পাহাড়ের আঞ্চলিক সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি জেএসএস (সন্তু লারমা গ্রুপ) -এর গুলিতে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে।
শনিবার (৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খাগড়াছড়িতে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ইউপিডিএফ সদস্যর নাম আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮)। তিনি ৫নং উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলার পদ্মিনী পাড়া গ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেন পানছড়ি থানার (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) ওসি মো. ফেরদৌস ওয়াহিদ। তিনি জানান, প্রতিপক্ষের গুলিতে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। লাশ উদ্ধারের পর পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
ফেরদৌস ওয়াহিদ আরও জানান, শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সন্তু গ্রুপের ১৫-২০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী পানছড়ি সদর ইউনিয়নের বড়কোণা এলাকায় ওঁৎ পেতে থাকে। এ সময় ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮) লক্ষ করে খুব কাছ থেকে গুলি করে হত্যা করে।
ইউপিডিএফ এর পক্ষ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্য জেএসএস সন্তু দলকে দায়ী করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)। তবে এ ঘটনায় জেএসএস -এর কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ হত্যাকাণ্ডকে কাপুরুষোচিত ও ন্যাক্কারজনক উল্লেখ করে ইউপিডিএফের খাগড়াছড়ি ইউনিটের সংগঠক অংগ্য মারমা এক বিবৃতিতে জানান, সন্তু নেতৃত্বাধীন জেএসএস দীর্ঘ সময় ধরে পানছড়িতে খুন, অপহরণসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালালেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। এ সময় তিনি অভিযোগ করে অবিলম্বে আপন ত্রিপুরার হত্যাকারী সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।
কেকে/এজে