বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে আসায় সৌদি প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দেলোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করার জন্য প্রবাসী ব্যবসায়ীরা ভূমিকা রাখতে।
সম্প্রতি দাম্মামের প্রাণকেন্দ্র খাজান এলাকায় সৌদি আরবে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ‘আইয়ুব ফাস্ট ট্রেডিং’ অষ্টম শাখা উদ্বোধন শেষে স্থানীয় একটি পাঁচ তারকা হোটেলে স্থানীয় ও প্রবাসী ব্যবসায়ীদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, বাংলাদেশ থেকে উন্নত জীবন যাপনের স্বপ্ন নিয়ে প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার দূরের মরুর দেশ সৌদি আরবে পাড়ি জমায় বাংলাদেশিরা। নিজেদের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তনের সাথে সাথে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রবাসীদের বিশেষ অবদান রয়েছে।
তিনি বলেন, বেশিরভাগ বাংলাদেশি শ্রমিক হিসেবে সৌদি আরবে আসলেও কঠোর পরিশ্রম মেধা, দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে তাদের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন করেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, এসি, ফ্রি এয়ারকন্ডিশন-সহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক স্পেয়ার পার্টস ব্র্যান্ডিংকরে বাজারজাত করছে বাংলাদেশি আইয়ুব ফাস্ট ট্রেডিং কোম্পানি।
মো. দেলোয়ার হোসেন আরও বলেন, প্রবাসীরা এখন বিশ্ব বাজারে ব্যবসায়ী হিসেবেও বাংলাদেশের সুনাম বয়ে আনছে। প্রবাসীদের কল্যাণে যা যা করনীয় সবই করবে দূতাবাস।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন আইয়ুব ফাস্ট ট্রেডিং কোম্পানি চেয়ারম্যান মো. আইয়ুব আলী মিয়া।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর মো. মাহবুবুর রহমান, ট্যুরিজম ব্যবসায়ী শামীম আল আমিন, দাম্মাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের রিজিওনাল ম্যানেজার মো. ওমর ফারুক চৌধুরী, ওহিদুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম আমিন, জিয়া উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার ইয়াসিন মিয়া, ফরিদ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ্ , আলী আনিস খান, সি আই পি একে কাইয়ুম মির্জা, মোহাম্মদ আরমান, মনির জামান, ফারুক মোল্লা, মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান, মোহাম্মদ সাখাওয়াত কামাল, কামাল হোসেন, ও সাইদুল ইসলাম পাটোয়ারী।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আইয়ুব জানান, বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ১০০ বেশি শ্রমিক কাজ করছেন যার ৮০ শতাংশই বাংলাদেশি।
উদ্বোধনকালে প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরত বিভিন্ন স্তরের শ্রমিক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।







