ভয় নেই মার্কিন ‘বন্ড নীতি’ নিয়ে: কাদের জন্য এই নিয়ম জানালেন অ্যাটর্নি রাজু মাহাজন
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পেতে সম্প্রতি চালু হওয়া বন্ড নীতি সাধারণ সকল ভ্রমণকারী বা ব্যবসায়ীদের জন্য নয়, বরং এটি বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অভিবাসন বিষয়ক ল’ফার্ম রাজু ল’ এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল অ্যাটর্নি রাজু মাহাজন, ইএসকিউ। শুক্রবার সন্ধ্যায় দুবাইয়ের একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। এ সময় তার সাথে ছিলেন ফিন্যান্সিয়াল এক্সপার্ট ফারজানা ক্লারা ও দুবাই ইনচার্জ তানিয়া সুলতানা।
সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের মধ্যে সম্প্রতি মার্কিন ট্রাম্প প্রশাসনের ঘোষিত ‘বন্ড নীতি’ নিয়ে যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে, তা নিরসনে এ সময় বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বন্ড মূলত তাদের জন্য যাদের মার্কিন কর্তৃপক্ষ প্রাথমিকভাবে ভিসা দিতে চাইছে না বা যাদের ক্ষেত্রে দেশে ফেরার বিষয়ে কোনো সংশয় রয়েছে। যাদের ইতিমধ্যে ভিসা রয়েছে বা যারা নিয়মিত প্রক্রিয়ায় ভিসা পাচ্ছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই বন্ড কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা নেই। মার্কিন ইমিগ্রেশন বিভাগ যদি মনে করে কাউকে বন্ডের আওতায় আনা প্রয়োজন, তবেই কেবল তাকে এটি জমা দিতে হবে। ভিসা হওয়ার পর ভ্রমণ শেষে ফিরে আসলে বন্ডের পুরো টাকা ফেরত পাওয়া যাবে। এমনকি বন্ড জমা দেওয়ার পর কোনো কারণে ভিসা না হলেও ওই টাকা ফেরতযোগ্য।
অ্যাটর্নি রাজু মহাজন অবৈধ পথে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে আমেরিকায় প্রবেশের ভয়াবহ পরিণতির বিষয়ে প্রবাসীদের সতর্ক করেন। তিনি বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশের চেয়ে ব্যবসার মাধ্যমে বৈধ উপায়ে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী হওয়ার অনেক সুযোগ রয়েছে। তুলনা করলে খরচও কম বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে রাজু ল’ এর দুবাই অফিসে আসার ও ফোন করার পরামর্শ দেন রাজু মাহাজন।
সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে স্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। বক্তারা প্রবাসীদের যেকোনো তথ্যের জন্য দালালের খপ্পরে না পড়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান।

