাকিং তথ্য এবং স্যাটেলাইট চিত্রের মাধ্যমে যাচাই করে তারা ইরানের &lsquo;দুই মাসের মধ্যে প্রথম অপরিশোধিত তেল রপ্তানি&rsquo; শনাক্ত করেছে।</p>
<p>যুদ্ধ অবসানের চূড়ান্ত সমঝোতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনা আগামীকাল শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক পর্বত রিসোর্টে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর যুদ্ধের সূত্রপাত হয়েছিল। একই সময়ে হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত কমে যায়।</p>
<p>ট্যাংকার ট্র্যাকার্সের তথ্য অনুযায়ী, ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির (এনআইটিসি) দুটি ট্যাংকার ডিওনা এবং হিরো গত মঙ্গলবার অবরোধসীমা অতিক্রম করে বেরিয়ে যায়। এসব জাহাজে মোট ৩৮ লাখ ব্যারেল ইরানি তেল ছিল। একই সময়ে আরেকটি ট্যাংকার স্ট্রিম গতকাল বুধবার ইরানের বন্দরগুলোর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।</p>
<p>এ ছাড়া এনআইটিসি পরিচালিত আরও একটি ট্যাংকার, যাতে ১০ লাখ ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল ছিল, গতকাল বুধবার ওমান উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অবরোধসীমা অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছে ট্যাংকারট্র্যাকার্স। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সামুদ্রিক পরিবহন পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সোনিয়া আই নামের জাহাজটি গ্রিনিচ মান সময় (জিএমটি) রাত ১টা ১১ মিনিটে &lsquo;অবরোধসীমা অতিক্রম করে বেরিয়ে যায়।&rsquo;</p>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের পরপরই আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, আলোচনা ৬০ দিন ধরে চলবে এবং এর লক্ষ্য হবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছানো ও ইরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পরিকল্পনা নির্ধারণ করা।</p>
<p>গত মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে তাৎক্ষণিকভাবে তেল ও জ্বালানি বিক্রি শুরু করার অনুমতি দেবে। এ বিষয়ে চুক্তির সঙ্গে পরিচিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের উদ্ধৃত করা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্ত সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে এবং এর আওতায় ব্যাংকিং, পরিবহন ও বিমাসহ সংশ্লিষ্ট সেবাগুলোও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কথা বলা যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, কাঠামোগত চুক্তিটি ইতোমধ্যে ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মাজিদ তাখত-রাভানচি এবং তেহরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক ও টিকটক আইডি ডিএমপির নজরদারিতে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title>  
            <description>ঢাকা মহানগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্যাং বা দলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ এবং টিকটক আইডি বা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছে, সেগুলোকে ডিএমপির সাইবার ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে রাজধানীর মিরপুর বিভাগ ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, র্যাব-২ মোহাম্মদপুর এলাকায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১১৯টি ছিনতাইবিরোধী সফল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং এসব অভিযান থেকে ২৫২ জন ছিনতাইকারী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।
পরবর্তীতে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশের সর্বত্র মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি থেকে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও জানান, এর অংশ হিসেবে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং এবং পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠকের আয়োজন করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক নিয়মিত কাউন্সেলিং, বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অভিযান এবং নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276179/Facebook-and-TikTok-IDs-of-juvenile-gangs-under-DMP-surveillance-Home-Minister-in-Parliament</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276179/Facebook-and-TikTok-IDs-of-juvenile-gangs-under-DMP-surveillance-Home-Minister-in-Parliament</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:23:24 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__1.jpg" alt="কিশোর গ্যাংয়ের ফেসবুক ও টিকটক আইডি ডিএমপির নজরদারিতে: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ঢাকা মহানগরীতে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নিয়মিত বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা নিজেদের গ্যাং বা দলের নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ এবং টিকটক আইডি বা অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করছে, সেগুলোকে ডিএমপির সাইবার ইউনিট অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে।</p>
<p>আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে রাজধানীর মিরপুর বিভাগ ও মোহাম্মদপুর থানা এলাকায় নিয়মিত সাঁড়াশি অভিযান চলছে উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, র&zwj;্যাব-২ মোহাম্মদপুর এলাকায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ১১৯টি ছিনতাইবিরোধী সফল অভিযান পরিচালনা করেছে এবং এসব অভিযান থেকে ২৫২ জন ছিনতাইকারী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।</p>
<p>পরবর্তীতে ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল বাতেনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, দেশের সর্বত্র মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং কিশোর গ্যাং, চুরি, ছিনতাই ও রাহাজানি থেকে সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, এর অংশ হিসেবে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পুলিশিং এবং পাড়া-মহল্লায় উঠান বৈঠকের আয়োজন করে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি তরুণ সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক নিয়মিত কাউন্সেলিং, বিশেষ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা অভিযান এবং নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে সর্বোচ্চ দামে বাংলাদেশি টাকা</title>  
            <description>দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশের ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৭৯ ভারতীয় রুপি, যা মাত্র কিছুদিন আগেও ছিল মাত্র ৭৩ রুপি।
একইভাবে আগে যেখানে ১০০ রুপি কিনতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রায় ১৪০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতো, মুদ্রা বাজারের বর্তমান হারের কারণে এখন সেখানে লাগছে মাত্র ১২৩ টাকা।
মুদ্রা বিনিময় হারের এই বড় ধরনের পরিবর্তনে দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বাণিজ্য, আমদানি কার্যক্রম এবং ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মধ্যে বড় রকমের স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সাধারণত ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে যাত্রার আগেই বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এর মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের ভিসা ফি ১ হাজার ৫৫০ টাকা, ভারতের বন্দর চার্জ ৪০০ রুপি, বাংলাদেশ সরকারের ভ্রমণ কর ১ হাজার টাকা এবং বন্দর ফি ৬৫ টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এর বাইরেও ভিসার সিরিয়াল সংগ্রহ ও যাতায়াত বাবদ একটি বড় অঙ্কের ব্যয় হয়। ফলে রুপির উচ্চমূল্যের কারণে এতদিন ভারত ভ্রমণ সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছিল।
শুধু ভ্রমণই নয়, রুপির চড়া দামের কারণে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতেও অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছিল দেশের ব্যবসায়ীদের, যার ফলে অনেক আমদানিকারক লোকসানের আশঙ্কায় তাঁদের ব্যবসার পরিধি সীমিত করে ফেলেছিলেন।
তবে সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করেই রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান লক্ষণীয়ভাবে বাড়তে শুরু করে এবং গত তিন দিনের ব্যবধানে টাকার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে ভ্রমণকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।
বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী পাসপোর্টধারী রাশেদুজ্জামান জানান, টাকার মান বাড়ায় ভারত ভ্রমণের খরচ আগের চেয়ে কিছুটা কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত স্বস্তির বিষয়।
অন্যদিকে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বাংলাদেশি টাকা শক্তিশালী হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যবসায়ীদের সামগ্রিক ব্যয় কমবে এবং দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন এই পরিবর্তনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলেন, বিগত ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি টাকার মান রুপির বিপরীতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তাঁরা আশা করছেন।
বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৬ জন দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন এবং একই দিনে ৩৪৫টি ট্রাকে করে দুই দেশের আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহন করা হয়েছে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীদের জোরালো প্রত্যাশা হলো বাংলাদেশি টাকার এই ইতিবাচক ধারা যদি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে, তবে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে এবং সীমান্ত অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276178/Bangladeshi-taka-at-highest-value-against-Indian-rupee-after-a-decade</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276178/Bangladeshi-taka-at-highest-value-against-Indian-rupee-after-a-decade</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 20:05:50 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B4%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B4%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B4%5D.jpg" alt="এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে সর্বোচ্চ দামে বাংলাদেশি টাকা" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>দীর্ঘ প্রায় এক দশক পর ভারতীয় রুপির বিপরীতে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। বর্তমানে বাংলাদেশের ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ৭৯ ভারতীয় রুপি, যা মাত্র কিছুদিন আগেও ছিল মাত্র ৭৩ রুপি।</p>
<p>একইভাবে আগে যেখানে ১০০ রুপি কিনতে বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রায় ১৪০ টাকা পর্যন্ত খরচ করতে হতো, মুদ্রা বাজারের বর্তমান হারের কারণে এখন সেখানে লাগছে মাত্র ১২৩ টাকা।</p>
<p>মুদ্রা বিনিময় হারের এই বড় ধরনের পরিবর্তনে দুই দেশের মধ্যকার সীমান্ত বাণিজ্য, আমদানি কার্যক্রম এবং ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের মধ্যে বড় রকমের স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
<p>সাধারণত ভারত ভ্রমণের ক্ষেত্রে একজন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীকে যাত্রার আগেই বিভিন্ন খাতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এর মধ্যে ভারতীয় দূতাবাসের ভিসা ফি ১ হাজার ৫৫০ টাকা, ভারতের বন্দর চার্জ ৪০০ রুপি, বাংলাদেশ সরকারের ভ্রমণ কর ১ হাজার টাকা এবং বন্দর ফি ৬৫ টাকা পরিশোধের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।</p>
<p>এর বাইরেও ভিসার সিরিয়াল সংগ্রহ ও যাতায়াত বাবদ একটি বড় অঙ্কের ব্যয় হয়। ফলে রুপির উচ্চমূল্যের কারণে এতদিন ভারত ভ্রমণ সাধারণ মানুষের জন্য বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছিল।</p>
<p>শুধু ভ্রমণই নয়, রুপির চড়া দামের কারণে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতেও অতিরিক্ত ব্যয় বহন করতে হচ্ছিল দেশের ব্যবসায়ীদের, যার ফলে অনেক আমদানিকারক লোকসানের আশঙ্কায় তাঁদের ব্যবসার পরিধি সীমিত করে ফেলেছিলেন।</p>
<p>তবে সম্প্রতি ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে হঠাৎ করেই রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান লক্ষণীয়ভাবে বাড়তে শুরু করে এবং গত তিন দিনের ব্যবধানে টাকার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এতে ভ্রমণকারী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে।</p>
<p>বেনাপোল স্থলবন্দর ব্যবহারকারী পাসপোর্টধারী রাশেদুজ্জামান জানান, টাকার মান বাড়ায় ভারত ভ্রমণের খরচ আগের চেয়ে কিছুটা কমবে, যা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত স্বস্তির বিষয়।</p>
<p>অন্যদিকে বেনাপোল আমদানি-রফতানি সমিতির সহসভাপতি আমিনুল হক জানান, বাংলাদেশি টাকা শক্তিশালী হওয়ায় ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে ব্যবসায়ীদের সামগ্রিক ব্যয় কমবে এবং দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমে এর একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।</p>
<p>বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন এই পরিবর্তনকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে বলেন, বিগত ১০ বছরের মধ্যে বাংলাদেশি টাকার মান রুপির বিপরীতে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। ভারতের নির্বাচন-পরবর্তী এই সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তাঁরা আশা করছেন।</p>
<p>বেনাপোল বন্দর সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বন্দর দিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১ হাজার ৮৩৬ জন দেশি-বিদেশি পাসপোর্টধারী যাতায়াত করেছেন এবং একই দিনে ৩৪৫টি ট্রাকে করে দুই দেশের আমদানি-রফতানি পণ্য পরিবহন করা হয়েছে।</p>
<p>বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজ্জোহা সেলিম জানান, ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীদের জোরালো প্রত্যাশা হলো বাংলাদেশি টাকার এই ইতিবাচক ধারা যদি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকে, তবে দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গতিশীল হবে এবং সীমান্ত অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ঢাকা মহানগরের থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিলেন ডিএমপি কমিশনার</title>  
            <description>ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ঢাকা মহানগরের থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। থানাকে দালালমুক্ত রাখতে হবে। কোনো অপরাধ যেন থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
বুধবার (১৭ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে গত মে মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।
সভায় ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। বিশেষ করে মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
সভায় তিনি আরও বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হবে। অন্যদিকে দায়িত্বে অবহেলা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়এমন কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসন্ন পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।
মাসিক অপরাধ সভায় মে মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276177/DMP-Commissioner-ordered-to-keep-the-police-stations-of-Dhaka-city-broker-free</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276177/DMP-Commissioner-ordered-to-keep-the-police-stations-of-Dhaka-city-broker-free</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:49:42 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B3%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B3%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B3%5D.jpg" alt="ঢাকা মহানগরের থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিলেন ডিএমপি কমিশনার" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ ঢাকা মহানগরের থানাগুলোকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, থানা এলাকায় মাদক উদ্ধার ও পরোয়ানাভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করতে হবে। থানাকে দালালমুক্ত রাখতে হবে। কোনো অপরাধ যেন থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে গত মে মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।</p>
<p>সভায় ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সজাগ থাকতে হবে। বিশেষ করে মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ, ছিনতাইকারী ও বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে।</p>
<p>সভায় তিনি আরও বলেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হবে। অন্যদিকে দায়িত্বে অবহেলা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়&mdash;এমন কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
<p>অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, আসন্ন পবিত্র আশুরার সব কর্মসূচি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে সবাইকে সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কেউ যেন বিশৃঙ্খলা বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি করতে না পারে, সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।</p>
<p>মাসিক অপরাধ সভায় মে মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন চালু করেছে রিমার্ক</title>  
            <description>ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন চালু করেছে প্রসাধনী উৎপাদনকারী কোম্পানি রিমার্ক এইচবি লিমিটেড।
৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বলে কোম্পানির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়, রিমার্কের তালিকাভুক্ত বিক্রেতারা ন্যূনতম ২ হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য কিনলেই প্রতিবার পেতে পারেন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উপহার।
এছাড়া রয়েছে কোটি কোটি টাকার নগদ উপহার, তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাক এবং ফ্রিজ ও টেলিভিশনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।
কোম্পানিটি বলেছে, কম্পিউটারাইজড ও ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে উপহার অর্জনকারী নির্বাচন করা হবে। ক্যাম্পেইনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠানকে রিমার্কের ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এ সঠিক ও হালনাগাদ ফোন নম্বরসহ তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।
রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন শুধু বিক্রয় কার্যক্রম নয়, বরং আমাদের বিক্রেতা বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশের উদ্যোগ।
রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মাইনুল আহসান বলেন, দেশের বাজারে রিমার্কের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা বন্ধুদের অবদান অনস্বীকার্য। ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা তাদের জন্য আরও বেশি অনুপ্রেরণার সুযোগ তৈরি করেছি। 
ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত তথ্য, অভিযোগ বা ভেরিফিকেশনের জন্য রিটেইলার ও গ্রাহকরা নির্ধারিত নম্বরে (+৮৮০৯৬৭৮০৭১০৭১) যোগাযোগ করতে পারবেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276176/Remark-launched-Double-Lakhpati-campaign</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276176/Remark-launched-Double-Lakhpati-campaign</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:48:13 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_3.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_3.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_3.jpg" alt="‘ডাবল লাখপতি’ ক্যাম্পেইন চালু করেছে রিমার্ক" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>&lsquo;ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন&rsquo; চালু করেছে প্রসাধনী উৎপাদনকারী কোম্পানি রিমার্ক এইচবি লিমিটেড।</p>
<p>৩ জুন থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইন ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত চলবে বলে কোম্পানির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।</p>
<p>এতে বলা হয়, রিমার্কের তালিকাভুক্ত বিক্রেতারা ন্যূনতম ২ হাজার টাকার রিমার্ক পণ্য কিনলেই প্রতিবার পেতে পারেন সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত উপহার।</p>
<p>&ldquo;এছাড়া রয়েছে কোটি কোটি টাকার নগদ উপহার, তাৎক্ষণিক ক্যাশব্যাক এবং ফ্রিজ ও টেলিভিশনসহ আকর্ষণীয় পুরস্কার।&rdquo;</p>
<p>কোম্পানিটি বলেছে, কম্পিউটারাইজড ও ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে উপহার অর্জনকারী নির্বাচন করা হবে। ক্যাম্পেইনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট খুচরা বিক্রেতা বা প্রতিষ্ঠানকে রিমার্কের &lsquo;ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম&rsquo; এ সঠিক ও হালনাগাদ ফোন নম্বরসহ তালিকাভুক্ত থাকতে হবে।</p>
<p>রিমার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল আলম বলেন, &ldquo;ডাবল লাখপতি ক্যাম্পেইন শুধু বিক্রয় কার্যক্রম নয়, বরং আমাদের বিক্রেতা বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সম্মান প্রকাশের উদ্যোগ।&rdquo;</p>
<p>রিমার্কের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মাইনুল আহসান বলেন, &ldquo;দেশের বাজারে রিমার্কের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রায় ব্যবসায়ী ও বিক্রেতা বন্ধুদের অবদান অনস্বীকার্য। &lsquo;ডাবল লাখপতি&rsquo; ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে আমরা তাদের জন্য আরও বেশি অনুপ্রেরণার সুযোগ তৈরি করেছি। &rdquo;</p>
<p>ক্যাম্পেইন সংক্রান্ত তথ্য, অভিযোগ বা ভেরিফিকেশনের জন্য রিটেইলার ও গ্রাহকরা নির্ধারিত নম্বরে (+৮৮০৯৬৭৮০৭১০৭১) যোগাযোগ করতে পারবেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>এনআরবি ব্যাংকে ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ড চালু</title>  
            <description>ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ড চালু করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি এনআরবি ব্যাংক।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ কার্ড উন্মোচন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রিয়াজ খান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ।
অনুষ্ঠানে তারেক রিয়াজ খান বলেন, বাংলাদেশে প্রথম ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ডের উদ্ভাবন এবং ব্যাংকিং অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক। এই সমাধানটি নিয়োগকর্তাদের জন্য বেতন ব্যবস্থাপনা সহজ করার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি সুবিধা, নিরাপত্তা এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে।
বিমাফাইর সিওও অর্ণব পল, এনআরবি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ভিসা প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276175/Visa-prepaid-payroll-card-launched-in-NRB-Bank</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276175/Visa-prepaid-payroll-card-launched-in-NRB-Bank</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:44:26 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_8.jpg" alt="এনআরবি ব্যাংকে ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ড চালু" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ড চালু করার কথা জানিয়েছে বেসরকারি এনআরবি ব্যাংক।</p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ে এ কার্ড উন্মোচন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তারেক রিয়াজ খান এবং ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ।</p>
<p>অনুষ্ঠানে তারেক রিয়াজ খান বলেন, &ldquo;বাংলাদেশে প্রথম ভিসা প্রিপেইড পে-রোল কার্ডের উদ্ভাবন এবং ব্যাংকিং অন্তর্ভুক্তি বিষয়ে আমাদের অঙ্গীকারের আরেকটি মাইলফলক। এই সমাধানটি নিয়োগকর্তাদের জন্য বেতন ব্যবস্থাপনা সহজ করার পাশাপাশি কর্মীদের জন্য আরও বেশি সুবিধা, নিরাপত্তা এবং সহজলভ্যতা নিশ্চিত করবে।&rdquo;</p>
<p>বিমাফাই&rsquo;র সিওও অর্ণব পল, এনআরবি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ভিসা প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ফারইস্ট স্পিনিংকে সিটি ব্যাংকের ২৩৪ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ</title>  
            <description>বস্ত্র খাতের ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে ২৩৪ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ দিয়েছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক। এই ঋণে ঢাকা ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসিও যুক্ত রয়েছে।
সিন্ডিকেশন ঋণটিতে মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ঢাকার একটি হোটেলে এ ঋণ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান এরশাদ ফয়েজ, ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও রশিদ, বিআইএফএফএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আনিসুজ্জামান, ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজর চেয়ারম্যান আসিফ মঈন উপস্থিত ছিলেন।
মাসরুর আরেফিন বলেন, টাকা সিন্ডিকেশন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে এমন স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজি সংগ্রহ ও সহায়তা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। আমরা এই লেনদেনের মাধ্যমে ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে সহায়তা করতে পেরে আনন্দিত।
আসিফ মইন বলেন, প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে এবং ২০২৭ সালের প্রথম দিকে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা আমাদেরকে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা আরো ভালোভাবে মেটাতে সক্ষম করবে।
ঋণের অর্থ দিয়ে ফার ইস্ট স্পিনিং নতুন করে ২৮ হাজার ৫০০টি স্পিন্ডল যুক্ত করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276174/234-crore-syndicated-loan-from-City-Bank-to-Far-East-Spinning</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276174/234-crore-syndicated-loan-from-City-Bank-to-Far-East-Spinning</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:42:23 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_7.jpg" alt="ফারইস্ট স্পিনিংকে সিটি ব্যাংকের ২৩৪ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বস্ত্র খাতের ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে ২৩৪ কোটি টাকার সিন্ডিকেটেড ঋণ দিয়েছে বেসরকারি সিটি ব্যাংক। এই ঋণে ঢাকা ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসিও যুক্ত রয়েছে।</p>
<p>সিন্ডিকেশন ঋণটিতে মেয়াদি ঋণ অনুমোদন করেছে বাংলাদেশ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফাইন্যান্স ফান্ড লিমিটেড (বিআইএফএফএল)।</p>
<p>এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিটি ব্যাংক জানিয়েছে, ঢাকার একটি হোটেলে এ ঋণ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন, ঢাকা ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান এরশাদ ফয়েজ, ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান ও রশিদ, বিআইএফএফএল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম আনিসুজ্জামান, ফার ইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজর চেয়ারম্যান আসিফ মঈন উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>মাসরুর আরেফিন বলেন, &ldquo;টাকা সিন্ডিকেশন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখে এমন স্বনামধন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুঁজি সংগ্রহ ও সহায়তা করার জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম প্রদান করে। আমরা এই লেনদেনের মাধ্যমে ফারইস্ট স্পিনিং ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসিকে সহায়তা করতে পেরে আনন্দিত।&rdquo;</p>
<p>আসিফ মইন বলেন, &ldquo;প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে এবং ২০২৭ সালের প্রথম দিকে এর বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা আমাদেরকে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাক খাতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা আরো ভালোভাবে মেটাতে সক্ষম করবে।&rdquo;</p>
<p>ঋণের অর্থ দিয়ে ফার ইস্ট স্পিনিং নতুন করে ২৮ হাজার ৫০০টি স্পিন্ডল যুক্ত করবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>‘কব্জি কাটা’ গ্রুপের প্রধান এক্সেল বাবুসহ ৬ জন গ্রেফতার: র‍্যাব</title>  
            <description>রাজধানীর আদাবরে বিকাশ দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই এবং থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় কুখ্যাত কব্জি কাটা গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ উদ্দিন বাবু ওরফে এক্সেল বাবুসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং মিরপুরের পীরেরবাগ ও ৬ ফিট এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বাকি পাঁচজন হলেন এই সন্ত্রাসী চক্রের বর্তমান সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু সাঈদ, রাশেদ খন্দকার, মো. লিটন, মো. তসির এবং মো. তরিকুল ইসলাম। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে র্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি জানান, গত ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় এক বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা। ঘটনার পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আদাবর থানার ওসি জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয় এবং পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরসহ মোট ৬ জনকে আটক করে। পরবর্তীতে মূলহোতাদের ধরতে র্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল নজরদারি বাড়িয়ে এই ছয় শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
র্যাব জানায়, কব্জি কাটা গ্রুপের মূল প্রধান আনোয়ার ও বর্তমান প্রধান আবু সাঈদের গুরু বা মেন্টর হিসেবে কাজ করতেন এই এক্সেল বাবু।
তিনি আরও জানান, এক্সেল বাবু নিজেই র্যাবের কাছে এই গ্যাংয়ের সঙ্গে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। মূলত তার প্রত্যক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয় ও ছত্রছায়ায় এই গ্রুপটি মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। মূল প্রধান আনোয়ার গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আবু সাঈদ এই পুরো গ্রুপটিকে মাঠে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছিল। র্যাব কর্মকর্তা নাঈমুল হাসান জোর দিয়ে বলেন, এক্সেল বাবুর মতো গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের যতক্ষণ পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা না যাবে, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো বারবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। এই কারণে অপরাধ দমনে র্যাব এখন থেকে আরও আক্রমণাত্মক ও কঠোর পুলিশিং ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে র্যাবের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হলে অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান রামিসা হত্যা মামলার দ্রুততম সময়ে রায় হওয়ার উদাহরণটি টেনে আনেন।
