আমাজনকে পেছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম কোম্পানি স্পেসএক্স 

১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫৩ PM
সিলিকন ভ্যালির রকেট ও এআই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।

সিলিকন ভ্যালির রকেট ও এআই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। © সংগৃহীত

মার্কিন শেয়ার বাজারে আইপিও ছাড়ার মাত্র তিন কার্যদিবসের মাথায় ই-কমার্স জায়ান্ট আমাজনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের পঞ্চম মূল্যবান পাবলিক কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে ইলন মাস্কের রকেট ও এআই জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স। গত মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক নাটকীয় ও তুমুল লেনদেনের সেশনে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম একপর্যায়ে প্রযুক্তি জায়ান্ট মাইক্রোসফটকেও ছাড়িয়ে গিয়েছিল।

গত মঙ্গলবার লেনদেনের তৃতীয় দিন শেষে বিশ্ববাজারে স্পেসএক্সের বাজার মূলধন প্রায় ২.৬৫ ট্রিলিয়ন (২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি) ডলারে পৌঁছায়। এদিন প্রতিটি শেয়ারের সমাপনী মূল্য ছিল ২০১.৮ ডলার, যা এর আইপিও মূল্যের চেয়ে ৫০ শতাংশেরও বেশি। লেনদেনের একপর্যায়ে শেয়ারের দাম সর্বোচ্চ ২২৫.৬ ডলারে উঠেছিল; ফলে সাময়িকভাবে স্পেসএক্সের বাজার মূল্য ৩ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে মাইক্রোসফটকে টপকে বিশ্বের চতুর্থ মূল্যবান স্থানে চলে গিয়েছিল। 

যদিও দিনশেষে সেই গতি কিছুটা কমে মাইক্রোসফটের নিচেই অবস্থান নেয় ইলন মাস্কের কোম্পানিটি । বর্তমান সমাপনী মূল্য অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ ৫টি মূল্যবান কোম্পানির তালিকায় স্পেসএক্সের ওপরে রয়েছে কেবল এনভিডিয়া (৫ ট্রিলিয়ন ডলার), অ্যালফাবেট (৪.৫ ট্রিলিয়ন ডলার), অ্যাপল (৪.৪ ট্রিলিয়ন ডলার) এবং মাইক্রোসফট (২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার)।

এর আগে গত শুক্রবার ‘SPCX’ টিকারে ‘নাসডাক’ শেয়ার বাজারে নিজেদের ইতিহাসে বৃহত্তম আইপিও নিয়ে আসে স্পেসএক্স। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিটি ১৩৫ ডলার মূল্যে ৫৫ কোটি ৫৫ লাখের বেশি ‘ক্লাস এ’ শেয়ার ছেড়ে প্রায় ৭৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করে, যা ২০১৯ সালে সৌদি আরামকোর ২৯.৪ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের রেকর্ডকে আরামেই ছাড়িয়ে যায়। পরবর্তীতে সোমবার ব্যাপক চাহিদার কারণে আন্ডাররাইটাররা ‘গ্রিনশু’ অপশন ব্যবহার করায় মোট সংগৃহীত মূলধনের পরিমাণ ৮৫.৭ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়ায়।

মঙ্গলবার স্পেসএক্সের এই শেয়ারের দাম লাফিয়ে বাড়ার পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে এআই কোডিং অ্যাসিস্ট্যান্ট ‘কারসর’-এর মূল প্রতিষ্ঠান অ্যানিস্ফিয়ারকে ৬০ বিলিয়ন ডলারে কিনে নেওয়ার কৌশলগত ঘোষণা। জানা গেছে, একটি অল-স্টক চুক্তির মাধ্যমে কারসর সম্পূর্ণভাবে স্পেসএক্সের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে এবং ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের মধ্যেই এই অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। এর মাধ্যমে করপোরেট এআই বাজারে ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রোপিকের মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যাবে স্পেসএক্স।

তবে স্পেসএক্সের এই `উল্কাগতির' প্রবৃদ্ধি নিয়ে বাজার বিশ্লেষকদের একাংশ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। সমালোচকদের মতে, কোম্পানিটি এখনো লাভজনক অবস্থানে না পৌঁছানো এবং এর মোট শেয়ারের মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাজারে উন্মুক্ত থাকায় এটির মূল্যায়ন কিছুটা অতিরিক্ত বা ‘ওভারভ্যালুড’। তা সত্ত্বেও বড় বড় স্টক ইনডেক্সগুলোতে দ্রুত অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়ার কারণে প্যাসিভ ফান্ডগুলো এই শেয়ার কিনতে বাধ্য হচ্ছে, যা বাজারে শেয়ারের সীমিত সরবরাহের বিপরীতে এর চাহিদাকে আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।

হজের ফি আরও কমাতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
  • ১৭ জুন ২০২৬
শাবিপ্রবিতে ৫ দিনব্যাপী সামাজিক গবেষণা দক্ষতা বৃদ্ধি প্রশিক…
  • ১৭ জুন ২০২৬
ঐতিহাসিক রেকর্ড ছোঁয়ার অপেক্ষায় রোনালদো
  • ১৭ জুন ২০২৬
ভোটে হারার পর বেঁকে বসলেন বাড়ির মালিক, ছাড়তে হচ্ছে তৃণমূলের…
  • ১৭ জুন ২০২৬
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীনে চাকরি, আবেদন ১৬ জুলাই…
  • ১৭ জুন ২০২৬
নেত্রকোনায় ষাঁড়ের লড়াইয়ের আড়ালে জুয়ার আসর, গ্রেপ্তার ১৫
  • ১৭ জুন ২০২৬
×