অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজটা দাপুটে জিতলেও টি-টোয়েন্টি সিরিজে বাংলাদেশের শুরুটা হলো উল্টো। ব্যাটিং ব্যর্থতায় সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিটা সহজেই হেরেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে বাংলাদেশর ভারপ্রাপ্ত পেস বোলিং কোচ তালহা জুবায়ের বললেন- বেশি তাড়াহুড়া করতে গিয়েই ম্যাচ থেকে ছিটকে পরেছে বাংলাদেশ।
চট্টগ্রামে সিরিজের প্রথম ম্যাচে আজ আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ গুটিয়ে যায় ১৩১ রানেই। এতো ছোট স্কোর নিয়ে পরে আর জিততে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। তাতে যে চাপে পরেছে পরে আর তা কাটিয়ে উঠতে পারেনি স্বাগতিকরা। তালহা জুবায়েরের আক্ষেপ যখন পরপর উইকেট পরছিল তখন রিক্স নিয়ে শট না খেলে একটা জুটি গড়াতে কেন মন দিলেন না বাংলাদেশি ব্যাটাররা।
বাংলাদেশ কোচ বললেন, ‘আমরা একটু তাড়াহুড়া করেছি। পাওয়ারপ্লে ভালো ছিল, ৬ ওভারে ৫২ করেছিলাম। সেখান থেকে ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারিনি। প্রতি ওভার বা দুই ওভারে উইকেট পড়েছে। পার্টনারশিপ গড়ে তোলার সুযোগ ছিল, কিন্তু আমরা অতিরিক্ত বাউন্ডারির দিকে গিয়েছি।’
উইকেট নিয়ে তালহা জুবায়ের বলেন, ‘উইকেট দেখে বুঝেছিলাম এটা ২০০ রানের উইকেট না। পাওয়ারপ্লেতে ভালো শুরু হলেও ব্যাটাররা ভেবেছে সব বলই মারা যাবে। কিন্তু সব বল মারার মতো ছিল না। বাতাসের ফ্যাক্টরও ছিল, না হলে ইমনের শটটা হয়তো ছক্কা হতো।’
বাংলাদেশ আর ২০-৩০ রান তুলতে পারলে ম্যাচের পরিস্থিতি অন্য রকম হতে পারত বলেছেন তালহা। তিনি বলেন, ‘ওরা যেভাবে ট্র্যাপ করেছে, আমরা ট্র্যাপে পা দিয়েছি। ওরা চাচ্ছিল বড় শট খেলতে গিয়ে আমাদের মিস টাইমিং হোক। এটাই হয়েছে। আর আমরা অতিরিক্ত বাউন্ডারির ওপর নির্ভরশীল ছিলাম। ইনিংসটা দাঁড় করাতে পারলে ভালো হতো। আমার মনে হয় ব্যাটাররাও আমার সাথে একমত হবে। ২০-৩০ রানের জুটি হলেও দৃশ্যটা ভিন্ন হতো।’
বাংলাদেশ জোর করে শট খেলতে না গিয়ে পার্টনারশিপের দিকে মন দিলে বেশি ভালো হতে বলেছেন তালহা। পেস বোলিং কোচ বলেন, ‘আপনার পার্টনার যখন ভালো মারছে আর উইকেটে বল আসছে, তখন আপনি সিদ্ধান্ত বদলে নিতেই পারেন। আমাদের ভুল ছিল, উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছি। মেহেদীও এক ওভারে পরপর ৩টি চার মেরেছে। সেখানে যদি জেনুইন একজন ব্যাটার ব্যাট করত, অজিদের কাজ আরও কঠিন হতো।’