তিনি বলেন, ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের অংশ হিসেবে র্যাব শুধু অপরাধীদের আটক ও তদন্তের কাজটি করে থাকে। তবে এই ধরনের কুখ্যাত ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা যেত, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করতো এবং অপরাধীদের মনেও ভয় তৈরি হতো।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276173/6-people-arrested-including-the-head-of-wrist-cutting-group-Axel-Babu-RAB</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276173/6-people-arrested-including-the-head-of-wrist-cutting-group-Axel-Babu-RAB</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:39:34 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B2%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B2%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B2%5D.jpg" alt="‘কব্জি কাটা’ গ্রুপের প্রধান এক্সেল বাবুসহ ৬ জন গ্রেফতার: র‍্যাব" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>রাজধানীর আদাবরে বিকাশ দোকানিকে কুপিয়ে টাকা ছিনতাই এবং থানা পুলিশের দুই কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় কুখ্যাত &lsquo;কব্জি কাটা&rsquo; গ্রুপের পৃষ্ঠপোষক ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ উদ্দিন বাবু ওরফে এক্সেল বাবুসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে র&zwj;্যাব।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৬ জুন) মধ্যরাত থেকে ভোর পর্যন্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুর, আদাবর এবং মিরপুরের পীরেরবাগ ও ৬ ফিট এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত বাকি পাঁচজন হলেন এই সন্ত্রাসী চক্রের বর্তমান সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু সাঈদ, রাশেদ খন্দকার, মো. লিটন, মো. তসির এবং মো. তরিকুল ইসলাম। গ্রেফতারের সময় তাদের হেফাজত থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, চাপাতি ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র&zwj;্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে র&zwj;্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান এই অভিযানের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।</p>
<p>তিনি জানান, গত ১৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আদাবরের শেখেরটেক এলাকায় এক বিকাশ এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহত করে প্রায় ৩ লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় সশস্ত্র ছিনতাইকারীরা। ঘটনার পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আদাবর থানা পুলিশ তুরাগ হাউজিং এলাকায় অভিযান চালালে ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আদাবর থানার ওসি জাইদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে আমির ও রুবেল নামে দুই ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয় এবং পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদেরসহ মোট ৬ জনকে আটক করে। পরবর্তীতে মূলহোতাদের ধরতে র&zwj;্যাব-২ এর গোয়েন্দা দল নজরদারি বাড়িয়ে এই ছয় শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।</p>
<p>র&zwj;্যাব জানায়, কব্জি কাটা গ্রুপের মূল প্রধান আনোয়ার ও বর্তমান প্রধান আবু সাঈদের &lsquo;গুরু&rsquo; বা মেন্টর হিসেবে কাজ করতেন এই এক্সেল বাবু।</p>
<p>তিনি আরও জানান, এক্সেল বাবু নিজেই র&zwj;্যাবের কাছে এই গ্যাংয়ের সঙ্গে তার সরাসরি সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। মূলত তার প্রত্যক্ষ আশ্রয়-প্রশ্রয় ও ছত্রছায়ায় এই গ্রুপটি মোহাম্মদপুর ও আদাবর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। মূল প্রধান আনোয়ার গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আবু সাঈদ এই পুরো গ্রুপটিকে মাঠে থেকে নিয়ন্ত্রণ করছিল। র&zwj;্যাব কর্মকর্তা নাঈমুল হাসান জোর দিয়ে বলেন, এক্সেল বাবুর মতো গডফাদার ও পৃষ্ঠপোষকদের যতক্ষণ পর্যন্ত আইনের আওতায় আনা না যাবে, ততক্ষণ এই গ্যাংগুলো বারবার সক্রিয় হওয়ার চেষ্টা করবে। এই কারণে অপরাধ দমনে র&zwj;্যাব এখন থেকে আরও আক্রমণাত্মক ও কঠোর পুলিশিং ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।</p>
<p>ছিনতাইকারী ও অপরাধীদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার বিষয়ে র&zwj;্যাবের পদক্ষেপ জানতে চাওয়া হলে অতিরিক্ত ডিআইজি নাঈমুল হাসান রামিসা হত্যা মামলার দ্রুততম সময়ে রায় হওয়ার উদাহরণটি টেনে আনেন।</p>
<p>তিনি বলেন, ক্রিমিনাল জাস্টিস সিস্টেমের অংশ হিসেবে র&zwj;্যাব শুধু অপরাধীদের আটক ও তদন্তের কাজটি করে থাকে। তবে এই ধরনের কুখ্যাত ছিনতাইকারী এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে কোনো বিশেষ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা যেত, তবে দেশের সাধারণ জনগণ আরও অনেক বেশি নিরাপদ বোধ করতো এবং অপরাধীদের মনেও ভয় তৈরি হতো।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস উদ্‌যাপন করেছে আইসিএসবি</title>  
            <description>চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার গুরুত্ব ও অবদান তুলে ধরতে নানা আয়োজনে চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। মঙ্গলবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে সংগঠনটি। এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইসিএসবির সদস্য, শিক্ষার্থী, করপোরেট খাতের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনেরা অংশ নেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি।
আইসিএসবি জানায়, ২০১০ সালের এই দিনে চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি লাভ করে। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উদ্যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে বাংলামোটরে আইসিএসবির কার্যালয় পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিবিধান পরিপালন, নৈতিক ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়নে চার্টার্ড সেক্রেটারিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দেশের করপোরেট খাতের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে এ পেশার গুরুত্বও বাড়ছে।
দিবসটির বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের করপোরেট ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চার্টার্ড সেক্রেটারিদের অবদান আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁদের মতে, সুশাসনভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে এ পেশাজীবীদের ভূমিকা ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276172/ICSB-celebrates-Chartered-Secretaries-Day</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276172/ICSB-celebrates-Chartered-Secretaries-Day</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:38:24 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_6.jpg" alt="চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস উদ্‌যাপন করেছে আইসিএসবি" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশার গুরুত্ব ও অবদান তুলে ধরতে নানা আয়োজনে চার্টার্ড সেক্রেটারি দিবস ২০২৬ উদ্&zwnj;যাপন করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি)। মঙ্গলবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে দিবসটি পালন করে সংগঠনটি। এ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে আইসিএসবির সদস্য, শিক্ষার্থী, করপোরেট খাতের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন অংশীজনেরা অংশ নেন। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় সংগঠনটি।</p>
<p>আইসিএসবি জানায়, ২০১০ সালের এই দিনে চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে দেশে চার্টার্ড সেক্রেটারি পেশা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি লাভ করে। প্রতিবছরের মতো এবারও দিবসটি উদ্&zwnj;যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সকালে রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে বাংলামোটরে আইসিএসবির কার্যালয় পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। পরে প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গণে আয়োজন করা হয় কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।</p>
<p>আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, করপোরেট সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিধিবিধান পরিপালন, নৈতিক ব্যবসা পরিচালনা এবং প্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়নে চার্টার্ড সেক্রেটারিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দেশের করপোরেট খাতের সম্প্রসারণের সঙ্গে সঙ্গে এ পেশার গুরুত্বও বাড়ছে।</p>
<p>দিবসটির বিভিন্ন আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বাংলাদেশের করপোরেট ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে চার্টার্ড সেক্রেটারিদের অবদান আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁদের মতে, সুশাসনভিত্তিক ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে এ পেশাজীবীদের ভূমিকা ভবিষ্যতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>আইইবি প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশনে সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ‘ডুবোমিনি’</title>  
            <description>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের রোবোটিকস দল ব্র্যাকু ডুবুরির তৈরি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান ডুবোমিনি সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬ এ সম্মানজনক এই পুরস্কার অর্জন করে দলটি।
সম্প্রতি রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরেন। প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করতে আইইবি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।
প্রতিযোগিতায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্ব করে ব্র্যাকইউ ডুবুরি দল। ২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণা এবং বাস্তব জীবনে ব্যবহার করা যায় এমন ডুবো রোবট তৈরিতে সহায়তা করে আসছে।
ডুবোমিনি একটি ছোট আকারের রোবটচালিত ডুবোযান। পানির নিচে এটি নিজে থেকেই কাজ করতে পারে। একজন দক্ষ সাঁতারুর মতো ডুবোমিনি পানির নিচে বিভিন্ন দিকে চলতে এবং ঘুরতে পারে। ফলে এটি সংকীর্ণ জায়গায় চলাচল করতে পারে এবং নির্ভুলভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।
এই ডুবোযানটি ব্যাটারিতে চলে। এতে একটি স্মার্ট পাওয়ার সিস্টেম রয়েছে, যা এর মোটর এবং এর মস্তিষ্ক অর্থাৎ অনবোর্ড কম্পিউটারকে আলাদাভাবে সচল রাখে। ফলে একটি অংশে বিদ্যুতের সমস্যা হলেও অন্য অংশের কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ে না।
ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সরের মাধ্যমে ডুবোমিনি পানির গভীরতা, চলার দিক এবং আশপাশের পরিবেশ বুঝতে পারে। এর নিজস্ব সফটওয়্যার বস্তু ও বাধা শনাক্ত করতে সহায়তা করে। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী কীভাবে কাজ করতে হবে, সে সিদ্ধান্তও নিতে পারে ডুবোযানটি। এটি অনেকটা স্বয়ংক্রিয় গাড়ির রাস্তা বুঝে চলার মতো।
এসব প্রযুক্তির কারণে ডুবোমিনি পানির নিচে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এটি পানির নিচে গেটের মধ্য দিয়ে চলাচল, বাধা এড়িয়ে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য শনাক্ত করার মতো কাজ প্রায় নিজে থেকেই করতে সক্ষম।
এই অর্জন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বিশেষ করে এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো) এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব) এর সাথে এই উদ্যোগ সম্পর্কিত।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/education/276171/BRAC-Universitys-Dubomini-bagged-the-best-project-award-in-the-IEB-Project-Showcasing-Competition</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/education/276171/BRAC-Universitys-Dubomini-bagged-the-best-project-award-in-the-IEB-Project-Showcasing-Competition</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:28:20 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_2.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_2.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_2.jpg" alt="আইইবি প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশনে সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ‘ডুবোমিনি’" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের রোবোটিকস দল ব্র্যাকু ডুবুরির তৈরি স্বয়ংক্রিয় ডুবোযান &lsquo;ডুবোমিনি&rsquo; সেরা প্রকল্পের পুরস্কার পেয়েছে। ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) আয়োজিত প্রজেক্ট শোকেসিং কম্পিটিশন ২০২৬ এ সম্মানজনক এই পুরস্কার অর্জন করে দলটি।</p>
<p>সম্প্রতি রাজধানীর রমনায় আইইবি সদর দপ্তরে এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এতে নিজেদের প্রকল্প তুলে ধরেন। প্রকৌশল বিষয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের কাজ প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করতে আইইবি এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।</p>
<p>প্রতিযোগিতায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিত্ব করে ব্র্যাকইউ ডুবুরি দল। ২০১৭ সাল থেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণা এবং বাস্তব জীবনে ব্যবহার করা যায় এমন ডুবো রোবট তৈরিতে সহায়তা করে আসছে।</p>
<p>ডুবোমিনি একটি ছোট আকারের রোবটচালিত ডুবোযান। পানির নিচে এটি নিজে থেকেই কাজ করতে পারে। একজন দক্ষ সাঁতারুর মতো ডুবোমিনি পানির নিচে বিভিন্ন দিকে চলতে এবং ঘুরতে পারে। ফলে এটি সংকীর্ণ জায়গায় চলাচল করতে পারে এবং নির্ভুলভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম।</p>
<p>এই ডুবোযানটি ব্যাটারিতে চলে। এতে একটি স্মার্ট পাওয়ার সিস্টেম রয়েছে, যা এর মোটর এবং এর &ldquo;মস্তিষ্ক&rdquo; অর্থাৎ অনবোর্ড কম্পিউটারকে আলাদাভাবে সচল রাখে। ফলে একটি অংশে বিদ্যুতের সমস্যা হলেও অন্য অংশের কার্যক্রমে এর প্রভাব পড়ে না।</p>
<p>ক্যামেরা ও বিভিন্ন সেন্সরের মাধ্যমে ডুবোমিনি পানির গভীরতা, চলার দিক এবং আশপাশের পরিবেশ বুঝতে পারে। এর নিজস্ব সফটওয়্যার বস্তু ও বাধা শনাক্ত করতে সহায়তা করে। এরপর পরিস্থিতি অনুযায়ী কীভাবে কাজ করতে হবে, সে সিদ্ধান্তও নিতে পারে ডুবোযানটি। এটি অনেকটা স্বয়ংক্রিয় গাড়ির রাস্তা বুঝে চলার মতো।</p>
<p>এসব প্রযুক্তির কারণে ডুবোমিনি পানির নিচে বিভিন্ন অভিযান পরিচালনা করতে পারে। এটি পানির নিচে গেটের মধ্য দিয়ে চলাচল, বাধা এড়িয়ে যাওয়া এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্য শনাক্ত করার মতো কাজ প্রায় নিজে থেকেই করতে সক্ষম।</p>
<p>এই অর্জন জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অঙ্গীকারের প্রতিফলন। বিশেষ করে এসডিজি ৪ (মানসম্মত শিক্ষা), এসডিজি ৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো) এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব) এর সাথে এই উদ্যোগ সম্পর্কিত।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>হামের টিকায় গাফিলতি ও দায়িত্বে অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর</title>  
            <description>দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই সার্বিক প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ, এর বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো ধরনের পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নিখুঁত কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি আরও বলেন, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কারও বিন্দুমাত্র অবহেলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তারেক রহমান আরও জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়ে থাকে এবং বর্তমান সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং মাঠ পর্যায়ে মজুত ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি সারা দেশে রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গণমাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম দেশব্যাপী জোরদারে অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/national/276170/The-prime-minister-has-warned-of-strict-measures-in-case-of-negligence-and-neglect-of-responsibility-in-measles-vaccination</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/national/276170/The-prime-minister-has-warned-of-strict-measures-in-case-of-negligence-and-neglect-of-responsibility-in-measles-vaccination</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:25:55 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B1%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B1%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.%5B1%5D.jpg" alt="হামের টিকায় গাফিলতি ও দায়িত্বে অবহেলা পেলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি প্রধানমন্ত্রীর" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) আওতায় টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তনের কারণে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এই সার্বিক প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি এবং দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।</p>
<p>সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ, এর বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত ও পরিচালনাগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করা হয়। টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো ধরনের পরিবর্তনের ফলে টিকাদান কার্যক্রমে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না, তা প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও নিখুঁত কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।</p>
<p>তিনি আরও বলেন, এই তদন্ত প্রক্রিয়ায় কারও বিন্দুমাত্র অবহেলা প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।</p>
<p>তারেক রহমান আরও জানান, ইপিআই কর্মসূচির আওতায় টিকা সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড এবং প্রচলিত সরকারি বিধি-বিধান কঠোরভাবে অনুসরণ করেই পরিচালিত হয়ে থাকে এবং বর্তমান সরকার হামের প্রাদুর্ভাব রোধকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতোমধ্যে বেশ কিছু বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করা এবং মাঠ পর্যায়ে মজুত ব্যবস্থাপনা আরও জোরদার করা হচ্ছে।</p>
<p>এর পাশাপাশি সারা দেশে রোগ নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ও প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, গণমাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।</p>
<p>দেশে হামের টিকাদানের আওতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে দ্রুত সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম দেশব্যাপী জোরদারে অব্যাহত রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>আইএফআইসি ব্যাংক ও বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড এর মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর </title>  
            <description>আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ইএমআই সুবিধা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি ও দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিপণন প্রতিষ্ঠান বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ঢাকার আইএফআইসি টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।
অনুষ্ঠানে আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি ও চিফ ক্রেডিট অফিসার জনাব মো. রফিকুল ইসলাম; ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স জনাব হেলাল আহমেদ ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল ব্যাংকিং জনাব মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব ট্রেজারি জনাব মোঃ শাহ নওয়াজ এবং অফিসার - ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।      
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইএফআইসি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারী গ্রাহকেরা বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ০% সুদে সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।   </description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276169/Signing-of-MoU-between-IFIC-Bank-and-Butterfly-Marketing-Limited</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276169/Signing-of-MoU-between-IFIC-Bank-and-Butterfly-Marketing-Limited</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 19:10:33 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_5.jpg" alt="আইএফআইসি ব্যাংক ও বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড এর মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর " width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>আইএফআইসি ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য ইএমআই সুবিধা আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি ও দেশের শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিকস ও হোম অ্যাপ্লায়েন্স বিপণন প্রতিষ্ঠান বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ঢাকার আইএফআইসি টাওয়ারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আইএফআইসি ব্যাংকের ডিএমডি ও চিফ ক্রেডিট অফিসার জনাব মো. রফিকুল ইসলাম; ব্যাংকের চিফ অব ব্রাঞ্চ বিজনেস অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স জনাব হেলাল আহমেদ ও হেড অব কার্ডস অ্যান্ড ডিজিটাল ব্যাংকিং জনাব মো. জাকির হোসেন উপস্থিত ছিলেন। বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেডের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির হেড অব ট্রেজারি জনাব মোঃ শাহ নওয়াজ এবং অফিসার - ফাইন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস জনাব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।      </p>
<p>এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় আইএফআইসি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডধারী গ্রাহকেরা বাটারফ্লাই মার্কেটিং লিমিটেড থেকে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে ০% সুদে সর্বোচ্চ ২৪ মাস পর্যন্ত ইএমআই সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।   </p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title>  
            <description>জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বুধবার (১৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে এই বিষয়টি সবসময় অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং এর ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যকর ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক তথ্য উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ ইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ২ হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে।
তিনি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশ ইন চেষ্টাকে বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে। এছাড়া সীমান্তে পুশ ইন ও চোরাকারবার ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে 'বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে।
পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত এক বছরে (জুন ২০২৫ থেকে মে ২০২৬) সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৯টি অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালপত্রসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ফেনসিডিল, ক্রিস্টাল মেথ, কোকেন ও মাদক জব্দ করা হয়েছে এবং ২ হাজার ১৮৯ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার রোধে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইস বা ক্রিস্টাল মেথ আসক্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার কথা বলেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাদক নির্মূলে দেশব্যাপী ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে ৯ হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় ১ মে থেকে দেশব্যাপী চলমান মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ৮ জুন পর্যন্ত ১০ হাজার ৮৬৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ১২৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় কিশোর গ্যাং-এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় করতে ডিএমপির সাইবার ইউনিট তাদের ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ ও টিকটক আইডি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে। পাশাপাশি মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৫২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারে ৪৫ হাজার১৩৬ জন ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন বন্দি আটক আছেন, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।
তবে সংরক্ষিত আসনের সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি একটি ইতিবাচক তথ্য দিয়ে জানান, কারাবন্দীদের উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রয়লব্ধ লাভের ৫০ শতাংশ এখন বন্দীদেরই প্রদান করা হয়।
সর্বশেষ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে অনলাইন জুয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়া ও বেটিং সাইটের বিস্তার রোধে পুলিশ, বিটিআরসি এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
তিনি আরও জানান, যুবসমাজকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সরকার 'বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭' রহিত করে অত্যন্ত কঠোর ও যুগোপযোগী 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬' নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/national/276168/Killing-of-Bangladeshi-nationals-by-BSF-on-border-is-deplorable-and-a-clear-violation-of-human-rights-Home-Minister</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/national/276168/Killing-of-Bangladeshi-nationals-by-BSF-on-border-is-deplorable-and-a-clear-violation-of-human-rights-Home-Minister</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:53:33 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/_.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/_.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/_.jpg" alt="সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা দুঃখজনক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক নিরীহ বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং এটি মানবাধিকারের একটি সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।</p>
<p>বুধবার (১৭ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অনুষ্ঠিত বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনগুলোতে এই বিষয়টি সবসময় অত্যন্ত জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে। সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহায়তার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রাতিষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদিত না হলেও, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে সব সময় সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে এবং এর ক্ষতিপূরণ ও জবাবদিহির বিষয়টি নিয়ে পরোক্ষভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার কার্যকর ব্যবস্থা চালু রয়েছে।</p>
<p>সংসদে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল মালিকের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এক তথ্য উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বিএসএফের পুশ ইন করা ২ হাজার ৩৬৯ জনের মধ্যে ২ হাজার ১৭৫ জনকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, ১১ জনকে বিএসএফের কাছে ফেরত দেওয়া হয়েছে এবং ১৮৩ জনকে পুশব্যাক করা হয়েছে।</p>
<p>তিনি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের পর বিএসএফের ৩৬টি পুশ ইন চেষ্টাকে বিজিবি সফলভাবে প্রতিরোধ করেছে। এছাড়া সীমান্তে পুশ ইন ও চোরাকারবার ঠেকাতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে 'বর্ডার কমিউনিটি ওয়াচ গ্রুপ' গঠন করা হয়েছে।</p>
<p>পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, মিয়ানমার সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সব ধরনের আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানগুলোতেও কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন রয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে সংরক্ষিত আসনের নিপুন রায় চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত এক বছরে (জুন ২০২৫ থেকে মে ২০২৬) সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৫১৯টি অভিযানে প্রায় ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানি মালপত্রসহ বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, ফেনসিডিল, ক্রিস্টাল মেথ, কোকেন ও মাদক জব্দ করা হয়েছে এবং ২ হাজার ১৮৯ জন আসামিকে আটক করা হয়েছে।</p>
<p>দেশের অভ্যন্তরে মাদকের বিস্তার রোধে কুমিল্লা-৯ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইস বা ক্রিস্টাল মেথ আসক্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার কথা বলেন।</p>
<p>কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত মাদক নির্মূলে দেশব্যাপী ৩০ হাজার ৭৪৪টি অভিযানে ৯ হাজার ৬৮৫ জন মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের বিশেষ নির্দেশনায় ১ মে থেকে দেশব্যাপী চলমান মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে ৮ জুন পর্যন্ত ১০ হাজার ৮৬৫ জনকে গ্রেপ্তার এবং ১২৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।</p>
<p>রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা ও কারাগারের পরিস্থিতি নিয়ে জামালপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এ ই সুলতান মাহমুদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় কিশোর গ্যাং-এর কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় করতে ডিএমপির সাইবার ইউনিট তাদের ফেসবুক পেজ, গোপন গ্রুপ ও টিকটক আইডি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে। পাশাপাশি মোহাম্মদপুর এলাকায় ২৫২ জন ছিনতাইকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p>
