প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ৫ আগস্ট জনগণ স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। এখন স্বস্তি চায়। বিএনপি চেষ্টা করছে জনগণের সম্পদ যাতে জনগণের কাজে লাগানো যায়। বিএনপির পরিকল্পনা হচ্ছে জনগণের পরিকল্পনা। এখন সময় এসেছে দেশটা গড়ে তোলার। ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কাজে লাগাতে হবে। দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে সকলকে হাতে হাত রেখে কাজ করতে হবে- এটাই হবে আমাদের রাজনীতি।
বুধবার ১৭ জুন মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের শক্তি জনগণ। এই জনগণই ১২ তারিখ ভোট দিয়ে আমাদের জয়যুক্ত করেছে। এটা এখন শুধু আমাদের সিদ্ধান্ত নয়, জনগণেরও সিদ্ধান্ত। জনগণ রায় দিয়েছে ৫ বছরের জন্য। অথচ যারা আর টাইম দিতে চায় না, তারা জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি সরকার রক্ষা করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষকদের ১০ হাজার টাকার ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে সরকার। ইমাম-মোয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা দিবে সরকার। আগামী ১ বছরে ৪০ লাখ কৃষককে সহায়তা করবে সরকার। ধীরে ধীরে সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে সরকার।
মৌলভীবাজারের উপজেলা পর্যায়ে সব হাসপাতালকে ১০১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই জেলায় কোন উন্নয়ন হয় নাই। একযুগ ধরে উন্নয়নের ছোঁয়া পায়নি।
তিনি বলেন, আজ বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক ও বাক স্বাধীনতা ফিরে এসেছে। জনগণ ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছে।দেশের মানুষ এখন স্থিতিশীলতা চায়, শান্তি চায়, কর্মসংস্থান চায়। এই অবস্থায় আমরা যদি আমাদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে চাই তাহলে আমাদের পরিশ্রম করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় যারা স্বৈরাচারের সঙ্গে একসঙ্গে আন্দোলন আন্দোলন খেলা খেলেছে, তারা এখন বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না। তিনি প্রশ্ন রাখেন, যারা এমনটা বলে তারা কী চায়? তারা জনগণের বিপক্ষে কথা বলে। তারা নিজেদের স্বার্থে কথা বলছে।
বিরোধী দলের বাজেট সমালোচনা প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, যারা বলে টাকা কোথায় পাব? গত একযুগে আমরা দেখেছি কীভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।







