Logo
Logo
×

শিক্ষা

অসঙ্গতি তুলে ধরে শিবিরের ভিপি প্রার্থীর শঙ্কা

Icon

সমাচার প্রতিদিন ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:১১ পিএম

অসঙ্গতি তুলে ধরে শিবিরের ভিপি প্রার্থীর শঙ্কা

ছবি-সংগৃহীত

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভোট ঘিরে ক্যাম্পাসে সাবেক শিক্ষার্থীদের অবস্থান, কেন্দ্রে অতিরিক্ত ব্যালট পাঠানোসহ বেশ কিছু অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আরিফ উল্লাহ।

দ্রুত এসব বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে অবাধ-সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কার কথা জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (১১সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হলের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসব অসঙ্গতির বিষয়ে জানান তিনি।

প্রথমেই তিনি ক্যাম্পাসে সাবেক শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।

তিনি বলেন, প্রশাসন থেকে বলা হয়েছিল ভোটের দিন সকালে থেকে ক্যাম্পাসে সাবেক শিক্ষার্থীরা থাকবে না। কিন্তু সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রের আশেপাশে তাদের দেখা গেছে। এ বিষয়ে প্রশাসনকে জানালেও তার ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এছাড়া হল কেন্দ্রে অতিরিক্ত ব্যালট পাঠানো হয়েছে জানিয়ে বলেন, শহীদ সালাম–বরকত হল কেন্দ্রে ২৯৯ জন ভোটার। কিন্তু সেখানে অতিরিক্ত ১০১টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন করেও কোনো সদুত্তর পাওয়া যায়নি।


জাকসু নির্বাচনের প্রার্থীদের ডোপটেস্ট করা নিয়েও প্রশাসনের উদ্যোগের অসংগতির কথা তুলে ধরে বলেন, ডোপ টেস্ট করা হলেও তার ফলাফল জানানো হয়নি। আবার যারা ডোপ টেস্টে অংশ নেয়নি তাদের বিরুদ্ধেও এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এছাড়া তাদের দাবির মুখে প্রশাসন রাতে কেন্দ্রগুলোয় পোলিং এজেন্ট রাখার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন দিলেও সকালে তা নিয়ে জটিলতা হয় বলে জানান এ প্রার্থী। কেন্দ্রের দ্বায়িত্বপ্রাপ্তরা বিষয়টি জানেন না বলে পোলিং এজেন্টরা বাধার মুখে পড়েন।

আরিফ আরও বলেন, “গতরাতে ব্যালট পেপারের পেছনে পেছনে যাচ্ছিল ছাত্রদল নেতা। ক্যাম্পাসের এক সাংবাদিক তা ভিডিও করতে গেলে সেই ভিডিও ডিলিট করতে বাধ্য করা হয়।“

সব মিলিয়ে অবাধ-সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি অসংগতি দূর করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি প্রত্যাশা জানিয়ে বলেন, “সুষ্ঠু-অবাধ ভোট হলে আমাদের প্যানেল পূর্ণাঙ্গ জয়লাভ করবে। ভোট সুষ্ঠু ও অবাধ হলে জয় বা পরাজয় যাই হোক, আমরা মেনে নেব।”


প্রধান সম্পাদক- আ.ত.ম. শামসুজ্জামান

ইশা ফাউন্ডেশন’র একটি প্রকাশনা

অনুসরণ করুন