<p>কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের কারাগারগুলোর ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি থাকার তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দেশের ৭৫টি কারাগারে ৪৫ হাজার১৩৬ জন ধারণক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন বন্দি আটক আছেন, যা ধারণক্ষমতার ১ দশমিক ৭ গুণ।</p>
<p>তবে সংরক্ষিত আসনের সেলিনা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে তিনি একটি ইতিবাচক তথ্য দিয়ে জানান, কারাবন্দীদের উৎপাদিত বিভিন্ন সামগ্রীর বিক্রয়লব্ধ লাভের ৫০ শতাংশ এখন বন্দীদেরই প্রদান করা হয়।</p>
<p>সর্বশেষ সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য আরিফা সুলতানার প্রশ্নের জবাবে অনলাইন জুয়া প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়া ও বেটিং সাইটের বিস্তার রোধে পুলিশ, বিটিআরসি এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।</p>
<p>তিনি আরও জানান, যুবসমাজকে এর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সরকার 'বঙ্গীয় প্রকাশ্য জুয়া আইন, ১৮৬৭' রহিত করে অত্যন্ত কঠোর ও যুগোপযোগী 'জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬' নামে নতুন একটি আইন প্রণয়নের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>অপরাধীদের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানোর হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর
</title>  
            <description>ধর্ষক ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এসব অপরাধীর পক্ষে কেউ সুপারিশ করতে এলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।
মাদক ও ধর্ষণের বিষয়ে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, ধর্ষক বা মাদক ব্যবসায়ীরা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ হতে পারে না। রাজনৈতিক নেতাদের সতর্ক করে তিনি আরও যোগ করেন, এদের দমনে যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা তদবির করেন, তবে সেই নেতাসহ তাদের একই মামলায় জড়িয়ে হাজতে পাঠানো হবে। আমার নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই পাবেন না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নজরদারির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান যে, রাষ্ট্রের শত চোখ ফাঁকি দিয়ে পার পাওয়া এখন অসম্ভব।
প্রশাসনের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে সকাল ৯টায় অফিস করলেও অনেক জেলা-উপজেলায় কর্মকর্তারা সময়মতো উপস্থিত হন না, যা অনভিপ্রেত। তিনি স্পষ্ট জানান যে, শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেবল মেধাকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং কোনো রাজনৈতিক তদবির সেখানে গ্রাহ্য হবে না। বিগত সময়ের মেগা প্রজেক্টগুলোতে অর্থ লোপাটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পৌনে চার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে অবিশ্বাস্যভাবে ব্যয় বাড়িয়ে দেখানোর মতো দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় বর্তমান সরকার অনেক প্রকল্প স্থগিত করে নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে।
মাদক চোরাচালানে ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আইনি ফাঁকফোকর গলিয়ে জামিন পাওয়ার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের দমনে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের মডেলটি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। বাজেট নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে তিনি মন্তব্য করেন যে, দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাকারী এই বাজেটের বিরোধিতা কেবল বিরোধিতার খাতিরেই করা হচ্ছে। এর আগে মন্ত্রী ঝিনাইদহ পৌর এলাকায় নির্মিত একটি অত্যাধুনিক কসাইখানা এবং শৈলকূপায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
 </description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276167/Law-Minister-warns-of-sending-leaders-to-court-if-they-advocate-on-behalf-of-criminals</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276167/Law-Minister-warns-of-sending-leaders-to-court-if-they-advocate-on-behalf-of-criminals</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:24:50 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T182302.654.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T182302.654.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T182302.654.jpg" alt="অপরাধীদের পক্ষে তদবির করলে নেতাদেরও হাজতে পাঠানোর হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর
" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ধর্ষক ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, এসব অপরাধীর পক্ষে কেউ সুপারিশ করতে এলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেন।</p>
<p>মাদক ও ধর্ষণের বিষয়ে সরকারের &lsquo;জিরো টলারেন্স&rsquo; নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করে মন্ত্রী বলেন, &ldquo;ধর্ষক বা মাদক ব্যবসায়ীরা কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পদ হতে পারে না।&rdquo; রাজনৈতিক নেতাদের সতর্ক করে তিনি আরও যোগ করেন, &ldquo;এদের দমনে যদি কোনো রাজনৈতিক নেতা তদবির করেন, তবে সেই নেতাসহ তাদের একই মামলায় জড়িয়ে হাজতে পাঠানো হবে। আমার নিজের দলের নেতা হলেও রেহাই পাবেন না।&rdquo; দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর নজরদারির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান যে, রাষ্ট্রের শত চোখ ফাঁকি দিয়ে পার পাওয়া এখন অসম্ভব।</p>
<p>প্রশাসনের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজে সকাল ৯টায় অফিস করলেও অনেক জেলা-উপজেলায় কর্মকর্তারা সময়মতো উপস্থিত হন না, যা অনভিপ্রেত। তিনি স্পষ্ট জানান যে, শূন্যপদে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেবল মেধাকেই প্রাধান্য দেওয়া হবে এবং কোনো রাজনৈতিক তদবির সেখানে গ্রাহ্য হবে না। বিগত সময়ের মেগা প্রজেক্টগুলোতে অর্থ লোপাটের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পৌনে চার কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে অবিশ্বাস্যভাবে ব্যয় বাড়িয়ে দেখানোর মতো দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় বর্তমান সরকার অনেক প্রকল্প স্থগিত করে নতুনভাবে মূল্যায়ন করছে।</p>
<p>মাদক চোরাচালানে ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আইনি ফাঁকফোকর গলিয়ে জামিন পাওয়ার প্রবণতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। তিনি মাদক ব্যবসায়ীদের দমনে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থার ইঙ্গিত দেওয়ার পাশাপাশি ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসনের সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহারের মডেলটি সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান। বাজেট নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার জবাবে তিনি মন্তব্য করেন যে, দেশ ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাকারী এই বাজেটের বিরোধিতা কেবল বিরোধিতার খাতিরেই করা হচ্ছে। এর আগে মন্ত্রী ঝিনাইদহ পৌর এলাকায় নির্মিত একটি অত্যাধুনিক কসাইখানা এবং শৈলকূপায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।</p>
<p> </p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু</title>  
            <description>ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩৫টি অংশগ্রহণকারী দেশের সৃজনশীল খাতের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগ, আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সিড ফান্ড অনুদান দেবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।
এ বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে  শক্তিশালী ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি গভীর বিশ্বাস থেকেই ব্রিটিশ কাউন্সিল তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। কানেকশনস থ্রু কালচার গ্র্যান্টস শিল্পী ও সৃজনশীল পেশাজীবীদের একসঙ্গে কাজ করার এবং নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ করে দেয়। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি খাতের মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও অর্থবহ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
গত বছর এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ১৯টি দেশে মোট ১২৭টি প্রকল্প অনুদান পেয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশের সাতটি প্রকল্প ছিল।
২০২৬ সালের এ অনুদান কর্মসূচিতে সৃজনশীল পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, ক্রিয়েটিভ হাব (সৃজনশীল কেন্দ্র), বিভিন্ন উৎসব, দ্বিবার্ষিক আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনী (বিয়েনাল) এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হলে প্রস্তাবিত প্রকল্পে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অন্তত একজন অংশীদার এবং বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী কোনো দেশে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি অংশীদার প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।
সিটিসি গ্র্যান্টসের শর্তাবলি, আবেদন প্রক্রিয়া এবং মানসম্মত আবেদন তৈরিতে সহায়তা করতে চারটি তথ্যমূলক ওয়েবিনারের আয়োজন করবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।এসব ওয়েবিনারে অংশ নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে (https://shorturl.at/TE7RK)।
ওয়েবিনারের জেনারেল সেশন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ জুন ২০২৬, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা এবং রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। অধিবেশনগুলোতে ব্রিটিশ ইশারা ভাষার (বিএসএল) সুবিধা থাকবে। এ ছাড়া ১ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আরও একটি সেশনের আয়োজন করা হবে। এ সেশনের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ভিজ্যুয়াল আর্টস, স্থাপত্য, নকশা (ডিজাইন), ফ্যাশন ও কারুশিল্পকেন্দ্রিক বিভিন্ন উৎসব এবং দ্বিবার্ষিক শিল্প প্রদর্শনী (বিয়েনাল)।
একই দিনে রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আরেকটি ওয়েবিনারের আয়োজন করা হবে। এতে ডিজিটাল আর্টস, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (এক্সআর), ইমারসিভ এক্সপেরিয়েন্সেস, গেমিং এবং ভিজ্যুয়াল আর্টস, স্থাপত্য, নকশা ও ফ্যাশন খাত নিয়ে আলোচনা করা হবে।
২০২৬ সালের এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যৌথভাবে বাস্তবায়িত প্রকল্প, রেসিডেন্সি, গবেষণা ও উন্নয়ন, যৌথ প্রদর্শনী, পরিবেশনা, জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগ এ অনুদানের আওতায় আসবে।
আবেদন করার আগে ২০২৬ সালের আবেদনসংক্রান্ত টুলকিট, নমুনা আবেদনপত্র এবং বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (এফএকিউ) দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ও নথি ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। কর্মসূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই লিংকে। সিটিসি গ্র্যান্টসের জন্য আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/education/276166/Applications-for-British-Council-CTC-Grants-2026-open</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/education/276166/Applications-for-British-Council-CTC-Grants-2026-open</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:19:51 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_4.jpg" alt="ব্রিটিশ কাউন্সিলের সিটিসি গ্র্যান্টস ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ব্রিটিশ কাউন্সিলের ফ্ল্যাগশিপ উদ্যোগ &lsquo;কানেকশনস থ্রু কালচার (সিটিসি) গ্র্যান্টস&rsquo; ২০২৬-এর আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৩৫টি অংশগ্রহণকারী দেশের সৃজনশীল খাতের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগ, আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময় ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে সিড ফান্ড অনুদান দেবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।</p>
<p>এ বিষয়ে ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস বলেন, &ldquo;আন্তসাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফলে  শক্তিশালী ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রভাবের প্রতি গভীর বিশ্বাস থেকেই ব্রিটিশ কাউন্সিল তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। &lsquo;কানেকশনস থ্রু কালচার&rsquo; গ্র্যান্টস শিল্পী ও সৃজনশীল পেশাজীবীদের একসঙ্গে কাজ করার এবং নতুন কিছু তৈরি করার সুযোগ করে দেয়। একসাথে কাজ করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের শিল্প ও সংস্কৃতি খাতের মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও অর্থবহ সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে ওঠে।&rdquo;</p>
<p>গত বছর এ কর্মসূচির আওতায় বিশ্বের ১৯টি দেশে মোট ১২৭টি প্রকল্প অনুদান পেয়েছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশের সাতটি প্রকল্প ছিল।</p>
<p>২০২৬ সালের এ অনুদান কর্মসূচিতে সৃজনশীল পেশাজীবী, সাংস্কৃতিক কর্মী, শিল্পী, ক্রিয়েটিভ হাব (সৃজনশীল কেন্দ্র), বিভিন্ন উৎসব, দ্বিবার্ষিক আন্তর্জাতিক শিল্প প্রদর্শনী (বিয়েনাল) এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করতে হলে প্রস্তাবিত প্রকল্পে যুক্তরাজ্যভিত্তিক অন্তত একজন অংশীদার এবং বাংলাদেশসহ অংশগ্রহণকারী কোনো দেশে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি অংশীদার প্রতিষ্ঠান থাকতে হবে।</p>
<p>সিটিসি গ্র্যান্টসের শর্তাবলি, আবেদন প্রক্রিয়া এবং মানসম্মত আবেদন তৈরিতে সহায়তা করতে চারটি তথ্যমূলক ওয়েবিনারের আয়োজন করবে ব্রিটিশ কাউন্সিল।এসব ওয়েবিনারে অংশ নিতে আগ্রহীদের নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে (<a href="https://shorturl.at/TE7RK)।%20">https://shorturl.at/TE7RK)।</a></p>
<p>ওয়েবিনারের জেনারেল সেশন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ জুন ২০২৬, বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা এবং রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত। অধিবেশনগুলোতে ব্রিটিশ ইশারা ভাষার (বিএসএল) সুবিধা থাকবে। এ ছাড়া ১ জুলাই ২০২৬ বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আরও একটি সেশনের আয়োজন করা হবে। এ সেশনের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ভিজ্যুয়াল আর্টস, স্থাপত্য, নকশা (ডিজাইন), ফ্যাশন ও কারুশিল্পকেন্দ্রিক বিভিন্ন উৎসব এবং দ্বিবার্ষিক শিল্প প্রদর্শনী (বিয়েনাল)।</p>
<p>একই দিনে রাত ৮টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আরেকটি ওয়েবিনারের আয়োজন করা হবে। এতে ডিজিটাল আর্টস, এক্সটেন্ডেড রিয়েলিটি (এক্সআর), ইমারসিভ এক্সপেরিয়েন্সেস, গেমিং এবং ভিজ্যুয়াল আর্টস, স্থাপত্য, নকশা ও ফ্যাশন খাত নিয়ে আলোচনা করা হবে।</p>
<p>২০২৬ সালের এ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের যৌথ সৃজনশীল উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ ২৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। যৌথভাবে বাস্তবায়িত প্রকল্প, রেসিডেন্সি, গবেষণা ও উন্নয়ন, যৌথ প্রদর্শনী, পরিবেশনা, জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগ এ অনুদানের আওতায় আসবে।</p>
<p>আবেদন করার আগে ২০২৬ সালের আবেদনসংক্রান্ত টুলকিট, নমুনা আবেদনপত্র এবং বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি (এফএকিউ) দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্য ও নথি ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করা যাবে। কর্মসূচি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে এই <a href="https://www.britishcouncil.org.bd/en/programmes/arts/connections-through-culture-grants-2026">লিংকে</a>। সিটিসি গ্র্যান্টসের জন্য আবেদনের শেষ সময় আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৫৯ মিনিট।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর</title>  
            <description>রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ স্কাউট ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুল হক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার এবং প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের ট্রেজারার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল।
ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মইনুদ্দিন মাসুদ, তানভীর হাসনাইন মঈন, উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনিরুজ্জামান, এস.এম.রোকনুজ্জামান, মো. আনিছুর রহমান, মো. আবদুল মান্নান মিয়া, স্কাউটসের যুগ্ন নির্বাহী পরিচালক আবুল হাসনাত মো. মুহসিনুল ইসলাম, ও মো. রুহুল আমিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ স্কাউটসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ রূপালী ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদ ও সহজ শর্তে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং স্কাউটসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজতর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276165/Signing-of-MoU-between-Rupali-Bank-and-Bangladesh-Scouts</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276165/Signing-of-MoU-between-Rupali-Bank-and-Bangladesh-Scouts</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:16:28 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B2%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B2%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B2%5D.jpg" alt="রূপালী ব্যাংক ও বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>রাষ্ট্রায়ত্ত রূপালী ব্যাংক পিএলসি এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ স্কাউট ভবনের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p>রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ স্কাউটসের নির্বাহী পরিচালক মো. শামসুল হক নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</p>
<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের প্রধান জাতীয় কমিশনার এবং প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের ট্রেজারার এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দীন আল মাহমুদ সোহেল।</p>
<p>ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক তাহমিনা আখতারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক মো. মইনুদ্দিন মাসুদ, তানভীর হাসনাইন মঈন, উপমহাব্যবস্থাপক মো. মনিরুজ্জামান, এস.এম.রোকনুজ্জামান, মো. আনিছুর রহমান, মো. আবদুল মান্নান মিয়া, স্কাউটসের যুগ্ন নির্বাহী পরিচালক আবুল হাসনাত মো. মুহসিনুল ইসলাম, ও মো. রুহুল আমিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় বাংলাদেশ স্কাউটসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ রূপালী ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদ ও সহজ শর্তে সাধারণ গৃহনির্মাণ ঋণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং স্কাউটসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক সেবাপ্রাপ্তি আরও সহজতর হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে ২৭০ কোটি ডলারে মালিকানা বদল করলো ‘পিৎজা হাট’</title>  
            <description>দীর্ঘদিনের লোকসান এবং বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ চেইন পিৎজা হাট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এর মূল প্রতিষ্ঠান ইয়াম! ব্র্যান্ডস। মোট ২৭০ কোটি ডলারের বিনিময়ে এই বিশ্বখ্যাত পিৎজা চেইনটির মালিকানা হস্তান্তর করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পিৎজা হাটের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম ১৫০ কোটি ডলারে কিনে নিচ্ছে প্রাইভেট ইকুইটি সংস্থা লংরেঞ্জ ক্যাপিটাল। তবে চীনের ব্যবসায়িক অংশটি আলাদা একটি চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি ডলারে কিনে নেবে ইয়াম চায়না হোল্ডিংস।
এ বিষয়ে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের প্রধান নির্বাহী ক্রিস টার্নার মন্তব্য করেছেন, 'লংরেঞ্জ এবং ইয়াম চায়না-র অধীনে পিৎজা হাট ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য একটি ভালো অবস্থানে থাকবে। এই নতুন মালিকানা রেস্তোরাঁ খাতে গভীর অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।' মূলত মান্ধাতা আমলের আউটলেট এবং বিক্রয় হ্রাসের কারণেই প্রতিষ্ঠানটি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই ইয়াম! ব্র্যান্ডস ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কয়েকশ আউটলেট বন্ধ করে দিতে পারে।
১৯৫৮ সালে যাত্রা শুরু করা পিৎজা হাট ১৯৭৭ সালে পেপসিকোর অধীনে যায় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৭ সাল থেকে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের একটি অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। একই প্রতিষ্ঠানের অধীনে কেএফসি ও ট্যাকো বেলের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ড থাকলেও পিৎজা হাটের অবস্থান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। বাজার গবেষণা সংস্থা গ্লোবালডাটা-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিল সন্ডার্স জানান, 'ইয়ামের ব্যবসায়িক পোর্টফোলিওতে দীর্ঘদিন ধরেই তুলনামূলকভাবে দুর্বল ব্র্যান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে পিৎজা হাট।' তিনি আরও যোগ করেন, 'ব্র্যান্ডটিকে পুনরুজ্জীবিত করার এবং দুর্বল পারফরম্যান্স করা আউটলেটগুলো বন্ধ করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এটি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এই বিভাগটিকে আবার প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ ও ধৈর্যের প্রয়োজন, ইয়াম তা দিতে প্রস্তুত নয়।'
চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যেই এই বিক্রয় প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে। বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসার পর পুঁজিবাজারে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের শেয়ারদরে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পিৎজা হাট থেকে সরে আসায় ইয়াম! ব্র্যান্ডস এখন তাদের অন্যান্য সফল ব্র্যান্ডগুলোর ওপর অধিক মনোযোগ দিতে সক্ষম হবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276164/In-the-face-of-fierce-competition-in-the-market-Pizza-Hut-changed-its-ownership-for-27-billion-dollars</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276164/In-the-face-of-fierce-competition-in-the-market-Pizza-Hut-changed-its-ownership-for-27-billion-dollars</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:16:08 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T181309.076.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T181309.076.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T181309.076.jpg" alt="বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে ২৭০ কোটি ডলারে মালিকানা বদল করলো ‘পিৎজা হাট’" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>দীর্ঘদিনের লোকসান এবং বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ চেইন পিৎজা হাট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এর মূল প্রতিষ্ঠান ইয়াম! ব্র্যান্ডস। মোট ২৭০ কোটি ডলারের বিনিময়ে এই বিশ্বখ্যাত পিৎজা চেইনটির মালিকানা হস্তান্তর করা হচ্ছে। গত মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, পিৎজা হাটের আন্তর্জাতিক কার্যক্রম ১৫০ কোটি ডলারে কিনে নিচ্ছে প্রাইভেট ইকুইটি সংস্থা লংরেঞ্জ ক্যাপিটাল। তবে চীনের ব্যবসায়িক অংশটি আলাদা একটি চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ১২০ কোটি ডলারে কিনে নেবে ইয়াম চায়না হোল্ডিংস।</p>
<p>এ বিষয়ে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের প্রধান নির্বাহী ক্রিস টার্নার মন্তব্য করেছেন, 'লংরেঞ্জ এবং ইয়াম চায়না-র অধীনে পিৎজা হাট ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য একটি ভালো অবস্থানে থাকবে। এই নতুন মালিকানা রেস্তোরাঁ খাতে গভীর অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।' মূলত মান্ধাতা আমলের আউটলেট এবং বিক্রয় হ্রাসের কারণেই প্রতিষ্ঠানটি এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি মাসেই ইয়াম! ব্র্যান্ডস ইঙ্গিত দিয়েছিল যে তারা যুক্তরাষ্ট্রে তাদের কয়েকশ আউটলেট বন্ধ করে দিতে পারে।</p>
<p>১৯৫৮ সালে যাত্রা শুরু করা পিৎজা হাট ১৯৭৭ সালে পেপসিকোর অধীনে যায় এবং পরবর্তীতে ১৯৯৭ সাল থেকে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের একটি অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়ে আসছিল। একই প্রতিষ্ঠানের অধীনে কেএফসি ও ট্যাকো বেলের মতো জনপ্রিয় ব্র্যান্ড থাকলেও পিৎজা হাটের অবস্থান ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। বাজার গবেষণা সংস্থা গ্লোবালডাটা-র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিল সন্ডার্স জানান, 'ইয়ামের ব্যবসায়িক পোর্টফোলিওতে দীর্ঘদিন ধরেই তুলনামূলকভাবে দুর্বল ব্র্যান্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে পিৎজা হাট।' তিনি আরও যোগ করেন, 'ব্র্যান্ডটিকে পুনরুজ্জীবিত করার এবং দুর্বল পারফরম্যান্স করা আউটলেটগুলো বন্ধ করার প্রচেষ্টা সত্ত্বেও এটি ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, এই বিভাগটিকে আবার প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরিয়ে আনতে যে পরিমাণ বিনিয়োগ ও ধৈর্যের প্রয়োজন, ইয়াম তা দিতে প্রস্তুত নয়।'</p>
<p>চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যেই এই বিক্রয় প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হতে পারে। বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসার পর পুঁজিবাজারে ইয়াম! ব্র্যান্ডসের শেয়ারদরে কিছুটা নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, পিৎজা হাট থেকে সরে আসায় ইয়াম! ব্র্যান্ডস এখন তাদের অন্যান্য সফল ব্র্যান্ডগুলোর ওপর অধিক মনোযোগ দিতে সক্ষম হবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>বিএমইউর বাজেট: 
অগ্রাধিকার পাবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিক্যাল শিক্ষার মানন্নোয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
</title>  
            <description>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএমইউর অর্থ কমিটির ১১৯তম সভা আজ ১৭ জুন ২০২৬ইং তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এর সভাপতিত্বে শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রস্তুত হচ্ছে বিএমইউর ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট। যেখানে অগ্রাধিকার পাবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিক্যাল শিক্ষার মানন্নোয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে মিশন ও ভিশন হিসেবে বলা হয়েছে, সেবায় শ্রেষ্ঠতা, শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্বমান হোক দৃশ্যমান। স্বাস্থ্যসেবায় প্রাধিকার হোক সবার অধিকার। ব্যয় হ্রাস অনুক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন। ৫৯টি নিজস্ব বিভাগ ও ৫৫টি অধিভুক্ত মেডিক্যাল কলেজ ও ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বিএমইউকে পূর্ণাঙ্গ গবেষণাধর্মী ও র্যাংঙ্কিং এ আন্তর্জাতিকমানে উন্নতির বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে আলোকপাত করা হয়। 
সভায় ২০২৫-২০২৬ এর সংশোধিত বাজেট, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট, উন্নয়ন বাজেট এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নতুন নতুন বিষয় চালু ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিমূলক, ফলপ্রসূ একটি সুসম বাজেট প্রণয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়। এবারে প্রস্তাবিত বাজেট গতবারের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে এক হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার সংশোধিত ও প্রস্তাবিত বাজেটের বিস্তারিত তুলে ধরেন। চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় সিন্ডিকেট সভায় সংশোধিত ও প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন ও ঘোষণা করা হবে।
বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) ও অর্থ কমিটির সদস্য সচিব খন্দকার শফিকুল হাসান এর সঞ্চালনায় সভায় বিএমইউর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী উপস্থিত থেকে মূল্যবান মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
সভায় বিএমইউর সম্মানিত উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বিএমইউর রেজিস্ট্রার ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল, মেডিসিন অনুষদের ডিন ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মওদুদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অর্থ ও হিসাব ডিভিশনের পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ রেজাউল করিম হাওলাদার মূল্যবান মতামত প্রদান করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আজকের অর্থ কমিটির সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে এবং আগামী সিন্ডিকেটে এই বাজেট অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এবারের বাজেটে এমন কিছু বিষয় যুক্ত করতে হবে যা মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইলেকট্রনিক মেডিক্যাল রেকর্ড (ইএমআর) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা চালু করা অতি জরুরি। অফিসগুলোকে পেপারলেস করতে হবে। হাসপাতালের পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত ও সুন্দর করার কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শাখাকে আরো কার্যকর ও গতিশীল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরো উন্নত ও গতিশীল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লিফট সেবা, হাসপাতালের বিভিন্ন ভবনের এক্সিলারেটর গুলো যাতে প্রয়োজন মতো চালু থাকে সে লক্ষ্যে এর সাথে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করতে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তির ভিত্তিতে যেসকল কোম্পানি জনবল দিয়ে কাজ করছে তাদের কার্যক্রম রোগী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ মনিটরিং এর আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম ইন্টারনাল অডিটের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের আল্ট্রাসাউন্ড সেবাকে আরো সহজলভ্য করে যাতে রোগীদের দুর্ভোগ কমানো যায় সেলক্ষ্যে এই সেবাকে পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারিত ও সমন্বয় করা হবে। বর্তমান সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটকে সামনে রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ও রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে  ইনোভেটিভ উদ্যোগ, এ্যাডভান্সড টেকনোলজির সংযোজন, রোবটিক সার্জারি চালু করা, নতুন নতুন উদ্ভাবনীকে যুক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে। সর্বপোরি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ না থাকে বা দুর্নীতি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
