নারায়ণগঞ্জ জেলায় কুরবানির পশুর চাহিদা এক লাখ তিন হাজার ৪৭টি। বিপরীতে পশুর মজুদ রয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ৭৫৪ টি। ফলে, এ জেলায় ১০ হাজারের অধিক পশু বেশি মজুদ রয়েছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জেলায় মজুদ থাকা পশুর মধ্যে ৬১ হাজার ৮৯৯ টি ষাড়, ৬ হাজার ৪৮৬টি বলদ, ১৯ হাজার ৭৪৩ টি গাভী, ২ হাজা ৮৪১ টি মহিষ, ১৭ হাজার ১৭২ টি ছাগল হাজার ও ৫ হাজার ৪৯৩টি ভেড়া রয়েছে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প, নেতানিয়াহু, আরডিএক্স, এভারেস্ট, টাইসন, থানস কিংবা স্টার বয়—এমন সব বৈচিত্র্যময় নামকরণও করা হয়েছে বিভিন্ন খামারে কুরবানির জন্য প্রস্তুত করা পশুগুলোর। শখ আর ভালোবাসা থেকেই আদরের পশুগুলোর এমন ব্যতিক্রমী নাম রেখেছেন খামারিরা। এসব নামের পশুগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
কয়েকজন খামারী জানিয়েছেন, মূলত মাঝারী আকারের পশুর চাহিদা বেশি। ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন তারা। আশা করছেন এবার বিক্রিও ভালো হবে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ৫০টি পশুর হাট রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে এসব কুরবানির পশুর হাটে পশু যোগান দেওয়া হচ্ছে। শুধু বাইরের জেলা নয় জেলায় থাকা ৬ হাজার ৫৩৭ টি খামারেও রয়েছে পশুর মজুদ।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল মান্নান মিয়া বলেন, ‘এ বছর জেলায় কুরবানির পশুর পর্যাপ্ত প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা নিয়মিত খামার মনিটরিং করছি। পশুকে ভেজাল বা ক্ষতিকর কোনো খাবার দেওয়া হচ্ছে কি না, সেটিও তদারকি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পশুর রোগবালাই প্রতিরোধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
তিন জানান, ১৫০-২০০ কোটি টাকার পশু কেনা-বেচা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, ‘কুরবানির হাটগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ হাটগুলোতে অন্যান্য বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে।’
কেকে/এমএ