সভায় বিএমইউর সম্মানিত উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার তাদের বক্তব্যে সততার সাথে দুর্নীতি মুক্তভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে নতুন একটি যুগের শুভ সূচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সে লক্ষ্যে একটি গতিশীল টিমওয়ার্কের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনার তাগিদ দেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালকে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্ব দেন।
সভায় অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোঃ মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব নাছির উদ্দিন ভূঁঞা,  অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোহাম্মদ বদরুল হুদা, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ আবু নাজির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় উন্নয়ন বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, কার্যক্রম ও আয় ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরা হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে নীড বেইসড এ্যাসেসমেন্ট মূল্যায়ন করে স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য মন্ডিত মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিএমইউর গবেষণা খাতে ইউজিসি হতে বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে মেডিক্যাল জার্নাল, ইনফেকশন কন্ট্রোল, লাইব্রেরি ও ইনফরমেশন খাতে বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) ও অর্থ কমিটির সদস্য সচিব খন্দকার শফিকুল হাসান জানান, আগামী প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য রেডিওথেরাপি প্রদানের লক্ষ্যে অতি প্রয়োজনীয়  আরো একটি লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিন ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সভায় আরো জানানো হয়, লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টটেশন, পূর্ণাঙ্গভাবে বোনম্যানো ট্রান্সপ্ল্যান্টটেশন চালুসহ এ ধরণের উন্নত ও রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য অপরিহার্য চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাসমূহকে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিষয়ের উল্লেখ থাকাটাও জরুরি।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/health/276163/Budget-of-BMU-
Priority-will-be-given-to-quality-improvement-research-and-training-in-healthcare-medical-education</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/health/276163/Budget-of-BMU-
Priority-will-be-given-to-quality-improvement-research-and-training-in-healthcare-medical-education</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 18:12:42 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B1%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B1%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.%5B1%5D.jpg" alt="বিএমইউর বাজেট: 
অগ্রাধিকার পাবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিক্যাল শিক্ষার মানন্নোয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএমইউর অর্থ কমিটির ১১৯তম সভা আজ ১৭ জুন ২০২৬ইং তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার এর সভাপতিত্বে শহীদ ডা. মিল্টন হলে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জানানো হয়, সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রস্তুত হচ্ছে বিএমইউর ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট। যেখানে অগ্রাধিকার পাবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিক্যাল শিক্ষার মানন্নোয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ। এবারের প্রস্তাবিত বাজেটে মিশন ও ভিশন হিসেবে বলা হয়েছে, &ldquo;সেবায় শ্রেষ্ঠতা, শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্বমান হোক দৃশ্যমান। স্বাস্থ্যসেবায় প্রাধিকার হোক সবার অধিকার। ব্যয় হ্রাস অনুক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন।&rdquo; ৫৯টি নিজস্ব বিভাগ ও ৫৫টি অধিভুক্ত মেডিক্যাল কলেজ ও ইনস্টিটিউট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান বিএমইউকে পূর্ণাঙ্গ গবেষণাধর্মী ও র&zwnj;্যাংঙ্কিং এ আন্তর্জাতিকমানে উন্নতির বিষয়ে প্রস্তাবিত বাজেটে আলোকপাত করা হয়। </p>
<p>সভায় ২০২৫-২০২৬ এর সংশোধিত বাজেট, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট, উন্নয়ন বাজেট এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় নতুন নতুন বিষয় চালু ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিমূলক, ফলপ্রসূ একটি সুসম বাজেট প্রণয়নে গুরুত্বারোপ করা হয়। এবারে প্রস্তাবিত বাজেট গতবারের চেয়ে কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে এক হাজার কোটি টাকার কিছু বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
<p>বিএমইউর কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার সংশোধিত ও প্রস্তাবিত বাজেটের বিস্তারিত তুলে ধরেন। চলতি মাসে অনুষ্ঠেয় সিন্ডিকেট সভায় সংশোধিত ও প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন ও ঘোষণা করা হবে।</p>
<p>বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) ও অর্থ কমিটির সদস্য সচিব খন্দকার শফিকুল হাসান এর সঞ্চালনায় সভায় বিএমইউর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী উপস্থিত থেকে মূল্যবান মতামত ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।</p>
<p>সভায় বিএমইউর সম্মানিত উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার, বিএমইউর রেজিস্ট্রার ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মোস্তফা কামাল, মেডিসিন অনুষদের ডিন ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. শামীম আহমেদ, নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও অর্থ কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মওদুদুল হক, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অর্থ ও হিসাব ডিভিশনের পরিচালক (অবসরপ্রাপ্ত) জনাব মোঃ রেজাউল করিম হাওলাদার মূল্যবান মতামত প্রদান করেন।</p>
<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, আজকের অর্থ কমিটির সভায় ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট অত্যন্ত স্বচ্ছতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে এবং আগামী সিন্ডিকেটে এই বাজেট অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এবারের বাজেটে এমন কিছু বিষয় যুক্ত করতে হবে যা মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। একটি মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ইলেকট্রনিক মেডিক্যাল রেকর্ড (ইএমআর) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা চালু করা অতি জরুরি। অফিসগুলোকে পেপারলেস করতে হবে। হাসপাতালের পরিবেশকে স্বাস্থ্যসম্মত ও সুন্দর করার কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল শাখাকে আরো কার্যকর ও গতিশীল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনাকে আরো উন্নত ও গতিশীল করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লিফট সেবা, হাসপাতালের বিভিন্ন ভবনের এক্সিলারেটর গুলো যাতে প্রয়োজন মতো চালু থাকে সে লক্ষ্যে এর সাথে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করতে তাদেরকে জবাবদিহিতার আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে চুক্তির ভিত্তিতে যেসকল কোম্পানি জনবল দিয়ে কাজ করছে তাদের কার্যক্রম রোগী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ মনিটরিং এর আওতায় নিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম ইন্টারনাল অডিটের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালের আল্ট্রাসাউন্ড সেবাকে আরো সহজলভ্য করে যাতে রোগীদের দুর্ভোগ কমানো যায় সেলক্ষ্যে এই সেবাকে পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারিত ও সমন্বয় করা হবে। বর্তমান সরকারের জাতীয় স্বাস্থ্য বাজেটকে সামনে রেখে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে ও রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে  ইনোভেটিভ উদ্যোগ, এ্যাডভান্সড টেকনোলজির সংযোজন, রোবটিক সার্জারি চালু করা, নতুন নতুন উদ্ভাবনীকে যুক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগকে এগিয়ে আসতে হবে। সর্বপোরি এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন একটি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে যাতে দুর্নীতির কোনো সুযোগ না থাকে বা দুর্নীতি স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যায়।</p>
<p>সভায় বিএমইউর সম্মানিত উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ নজরুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) ও অর্থ কমিটি সদস্য অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান হাওলাদার তাদের বক্তব্যে সততার সাথে দুর্নীতি মুক্তভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিয়ে নতুন একটি যুগের শুভ সূচনা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সে লক্ষ্যে একটি গতিশীল টিমওয়ার্কের ভিত্তিতে কার্যক্রম পরিচালনার তাগিদ দেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালকে ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্ব দেন।</p>
<p>সভায় অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোঃ মাসুদ আলম, অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব নাছির উদ্দিন ভূঁঞা,  অতিরিক্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোহাম্মদ বদরুল হুদা, সহকারী পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মোহাম্মদ আবু নাজির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>সভায় উন্নয়ন বাজেটে বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, কার্যক্রম ও আয় ব্যয়ের হিসাব তুলে ধরা হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে নীড বেইসড এ্যাসেসমেন্ট মূল্যায়ন করে স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য মন্ডিত মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিএমইউর গবেষণা খাতে ইউজিসি হতে বরাদ্দের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে আলোচিত হয়। প্রস্তাবিত বাজেটে মেডিক্যাল জার্নাল, ইনফেকশন কন্ট্রোল, লাইব্রেরি ও ইনফরমেশন খাতে বরাদ্দ রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
<p>বিএমইউর পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) ও অর্থ কমিটির সদস্য সচিব খন্দকার শফিকুল হাসান জানান, আগামী প্রস্তাবিত বাজেটে ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের জন্য রেডিওথেরাপি প্রদানের লক্ষ্যে অতি প্রয়োজনীয়  আরো একটি লিনিয়ার এক্সিলারেটর মেশিন ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
<p>সভায় আরো জানানো হয়, লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টটেশন, পূর্ণাঙ্গভাবে বোনম্যানো ট্রান্সপ্ল্যান্টটেশন চালুসহ এ ধরণের উন্নত ও রোগীদের জীবন বাঁচানোর জন্য অপরিহার্য চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাসমূহকে বাস্তবায়ন করতে হবে এবং প্রস্তাবিত বাজেটে এ বিষয়ের উল্লেখ থাকাটাও জরুরি।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>জুলাই থেকে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা আইনমন্ত্রীর</title>  
            <description>আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মসূচিগুলোকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম কার্ড বিতরণের কাজ পুরোদমে শুরু হবে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে একটি আধুনিক কসাইখানা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর আই হ্যাভ এ প্ল্যান-এর অংশ হিসেবে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, ১৯টি জেলায় বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা অঞ্চলেও এর উদ্বোধন করা হবে। ইতিমধ্যে কৃষক কার্ড এবং খাল খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি তথ্য দেন।
বাজেট নিয়ে অতীতের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার তুলনা করে তিনি মন্তব্য করেন, আগে বাজেট দেওয়া হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল করতেন যে, এ বাজেট গরিব মারার বাজেট, এ বাজেট মানি না। তবে এবার বাজেটের বিরুদ্ধে এই মিছিল না হয়ে মিছিল হয়েছে- মদের দাম বাড়ল কেন, বিড়ির দাম বাড়ল কেন? তিনি দাবি করেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে করের চাপ কমানোর ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমেছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276162/The-law-minister-has-announced-the-start-of-full-operation-of-family-and-farmer-card-from-July</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276162/The-law-minister-has-announced-the-start-of-full-operation-of-family-and-farmer-card-from-July</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:56:06 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T175026.093.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T175026.093.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T175026.093.jpg" alt="জুলাই থেকে ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা আইনমন্ত্রীর" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক উন্নয়ন ও মানবিক কর্মসূচিগুলোকে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় আগামী ১ জুলাই থেকে দেশজুড়ে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম কার্ড বিতরণের কাজ পুরোদমে শুরু হবে। বুধবার (১৭ জুন) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পবহাটিতে একটি আধুনিক কসাইখানা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<p>মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর &lsquo;আই হ্যাভ এ প্ল্যান&rsquo;-এর অংশ হিসেবে সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন করছে। তিনি জানান, ১৯টি জেলায় বর্তমানে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ঝিনাইদহের শৈলকুপা অঞ্চলেও এর উদ্বোধন করা হবে। ইতিমধ্যে কৃষক কার্ড এবং খাল খনন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলে তিনি তথ্য দেন।</p>
<p>বাজেট নিয়ে অতীতের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার তুলনা করে তিনি মন্তব্য করেন, আগে বাজেট দেওয়া হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল করতেন যে, &lsquo;এ বাজেট গরিব মারার বাজেট, এ বাজেট মানি না&rsquo;। তবে এবার বাজেটের বিরুদ্ধে এই মিছিল না হয়ে মিছিল হয়েছে- &lsquo;মদের দাম বাড়ল কেন, বিড়ির দাম বাড়ল কেন?&rsquo; তিনি দাবি করেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রে করের চাপ কমানোর ফলে সাধারণ মানুষের ওপর চাপ কমেছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নোমান হোসেনের সভাপতিত্বে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছানসহ স্থানীয় প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>জনতা ক্যাপিটাল এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত</title>  
            <description>জনতা ব্যাংক পিএলসির সাবসিডিয়ারী প্রতিষ্ঠান জনতা ক্যাপিটাল এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের (জেসিআইএল) ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) কোম্পানির মতিঝিলস্থ প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। 
সভায় সভাপতিত্ব করেন জেসিআইএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং জনতা ব্যাংক পিএলসির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ মজিবর রহমান।
সভায় কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ ও শেয়ারহোল্ডারগণ, জনতা ব্যাংক পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও অতিথিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় কোম্পানির পক্ষে চীফ এক্সিকিউটিভ মোঃ আব্দুস সোবহান মিয়া, কোম্পানি সচিব আব্দুল্লাহ আল-আমিনসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
চীফ এক্সিকিউটিভ আব্দুস সোবহান মিয়া জানান, গত বছর জেসিআইএল মোট ১৩.০৪ কোটি টাকা পরিচালন আয় অর্জন করে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276161/The-16th-Annual-General-Meeting-AGM-of-Janata-Capital-and-Investment-Limited-was-held</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276161/The-16th-Annual-General-Meeting-AGM-of-Janata-Capital-and-Investment-Limited-was-held</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:49:59 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1_1.jpg" alt="জনতা ক্যাপিটাল এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>জনতা ব্যাংক পিএলসি&rsquo;র সাবসিডিয়ারী প্রতিষ্ঠান জনতা ক্যাপিটাল এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের (জেসিআইএল) ১৬তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) কোম্পানির মতিঝিলস্থ প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। </p>
<p>সভায় সভাপতিত্ব করেন জেসিআইএল পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান এবং জনতা ব্যাংক পিএলসি&rsquo;র ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ মজিবর রহমান।</p>
<p>সভায় কোম্পানির পরিচালকবৃন্দ ও শেয়ারহোল্ডারগণ, জনতা ব্যাংক পিএলসি&rsquo;র উপব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও অতিথিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এ সময় কোম্পানির পক্ষে চীফ এক্সিকিউটিভ মোঃ আব্দুস সোবহান মিয়া, কোম্পানি সচিব আব্দুল্লাহ আল-আমিনসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>চীফ এক্সিকিউটিভ আব্দুস সোবহান মিয়া জানান, গত বছর জেসিআইএল মোট ১৩.০৪ কোটি টাকা পরিচালন আয় অর্জন করে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে ফিচ রেটিংসের সংশয়</title>  
            <description>বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে উচ্চাভিলাষী হিসেবে অভিহিত করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা ফিচ রেটিংস। সংস্থাটি মনে করে, দীর্ঘদিনের দুর্বল রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়া এবং সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে প্রস্তাবিত বাজেটের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফিচ-এর এই বিশ্লেষণের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বর্তমানের তুলনায় বৃদ্ধি করে ১০.২ শতাংশে উন্নীত করা। এটি সম্ভব হলে ১৯৯৩ সালের পর বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রাজস্ব আহরণের রেকর্ড হবে। এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রায় ১৮ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে, যার বিপরীতে সরকারি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯ শতাংশ। বাজেটে কর প্রদান সহজ করা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ভ্যাট ব্যবস্থা শিথিল করার মতো ইতিবাচক সংস্কারের কথা বলা হলেও ফিচ সতর্ক করে জানিয়েছে যে, অতীতের দুর্বল বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতার কারণে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির চাপ সরকারকে বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে করছে ফিচ। এবারের বাজেটের প্রায় ৩০ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তা এবং ১৮.৭ শতাংশ ভৌত অবকাঠামো খাতের জন্য রাখা হয়েছে। তবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশে সচরাচর বাজেট বাস্তবায়নে অর্থ ব্যয়ে এক ধরনের ঘাটতি বা মন্থর গতি থাকে, যা মূলত বড় কোনো আর্থিক বিপর্যয় বা ঘাটতি থেকে সরকারকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়া জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং গ্যাস অনুসন্ধান ও এলএনজি সরবরাহে গুরুত্বারোপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ফিচ।
দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস নিয়ে সরকারের সাথে বড় ধরনের দ্বিমত পোষণ করেছে এই ঋণমান সংস্থা। সরকার যেখানে ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির আশা করছে, সেখানে ফিচ-এর পূর্বাভাস বলছে এই প্রবৃদ্ধি হতে পারে মাত্র ৩.৫ শতাংশ। ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের ধীরগতি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিস্থিতির অনিশ্চয়তাই এই নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ফিচ মনে করে, রাজস্ব ও ব্যয় উভয়ই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি সরকারের নির্ধারিত ৩.৬ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।
আইএমএফ-এর সাথে চলমান ঋণ কর্মসূচি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা চূড়ান্ত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখছে ফিচ। সংস্থাটির মতে, নতুন কোনো সংস্কার কর্মসূচিতে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সরকারের বেশ কিছু সময় লেগে যেতে পারে। এমতাবস্থায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিম্ন মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং অবকাঠামো খাতে পিপিপি উদ্যোগগুলোর কার্যকর প্রয়োগই হবে নতুন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276160/Fitch-Ratings-Doubts-on-Revenue-Targets-and-Growth</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276160/Fitch-Ratings-Doubts-on-Revenue-Targets-and-Growth</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:48:46 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T174742.713.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T174742.713.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T174742.713.jpg" alt="রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ও প্রবৃদ্ধি নিয়ে ফিচ রেটিংসের সংশয়" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের ঘোষিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে &lsquo;উচ্চাভিলাষী&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছে আন্তর্জাতিক ঋণমান সংস্থা ফিচ রেটিংস। সংস্থাটি মনে করে, দীর্ঘদিনের দুর্বল রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়া এবং সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নে ধীরগতির কারণে প্রস্তাবিত বাজেটের বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ফিচ-এর এই বিশ্লেষণের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।</p>
<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন অর্থবছরে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো রাজস্ব-জিডিপি অনুপাত বর্তমানের তুলনায় বৃদ্ধি করে ১০.২ শতাংশে উন্নীত করা। এটি সম্ভব হলে ১৯৯৩ সালের পর বাংলাদেশে সর্বোচ্চ রাজস্ব আহরণের রেকর্ড হবে। এই বিশাল লক্ষ্য অর্জনে সরকার প্রায় ১৮ শতাংশ রাজস্ব প্রবৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছে, যার বিপরীতে সরকারি ব্যয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯ শতাংশ। বাজেটে কর প্রদান সহজ করা এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ভ্যাট ব্যবস্থা শিথিল করার মতো ইতিবাচক সংস্কারের কথা বলা হলেও ফিচ সতর্ক করে জানিয়েছে যে, অতীতের দুর্বল বাস্তবায়ন অভিজ্ঞতার কারণে এসব উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।</p>
<p>ব্যয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির চাপ সরকারকে বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে করছে ফিচ। এবারের বাজেটের প্রায় ৩০ শতাংশ সামাজিক নিরাপত্তা এবং ১৮.৭ শতাংশ ভৌত অবকাঠামো খাতের জন্য রাখা হয়েছে। তবে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে যে, বাংলাদেশে সচরাচর বাজেট বাস্তবায়নে অর্থ ব্যয়ে এক ধরনের ঘাটতি বা মন্থর গতি থাকে, যা মূলত বড় কোনো আর্থিক বিপর্যয় বা ঘাটতি থেকে সরকারকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়া জ্বালানি খাতের সংস্কার এবং গ্যাস অনুসন্ধান ও এলএনজি সরবরাহে গুরুত্বারোপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে ফিচ।</p>
<p>দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস নিয়ে সরকারের সাথে বড় ধরনের দ্বিমত পোষণ করেছে এই ঋণমান সংস্থা। সরকার যেখানে ৬.৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধির আশা করছে, সেখানে ফিচ-এর পূর্বাভাস বলছে এই প্রবৃদ্ধি হতে পারে মাত্র ৩.৫ শতাংশ। ব্যাংকিং খাতের অস্থিরতা, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহের ধীরগতি এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ পরিস্থিতির অনিশ্চয়তাই এই নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে ফিচ মনে করে, রাজস্ব ও ব্যয় উভয়ই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম হওয়ার কারণে বাজেট ঘাটতি সরকারের নির্ধারিত ৩.৬ শতাংশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।</p>
<p>আইএমএফ-এর সাথে চলমান ঋণ কর্মসূচি ২০২৭ সালের জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা চূড়ান্ত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখছে ফিচ। সংস্থাটির মতে, নতুন কোনো সংস্কার কর্মসূচিতে ঐকমত্যে পৌঁছাতে সরকারের বেশ কিছু সময় লেগে যেতে পারে। এমতাবস্থায় ২০৩০-৩১ অর্থবছরের মধ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি ও নিম্ন মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং অবকাঠামো খাতে পিপিপি উদ্যোগগুলোর কার্যকর প্রয়োগই হবে নতুন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ওয়ানডে হারের প্রতিশোধ নিল অজিরা</title>  
            <description>ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।
এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশের টপ-অর্ডার। ৩ ওভারের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম আউট হওয়ার পর সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাঁচে নামা পারভেজ হোসেন ১০ রান এবং শামীম হোসেন ১ রান করে আউট হলে ব্যাটিং লাইনআপ বেশ চাপের মুখে পড়ে। অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে আউট হলে এক শ পার করার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে শেষ জুটিতে মেহেদী হাসানের ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে ১৩১ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে অজিরা কিছুটা চাপে পড়লেও তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ সহজেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার জস ইংলিশকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। এরপর ১৩ রান করা অধিনায়ক মিচেল মার্শকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আগের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি টি-টুয়েন্টিতেও তাঁর আগ্রাসী ফর্ম বজায় রাখেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের এক কার্যকর ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি।
শেষদিকে টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবদুল গাফফার সাকলায়েন ৪৭ রান করা কনোলিসহ মোট ২টি উইকেট শিকার করে নজর কেড়েছেন। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্য সত্ত্বেও অজিদের জয়ের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করা যায়নি। ১০ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে গাফফার ২টি এবং শরীফুল, মোস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী ১টি করে উইকেট নেন। এই হারের পর সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে পরের ম্যাচে কঠোর পরীক্ষা দিতে হবে তাওহিদ হৃদয়ের দলকে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/sports/276159/Ajira-avenged-the-ODI-loss</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/sports/276159/Ajira-avenged-the-ODI-loss</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:44:14 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2_1.jpg" alt="ওয়ানডে হারের প্রতিশোধ নিল অজিরা" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টুয়েন্টি সিরিজ শুরু করলেও প্রথম ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে বাংলাদেশ দল। তিন ম্যাচের টি-টুয়েন্টি সিরিজের প্রথম খেলায় অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৪ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে স্বাগতিকেরা। নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের ইনজুরির কারণে এই ম্যাচে প্রথমবারের মতো অধিনায়কত্ব করতে নামেন তাওহিদ হৃদয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিলেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ১০ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া।</p>
<p>এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিলেও বেশি দূর এগোতে পারেনি বাংলাদেশের টপ-অর্ডার। ৩ ওভারের মাথায় তানজিদ হাসান তামিম আউট হওয়ার পর সাইফ হাসান ১৪ বলে ২০ রান করে বিদায় নেন। এরপর তাওহিদ হৃদয় ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে ৬৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। পাঁচে নামা পারভেজ হোসেন ১০ রান এবং শামীম হোসেন ১ রান করে আউট হলে ব্যাটিং লাইনআপ বেশ চাপের মুখে পড়ে। অভিষিক্ত আবদুল গাফফার সাকলায়েন ১০ রান করে আউট হলে এক শ পার করার আগেই ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে টাইগাররা। তবে শেষ জুটিতে মেহেদী হাসানের ২২ বলে অপরাজিত ২৯ রানের সময়োপযোগী ইনিংসে ভর করে ১৩১ রানের লড়াই করার মতো পুঁজি পায় বাংলাদেশ।</p>
<p>১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে অজিরা কিছুটা চাপে পড়লেও তরুণ অলরাউন্ডার কুপার কনোলির ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচ সহজেই নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় তারা। দলীয় ১৩ রানে ওপেনার জস ইংলিশকে বোল্ড করে প্রথম আঘাত হানেন শরীফুল ইসলাম। এরপর ১৩ রান করা অধিনায়ক মিচেল মার্শকে সাজঘরে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। তবে আগের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা ২২ বছর বয়সী কুপার কনোলি টি-টুয়েন্টিতেও তাঁর আগ্রাসী ফর্ম বজায় রাখেন। আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে ৪৭ রানের এক কার্যকর ও বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়ার জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি।</p>
<p>শেষদিকে টিম ডেভিডকে ফিরিয়ে দিয়ে লড়াই জমিয়ে তোলার চেষ্টা করেছিল বাংলাদেশ। বিশেষ করে জাতীয় দলের হয়ে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা পেস বোলিং অলরাউন্ডার আবদুল গাফফার সাকলায়েন ৪৭ রান করা কনোলিসহ মোট ২টি উইকেট শিকার করে নজর কেড়েছেন। তবে বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্য সত্ত্বেও অজিদের জয়ের পথে বড় বাধা সৃষ্টি করা যায়নি। ১০ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের পক্ষে গাফফার ২টি এবং শরীফুল, মোস্তাফিজ ও শেখ মেহেদী ১টি করে উইকেট নেন। এই হারের পর সিরিজে ঘুরে দাঁড়াতে পরের ম্যাচে কঠোর পরীক্ষা দিতে হবে তাওহিদ হৃদয়ের দলকে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>হোয়াইট হাউসে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেপ্তার ৫</title>  
            <description>যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের লনে আয়োজিত আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি) মিক্সড মার্শাল আর্ট ইভেন্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি লক্ষ্য করে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আদালতের নথির বরাত দিয়ে এফবিআই জানিয়েছে, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল সুসংগঠিত আক্রমণাত্মক। তারা বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের উত্তর দিকে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল ড্রোনের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উপস্থিত অতিথিদের আতঙ্কিত করে একটি নির্দিষ্ট বের হওয়ার পথের দিকে নিয়ে যাওয়া। এরপর সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা স্নাইপাররা রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর গুলি চালানোর পরিকল্পনা করছিল।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবিদনে বলা হয়েছে, যে সময় এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই বিশেষ ফাইটিং ইভেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ছাড়াও বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা, শভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এফবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে, হামলা পরিকল্পনাকারীরা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে তীব্র মনোভাব পোষণ করে। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মামলার তদন্ত ধামাচাপা দেওয়া নিয়ে তারা সরকারের ওপর তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে। এছাড়া, অভিযুক্তদের একজন বিভিন্ন ইসরায়েলি লবিস্ট গ্রুপ থেকে নির্বাচনি অনুদান নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের ওপর হামলা করার জন্য বিশেষভাবে আগ্রহী ছিল।
এফবিআই ডিরেক্টর কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন, গত ১০ জুন তারা এই সম্ভাব্য হামলার আগাম তথ্য পেয়েছিলেন। এর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বাইরের একটি চক্র জড়িত ছিল। যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় লিপ্ত হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
যেভাবে গোপন তথ্য পেয়েছে এফবিআই
হামলা পরিকল্পনার তথ্য এফবিআই পেয়েছে ওহাইওর বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী সন্দেহভাজন তরুণ টাইসেন প্রপারের মায়ের কারণে। প্রপারের মা স্থানীয় পুলিশকে ফোন করে জানান, তার ছেলে ইদানীং প্রচুর অস্ত্র কিনছে এবং অনলাইনে সন্দেহভাজন কিছু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। পরে এফবিআই প্রপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে, হোয়াইট হাউসের ইউএফসি অনুষ্ঠানে একটি বড়সড় সমন্বিত হামলার ব্যাপারে সে সবকিছু জানত।
ফক্স নিউজ ডিজিটালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চক্রে ২৩ জনের মতো সদস্য জড়িত থাকতে পারে। বর্তমানে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে থাকা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে আগে শোনেননি। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিষয়টিকে হালকাভাবে নেননি।
তিনি বলেন, বড় অর্থায়ন ও চক্রের হাত ছাড়া ২৩ জন ব্যক্তি ওয়াশিংটনে এত বড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর সাহস পেত না। এটি কোনো পাগলের কাজ নয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এর পেছনে যুক্ত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276158/Arrest-foiled-attack-plan-on-White-House-5</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276158/Arrest-foiled-attack-plan-on-White-House-5</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:29:40 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.%5B1%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.%5B1%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.%5B1%5D.jpg" alt="হোয়াইট হাউসে হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ, গ্রেপ্তার ৫" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গত সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের লনে আয়োজিত আলটিমেট ফাইটিং চ্যাম্পিয়নশিপ (ইউএফসি) মিক্সড মার্শাল আর্ট ইভেন্টে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতি লক্ষ্য করে এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এখন পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p>
<p>আদালতের নথির বরাত দিয়ে এফবিআই জানিয়েছে, হামলাকারীদের পরিকল্পনা ছিল সুসংগঠিত আক্রমণাত্মক। তারা বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন ব্যবহার করে হোয়াইট হাউসের উত্তর দিকে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল। মূল উদ্দেশ্য ছিল ড্রোনের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে উপস্থিত অতিথিদের আতঙ্কিত করে একটি নির্দিষ্ট বের হওয়ার পথের দিকে নিয়ে যাওয়া। এরপর সেখানে আগে থেকে ওত পেতে থাকা স্নাইপাররা রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ওপর গুলি চালানোর পরিকল্পনা করছিল।</p>
<p>বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবিদনে বলা হয়েছে, যে সময় এই হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উপস্থিত ছিলেন। ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই বিশেষ ফাইটিং ইভেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল। শেষপর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়া অনুষ্ঠানটি শেষ হয়। অনুষ্ঠানে ট্রাম্প ছাড়াও বেশ কয়েকজন রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা, শভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<p>এফবিআইয়ের তদন্তে জানা গেছে, হামলা পরিকল্পনাকারীরা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রে তীব্র মনোভাব পোষণ করে। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মামলার তদন্ত ধামাচাপা দেওয়া নিয়ে তারা সরকারের ওপর তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছে। এছাড়া, অভিযুক্তদের একজন বিভিন্ন ইসরায়েলি লবিস্ট গ্রুপ থেকে নির্বাচনি অনুদান নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের ওপর হামলা করার জন্য বিশেষভাবে আগ্রহী ছিল।</p>
<p>এফবিআই ডিরেক্টর কাশ প্যাটেল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে নিশ্চিত করেছেন, গত ১০ জুন তারা এই সম্ভাব্য হামলার আগাম তথ্য পেয়েছিলেন। এর সঙ্গে ওয়াশিংটনের বাইরের একটি চক্র জড়িত ছিল। যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র, হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনায় লিপ্ত হওয়া এবং অবৈধ অস্ত্র রাখার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>
<p><strong>যেভাবে </strong><strong>গোপন </strong><strong>তথ্য </strong><strong>পেয়েছে </strong><strong>এফবিআই</strong></p>
<p>হামলা পরিকল্পনার তথ্য এফবিআই পেয়েছে ওহাইওর বাসিন্দা ১৯ বছর বয়সী সন্দেহভাজন তরুণ টাইসেন প্রপারের মায়ের কারণে। প্রপারের মা স্থানীয় পুলিশকে ফোন করে জানান, তার ছেলে ইদানীং প্রচুর অস্ত্র কিনছে এবং অনলাইনে সন্দেহভাজন কিছু মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। পরে এফবিআই প্রপারকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে, হোয়াইট হাউসের ইউএফসি অনুষ্ঠানে একটি বড়সড় সমন্বিত হামলার ব্যাপারে সে সবকিছু জানত।</p>
<p>ফক্স নিউজ ডিজিটালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চক্রে ২৩ জনের মতো সদস্য জড়িত থাকতে পারে। বর্তমানে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে থাকা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি এই হামলার পরিকল্পনার বিষয়ে আগে শোনেননি। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিষয়টিকে হালকাভাবে নেননি।</p>
<p>তিনি বলেন, বড় অর্থায়ন ও চক্রের হাত ছাড়া ২৩ জন ব্যক্তি ওয়াশিংটনে এত বড় সন্ত্রাসী হামলা চালানোর সাহস পেত না। এটি কোনো পাগলের কাজ নয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠী এর পেছনে যুক্ত থাকতে পারে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>চুক্তির পরই বাজারে ছাড়ার অপেক্ষায় ১০ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল</title>  
            <description>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা নিরসনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথেই ইরানের তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, এ সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে ইরান পুনরায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রির সুযোগ পাবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
 এই সিদ্ধান্তের আওতায় ইরান কেবল তেল বিক্রির সুযোগই পাবে না, বরং এই প্রক্রিয়া সহজ করতে ব্যাংকিং লেনদেন, জাহাজ পরিবহন এবং বিমা সেবার ওপর থাকা বিধিনিষেধও তুলে নেওয়া হবে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই সুবিধাগুলো সম্পূর্ণভাবে চুক্তির শর্ত পালনের ওপর নির্ভর করবে। ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে, তাদের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরবচ্ছিন্ন জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।
নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞ ব্রেট এরিকসন এই পদক্ষেপকে ইরানের জন্য বিলিয়ন ডলারের বিশাল ছাড় হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, কয়েক মাসের প্রবল সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের পর ওয়াশিংটন এখন তেহরানকে এমন কিছু আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে যা ভবিষ্যতে পুনরায় প্রত্যাহার করা কঠিন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে বর্তমানে মজুত ও ট্যাংকারে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে, যার একটি বড় অংশ চুক্তি সই হওয়ার সাথে সাথেই বাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে এই প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহেই তা চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘ তিন মাস ধরে চলা ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধে বিরতি আসবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে। চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত অনুযায়ী, উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালি থেকে তাদের নিজ নিজ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে।
শান্তিপ্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করতে একটি বিশাল অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যদিও এই পরিকল্পনাটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, এর মাধ্যমে উভয় পক্ষকে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে অর্থনৈতিকভাবে প্রলুব্ধ করাই মূল লক্ষ্য। এই বিশাল অংকের তহবিলের অর্ধেকের বেশি জোগানের প্রতিশ্রুতি ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276157/After-the-agreement-10-million-barrels-of-Iranian-oil-are-waiting-to-be-released-to-the-market</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276157/After-the-agreement-10-million-barrels-of-Iranian-oil-are-waiting-to-be-released-to-the-market</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:21:03 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T172006.893.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T172006.893.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T172006.893.jpg" alt="চুক্তির পরই বাজারে ছাড়ার অপেক্ষায় ১০ কোটি ব্যারেল ইরানি তেল" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধাবস্থা নিরসনে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার সাথে সাথেই ইরানের তেল ও জ্বালানি খাতের ওপর থেকে কঠোর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা আসতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, এ সপ্তাহের মধ্যেই চুক্তিটি চূড়ান্ত হলে ইরান পুনরায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেল বিক্রির সুযোগ পাবে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p> এই সিদ্ধান্তের আওতায় ইরান কেবল তেল বিক্রির সুযোগই পাবে না, বরং এই প্রক্রিয়া সহজ করতে ব্যাংকিং লেনদেন, জাহাজ পরিবহন এবং বিমা সেবার ওপর থাকা বিধিনিষেধও তুলে নেওয়া হবে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, এই সুবিধাগুলো সম্পূর্ণভাবে চুক্তির শর্ত পালনের ওপর নির্ভর করবে। ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে, তাদের মজুতকৃত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিষ্ক্রিয় করতে হবে এবং বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে নিরবচ্ছিন্ন জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে হবে।</p>
<p>নিষেধাজ্ঞা বিশেষজ্ঞ ব্রেট এরিকসন এই পদক্ষেপকে ইরানের জন্য &lsquo;বিলিয়ন ডলারের বিশাল ছাড়&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, কয়েক মাসের প্রবল সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপের পর ওয়াশিংটন এখন তেহরানকে এমন কিছু আর্থিক সুবিধা দিচ্ছে যা ভবিষ্যতে পুনরায় প্রত্যাহার করা কঠিন হতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের হাতে বর্তমানে মজুত ও ট্যাংকারে প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে, যার একটি বড় অংশ চুক্তি সই হওয়ার সাথে সাথেই বাজারে ছাড়ার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে।</p>
<p>রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে এই প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং চলতি সপ্তাহেই তা চূড়ান্ত রূপ পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘ তিন মাস ধরে চলা ইরান-ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধে বিরতি আসবে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরার সম্ভাবনা তৈরি হবে। চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত অনুযায়ী, উভয় পক্ষ হরমুজ প্রণালি থেকে তাদের নিজ নিজ অবরোধ প্রত্যাহার করে নেবে।</p>
<p>শান্তিপ্রক্রিয়াকে আরও বেগবান করতে একটি বিশাল অর্থনৈতিক পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানে বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে প্রায় ৩০০ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার কোটি ডলারের একটি বেসরকারি তহবিল গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যদিও এই পরিকল্পনাটি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, এর মাধ্যমে উভয় পক্ষকে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে অর্থনৈতিকভাবে প্রলুব্ধ করাই মূল লক্ষ্য। এই বিশাল অংকের তহবিলের অর্ধেকের বেশি জোগানের প্রতিশ্রুতি ইতিমধ্যে পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>লেবাননে ইসরায়েলের যুদ্ধকৌশলের কড়া সমালোচনা ট্রাম্পের</title>  
            <description>লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধকৌশলের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি বলেন, তাদের খুঁজে বের করতে আবাসিক ভবনগুলোতে বোমা হামলা চালানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।
কিছুদিন আগেই বৈরুতে ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, এসব হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির বিষয়টিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তার মতে, ইসরায়েল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে সংঘাতে জড়িয়ে আছে।
ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, অনেক প্রাণহানি হয়েছে। কাউকে খোঁজার জন্য প্রতিবার একেকটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ ভবনগুলোতে অনেক মানুষ থাকে এবং তারা সবাই হিজবুল্লাহ নয়।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই ট্রাম্পের এমন মন্তব্য সামনে এলো। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও রাজনৈতিক মৈত্রী ছিল।
সম্প্রতি এই টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্পের করা ইরান চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গোপনে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।
বৈরুতে ইসরায়েলের হামলার কারণে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত ছিলেন। কারণ, ট্রাম্প যখন শান্তি চুক্তি নিয়ে কাজ করছিলেন, ঠিক তখনই ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে দেয়।
ইসরায়েলের যুদ্ধরীতির সমালোচনা করলেও ট্রাম্পের দাবি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। তবে তিনি এও বলেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর আরও দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।
ট্রাম্প বলেন, আমাদের ছাড়া, অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। আমি না থাকলে ইসরায়েল থাকত না, কারণ অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট তা করতে রাজি ছিলেন না, যা আমি করেছি।
লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান সীমিত করতে ইসরায়েলের অস্বীকৃতি নিয়ে দুই নেতা বারবার দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। উল্লেখ্য, সেখানে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা ইরানের একটি প্রধান দাবি। সাধারণত ট্রাম্প বা অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইসরায়েলের সামরিক কৌশলের সমালোচনা করতে দেখা যায় না।
ট্রাম্পের সবশেষ মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের একটি অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সেই নির্দিষ্ট বক্তব্যের একটি ভিডিও পোস্ট করে। কেন এই ভিডিওটি পোস্ট করা হলো সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনো ব্যাখ্যা না দিলেও জানায়, নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রেসিডেন্টের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের দারুণ সহযোগী।
মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, এই চুক্তিটি তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা  জানান, ইসরায়েলের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতো এত বড় বন্ধু এবং শান্তির যোদ্ধা আর কেউ নেই। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর পদক্ষেপের কারণে আজ পুরো বিশ্ব এবং আমাদের মিত্ররা অনেক বেশি নিরাপদ।
যদিও ট্রাম্প ইসরায়েলের সমালোচনা করেছেন, কিন্তু এর ফলে ইসরায়েল তাদের যুদ্ধের ধরনে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে কি না, তার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ নেই। গাজায় হামলার কারণে ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে কড়া সমালোচনার শিকার হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, সেখানে ৭৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের প্রায় সবাই বেসামরিক নাগরিক।
ইসরায়েল অবশ্য বরাবরই দাবি করে আসছে যে তারা বেসামরিকদের হত্যা করে না, বরং হামাস ও হিজবুল্লাহ সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাস এই খবর নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/international/276156/Trump-strongly-criticized-Israels-military-strategy-in-Lebanon</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/international/276156/Trump-strongly-criticized-Israels-military-strategy-in-Lebanon</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:18:37 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.%5B1%5D.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.%5B1%5D.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.%5B1%5D.jpg" alt="লেবাননে ইসরায়েলের যুদ্ধকৌশলের কড়া সমালোচনা ট্রাম্পের" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের যুদ্ধকৌশলের কড়া সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তিনি বলেন, তাদের খুঁজে বের করতে আবাসিক ভবনগুলোতে বোমা হামলা চালানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।</p>
<p>কিছুদিন আগেই বৈরুতে ইসরায়েলি হামলার বিষয়ে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছিলেন, এসব হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির বিষয়টিকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে। তার মতে, ইসরায়েল ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে &lsquo;দীর্ঘ সময়&rsquo; ধরে সংঘাতে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, অনেক প্রাণহানি হয়েছে। কাউকে খোঁজার জন্য প্রতিবার একেকটি আবাসিক ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ ভবনগুলোতে অনেক মানুষ থাকে এবং তারা সবাই হিজবুল্লাহ নয়।</p>
<p>ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝেই ট্রাম্পের এমন মন্তব্য সামনে এলো। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও রাজনৈতিক মৈত্রী ছিল।</p>
<p>সম্প্রতি এই টানাপোড়েন আরও বেড়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্পের করা ইরান চুক্তি নিয়ে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা গোপনে অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।</p>
<p>বৈরুতে ইসরায়েলের হামলার কারণে ট্রাম্প নেতানিয়াহুর ওপর বিরক্ত ছিলেন। কারণ, ট্রাম্প যখন শান্তি চুক্তি নিয়ে কাজ করছিলেন, ঠিক তখনই ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরান পাল্টা হামলা শুরু করে দেয়।</p>
<p>ইসরায়েলের যুদ্ধরীতির সমালোচনা করলেও ট্রাম্পের দাবি, নেতানিয়াহুর সঙ্গে তার চমৎকার সম্পর্ক রয়েছে। তবে তিনি এও বলেন, লেবাননের বিষয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর &lsquo;আরও দায়িত্বশীল&lsquo; হওয়া উচিত।</p>
<p>ট্রাম্প বলেন, আমাদের ছাড়া, অর্থাৎ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া ইসরায়েলের কোনো অস্তিত্ব থাকত না। আমি না থাকলে ইসরায়েল থাকত না, কারণ অন্য কোনো প্রেসিডেন্ট তা করতে রাজি ছিলেন না, যা আমি করেছি।</p>
<p>লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান সীমিত করতে ইসরায়েলের অস্বীকৃতি নিয়ে দুই নেতা বারবার দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন। উল্লেখ্য, সেখানে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা ইরানের একটি প্রধান দাবি। সাধারণত ট্রাম্প বা অন্য কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ইসরায়েলের সামরিক কৌশলের সমালোচনা করতে দেখা যায় না।</p>
<p>ট্রাম্পের সবশেষ মন্তব্যের কিছুক্ষণের মধ্যেই হোয়াইট হাউসের একটি অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট সেই নির্দিষ্ট বক্তব্যের একটি ভিডিও পোস্ট করে। কেন এই ভিডিওটি পোস্ট করা হলো সে বিষয়ে হোয়াইট হাউস কোনো ব্যাখ্যা না দিলেও জানায়, নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রেসিডেন্টের শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে এবং ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের &lsquo;দারুণ সহযোগী&lsquo;।</p>
<p>মঙ্গলবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, এই চুক্তিটি তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে।</p>
<p>হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা  জানান, ইসরায়েলের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতো এত বড় বন্ধু এবং শান্তির যোদ্ধা আর কেউ নেই। ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কঠোর পদক্ষেপের কারণে আজ পুরো বিশ্ব এবং আমাদের মিত্ররা অনেক বেশি নিরাপদ।</p>
<p>যদিও ট্রাম্প ইসরায়েলের সমালোচনা করেছেন, কিন্তু এর ফলে ইসরায়েল তাদের যুদ্ধের ধরনে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে কি না, তার কোনো স্পষ্ট লক্ষণ নেই। গাজায় হামলার কারণে ইসরায়েল বিশ্বজুড়ে কড়া সমালোচনার শিকার হচ্ছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, সেখানে ৭৩ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের প্রায় সবাই বেসামরিক নাগরিক।</p>
<p>ইসরায়েল অবশ্য বরাবরই দাবি করে আসছে যে তারা বেসামরিকদের হত্যা করে না, বরং হামাস ও হিজবুল্লাহ সাধারণ মানুষকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাস এই খবর নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ভোলায় দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি</title>  
            <description>কবরের মধ্যে জীবিত আছেন ভেবে ভোলা সদর উপজেলায় দাফনের ১৮ দিনের মাথায় মরিয়ম (২০) নামে এক তরুণীর কবর খুঁড়েছেন স্বজনরা৷ যা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর রমেশ গ্রামের হোসেন লাহারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
মরিয়ম ওই একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর খলিল লাহারি ও গৃহিনী তাসনুর বেগমের ৭ ছেলে-মেয়ের মধ্যে ২ মেয়ে ছিলেন।
সরেজমিনে জানা যায়, মরিয়ম বাবার সংসারের অভাব দূর করতে গত কয়েক বছর আগে পাড়ি জমান চট্রগ্রামে এবং সেখানেই তিনি একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৬ জুলাই ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তার পরিবার বাড়িতে রেখে চিকিৎসা শুরু করেন।  এবং চিকিৎসা চলাকালে ২৮ জুন ভোরে অর্থাৎ ঈদের দিন তিনি নিজেদের বসতঘরে মৃত্যুবরণ করেন।
এরপর ঈদের নামাজ শেষে বাড়ির সামনের মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পুকুর পাড়ের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করেন স্বজনরা। এছাড়া দাফনের কয়েকদিন পেরিয়ে যাওয়ার পর কবরটি থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে বলে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে,এরপর থেকেই আলোচনায় উঠে আসে তরুণীর কবরটি। প্রতিদিনই ভীর জমাতে শুরু করেন উৎসুক জনতা।
স্থানীয় পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম পরিবারের বরাতে জানান, আমি মরিয়মের জানাজা নামাজ পড়িয়েছি। সম্প্রতি স্বজনরা জানিয়েছিল মরিয়ম তার একমাত্র ভাই হাসান ও ছোট বোনকে স্বপ্নে জানিয়েছেন যে তিনি কবরের মধ্যে জীবিত আছে এবং তাকে জীবিত দাফন করা হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অন্যান্য আলেমদেরকে পরিবার অবহিত করলে তারা জানান যে,এটি অবাস্তব।
অন্যদিকে কবর থেকে সুগন্ধি বের হওয়ার ব্যাপারে জানানোর পর তারা কবরটির উপরে পুনরায় মাটি দেওয়ার ফতোয়া দিলে স্বজনরা মাটি দেন।
আরও জানা গেছে, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনরা সবকিছু উপেক্ষা করে প্রায় ৩-৪০০ মানুষের উপস্থিতিতে কবরটি খুঁড়েন এবং দেখেন কবরের ভেতরে থাকা মরিয়মের মরদেহটিতে পচন ধরেছে,পরে পুনরায় কবরটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
ধারণা করা হচ্ছে,যেহেতু মরিয়ম তার সংসারের উপার্জনক্ষমদের মধ্যে একজন ছিলেন তাই তার স্বজনরা মরিয়মকে নিয়ে মৃত্যুর পর অতিরিক্ত চিন্তাভাবনার ফলেই ঘুমের মধ্যে এরকম স্বপ্ন দেখতে পারেন তারা।
প্রতিবেশী মো.লোকমান লাহারি বলেন,প্রায় ৬-৭ বছর ধরে চট্রগ্রামে গার্মেন্টসে কাজ করতো মরিয়ম। কুরবানির ঈদে বাড়িতে এসেছিল। যেহেতু তারা আমাদের প্রতিবেশী এবং পাশ্ববর্তী ঘর সে সুবাদে জানতে পেরেছি তিনি মারা যাওয়ার দুইদিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন,পড়ে তাকে তার বাবা মা ডাক্তার দেখিয়েছিল। ঈদের দিন ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে হটাৎ মরিয়মের স্বজনদের কান্না শুনে তাদের ঘরে দিয়ে দেখি মরিয়ম অজ্ঞানের মতো অবস্থায় রয়েছে। এর কিছুক্ষন পর ফের কান্নার শব্দ শুনে গিয়ে দেখি মরিয়ম মারা গেছেন। পরে ঈদের দিন সকালে তাকে দাফন করা হয়েছে। 
পুনরায় কবর খোঁড়ার কাজে সহযোগিতা করা স্থানীয় বাসিন্দা মো.কালু বলেন, মরিয়মের স্বজনরা তার কবর খুঁড়েছেন মূলত তিনি বেঁচে আছেন কিনা বিষয়টি দেখতে,আমিও তাদেরকে সহযোগিতা করেছি কবর খুঁড়তে। 'কবর খোঁড়ার পর স্বজনরা দেখেছেন সে মৃত অবস্থায় রয়েছে,কবর খোড়ার পর কবরের ভেতর থেকে কোনো সুগন্ধির ঘ্রাণ আমি পাইনি'। 
এদিকে দাফনের ১৮ দিনের মাথায় কবর খোড়ার ঘটনাটি জানাজানির পর কবরটি দেখতে আসা বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ বেগম,মো.নাজিম,সোহাগ ও মিদুল ও হান্নান বলেন,আমরা শুনেছি সে নাকি কবরের মধ্যে জীবিত আছেন এবং তার কবর থেকে সুগন্ধির ঘ্রাণ বের হচ্ছে। এটা ভেবে তার স্বজনরা কবর খুড়েছে,বিষয়টি দেখতে কবরের কাছে এসে জানলাম সে কবরের মধ্যে জীবিত না এবং কবর থেকে সুগন্ধিও আসছে না। তবে আমাদের গ্রামে এরকম ঘটনা এর আগে ঘটেনি।
তার বাড়িতে যাওয়ার পর শোকাহত পরিবারের সদস্যরা  সরাসরি কথা বলতে রাজি না হলেও জানিয়েছেন, 'সন্দেহ দূর করার জন্য মরিয়মের কবর খোঁড়া হয়েছিল,এবং সন্দেহ দূর হয়েছে'।
এনিয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম  বলেন,মরিয়মের স্বজনরা থানায় এসে জানিয়েছিল তার কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে এবং তারা স্বপ্নে দেখেছেন সে কবরের মধ্যে জীবিত আছেন। আমি তাদেরকে বলেছি- যদি আপনারা কবর খুড়ে দেখতে চান তাহলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। আজকে কবর খোড়ার বিষয়টি আমি অবগত নই।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276155/18-days-after-the-burial-in-Bhola-the-relatives-dug-the-grave-of-the-girl-creating-a-sensation-in-the-area</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276155/18-days-after-the-burial-in-Bhola-the-relatives-dug-the-grave-of-the-girl-creating-a-sensation-in-the-area</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:12:38 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file_1.jpg" alt="ভোলায় দাফনের ১৮ দিন পর তরুণীর কবর খুঁড়লেন স্বজনরা, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>কবরের মধ্যে জীবিত আছেন ভেবে ভোলা সদর উপজেলায় দাফনের ১৮ দিনের মাথায় মরিয়ম (২০) নামে এক তরুণীর কবর খুঁড়েছেন স্বজনরা৷ যা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।</p>
<p>গত &lrm;&lrm;মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের চর রমেশ গ্রামের হোসেন লাহারি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।</p>
<p>&lrm;&lrm;মরিয়ম ওই একই বাড়ির বাসিন্দা দিনমজুর খলিল লাহারি ও গৃহিনী তাসনুর বেগমের ৭ ছেলে-মেয়ের মধ্যে ২ মেয়ে ছিলেন।</p>
<p>&lrm;&lrm;সরেজমিনে জানা যায়, মরিয়ম বাবার সংসারের অভাব দূর করতে গত কয়েক বছর আগে পাড়ি জমান চট্রগ্রামে এবং সেখানেই তিনি একটি গার্মেন্টসে পোশাক শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। গত ২৬ জুলাই ঈদুল আজহার ছুটিতে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তার পরিবার বাড়িতে রেখে চিকিৎসা শুরু করেন।  এবং চিকিৎসা চলাকালে ২৮ জুন ভোরে অর্থাৎ ঈদের দিন তিনি নিজেদের বসতঘরে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<p>এরপর ঈদের নামাজ শেষে বাড়ির সামনের মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে পুকুর পাড়ের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করেন স্বজনরা। এছাড়া দাফনের কয়েকদিন পেরিয়ে যাওয়ার পর কবরটি থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে বলে একটি গুজব ছড়িয়ে পড়ে,এরপর থেকেই আলোচনায় উঠে আসে তরুণীর কবরটি। প্রতিদিনই ভীর জমাতে শুরু করেন উৎসুক জনতা।</p>
<p>&lrm;&lrm;স্থানীয় পাঞ্জেখানা মসজিদের ইমাম আবুল কাশেম পরিবারের বরাতে জানান, আমি মরিয়মের জানাজা নামাজ পড়িয়েছি। সম্প্রতি স্বজনরা জানিয়েছিল মরিয়ম তার একমাত্র ভাই হাসান ও ছোট বোনকে স্বপ্নে জানিয়েছেন যে তিনি কবরের মধ্যে জীবিত আছে এবং তাকে জীবিত দাফন করা হয়েছে । বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় অন্যান্য আলেমদেরকে পরিবার অবহিত করলে তারা জানান যে,এটি অবাস্তব।</p>
<p>&lrm;অন্যদিকে কবর থেকে সুগন্ধি বের হওয়ার ব্যাপারে জানানোর পর তারা কবরটির উপরে পুনরায় মাটি দেওয়ার ফতোয়া দিলে স্বজনরা মাটি দেন।</p>
<p>&lrm;&lrm;আরও জানা গেছে, সর্বশেষ গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বজনরা সবকিছু উপেক্ষা করে প্রায় ৩-৪০০ মানুষের উপস্থিতিতে কবরটি খুঁড়েন এবং দেখেন কবরের ভেতরে থাকা মরিয়মের মরদেহটিতে পচন ধরেছে,পরে পুনরায় কবরটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া হয়।&lrm;</p>
<p>&lrm;ধারণা করা হচ্ছে,যেহেতু মরিয়ম তার সংসারের উপার্জনক্ষমদের মধ্যে একজন ছিলেন তাই তার স্বজনরা মরিয়মকে নিয়ে মৃত্যুর পর অতিরিক্ত চিন্তাভাবনার ফলেই ঘুমের মধ্যে এরকম স্বপ্ন দেখতে পারেন তারা।</p>
<p>&lrm;&lrm;প্রতিবেশী মো.লোকমান লাহারি বলেন,প্রায় ৬-৭ বছর ধরে চট্রগ্রামে গার্মেন্টসে কাজ করতো মরিয়ম। কুরবানির ঈদে বাড়িতে এসেছিল। যেহেতু তারা আমাদের প্রতিবেশী এবং পাশ্ববর্তী ঘর সে সুবাদে জানতে পেরেছি তিনি মারা যাওয়ার দুইদিন আগে অসুস্থ হয়ে পড়েন,পড়ে তাকে তার বাবা মা ডাক্তার দেখিয়েছিল। ঈদের দিন ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে হটাৎ মরিয়মের স্বজনদের কান্না শুনে তাদের ঘরে দিয়ে দেখি মরিয়ম অজ্ঞানের মতো অবস্থায় রয়েছে। এর কিছুক্ষন পর ফের কান্নার শব্দ শুনে গিয়ে দেখি মরিয়ম মারা গেছেন। পরে ঈদের দিন সকালে তাকে দাফন করা হয়েছে। &lrm;</p>
<p>&lrm;পুনরায় কবর খোঁড়ার কাজে সহযোগিতা করা স্থানীয় বাসিন্দা মো.কালু বলেন, মরিয়মের স্বজনরা তার কবর খুঁড়েছেন মূলত তিনি বেঁচে আছেন কিনা বিষয়টি দেখতে,আমিও তাদেরকে সহযোগিতা করেছি কবর খুঁড়তে। 'কবর খোঁড়ার পর স্বজনরা দেখেছেন সে মৃত অবস্থায় রয়েছে,কবর খোড়ার পর কবরের ভেতর থেকে কোনো সুগন্ধির ঘ্রাণ আমি পাইনি'। &lrm;</p>
<p>&lrm;এদিকে দাফনের ১৮ দিনের মাথায় কবর খোড়ার ঘটনাটি জানাজানির পর কবরটি দেখতে আসা বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা মমতাজ বেগম,মো.নাজিম,সোহাগ ও মিদুল ও হান্নান বলেন,আমরা শুনেছি সে নাকি কবরের মধ্যে জীবিত আছেন এবং তার কবর থেকে সুগন্ধির ঘ্রাণ বের হচ্ছে। এটা ভেবে তার স্বজনরা কবর খুড়েছে,বিষয়টি দেখতে কবরের কাছে এসে জানলাম সে কবরের মধ্যে জীবিত না এবং কবর থেকে সুগন্ধিও আসছে না। তবে আমাদের গ্রামে এরকম ঘটনা এর আগে ঘটেনি।</p>
<p>&lrm;&lrm;তার বাড়িতে যাওয়ার পর শোকাহত পরিবারের সদস্যরা  সরাসরি কথা বলতে রাজি না হলেও জানিয়েছেন, 'সন্দেহ দূর করার জন্য মরিয়মের কবর খোঁড়া হয়েছিল,এবং সন্দেহ দূর হয়েছে'।&lrm;</p>
<p>&lrm;এনিয়ে ভোলা সদর মডেল থানার ওসি মুহাম্মদ মনিরুল ইসলাম  বলেন,মরিয়মের স্বজনরা থানায় এসে জানিয়েছিল তার কবর থেকে সুগন্ধি বের হচ্ছে এবং তারা স্বপ্নে দেখেছেন সে কবরের মধ্যে জীবিত আছেন। আমি তাদেরকে বলেছি- যদি আপনারা কবর খুড়ে দেখতে চান তাহলে আদালতের অনুমতি নিতে হবে। আজকে কবর খোড়ার বিষয়টি আমি অবগত নই।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্সের চুক্তি</title>  
            <description>প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সম্প্রতি নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পণ্য ও সেবায় বিশেষ ছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের কাছ থেকে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবেন, যা তাদের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করার পাশাপাশি আবাসন ও রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত প্রয়োজন পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ম্যানেজিং ডিরেক্টর) রাহাত কামাল।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল ব্যাংকিং জোয়ার্দ্দার তানভীর  ফয়সাল; ইভিপি, সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী; নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের হেড অব কাস্টমার রিলেশন সুমন কুমার সাহা সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এই সহযোগিতা প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও উন্নত লাইফস্টাইল সেবা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও বেশি মূল্য সংযোজন ও আকর্ষণীয় সুবিধা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276154/Construction-Builders-and-Developers-Agreement-with-Prime-Bank</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276154/Construction-Builders-and-Developers-Agreement-with-Prime-Bank</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 17:12:02 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image_1.jpg" alt="প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্সের চুক্তি" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>প্রাইম ব্যাংক পিএলসি. সম্প্রতি নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এ চুক্তির আওতায় প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পণ্য ও সেবায় বিশেষ ছাড় ও আকর্ষণীয় সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। সম্প্রতি ঢাকার তেজগাঁও শিল্প এলাকায় অবস্থিত নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের কর্পোরেট কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</p>
<p>এই অংশীদারিত্বের ফলে প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকরা নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের কাছ থেকে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট সুবিধা পাবেন, যা তাদের ব্যাংকিং অভিজ্ঞতায় নতুন মাত্রা যোগ করার পাশাপাশি আবাসন ও রিয়েল এস্টেট সংক্রান্ত প্রয়োজন পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।</p>
<p>নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর এসইভিপি ও হেড অব ডিস্ট্রিবিউশন মামুর আহমেদ এবং নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ম্যানেজিং ডিরেক্টর) রাহাত কামাল।</p>
<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাইম ব্যাংক পিএলসি.-এর হেড অব কার্ডস অ্যান্ড রিটেইল ব্যাংকিং জোয়ার্দ্দার তানভীর  ফয়সাল; ইভিপি, সিকিউরড কনজ্যুমার ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড এমবেডেড পেমেন্টস তাকিয়ান চৌধুরী; নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের হেড অব কাস্টমার রিলেশন সুমন কুমার সাহা সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।</p>
<p>এই সহযোগিতা প্রাইম ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সুবিধা ও উন্নত লাইফস্টাইল সেবা নিশ্চিত করার ধারাবাহিক অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। একই সঙ্গে বিভিন্ন খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্র্যান্ডের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে গ্রাহকদের জন্য আরও বেশি মূল্য সংযোজন ও আকর্ষণীয় সুবিধা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>বাকৃবিতে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা, দেয়ালে ম্যারাডোনা-পেলের গ্রাফিতি</title>  
            <description>যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসেও। তবে শুধু বর্তমান সময়ের তারকা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র নন, ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি এঁকে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমনরুমের দেয়ালে ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছেন ভেটেরিনারি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক শান্ত। অন্যদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি এঁকেছেন পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ ফারাবি।
মেসি-নেইমারদের পাশাপাশি পেলে-ম্যারাডোনাকে কেন্দ্র করে আঁকা দেয়ালচিত্র দুটি বাকৃবির বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এনেছে ভিন্ন আমেজ। গ্রাফিতিগুলো দেখতে ও ছবি তুলতে প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলে ভিড় করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা।
পেলের গ্রাফিতি অঙ্কনকারী ব্রাজিল সমর্থক ফারাবি বলেন, 'আমার কাছে পেলে ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যাঁর হাতে তিনটি বিশ্বকাপের ট্রফি উঠেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, তা আজও অনন্য।'
প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গ্রাফিতি তৈরির সময় ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'পুরো কাজটি শেষ করতে আমার প্রায় তিন দিন ও তিন রাত লেগেছে। প্রথম দিন স্কেচ করতেই কেটে যায়। পরের দুই দিন রঙের কাজ করেছি। এখানে প্রায় ১৮ ধরনের রং ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাস শেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন আমার কাজ করতে হয়েছে।
এদিকে ম্যারাডোনার গ্রাফিতি অঙ্কনকারী আর্জেন্টিনা সমর্থক রেজওয়ানুল হক শান্ত বলেন, 'প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ এলে ক্যাম্পাসে একটা উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। সেই আনন্দকে আরও বাড়াতেই আমরা এই গ্রাফিতির উদ্যোগ নিই।'
শান্ত জানান, প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার ম্যারাডোনার গ্রাফিতিটি আঁকতে তার প্রায় দুই দিন সময় লেগেছে। এতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরাও তাকে সহযোগিতা করেছে। হলের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নেই গ্রাফিতিটির যাবতীয় খরচ বহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
শুধু শাহজালাল হলই নয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল, সোহরাওয়ার্দী হল ও ঈশা খাঁ হলের দেয়ালেও শিক্ষার্থীরা ফুটিয়ে তুলেছেন বিশ্বকাপের হরেক রঙ। তবে চলতি প্রজন্মের তারকাদের ভিড়ে পেলে ও ম্যারাডোনার এই গ্রাফিতি দুটি ক্যাম্পাসে এনেছে নস্টালজিক হাওয়া।
আঁকার পর থেকেই তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই দুই শিক্ষার্থী।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/sports/276153/Maradona-Pale-graffiti-on-the-wall-is-a-different-dimension-to-the-World-Cup-frenzy-in-Bakribi</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/sports/276153/Maradona-Pale-graffiti-on-the-wall-is-a-different-dimension-to-the-World-Cup-frenzy-in-Bakribi</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:58:15 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/file.jpg" alt="বাকৃবিতে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা, দেয়ালে ম্যারাডোনা-পেলের গ্রাফিতি" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে শুরু হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের ২৩তম আসর। প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অনুষ্ঠিত এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসেও। তবে শুধু বর্তমান সময়ের তারকা লিওনেল মেসি ও নেইমার জুনিয়র নন, ফুটবল ইতিহাসের দুই কিংবদন্তি পেলে ও ম্যারাডোনার গ্রাফিতি এঁকে বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন বাকৃবির শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলের কমনরুমের দেয়ালে ফুটবল কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার প্রতিকৃতি অঙ্কন করেছেন ভেটেরিনারি অনুষদের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক শান্ত। অন্যদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের প্রতিকৃতি এঁকেছেন পশুপালন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ ফারাবি।</p>
<p>মেসি-নেইমারদের পাশাপাশি পেলে-ম্যারাডোনাকে কেন্দ্র করে আঁকা দেয়ালচিত্র দুটি বাকৃবির বিশ্বকাপ উন্মাদনায় এনেছে ভিন্ন আমেজ। গ্রাফিতিগুলো দেখতে ও ছবি তুলতে প্রতিদিনই বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলে ভিড় করছেন বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীরা।</p>
<p>পেলের গ্রাফিতি অঙ্কনকারী ব্রাজিল সমর্থক ফারাবি বলেন, 'আমার কাছে পেলে ফুটবল ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ খেলোয়াড়। তিনিই একমাত্র ফুটবলার, যাঁর হাতে তিনটি বিশ্বকাপের ট্রফি উঠেছে। ১৯৫৮, ১৯৬২ ও ১৯৭০ বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য হিসেবে তিনি যে কীর্তি গড়েছেন, তা আজও অনন্য।'</p>
<p>প্রায় ১০ ফুট উচ্চতার গ্রাফিতি তৈরির সময় ও পরিশ্রমের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, 'পুরো কাজটি শেষ করতে আমার প্রায় তিন দিন ও তিন রাত লেগেছে। প্রথম দিন স্কেচ করতেই কেটে যায়। পরের দুই দিন রঙের কাজ করেছি। এখানে প্রায় ১৮ ধরনের রং ব্যবহার করা হয়েছে। ক্লাস শেষ করে বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন আমার কাজ করতে হয়েছে।</p>
<p>এদিকে ম্যারাডোনার গ্রাফিতি অঙ্কনকারী আর্জেন্টিনা সমর্থক রেজওয়ানুল হক শান্ত বলেন, 'প্রতি চার বছর পর পর বিশ্বকাপ এলে ক্যাম্পাসে একটা উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়। সেই আনন্দকে আরও বাড়াতেই আমরা এই গ্রাফিতির উদ্যোগ নিই।'</p>
<p>শান্ত জানান, প্রায় ১১ ফুট উচ্চতার ম্যারাডোনার গ্রাফিতিটি আঁকতে তার প্রায় দুই দিন সময় লেগেছে। এতে জুনিয়র শিক্ষার্থীরাও তাকে সহযোগিতা করেছে। হলের আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অর্থায়নেই গ্রাফিতিটির যাবতীয় খরচ বহন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
<p>শুধু শাহজালাল হলই নয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাওলানা ভাসানী হল, সোহরাওয়ার্দী হল ও ঈশা খাঁ হলের দেয়ালেও শিক্ষার্থীরা ফুটিয়ে তুলেছেন বিশ্বকাপের হরেক রঙ। তবে চলতি প্রজন্মের তারকাদের ভিড়ে পেলে ও ম্যারাডোনার এই গ্রাফিতি দুটি ক্যাম্পাসে এনেছে নস্টালজিক হাওয়া।</p>
<p>আঁকার পর থেকেই তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই দুই শিক্ষার্থী।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>মিসির আলির মনস্তাত্ত্বিক রহস্য এবার আমেরিকার মঞ্চে</title>  
            <description>জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী সৃষ্টি মিসির আলি সিরিজের বিখ্যাত রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক গল্প জ্বীন কফিল এবার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে দূর পরবাসে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে প্রবাসী বাঙালিদের নাটকের দল রঙ্গমঞ্চ এই বিশেষ নাটকটি মঞ্চে নিয়ে আসার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় ডালাসের একটি মঞ্চে দুই দিনব্যাপী এই নাটকটির প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ জুন সন্ধ্যা ৭টায় এবং দ্বিতীয় প্রদর্শনীটি হবে ২১ জুন সন্ধ্যা ৬টায়।
নির্দেশক ফরহাদ হোসেনের মতে, জ্বীন কফিল মূলত একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারধর্মী নাটক, যেখানে রহস্য, ভয়, মানসিক টানাপোড়েন এবং ফ্ল্যাশব্যাকের জটিল রসায়ন এক ভিন্নধর্মী ও গা ছমছমে আবহের সৃষ্টি করবে। নাটকের গল্পে দেখা যায়, গ্রামের এক সাধারণ নারী তাঁর জীবনের একটি অদ্ভুত ও রহস্যময় ঘটনাকে অলৌকিক জ্বীনের আসর বলে গভীরভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন। তবে এই অন্ধবিশ্বাসের পেছনে লুকিয়ে থাকা মনস্তাত্ত্বিক সত্য ও আসল রহস্য উদ্ঘাটন করতে যুক্তিবাদী চরিত্র মিসির আলি তাঁর অসাধারণ অনুসন্ধানী মন নিয়ে এগিয়ে আসেন।
হুমায়ূন আহমেদের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং তাঁর জটিল সৃষ্টিগুলোকে মঞ্চের রূপ দেওয়ার কৌতূহল থেকেই এই নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই গল্পের নাট্যরূপ দিতে গিয়ে অডিও-ভিডিও, লাইটিং এবং লাইভ অভিনয়ের মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। প্রথমে মনজুর চৌধুরী রাজীব গল্পটির খসড়া নাট্যরূপ তৈরি করেন; পরবর্তীতে দৃশ্যান্তর ও নাটকীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত চিত্রনাট্য তৈরি করেন ফরহাদ হোসেন। নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক জুয়েল রানার কাছ থেকে চিত্রনাট্য দেখিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে।
ডালাসের এই বিশেষ মঞ্চায়নে অংশ নিচ্ছেন ২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি নাট্যকর্মী ও অভিনয়শিল্পী। এছাড়া নাটকটির আবহ সংগীত পরিচালনা করছেন প্রখ্যাত সুরকার মকসুদ জামিল মিন্টু, যিনি পূর্বে হুমায়ূন আহমেদের একাধিক জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে পালন করেছেন। অনেক সমালোচক নাটকটি মঞ্চে উপস্থাপনের উপযোগী নয় বলে আশঙ্কা করলেও, রঙ্গমঞ্চ দলের সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম ও চমৎকার পরিকল্পনা অবশেষে এই গল্পকে দর্শকের সামনে নিয়ে আসছে, যা উত্তর আমেরিকার প্রবাসী দর্শকদের জন্য এক ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/culture/276152/Misir-Alis-psychological-mystery-is-now-on-the-American-stage</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/culture/276152/Misir-Alis-psychological-mystery-is-now-on-the-American-stage</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:37:30 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_3.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_3.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_3.jpg" alt="মিসির আলির মনস্তাত্ত্বিক রহস্য এবার আমেরিকার মঞ্চে" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের কালজয়ী সৃষ্টি মিসির আলি সিরিজের বিখ্যাত রহস্য ও মনস্তাত্ত্বিক গল্প &lsquo;জ্বীন কফিল&rsquo; এবার মঞ্চস্থ হতে যাচ্ছে দূর পরবাসে। যুক্তরাষ্ট্রের ডালাসে প্রবাসী বাঙালিদের নাটকের দল &lsquo;রঙ্গমঞ্চ&rsquo; এই বিশেষ নাটকটি মঞ্চে নিয়ে আসার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় ডালাসের একটি মঞ্চে দুই দিনব্যাপী এই নাটকটির প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। প্রথম প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ জুন সন্ধ্যা ৭টায় এবং দ্বিতীয় প্রদর্শনীটি হবে ২১ জুন সন্ধ্যা ৬টায়।</p>
<p>নির্দেশক ফরহাদ হোসেনের মতে, &lsquo;জ্বীন কফিল&rsquo; মূলত একটি গভীর মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারধর্মী নাটক, যেখানে রহস্য, ভয়, মানসিক টানাপোড়েন এবং ফ্ল্যাশব্যাকের জটিল রসায়ন এক ভিন্নধর্মী ও গা ছমছমে আবহের সৃষ্টি করবে। নাটকের গল্পে দেখা যায়, গ্রামের এক সাধারণ নারী তাঁর জীবনের একটি অদ্ভুত ও রহস্যময় ঘটনাকে অলৌকিক &lsquo;জ্বীনের আসর&rsquo; বলে গভীরভাবে বিশ্বাস করতে শুরু করেন। তবে এই অন্ধবিশ্বাসের পেছনে লুকিয়ে থাকা মনস্তাত্ত্বিক সত্য ও আসল রহস্য উদ্&zwnj;ঘাটন করতে যুক্তিবাদী চরিত্র মিসির আলি তাঁর অসাধারণ অনুসন্ধানী মন নিয়ে এগিয়ে আসেন।</p>
<p>হুমায়ূন আহমেদের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং তাঁর জটিল সৃষ্টিগুলোকে মঞ্চের রূপ দেওয়ার কৌতূহল থেকেই এই নাটকের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এই গল্পের নাট্যরূপ দিতে গিয়ে অডিও-ভিডিও, লাইটিং এবং লাইভ অভিনয়ের মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। প্রথমে মনজুর চৌধুরী রাজীব গল্পটির খসড়া নাট্যরূপ তৈরি করেন; পরবর্তীতে দৃশ্যান্তর ও নাটকীয় পরিবর্তনের মাধ্যমে চূড়ান্ত চিত্রনাট্য তৈরি করেন ফরহাদ হোসেন। নাটকটি মঞ্চস্থ করার জন্য হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওন এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক জুয়েল রানার কাছ থেকে চিত্রনাট্য দেখিয়ে আনুষ্ঠানিক অনুমতি নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>ডালাসের এই বিশেষ মঞ্চায়নে অংশ নিচ্ছেন ২৪ জন প্রবাসী বাংলাদেশি নাট্যকর্মী ও অভিনয়শিল্পী। এছাড়া নাটকটির আবহ সংগীত পরিচালনা করছেন প্রখ্যাত সুরকার মকসুদ জামিল মিন্টু, যিনি পূর্বে হুমায়ূন আহমেদের একাধিক জনপ্রিয় নাটক ও চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনার দায়িত্ব অত্যন্ত সফলভাবে পালন করেছেন। অনেক সমালোচক নাটকটি মঞ্চে উপস্থাপনের উপযোগী নয় বলে আশঙ্কা করলেও, রঙ্গমঞ্চ দলের সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম ও চমৎকার পরিকল্পনা অবশেষে এই গল্পকে দর্শকের সামনে নিয়ে আসছে, যা উত্তর আমেরিকার প্রবাসী দর্শকদের জন্য এক ব্যতিক্রমী সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা উপহার দেবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>ফের ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার</title>  
            <description>সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে হোঁচট খাওয়ার পর চতুর্থ দিন বুধবার (১৭ জুন) পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এদিন অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি প্রধান সব মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণেও উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে এর বিপরীত চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), যেখানে লেনদেন বাড়লেও মূল্যসূচকের পতন হয়েছে।
বুধবার লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইতে ক্রেতাদের সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। দিন শেষে বাজারটিতে ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যেখানে কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৪টির দর। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৭ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত বড় কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই-৩০ ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
লেনদেনের গতিতেও বুধবার ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ২১১ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে সামিট এলায়েন্স পোর্ট, যার প্রায় ৯৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স। শেয়ার দরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এদিন ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন বা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর চেয়ে লভ্যাংশ না দেওয়া জেড গ্রুপের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি ছিল। এই গ্রুপের ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, বিপরীতে ভালো মানের ৯৪টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। তবে ডিএসইর মতো এখানেও দাম বাড়ার তালিকায় আধিপত্য ছিল বেশি প্রতিষ্ঠানের; ১১১টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে এবং কমেছে ৯৩টির। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী দিনের ৩০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার তুলনায় কিছুটা বেশি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইতে সূচকের এই প্রত্যাবর্তন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও ভালো মানের কোম্পানিগুলোর দরপতন দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276151/The-stock-market-is-on-the-rise-again</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276151/The-stock-market-is-on-the-rise-again</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:37:09 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-05-17T172215.817.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-05-17T172215.817.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-05-17T172215.817.jpg" alt="ফের ঊর্ধ্বমুখী শেয়ারবাজার" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে হোঁচট খাওয়ার পর চতুর্থ দিন বুধবার (১৭ জুন) পুনরায় ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এদিন অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বাড়ার পাশাপাশি প্রধান সব মূল্যসূচক ও লেনদেনের পরিমাণেও উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে এর বিপরীত চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই), যেখানে লেনদেন বাড়লেও মূল্যসূচকের পতন হয়েছে।</p>
<p>বুধবার লেনদেনের শুরু থেকেই ডিএসইতে ক্রেতাদের সক্রিয়তা ছিল চোখে পড়ার মতো, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। দিন শেষে বাজারটিতে ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে, যেখানে কমেছে ১৫৮টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৪টির দর। ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের চেয়ে ১৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৫ হাজার ৬২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। পাশাপাশি শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৭ পয়েন্ট এবং বাছাইকৃত বড় কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএসই-৩০ ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।</p>
<p>লেনদেনের গতিতেও বুধবার ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়েছে। ডিএসইতে মোট ১ হাজার ২১১ কোটি ২৯ লাখ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা বেশি। লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে সামিট এলায়েন্স পোর্ট, যার প্রায় ৯৯ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। তালিকায় পরবর্তী অবস্থানে ছিল বেক্সিমকো ফার্মা ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স। শেয়ার দরের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এদিন ভালো মৌলভিত্তিসম্পন্ন বা ১০ শতাংশের বেশি লভ্যাংশ দেওয়া কোম্পানিগুলোর চেয়ে লভ্যাংশ না দেওয়া &lsquo;জেড&rsquo; গ্রুপের কোম্পানিগুলোর প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি ছিল। এই গ্রুপের ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে, বিপরীতে ভালো মানের ৯৪টি কোম্পানির দরপতন হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ২২ পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে। তবে ডিএসইর মতো এখানেও দাম বাড়ার তালিকায় আধিপত্য ছিল বেশি প্রতিষ্ঠানের; ১১১টি প্রতিষ্ঠানের দর বেড়েছে এবং কমেছে ৯৩টির। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী দিনের ৩০ কোটি ৯৭ লাখ টাকার তুলনায় কিছুটা বেশি। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, ডিএসইতে সূচকের এই প্রত্যাবর্তন বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরিয়ে আনলেও ভালো মানের কোম্পানিগুলোর দরপতন দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর নতুন সিনেমায় অ্যানিয়া টেলর</title>  
            <description>হলিউডের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজি লর্ড অব দ্য রিংস (Lord of the Rings)-এর ভক্তদের জন্য নতুন এক সুখবর এসেছে। নির্মাণাধীন এই সিরিজের নতুন সিনেমা লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য হান্ট ফর গলাম-এ যুক্ত হয়েছেন দ্য কুইনস গ্যাম্বিট, ডিউন: পার্ট টু এবং ফিউরিওসা খ্যাত তারকা অভিনেত্রী অ্যানিয়া টেলর-জয়। হলিউড রিপোর্টার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে যে, কেট উইন্সলেট, জেমি ডর্নান এবং লিও উডঅলের মতো প্রথম সারির তারকাদের পর এবার মিডল-আর্থে (Middle-earth) পা রাখলেন এই বৈচিত্র্যময় অভিনেত্রী।
সিনেমাটিতে অ্যানিয়া টেলর-জয় মিডল-আর্থের রহস্যময় ও সুপরিচিত রাজ্য উডল্যান্ড রিয়েলমের এক অনন্য চরিত্রে অভিনয় করবেন। উডল্যান্ডের অভিজাত বংশ সিন্ডার এলফ-এর অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য সেরেন-এর চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এই সেরেন চরিত্রটি মূলত উডল্যান্ডের রাজা থ্রান্ডুইলের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত এজেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে। লর্ড অব দ্য রিংস ও দ্য হবিট সিরিজের দর্শকেরা জানেন, রাজা থ্রান্ডুইল হলেন বিখ্যাত এলফ যোদ্ধা লেগোলাসের পিতা। ফলে এই সিনেমায় সেরেন চরিত্রে অ্যানিয়া টেলর-জয় যে কাহিনীর মোড় ঘুরিয়ে দিতে একটি বড় ভূমিকা রাখতে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য।
লর্ড অব দ্য রিংস ট্রিলজির আগের তিনটি কালজয়ী সিনেমা পিটার জ্যাকসন পরিচালনা করলেও, নতুন সিনেমায় পরিচালকের আসনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন সিনেমা দ্য হান্ট ফর গলাম পরিচালনা করছেন অ্যান্ডি সার্কিস, যিনি আগের চলচ্চিত্রগুলোতে আইকনিক চরিত্র গলাম-এর ভূমিকায় অভিনয় ও কণ্ঠ দিয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। নতুন এই পর্বেও তাঁকে আবারও গলামের ভূমিকায় দেখা যাবে। অন্যদিকে, পিটার জ্যাকসন এবার পরিচালকের আসনে না থাকলেও থাকছেন সিনেমার মূল প্রযোজক হিসেবে। তাঁর সঙ্গে চিত্রনাট্য ও প্রযোজনার কাজ সামলাবেন তাঁর দীর্ঘদিনের দুই বিশ্বস্ত সহকর্মী ফ্র্যান ওয়ালশ ও ফিলিপা বয়েন্স, যাঁরা মূল ট্রিলজির চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন।
ওয়ার্নার ব্রোসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দ্য হান্ট ফর গলাম সিনেমার মূল গল্প আবর্তিত হবে গলামের জীবন ও তাঁকে খুঁজে বের করার রোমাঞ্চকর অভিযানকে কেন্দ্র করে। বিশেষ করে দ্য ফেলোশিপ অব দ্য রিং উপন্যাসের মূল কাহিনীর আগের কিছু অনাবিষ্কৃত অধ্যায় এবার বড় পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হবে। ফ্যান্টাসি বিশ্বের সৌরন, ফ্রোডো ব্যাগিন্স ও মর্ডরের জাদুকরি আংটি ধ্বংসের মহাকাব্যিক লড়াইয়ের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সিনেমাটি ২০২৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/culture/276150/Anya-Taylor-in-the-new-Lord-of-the-Rings-movie</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/culture/276150/Anya-Taylor-in-the-new-Lord-of-the-Rings-movie</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:33:23 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_2.jpg" alt="‘লর্ড অব দ্য রিংস’-এর নতুন সিনেমায় অ্যানিয়া টেলর" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>হলিউডের জনপ্রিয় ফ্যান্টাসি ফ্র্যাঞ্চাইজি &lsquo;লর্ড অব দ্য রিংস&rsquo; (Lord of the Rings)-এর ভক্তদের জন্য নতুন এক সুখবর এসেছে। নির্মাণাধীন এই সিরিজের নতুন সিনেমা &lsquo;লর্ড অব দ্য রিংস: দ্য হান্ট ফর গলাম&rsquo;-এ যুক্ত হয়েছেন &lsquo;দ্য কুইনস গ্যাম্বিট&rsquo;, &lsquo;ডিউন: পার্ট টু&rsquo; এবং &lsquo;ফিউরিওসা&rsquo; খ্যাত তারকা অভিনেত্রী অ্যানিয়া টেলর-জয়। হলিউড রিপোর্টার এক প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে যে, কেট উইন্সলেট, জেমি ডর্নান এবং লিও উডঅলের মতো প্রথম সারির তারকাদের পর এবার মিডল-আর্থে (Middle-earth) পা রাখলেন এই বৈচিত্র্যময় অভিনেত্রী।</p>
<p>সিনেমাটিতে অ্যানিয়া টেলর-জয় মিডল-আর্থের রহস্যময় ও সুপরিচিত রাজ্য উডল্যান্ড রিয়েলমের এক অনন্য চরিত্রে অভিনয় করবেন। উডল্যান্ডের অভিজাত বংশ &lsquo;সিন্ডার এলফ&rsquo;-এর অত্যন্ত প্রভাবশালী সদস্য &lsquo;সেরেন&rsquo;-এর চরিত্রে দেখা যাবে তাঁকে। এই সেরেন চরিত্রটি মূলত উডল্যান্ডের রাজা থ্রান্ডুইলের অন্যতম প্রধান ও বিশ্বস্ত এজেন্ট হিসেবে কাজ করে থাকে। &lsquo;লর্ড অব দ্য রিংস&rsquo; ও &lsquo;দ্য হবিট&rsquo; সিরিজের দর্শকেরা জানেন, রাজা থ্রান্ডুইল হলেন বিখ্যাত এলফ যোদ্ধা লেগোলাসের পিতা। ফলে এই সিনেমায় সেরেন চরিত্রে অ্যানিয়া টেলর-জয় যে কাহিনীর মোড় ঘুরিয়ে দিতে একটি বড় ভূমিকা রাখতে চলেছেন, তা বলাই বাহুল্য।</p>
<p>লর্ড অব দ্য রিংস ট্রিলজির আগের তিনটি কালজয়ী সিনেমা পিটার জ্যাকসন পরিচালনা করলেও, নতুন সিনেমায় পরিচালকের আসনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। নতুন সিনেমা &lsquo;দ্য হান্ট ফর গলাম&rsquo; পরিচালনা করছেন অ্যান্ডি সার্কিস, যিনি আগের চলচ্চিত্রগুলোতে আইকনিক চরিত্র &lsquo;গলাম&rsquo;-এর ভূমিকায় অভিনয় ও কণ্ঠ দিয়ে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। নতুন এই পর্বেও তাঁকে আবারও গলামের ভূমিকায় দেখা যাবে। অন্যদিকে, পিটার জ্যাকসন এবার পরিচালকের আসনে না থাকলেও থাকছেন সিনেমার মূল প্রযোজক হিসেবে। তাঁর সঙ্গে চিত্রনাট্য ও প্রযোজনার কাজ সামলাবেন তাঁর দীর্ঘদিনের দুই বিশ্বস্ত সহকর্মী ফ্র্যান ওয়ালশ ও ফিলিপা বয়েন্স, যাঁরা মূল ট্রিলজির চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন।</p>
<p>ওয়ার্নার ব্রোসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, &lsquo;দ্য হান্ট ফর গলাম&rsquo; সিনেমার মূল গল্প আবর্তিত হবে গলামের জীবন ও তাঁকে খুঁজে বের করার রোমাঞ্চকর অভিযানকে কেন্দ্র করে। বিশেষ করে &lsquo;দ্য ফেলোশিপ অব দ্য রিং&rsquo; উপন্যাসের মূল কাহিনীর আগের কিছু অনাবিষ্কৃত অধ্যায় এবার বড় পর্দায় ফুটিয়ে তোলা হবে। ফ্যান্টাসি বিশ্বের সৌরন, ফ্রোডো ব্যাগিন্স ও মর্ডরের জাদুকরি আংটি ধ্বংসের মহাকাব্যিক লড়াইয়ের অংশ হিসেবে নির্মিত এই সিনেমাটি ২০২৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ তৈরি করছে খুলনা শিপইয়ার্ড</title>  
            <description>দেশে প্রথমবারের মতো তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ স্মল রিচার্জ ভেসেল। এটি সমুদ্রের গভীরতা নিরূপণ, সমুদ্রতলের মানচিত্রায়ন, বৈজ্ঞানিক জরিপ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে।
এ ছাড়া তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, মেরিন স্যাম্পল কালেকশন, হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে, মৎস্য ও পরিবেশ গবেষণায় নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড এই সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ তৈরি করছে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম কিল লেয়িং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাহাজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।
এ সময় মন্ত্রী বলেন, স্মল রিসার্চ ভেসেল সমুদ্রে খনিজসম্পদ, মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও সুনীল অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, সমুদ্রের মধ্যে খনিজসম্পদ, মৎস্যসম্পদ সুনীল অর্থনীতি ভূমিকা পালন করবেন এই জাহাজের গবেষণায়।  এমন সব উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে এই দেশে নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত হবে।
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ও বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এর মধ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির চুক্তির আওতায় ১টি স্মল রিসার্চ ভেসেল ফর স্যাম্পল কালেকশন, ১টি সেলফ সাসটেইন্ড পন্টুন, ২টি হাইস্পিড কেবিন বোট ও ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট জেটি ও গ্যাংওয়ে নির্মাণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী, খুলনা শিপইয়ার্ড ও ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276149/Khulna-Shipyard-is-building-international-standard-marine-research-vessels</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276149/Khulna-Shipyard-is-building-international-standard-marine-research-vessels</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:29:07 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/__.jpg" alt="আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ তৈরি করছে খুলনা শিপইয়ার্ড" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>দেশে প্রথমবারের মতো তৈরি হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ স্মল রিচার্জ ভেসেল। এটি সমুদ্রের গভীরতা নিরূপণ, সমুদ্রতলের মানচিত্রায়ন, বৈজ্ঞানিক জরিপ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে।</p>
<p>এ ছাড়া তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, মেরিন স্যাম্পল কালেকশন, হাইড্রোগ্রাফিক সার্ভে, মৎস্য ও পরিবেশ গবেষণায় নিয়োজিত থাকবে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড এই সামুদ্রিক গবেষণা জাহাজ তৈরি করছে।</p>
<p>মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম কিল লেয়িং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাহাজ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন।</p>
<p>এ সময় মন্ত্রী বলেন, &lsquo;স্মল রিসার্চ ভেসেল সমুদ্রে খনিজসম্পদ, মৎস্যসম্পদ গবেষণা ও সুনীল অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে।&rsquo;</p>
<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;সমুদ্রের মধ্যে খনিজসম্পদ, মৎস্যসম্পদ সুনীল অর্থনীতি ভূমিকা পালন করবেন এই জাহাজের গবেষণায়।  এমন সব উদ্ভাবনের মধ্য দিয়ে এই দেশে নতুন দিগন্তের দ্বার উন্মোচিত হবে।&rsquo;</p>
<p>খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ও বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এর মধ্যে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতির চুক্তির আওতায় ১টি স্মল রিসার্চ ভেসেল ফর স্যাম্পল কালেকশন, ১টি সেলফ সাসটেইন্ড পন্টুন, ২টি হাইস্পিড কেবিন বোট ও ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট জেটি ও গ্যাংওয়ে নির্মাণ করা হবে।</p>
<p>অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী, খুলনা শিপইয়ার্ড ও ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>১৯ জুন থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’</title>  
            <description>বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতি সাধারণ দর্শকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতে স্টার সিনেপ্লেক্স আয়োজন করতে যাচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসব সামার বাংলা হিট ফেস্ট। আগামী ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত স্টার সিনেপ্লেক্সের দেশজুড়ে থাকা সকল শাখায় এই উৎসব একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের অংশ হিসেবে দর্শকদের জন্য বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হবে সাম্প্রতিক সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সাড়া জাগানো চারটি বাংলা চলচ্চিত্রবরবাদ, তান্ডব, উৎসব ও বনলতা এক্সপ্রেস।
প্রদর্শিতব্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত বরবাদ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শীর্ষ তারকা শাকিব খান ও কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল। অন্যদিকে, রায়হান রাফি পরিচালিত বিগ-বাজেট অ্যাকশন চলচ্চিত্র তান্ডব-এ শাকিব খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, আফরান নিশো, সাবিলা নূর এবং সিয়াম আহমেদের মতো একঝাঁক তারকা। এই দুই ছবি বড় পর্দায় দর্শকদের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উৎসবের বাকি দুটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা তানিম নূর। এর মধ্যে উৎসব সিনেমায় দেশের একঝাঁক প্রতিভাবান তারকাজাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, Azad আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্য জ্যোতি ও সাদিয়া আয়মান অভিনয় করেছেন। এছাড়া প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের বিখ্যাত উপন্যাস কিছুক্ষণ অবলম্বনে নির্মিত আরেকটি চলচ্চিত্র বনলতা এক্সপ্রেস-এ অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, শরীফুল রাজ, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন ও সাবিলা নূর।
বাংলা সিনেমার প্রতি দর্শকদের এই ইতিবাচক জোয়ার নিয়ে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়াপ্রধান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু বাংলা চলচ্চিত্র অভূতপূর্ব ব্যবসায়িক ও বৈষয়িক সাফল্য পেয়েছে, যার ফলে এখন অনেকেই পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে আসছেন। এটি আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অনেক বড় আশার আলো। দর্শকদের এই ভালোবাসাকে সম্মান জানাতেই মূলত আমরা এই উৎসবের পরিকল্পনা করেছি। স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা সিটি, সীমান্ত সম্ভার, এসকেএস টাওয়ারসহ দেশের সকল শাখায় এই সিনেমাগুলো উপভোগ করা যাবে, যার অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টার ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/culture/276148/Summer-Bangla-Hit-Fest-at-Star-Cineplex-from-June-19</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/culture/276148/Summer-Bangla-Hit-Fest-at-Star-Cineplex-from-June-19</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:25:18 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Copy_of_Portal_Image.jpg" alt="১৯ জুন থেকে স্টার সিনেপ্লেক্সে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বাংলা চলচ্চিত্রের প্রতি সাধারণ দর্শকদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহ ও ভালোবাসাকে সম্মান জানাতে স্টার সিনেপ্লেক্স আয়োজন করতে যাচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসব &lsquo;সামার বাংলা হিট ফেস্ট&rsquo;। আগামী ১৯ জুন থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত স্টার সিনেপ্লেক্সের দেশজুড়ে থাকা সকল শাখায় এই উৎসব একযোগে অনুষ্ঠিত হবে। উৎসবের অংশ হিসেবে দর্শকদের জন্য বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হবে সাম্প্রতিক সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সাড়া জাগানো চারটি বাংলা চলচ্চিত্র&mdash;&lsquo;বরবাদ&rsquo;, &lsquo;তান্ডব&rsquo;, &lsquo;উৎসব&rsquo; ও &lsquo;বনলতা এক্সপ্রেস&rsquo;।</p>
<p>প্রদর্শিতব্য চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে নির্মাতা মেহেদী হাসান হৃদয় পরিচালিত &lsquo;বরবাদ&rsquo; সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শীর্ষ তারকা শাকিব খান ও কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল। অন্যদিকে, রায়হান রাফি পরিচালিত বিগ-বাজেট অ্যাকশন চলচ্চিত্র &lsquo;তান্ডব&rsquo;-এ শাকিব খানের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন জয়া আহসান, আফরান নিশো, সাবিলা নূর এবং সিয়াম আহমেদের মতো একঝাঁক তারকা। এই দুই ছবি বড় পর্দায় দর্শকদের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p>উৎসবের বাকি দুটি চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা তানিম নূর। এর মধ্যে &lsquo;উৎসব&rsquo; সিনেমায় দেশের একঝাঁক প্রতিভাবান তারকা&mdash;জাহিদ হাসান, চঞ্চল চৌধুরী, জয়া আহসান, অপি করিম, আফসানা মিমি, তারিক আনাম খান, Azad আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সুনেরাহ বিনতে কামাল, সৌম্য জ্যোতি ও সাদিয়া আয়মান অভিনয় করেছেন। এছাড়া প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের বিখ্যাত উপন্যাস &lsquo;কিছুক্ষণ&rsquo; অবলম্বনে নির্মিত আরেকটি চলচ্চিত্র &lsquo;বনলতা এক্সপ্রেস&rsquo;-এ অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিম, শরীফুল রাজ, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন ও সাবিলা নূর।</p>
<p>বাংলা সিনেমার প্রতি দর্শকদের এই ইতিবাচক জোয়ার নিয়ে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়াপ্রধান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, &ldquo;আমাদের দেশীয় চলচ্চিত্রের প্রতি দর্শকদের আগ্রহ দিন দিন অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে বেড়ে চলেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বেশ কিছু বাংলা চলচ্চিত্র অভূতপূর্ব ব্যবসায়িক ও বৈষয়িক সাফল্য পেয়েছে, যার ফলে এখন অনেকেই পরিবার নিয়ে সিনেমা হলে আসছেন। এটি আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য অনেক বড় আশার আলো। দর্শকদের এই ভালোবাসাকে সম্মান জানাতেই মূলত আমরা এই উৎসবের পরিকল্পনা করেছি।&rdquo; স্টার সিনেপ্লেক্সের বসুন্ধরা সিটি, সীমান্ত সম্ভার, এসকেএস টাওয়ারসহ দেশের সকল শাখায় এই সিনেমাগুলো উপভোগ করা যাবে, যার অগ্রিম টিকিট পাওয়া যাচ্ছে কাউন্টার ও অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>‘কল্কি’র দ্বিতীয় কিস্তি, শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে আলিয়া ভাট</title>  
            <description>২০২৪ সালে মুক্তি পেয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বা সায়েন্স ফিকশন ঘরানার চলচ্চিত্র কল্কি ২৮৯৮ এডির সিক্যুয়াল নিয়ে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে বলিউডে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় কিস্তিতে সুমতি চরিত্রের প্রধান অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের থাকা না থাকা নিয়ে বড় ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা শুটিং করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় কিস্তি থেকে বাদ পড়েছেন এই তারকা অভিনেত্রী এবং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দীপিকার না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। এই বড় পরিবর্তনের পরেই ছবিটির কাস্টিংয়ে আলিয়া ভাট ও সাই পল্লবীর মতো তারকাদের যুক্ত হওয়ার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।
দীপিকা পাড়ুকোনের বিদায়ের পর থেকেই নতুন চরিত্র হিসেবে আলিয়া ভাটের নাম আলোচনায় এসেছে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের দাবি, হায়দরাবাদে চলমান কল্কির শুটিংয়ের কিছু বিশেষ অংশে ইতিমধ্যেই অংশ নিয়েছেন আলিয়া। তবে তিনি দীপিকার অভিনীত সুমতি চরিত্রের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন না; বরং গল্পের ধারাবাহিকতায় সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলবেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আলিয়া ভাট কিংবা সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এই খবরটি সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
অন্যদিকে, দীপিকার ফেলে যাওয়া সুমতি চরিত্রটিতে দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবীর অভিনয় করার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সুমতির জটিল ও আবেগঘন চরিত্রটির জন্য নির্মাতারা সাই পল্লবীকেই সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করছেন, যদিও এই তথ্যটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রথম কিস্তির মতো সিক্যুয়ালেও মূল চরিত্রে ফিরছেন মেগাস্টার প্রভাস, অমিতাভ বচ্চন এবং কমল হাসান। ইতিমধ্যে তাঁদের অংশের বেশ কয়েকটি শুটিং সূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
কল্কির সিক্যুয়ালে অভিনয়ের এই গুঞ্জনের পাশাপাশি আলিয়া ভাট বর্তমানে তাঁর আসন্ন স্পাই-অ্যাকশন ঘরানার চলচ্চিত্র আলফার কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া আলফা সিনেমার প্রথম ঝলক নিয়ে দর্শকদের মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, বলিউডের অনেক তারকা ও সমালোচক আলিয়ার নতুন এই অ্যাকশন অবতারের প্রশংসা করেছেন। এখন দেখার বিষয়, আলিয়া ও সাই পল্লবীকে নিয়ে কল্কির নতুন সিক্যুয়ালটি বড় পর্দায় কতটা সফলতার মুখ দেখে এবং দীপিকার অনুপস্থিতি ছবিটির ওপর কেমন প্রভাব ফেলে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/culture/276147/Alia-Bhatt-is-rumored-to-participate-in-the-shooting-of-the-second-installment-of-Kalki</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/culture/276147/Alia-Bhatt-is-rumored-to-participate-in-the-shooting-of-the-second-installment-of-Kalki</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:06:38 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1_1.jpg" alt="‘কল্কি’র দ্বিতীয় কিস্তি, শুটিংয়ে অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে আলিয়া ভাট" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>২০২৪ সালে মুক্তি পেয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করা বিজ্ঞান কল্পকাহিনি বা সায়েন্স ফিকশন ঘরানার চলচ্চিত্র &lsquo;কল্কি ২৮৯৮ এডি&rsquo;র সিক্যুয়াল নিয়ে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে বলিউডে। এই ফ্র্যাঞ্চাইজির দ্বিতীয় কিস্তিতে সুমতি চরিত্রের প্রধান অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোনের থাকা না থাকা নিয়ে বড় ধরনের জল্পনা তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, দিনে মাত্র ৮ ঘণ্টা শুটিং করার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দ্বিতীয় কিস্তি থেকে বাদ পড়েছেন এই তারকা অভিনেত্রী এবং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানও ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দীপিকার না থাকার বিষয়টি স্পষ্ট করেছে। এই বড় পরিবর্তনের পরেই ছবিটির কাস্টিংয়ে আলিয়া ভাট ও সাই পল্লবীর মতো তারকাদের যুক্ত হওয়ার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।</p>
<p>দীপিকা পাড়ুকোনের বিদায়ের পর থেকেই নতুন চরিত্র হিসেবে আলিয়া ভাটের নাম আলোচনায় এসেছে। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের দাবি, হায়দরাবাদে চলমান &lsquo;কল্কি&rsquo;র শুটিংয়ের কিছু বিশেষ অংশে ইতিমধ্যেই অংশ নিয়েছেন আলিয়া। তবে তিনি দীপিকার অভিনীত সুমতি চরিত্রের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন না; বরং গল্পের ধারাবাহিকতায় সম্পূর্ণ নতুন ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্র ফুটিয়ে তুলবেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আলিয়া ভাট কিংবা সিনেমার পরিচালক ও প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। এই খবরটি সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।</p>
<p>অন্যদিকে, দীপিকার ফেলে যাওয়া সুমতি চরিত্রটিতে দক্ষিণি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবীর অভিনয় করার জোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। কয়েকটি ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সুমতির জটিল ও আবেগঘন চরিত্রটির জন্য নির্মাতারা সাই পল্লবীকেই সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করছেন, যদিও এই তথ্যটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রথম কিস্তির মতো সিক্যুয়ালেও মূল চরিত্রে ফিরছেন মেগাস্টার প্রভাস, অমিতাভ বচ্চন এবং কমল হাসান। ইতিমধ্যে তাঁদের অংশের বেশ কয়েকটি শুটিং সূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
<p>&lsquo;কল্কি&rsquo;র সিক্যুয়ালে অভিনয়ের এই গুঞ্জনের পাশাপাশি আলিয়া ভাট বর্তমানে তাঁর আসন্ন স্পাই-অ্যাকশন ঘরানার চলচ্চিত্র &lsquo;আলফা&rsquo;র কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া &lsquo;আলফা&rsquo; সিনেমার প্রথম ঝলক নিয়ে দর্শকদের মনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও, বলিউডের অনেক তারকা ও সমালোচক আলিয়ার নতুন এই অ্যাকশন অবতারের প্রশংসা করেছেন। এখন দেখার বিষয়, আলিয়া ও সাই পল্লবীকে নিয়ে &lsquo;কল্কি&rsquo;র নতুন সিক্যুয়ালটি বড় পর্দায় কতটা সফলতার মুখ দেখে এবং দীপিকার অনুপস্থিতি ছবিটির ওপর কেমন প্রভাব ফেলে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় অ্যানিমেটেড ক্ল্যাসিক ‘শ্রেক ৫’</title>  
            <description>বিশ্বজুড়ে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী ফ্র্যাঞ্চাইজি শ্রেক-এর নতুন কিস্তির প্রথম ঝলক প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন সিনেমা শ্রেক ৫-এর প্রথম অফিসিয়াল টিজার ট্রেলারটি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম শ্রেক সিনেমার পর থেকেই তৈরি হওয়া এর সুবিশাল ভক্তকুলকে আবারও মাতাতে আসছে শ্রেক, ফিওনা আর ডাঙ্কি (গাধা)। ২০২৭ সালের ৩০ জুন বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি।
প্রকাশিত টিজারটি ভক্তদের মনে বেশ কিছু নতুন রহস্য ও কৌতূহল তৈরি করেছে। এবারের গল্পে সবুজ দানব শ্রেক এবং তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী ডাঙ্কিকে একটি বিশাল শহরে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে দেখা যাবে। টিজারের একটি অংশে শ্রেক, ফিওনা, ডাঙ্কি এবং তাদের দুই ছেলে ফার্গাস ও ফার্কলকে কারাগারে বন্দি অবস্থায় দেখা যায়। তাঁরা কীভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়লেন, তা নিয়ে গল্পে এক বড় রহস্যের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই টিজারে শ্রেক-ফিওনার মেয়ে ফেলিসিয়াকে সরাসরি দেখা না গেলেও, জানা গেছে চরিত্রটিতে কণ্ঠ দিচ্ছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেন্দায়া।
বরাবরের মতোই নতুন এই ট্রেলারেও রয়েছে ভরপুর কমেডি ও মজাদার কৌতুকের ছোঁয়া। একটি দৃশ্যে ডাঙ্কি চরিত্রটিকে কাজে ফেরার জন্য এতটাই উত্তেজিত দেখা যায় যে, সে সম্পূর্ণ নতুন রূপে নিজেকে সাজানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে। এছাড়া মুখে কেক মাখা অবস্থায় জিঞ্জার ব্রেডম্যান চরিত্রটিকেও এক পলক পর্দায় দেখা যায়। সিনেমার মূল চরিত্রগুলোতে কণ্ঠ দিতে আবারও ফিরে এসেছেন পুরোনো ও সুপরিচিত অভিনেতারাই। শ্রেক চরিত্রে কানাডীয় অভিনেতা মাইক মায়ার্স, ডাঙ্কি চরিত্রে এডি মারফি এবং ফিওনা চরিত্রে থাকছেন বিখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী ক্যামেরন ডিয়াজ।
এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে দীর্ঘদিনের স্মৃতির কথা মনে করে ডাঙ্কি চরিত্রে কণ্ঠ দেওয়া বিখ্যাত অভিনেতা এডি মারফি দ্য হলিউড রিপোর্টার-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমি সবসময়ই বলে এসেছি যে আমি শ্রেক আজীবন করতে রাজি আছি। ডাঙ্কি চরিত্রটি করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ। ভয়েস ওভার বা কণ্ঠ দেওয়ার পেছনের পরিশ্রম নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, শ্রেক-এর রেকর্ডিং সেশনের পর অনেক সময় মাথা ধরে যায়, কারণ গাধা চরিত্রটিকে অনেক গান গাইতে হয় এবং একই কাজ বারবার করতে হয়। তবে সবচেয়ে ভালো দিক হলো, দর্শকেরা যখন সিনেমাটা পছন্দ করেন, তখন সব পরিশ্রমকে সার্থক বলে মনে হয়। মূলত মূল সিরিজের ৪টি সিনেমা এবং পুস ইন বুটস নামের দুইটি স্পিন-অফ চলচ্চিত্রের বিশাল বাণিজ্যিক সফলতার পর নতুন এই সিক্যুয়েলটি দর্শকদের জন্য নতুন বিনোদন নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/culture/276146/After-a-long-hiatus-the-animated-classic-Shrek-5-is-back-on-the-big-screen</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/culture/276146/After-a-long-hiatus-the-animated-classic-Shrek-5-is-back-on-the-big-screen</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 16:01:38 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_1.jpg" alt="দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বড় পর্দায় অ্যানিমেটেড ক্ল্যাসিক ‘শ্রেক ৫’" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বিশ্বজুড়ে অ্যানিমেশন চলচ্চিত্রের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী ফ্র্যাঞ্চাইজি &lsquo;শ্রেক&rsquo;-এর নতুন কিস্তির প্রথম ঝলক প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির নতুন সিনেমা &lsquo;শ্রেক ৫&rsquo;-এর প্রথম অফিসিয়াল টিজার ট্রেলারটি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০০১ সালে মুক্তি পাওয়া প্রথম &lsquo;শ্রেক&rsquo; সিনেমার পর থেকেই তৈরি হওয়া এর সুবিশাল ভক্তকুলকে আবারও মাতাতে আসছে শ্রেক, ফিওনা আর ডাঙ্কি (গাধা)। ২০২৭ সালের ৩০ জুন বিশ্বজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমাটি।</p>
<p>প্রকাশিত টিজারটি ভক্তদের মনে বেশ কিছু নতুন রহস্য ও কৌতূহল তৈরি করেছে। এবারের গল্পে সবুজ দানব শ্রেক এবং তাঁর বিশ্বস্ত সহযোগী ডাঙ্কিকে একটি বিশাল শহরে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে দেখা যাবে। টিজারের একটি অংশে শ্রেক, ফিওনা, ডাঙ্কি এবং তাদের দুই ছেলে ফার্গাস ও ফার্কলকে কারাগারে বন্দি অবস্থায় দেখা যায়। তাঁরা কীভাবে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে পড়লেন, তা নিয়ে গল্পে এক বড় রহস্যের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই টিজারে শ্রেক-ফিওনার মেয়ে ফেলিসিয়াকে সরাসরি দেখা না গেলেও, জানা গেছে চরিত্রটিতে কণ্ঠ দিচ্ছেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জেন্দায়া।</p>
<p>বরাবরের মতোই নতুন এই ট্রেলারেও রয়েছে ভরপুর কমেডি ও মজাদার কৌতুকের ছোঁয়া। একটি দৃশ্যে ডাঙ্কি চরিত্রটিকে কাজে ফেরার জন্য এতটাই উত্তেজিত দেখা যায় যে, সে সম্পূর্ণ নতুন রূপে নিজেকে সাজানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে। এছাড়া মুখে কেক মাখা অবস্থায় &lsquo;জিঞ্জার ব্রেডম্যান&rsquo; চরিত্রটিকেও এক পলক পর্দায় দেখা যায়। সিনেমার মূল চরিত্রগুলোতে কণ্ঠ দিতে আবারও ফিরে এসেছেন পুরোনো ও সুপরিচিত অভিনেতারাই। শ্রেক চরিত্রে কানাডীয় অভিনেতা মাইক মায়ার্স, ডাঙ্কি চরিত্রে এডি মারফি এবং ফিওনা চরিত্রে থাকছেন বিখ্যাত মার্কিন অভিনেত্রী ক্যামেরন ডিয়াজ।</p>
<p>এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে দীর্ঘদিনের স্মৃতির কথা মনে করে ডাঙ্কি চরিত্রে কণ্ঠ দেওয়া বিখ্যাত অভিনেতা এডি মারফি &lsquo;দ্য হলিউড রিপোর্টার&rsquo;-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, &ldquo;আমি সবসময়ই বলে এসেছি যে আমি শ্রেক আজীবন করতে রাজি আছি। ডাঙ্কি চরিত্রটি করার অভিজ্ঞতা সত্যিই অসাধারণ।&rdquo; ভয়েস ওভার বা কণ্ঠ দেওয়ার পেছনের পরিশ্রম নিয়ে তিনি আরও যোগ করেন, &ldquo;শ্রেক-এর রেকর্ডিং সেশনের পর অনেক সময় মাথা ধরে যায়, কারণ গাধা চরিত্রটিকে অনেক গান গাইতে হয় এবং একই কাজ বারবার করতে হয়। তবে সবচেয়ে ভালো দিক হলো, দর্শকেরা যখন সিনেমাটা পছন্দ করেন, তখন সব পরিশ্রমকে সার্থক বলে মনে হয়।&rdquo; মূলত মূল সিরিজের ৪টি সিনেমা এবং &lsquo;পুস ইন বুটস&rsquo; নামের দুইটি স্পিন-অফ চলচ্চিত্রের বিশাল বাণিজ্যিক সফলতার পর নতুন এই সিক্যুয়েলটি দর্শকদের জন্য নতুন বিনোদন নিয়ে আসবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>বিদেশ থেকে স্বর্ণ ফিরিয়ে আনছে  বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো</title>  
            <description>বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকির মুখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিদেশে রাখা তাদের স্বর্ণের মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। একই সাথে স্বর্ণ সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় স্থানের খোঁজ করছে তারা। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে যে, দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক স্বর্ণভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত লন্ডন ও নিউইয়র্কের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। ফাইনান্সিয়াল টাইমস (এফটি)-র এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।
জরিপে অংশ নেওয়া ১৯ শতাংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে তারা ইতিমধ্যে তাদের স্বর্ণের মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে বা সংরক্ষণের স্থান পরিবর্তন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের চেয়ে স্বর্ণ এখন অনেক দেশের কাছে অধিক নির্ভরযোগ্য রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ডলারের বিকল্প খোঁজার প্রবণতা এবং জরুরি অবস্থায় বিদেশের ভল্টে থাকা স্বর্ণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কা এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে।
ইতিমধ্যে ফ্রান্স তাদের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভে থাকা ১২৯ টন স্বর্ণ সরিয়ে পুরোপুরি নিজ দেশে সংরক্ষণ করছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশটি প্রায় ১১ বিলিয়ন ইউরো মুনাফাও করেছে। ভারতও গত তিন বছরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে থাকা তাদের স্বর্ণের একটি বড় অংশ দেশে ফিরিয়ে এনেছে। বর্তমানে ভারতের মোট স্বর্ণের মাত্র ২২ শতাংশ বিদেশে রয়েছে, যা তিন বছর আগে ছিল ৫৫ শতাংশ। এছাড়া জার্মানি ও ইতালির মতো দেশগুলোতেও বিদেশে রাখা স্বর্ণ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোরালো রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের কর্মকর্তা শাওকাই ফ্যান জানান, ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগ ও স্বর্ণের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাই এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মূল লক্ষ্য। এর ফলে এশীয় আর্থিক কেন্দ্রগুলো, বিশেষ করে সিঙ্গাপুর ও হংকং এখন স্বর্ণ সংরক্ষণের বিকল্প গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যদিও লন্ডন এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণবাজার হিসেবে টিকে আছে, তবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে স্বর্ণ রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হার ৬৪ শতাংশ থেকে কমে ৫৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একইভাবে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভেও এই হার ১৭ শতাংশ থেকে ১৪ শতাংশে নেমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণ সংরক্ষণের এই স্থান পরিবর্তন কেবল একটি আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি একটি গভীর রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276145/The-central-banks-of-the-world-are-bringing-back-gold-from-abroad</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276145/The-central-banks-of-the-world-are-bringing-back-gold-from-abroad</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:52:39 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T155137.810.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T155137.810.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T155137.810.jpg" alt="বিদেশ থেকে স্বর্ণ ফিরিয়ে আনছে  বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকির মুখে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো বিদেশে রাখা তাদের স্বর্ণের মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে। একই সাথে স্বর্ণ সংরক্ষণের জন্য নিরাপদ ও বৈচিত্র্যময় স্থানের খোঁজ করছে তারা। ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের সাম্প্রতিক এক জরিপে উঠে এসেছে যে, দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক স্বর্ণভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত লন্ডন ও নিউইয়র্কের ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে। ফাইনান্সিয়াল টাইমস (এফটি)-র এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
<p>জরিপে অংশ নেওয়া ১৯ শতাংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে যে তারা ইতিমধ্যে তাদের স্বর্ণের মজুত নিজ দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে বা সংরক্ষণের স্থান পরিবর্তন করেছে, যা গত বছরের তুলনায় প্রায় তিন গুণ বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের চেয়ে স্বর্ণ এখন অনেক দেশের কাছে অধিক নির্ভরযোগ্য রিজার্ভ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ডলারের বিকল্প খোঁজার প্রবণতা এবং জরুরি অবস্থায় বিদেশের ভল্টে থাকা স্বর্ণের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোর শঙ্কা এই প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে।</p>
<p>ইতিমধ্যে ফ্রান্স তাদের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভে থাকা ১২৯ টন স্বর্ণ সরিয়ে পুরোপুরি নিজ দেশে সংরক্ষণ করছে। এই প্রক্রিয়ায় দেশটি প্রায় ১১ বিলিয়ন ইউরো মুনাফাও করেছে। ভারতও গত তিন বছরে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে থাকা তাদের স্বর্ণের একটি বড় অংশ দেশে ফিরিয়ে এনেছে। বর্তমানে ভারতের মোট স্বর্ণের মাত্র ২২ শতাংশ বিদেশে রয়েছে, যা তিন বছর আগে ছিল ৫৫ শতাংশ। এছাড়া জার্মানি ও ইতালির মতো দেশগুলোতেও বিদেশে রাখা স্বর্ণ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে জোরালো রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।</p>
<p>ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিলের কর্মকর্তা শাওকাই ফ্যান জানান, ভূ-রাজনৈতিক উদ্বেগ ও স্বর্ণের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করাই এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মূল লক্ষ্য। এর ফলে এশীয় আর্থিক কেন্দ্রগুলো, বিশেষ করে সিঙ্গাপুর ও হংকং এখন স্বর্ণ সংরক্ষণের বিকল্প গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। যদিও লন্ডন এখনও বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণবাজার হিসেবে টিকে আছে, তবে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে স্বর্ণ রাখা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হার ৬৪ শতাংশ থেকে কমে ৫৭ শতাংশে নেমে এসেছে। একইভাবে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভেও এই হার ১৭ শতাংশ থেকে ১৪ শতাংশে নেমেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, স্বর্ণ সংরক্ষণের এই স্থান পরিবর্তন কেবল একটি আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং এটি একটি গভীর রাজনৈতিক বার্তাও বহন করে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার অনুমোদন
</title>  
            <description>হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় জ্বালানি আমদানিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সরকার খোলাবাজার বা স্পট মার্কেট থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে মোট তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১১২ কোটি টাকার বেশি। তবে ক্রয় কমিটি বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের কথা বিবেচনা করে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছে, যার জন্য সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানান, হরমুজ প্রণালিতে চলমান সংকটের কারণে বিদেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় ফোর্স মেজর ধারা প্রয়োগ করছে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। আসন্ন জুন ও জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের ভেতরে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে এই জরুরি ক্রয়ের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বর্তমানে কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় তৃতীয় কার্গোটি কেনার ক্ষেত্রে সরকার কিছুটা অপেক্ষার নীতি গ্রহণ করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা হবে যে, এই সময়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কোনো চালান দেশে পৌঁছায় কিনা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জ্বালানি সংকট ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও সাম্প্রতিক এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আমদানি কৌশলকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করেছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276144/Approval-to-buy-LNG-from-spot-market-to-deal-with-energy-crisis</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276144/Approval-to-buy-LNG-from-spot-market-to-deal-with-energy-crisis</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:29:35 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T152445.313.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T152445.313.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T152445.313.jpg" alt="জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি কেনার অনুমোদন
" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় জ্বালানি আমদানিতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে সরকার খোলাবাজার বা &lsquo;স্পট মার্কেট&rsquo; থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
<p>জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতিতে মোট তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল, যার আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১১২ কোটি টাকার বেশি। তবে ক্রয় কমিটি বর্তমান বাজার পরিস্থিতি ও সরকারি ব্যয় সাশ্রয়ের কথা বিবেচনা করে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দিয়েছে, যার জন্য সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা।</p>
<p>বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব সাংবাদিকদের জানান, হরমুজ প্রণালিতে চলমান সংকটের কারণে বিদেশি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো অনেক সময় &lsquo;ফোর্স মেজর&rsquo; ধারা প্রয়োগ করছে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত সময়ে জ্বালানি পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। আসন্ন জুন ও জুলাই মাসের শুরুতেই দেশের ভেতরে গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে এই জরুরি ক্রয়ের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম বর্তমানে কিছুটা নিম্নমুখী হওয়ায় তৃতীয় কার্গোটি কেনার ক্ষেত্রে সরকার কিছুটা অপেক্ষার নীতি গ্রহণ করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখা হবে যে, এই সময়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কোনো চালান দেশে পৌঁছায় কিনা। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জ্বালানি সংকট ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও সাম্প্রতিক এই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা এবং আমদানি কৌশলকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট করেছে।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের বিচার শুরু</title>  
            <description>সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোচিত প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ড্রাইভার সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিচার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজের আদালত এ মামলায় চার্জগঠন করেন। একই সাথে আগামী ৯ জুলাই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুদক সৈয়দ আবেদ আলী, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী এবং ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছিল। আবেদ আলীর ১২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন এবং প্রায় ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অন্যদিকে, আবেদ আলীর স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আবেদ আলীর ছেলে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে দুদক। পিএসসির প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত বিশাল এই অবৈধ সম্পদের পাহাড় নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। চার্জগঠনের মাধ্যমে এখন সেই দুর্নীতির বিচারের পথ প্রশস্ত হলো।
 </description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/news/276143/The-trial-of-Abed-Alis-son-Siyam-in-the-corruption-case-has-started</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/news/276143/The-trial-of-Abed-Alis-son-Siyam-in-the-corruption-case-has-started</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:20:59 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151908.055.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151908.055.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151908.055.jpg" alt="দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের বিচার শুরু" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) আলোচিত প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা ড্রাইভার সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলার বিচার কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বেগম শামীমা আফরোজের আদালত এ মামলায় চার্জগঠন করেন। একই সাথে আগামী ৯ জুলাই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>
<p>দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. সাইফুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত বছরের ৫ জানুয়ারি দুদক সৈয়দ আবেদ আলী, তার স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পী এবং ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছিল। আবেদ আলীর ১২টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে মোট ৪১ কোটি ২৯ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন এবং প্রায় ৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>
<p>অন্যদিকে, আবেদ আলীর স্ত্রী শাহরিন আক্তার শিল্পীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ২৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ এবং তার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া আবেদ আলীর ছেলে ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৩০ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এনেছে দুদক। পিএসসির প্রশ্নফাঁসকাণ্ডের মাধ্যমে অর্জিত বিশাল এই অবৈধ সম্পদের পাহাড় নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। চার্জগঠনের মাধ্যমে এখন সেই দুর্নীতির বিচারের পথ প্রশস্ত হলো।</p>
<p> </p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানি করবে সরকার</title>  
            <description>ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সৃষ্টি হওয়া লজিস্টিক ও পরিবহন জটিলতার প্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বড় অংকের ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মূলত আসন্ন কৃষি মৌসুমে কৃষকদের মাঝে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই বিকল্প উৎস থেকে সার সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে প্রচলিত আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় সার সংগ্রহ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আগামী জুলাই মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া সারের চাহিদা বা মিনি পিক সিজন মোকাবিলায় আগাম মজুত গড়ে তোলা অপরিহার্য। এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ডেলটা স্টার ট্রেডিং এবং রাশিয়ার পিজেএসসি আরকন-এর কাছ থেকে লটভিত্তিক মোট ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, এর মধ্যে রাশিয়া থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে প্রায় ৭০৫ কোটি টাকার তিনটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা ব্যয়ে আরব আমিরাত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন এবং ১৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৪৩৭ টাকা ব্যয়ে সৌদি আরবের সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০৭ দশমিক ০১ মার্কিন ডলার। এছাড়াও টিএসপিসিএল-এর জন্য ১৭১ কোটি টাকার রক সালফার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দেশের অভ্যন্তরীণ সারের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় নিয়মিতভাবেই বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হয়। তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় সরকার জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) চুক্তির আওতায় দ্রুত সার মজুত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। সারের এই আগাম সংগ্রহ আসন্ন কৃষি মৌসুমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/economy/276142/The-government-will-directly-import-urea-fertilizer-from-Russia</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/economy/276142/The-government-will-directly-import-urea-fertilizer-from-Russia</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 15:12:23 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151130.355.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151130.355.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T151130.355.jpg" alt="রাশিয়া থেকে সরাসরি ইউরিয়া সার আমদানি করবে সরকার" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সার উৎপাদনকারী দেশগুলোতে সৃষ্টি হওয়া লজিস্টিক ও পরিবহন জটিলতার প্রেক্ষিতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে রাশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বড় অংকের ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। মূলত আসন্ন কৃষি মৌসুমে কৃষকদের মাঝে নিরবচ্ছিন্ন সার সরবরাহ নিশ্চিত করতেই এই বিকল্প উৎস থেকে সার সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে প্রচলিত আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় সার সংগ্রহ করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে। এমতাবস্থায় আগামী জুলাই মাস থেকে শুরু হতে যাওয়া সারের চাহিদা বা &lsquo;মিনি পিক সিজন&rsquo; মোকাবিলায় আগাম মজুত গড়ে তোলা অপরিহার্য। এর অংশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক &lsquo;ডেলটা স্টার ট্রেডিং&rsquo; এবং রাশিয়ার &lsquo;পিজেএসসি আরকন&rsquo;-এর কাছ থেকে লটভিত্তিক মোট ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, এর মধ্যে রাশিয়া থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
<p>সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির বৈঠকে কৃষি উৎপাদন সচল রাখতে প্রায় ৭০৫ কোটি টাকার তিনটি পৃথক ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৪৮ কোটি ৫৫ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা ব্যয়ে আরব আমিরাত থেকে ৫০ হাজার মেট্রিক টন এবং ১৮৫ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৪৩৭ টাকা ব্যয়ে সৌদি আরবের &lsquo;সাবিক অ্যাগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি&rsquo; থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০৭ দশমিক ০১ মার্কিন ডলার। এছাড়াও টিএসপিসিএল-এর জন্য ১৭১ কোটি টাকার রক সালফার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>দেশের অভ্যন্তরীণ সারের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম হওয়ায় নিয়মিতভাবেই বিদেশ থেকে সার আমদানি করতে হয়। তবে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় সরকার জিটুজি (সরকার-টু-সরকার) চুক্তির আওতায় দ্রুত সার মজুত করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। সারের এই আগাম সংগ্রহ আসন্ন কৃষি মৌসুমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশিক রুবাইয়াত
</title>  
            <description>ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশিক রুবাইয়াৎ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে এই পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।
পদত্যাগ পত্রে তিনি তার সিদ্ধান্তের সপক্ষে উল্লেখ করেন, 'আমাকে এ পদে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আমার পক্ষে এ পদে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ হতে আজ পদত্যাগ করছি।'
এই পদত্যাগের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, 'তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। এ বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে তিনি তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।' আইন ও বিচার বিভাগের কাছে পাঠানো এই আবেদনের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনি কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে অনিয়মিত থাকা এবং কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।
 </description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/national/276141/Ashiq-Rubaiyat-resigned-from-the-post-of-Assistant-Attorney-General</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/national/276141/Ashiq-Rubaiyat-resigned-from-the-post-of-Assistant-Attorney-General</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 14:54:11 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T144636.728.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T144636.728.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T144636.728.jpg" alt="সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন আশিক রুবাইয়াত
" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশিক রুবাইয়াৎ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে এই পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।</p>
<p>পদত্যাগ পত্রে তিনি তার সিদ্ধান্তের সপক্ষে উল্লেখ করেন, 'আমাকে এ পদে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আমার পক্ষে এ পদে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ হতে আজ পদত্যাগ করছি।'</p>
<p>এই পদত্যাগের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, 'তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। এ বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে তিনি তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।' আইন ও বিচার বিভাগের কাছে পাঠানো এই আবেদনের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনি কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে অনিয়মিত থাকা এবং কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।</p>
<p> </p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আরও ৭৮ বাংলাদেশি  দেশে ফিরলেন
</title>  
            <description>উন্নত কর্মসংস্থান ও ভালো বেতনের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় গিয়ে সাইবার প্রতারণা বা স্ক্যাম চক্রের হাতে বন্দি হওয়া আরও ৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ নিয়ে গত চার দিনে কম্বোডিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে উদ্ধার হয়ে সর্বমোট ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ফেরত আসা এই ব্যক্তিদের জরুরি সহায়তা ও বাড়ি ফেরার যাতায়াত খরচ প্রদান করছে।
ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান, আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এটি এক ভয়াবহ নতুন রূপ। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মূলত আইটি বা কল সেন্টারের কাজের কথা বলে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড নামক বিশেষ সুরক্ষিত এলাকায় বন্দি করা হয়। সেখানে তাদের মাধ্যমে জিম্মি করে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা করানো হয় এবং টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে চালানো হয় অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।
ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, দালালরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভিজিট ভিসায় কম্বোডিয়ায় পাঠাত। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের চীনা নাগরিকদের পরিচালিত স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে টর্চার সেলে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হতো। অনেক ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে এই পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে, গত দেড় বছরে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কম্বোডিয়ায় গেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে, আরও বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে বিপদে থাকতে পারেন। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাওস, ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলো এই পাচার চক্রের দেশি-বিদেশি হোতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে বলে জানা গেছে।</description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/national/276140/Another-78-Bangladeshis-returned-home-from-Cambodias-cyber-scam-center</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/national/276140/Another-78-Bangladeshis-returned-home-from-Cambodias-cyber-scam-center</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 14:42:38 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T143723.870.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T143723.870.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T143723.870.jpg" alt="কম্বোডিয়ার সাইবার স্ক্যাম সেন্টার থেকে আরও ৭৮ বাংলাদেশি  দেশে ফিরলেন
" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p class="ng-star-inserted" style="margin-bottom: 13.5pt; line-height: 15.75pt; background: white;"><span class="ng-star-inserted1"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">উন্নত কর্মসংস্থান ও ভালো বেতনের প্রলোভনে পড়ে কম্বোডিয়ায় গিয়ে সাইবার প্রতারণা বা &lsquo;স্ক্যাম&rsquo; চক্রের হাতে বন্দি হওয়া আরও ৭৮ জন বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (১৭ জুন) রাতে থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এ নিয়ে গত চার দিনে কম্বোডিয়ার বিভিন্ন বন্দিশালা থেকে উদ্ধার হয়ে সর্বমোট ২২১ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন। ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ফেরত আসা এই ব্যক্তিদের জরুরি সহায়তা ও বাড়ি ফেরার যাতায়াত খরচ প্রদান করছে।</span></span></p>
<p class="ng-star-inserted" style="margin-bottom: 13.5pt; line-height: 15.75pt; background: white; box-sizing: border-box; font-optical-sizing: auto; font-variant-ligatures: normal; font-variant-caps: normal; orphans: 2; text-align: start; widows: 2; -webkit-text-stroke-width: 0px; text-decoration-thickness: initial; text-decoration-style: initial; text-decoration-color: initial; word-spacing: 0px;"><span style="box-sizing: border-box;"><span class="ng-star-inserted1"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান জানান</span></span><span class="ng-star-inserted1"><span style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">, <span lang="BN">আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের এটি এক ভয়াবহ নতুন রূপ। বিদেশে আকর্ষণীয় চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে মূলত আইটি বা কল সেন্টারের কাজের কথা বলে লোকজনকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে &lsquo;সাইবার স্ক্যাম কম্পাউন্ড&rsquo; নামক বিশেষ সুরক্ষিত এলাকায় বন্দি করা হয়। সেখানে তাদের মাধ্যমে জিম্মি করে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণা করানো হয় এবং টার্গেট পূরণে ব্যর্থ হলে চালানো হয় অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। সম্প্রতি কম্বোডিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযানে এসব বাংলাদেশিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়।</span></span></span></span></p>
<p class="ng-star-inserted" style="margin-bottom: 13.5pt; line-height: 15.75pt; background: white; box-sizing: border-box; font-optical-sizing: auto; font-variant-ligatures: normal; font-variant-caps: normal; orphans: 2; text-align: start; widows: 2; -webkit-text-stroke-width: 0px; text-decoration-thickness: initial; text-decoration-style: initial; text-decoration-color: initial; word-spacing: 0px;"><span style="box-sizing: border-box;"><span class="ng-star-inserted1"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">ফেরত আসা ভুক্তভোগীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে</span></span><span class="ng-star-inserted1"><span style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">, <span lang="BN">দালালরা তাদের কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে ভিজিট ভিসায় কম্বোডিয়ায় পাঠাত। সেখানে পৌঁছানোর পর তাদের চীনা নাগরিকদের পরিচালিত স্ক্যাম সেন্টারে বিক্রি করে দেওয়া হতো। কাজ করতে অস্বীকার করলে টর্চার সেলে নিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার মতো নিষ্ঠুর নির্যাতন চালানো হতো। অনেক ভুক্তভোগী ইতিমধ্যে এই পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।</span></span></span></span></p>
<p class="ng-star-inserted" style="margin-bottom: .0001pt; line-height: 15.75pt; background: white; box-sizing: border-box; font-optical-sizing: auto; font-variant-ligatures: normal; font-variant-caps: normal; orphans: 2; text-align: start; widows: 2; -webkit-text-stroke-width: 0px; text-decoration-thickness: initial; text-decoration-style: initial; text-decoration-color: initial; word-spacing: 0px;"><span style="box-sizing: border-box;"><span class="ng-star-inserted1"><span lang="BN" style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্যমতে</span></span><span class="ng-star-inserted1"><span style="font-family: 'Nirmala UI','sans-serif'; color: #2b2d31;">, <span lang="BN">গত দেড় বছরে প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী কম্বোডিয়ায় গেছেন। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা থেকে ধারণা করা হচ্ছে</span>, <span lang="BN">আরও বিপুল সংখ্যক মানুষ সেখানে বিপদে থাকতে পারেন। ব্র্যাকের পক্ষ থেকে থাইল্যান্ড</span>, <span lang="BN">মিয়ানমার</span>, <span lang="BN">লাওস</span>, <span lang="BN">ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ায় অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব পাওয়ার ক্ষেত্রে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সরকারি সংস্থাগুলো এই পাচার চক্রের দেশি-বিদেশি হোতাদের আইনের আওতায় আনার জন্য কাজ করছে বলে জানা গেছে।</span></span></span></span></p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
                <item>  
            <title>দেশে প্রথমবারের মতো 'ফ্রি ট্রেড জোন' হচ্ছে : মন্ত্রিপরিষদ সচিব</title>  
            <description>বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করতে প্রথমবারের মতো মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল বা ফ্রি ট্রেড জোন গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ড. নাসিমুল গনি জানান, প্রস্তাবিত এই অঞ্চলে প্রচলিত কাস্টমসের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে না এবং ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবেন। মূলত মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী ৬০০ একর জমিতে এই বিশেষ বাণিজ্যিক অঞ্চলটি স্থাপন করা হবে। এছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চিনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্পেশাল পারপাস কোম্পানির সাথে ভূমি ইজারা ও উন্নয়ন চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে যে ব্যাঘাত ঘটছে, তা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রচলিত জ্বালানি আমদানি ব্যবস্থা পর্যালোচনার সময় এসেছে এবং বর্তমান সংকট মেটাতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ করছে। তবে জ্বালানি পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এছাড়া বৈঠকে রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপগুলো দেশের শিল্পায়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 </description>  
            <link>https://www.newsbangla24.com/national/276139/Free-Trade-Zone-is-happening-for-the-first-time-in-the-country-Cabinet-Secretary</link>  
            <guid isPermaLink="false">https://www.newsbangla24.com/national/276139/Free-Trade-Zone-is-happening-for-the-first-time-in-the-country-Cabinet-Secretary</guid>  
            <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 14:30:41 GMT</pubDate>  
                        <!--<media:thumbnail width="144" height="81" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T142911.676.jpg"/> -->
            <!--<media:content medium="image" width="735" height="490" url="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T142911.676.jpg"/>-->
            <figure class="image"><img src="https://www.newsbangla24.com/assets/news_images/2026/06/17/Portal_Image_DN_-_2026-06-17T142911.676.jpg" alt="দেশে প্রথমবারের মতো 'ফ্রি ট্রেড জোন' হচ্ছে : মন্ত্রিপরিষদ সচিব" width="735" height="490" />
            </figure>
            <content:encoded>
            <![CDATA[ <p>বাংলাদেশে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে নতুন গতি সঞ্চার করতে প্রথমবারের মতো &lsquo;মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল&rsquo; বা &lsquo;ফ্রি ট্রেড জোন&rsquo; গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বুধবার (১৭ জুন) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভা শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন।</p>
<p>ড. নাসিমুল গনি জানান, প্রস্তাবিত এই অঞ্চলে প্রচলিত কাস্টমসের কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে না এবং ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করবেন। মূলত মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর এবং চট্টগ্রাম বন্দরের নিকটবর্তী ৬০০ একর জমিতে এই বিশেষ বাণিজ্যিক অঞ্চলটি স্থাপন করা হবে। এছাড়া চট্টগ্রামের আনোয়ারায় &lsquo;চিনা অর্থনৈতিক ও শিল্প অঞ্চল&rsquo; (সিইআইজেড) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে স্পেশাল পারপাস কোম্পানির সাথে ভূমি ইজারা ও উন্নয়ন চুক্তির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তজনা এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে এলএনজি ও জ্বালানি তেল আমদানিতে যে ব্যাঘাত ঘটছে, তা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, প্রচলিত জ্বালানি আমদানি ব্যবস্থা পর্যালোচনার সময় এসেছে এবং বর্তমান সংকট মেটাতে সরকার স্পট মার্কেট থেকে তেল ও গ্যাস সংগ্রহ করছে। তবে জ্বালানি পরিস্থিতি বর্তমানে স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
<p>এছাড়া বৈঠকে রাশিয়ার কাছ থেকে ৩০ হাজার মেট্রিক টন ইউরিয়া সার কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপগুলো দেশের শিল্পায়ন ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
<p> </p> ]]>
            </content:encoded>
        </item>
        
</channel>  
</rss>
  