“বুদ্ধিজীবী” শব্দটি শুনলেই আমাদের মনে ভেসে ওঠে এক ধরনের আলোকিত মানুষের ছবি; যিনি জ্ঞানচর্চা করেন, সমাজকে আলোর পথ দেখান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যার কণ্ঠস্বর প্রতিবাদী হয়ে ওঠে। কিন্তু এই চিত্রটি কি বাস্তব, নাকি আমরা নিজেরাই এমন একটি ধারণা মানসপটে তৈরি করে রেখেছি? ইংরেজি ওহঃবষষবপঃঁধষ (ইনটেলেকচুয়াল) শব্দের বাংলা রূপ “বুদ্ধিজীবী”। কিন্তু শব্দটির অর্থ কেবল “বুদ্ধি দিয়ে জীবিকা নির্বাহকারী” নয়। বরং এটি একটি নৈতিক ও সামাজিক অবস্থান যেখানে জ্ঞান, দায়িত্ব এবং সাহস একসাথে কাজ করে। তবুও প্রশ্ন থেকেই যায় সব শিক্ষিত মানুষ কি বুদ্ধিজীবী? নাকি বুদ্ধিজীবী হওয়া মানে শুধু ডিগ্রি নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করা?
ইতালীয় মার্কসবাদী চিন্তাবিদ আন্তোনিও গ্রামসি (আন্তোনিও গ্রামসি ‘১৮৯১-১৯৩৭’ ছিলেন একজন প্রভাবশালী ইতালীয় মার্ক্সবাদী দার্শনিক, ভাষাবিদ এবং রাজনীতিবিদ। ইতালীয় কমিউনিস্ট পার্টির (পিসিআই) একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও প্রাক্তন নেতা হিসেবে তিনি তাঁর সাংস্কৃতিক আধিপত্যের ধারণার জন্য সর্বাধিক পরিচিত। তার মতানুসারে, শাসক শ্রেণি কেবল বল প্রয়োগের মাধ্যমেই ক্ষমতা বজায় রাখে না, বরং সমাজের সংস্কৃতি এবং ‘সাধারণ জ্ঞান’কে এমনভাবে রূপদান করে যাতে তাদের আধিপত্যকে স্বাভাবিক ও অনিবার্য বলে মনে হয়। ১৯২৬ সালে বেনিতো মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কারারুদ্ধ হয়ে গ্রামসি তাঁর জীবনের বাকি বছরগুলোর বেশিরভাগ সময় বন্দিদশায় কাটান, যেখানে তিনি তাঁর যুগান্তকারী গ্রন্থ ‘কারাগারের নোটবুক’ ‘কোয়াদের্নি দেল কারচেরে’ রচনা করেন। এই লেখাগুলো মার্ক্সবাদী তত্তে¡র মনোযোগ কঠোর অর্থনৈতিক নিয়তিবাদ থেকে সরিয়ে সংস্কৃতি, মতাদর্শ এবং সামাজিক পরিবর্তনে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকার গুরুত্বের দিকে নিয়ে যায়) বুদ্ধিজীবীদের দুই ভাগে ভাগ করেছিলেন- ১. ঞৎধফরঃরড়হধষ ওহঃবষষবপঃঁধষ ট্রেডিশনাল ইনটেলেকচুয়াল ২. ঙৎমধহরপ ওহঃবষষবপঃঁধষ অর্গানিক ইনটেলেকচুয়াল। ট্রেডিশনাল ইনটেলেকচুয়ালরা নিজেদের নিরপেক্ষ মনে করেন যেমন শিক্ষক, লেখক, গবেষক অন্যদিকে অর্গানিক ইনটেলেকচুয়াল যারা নির্দিষ্ট শ্রেণি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ প্রতিনিধিত্ব করেন। গ্রামসির মতে, কোনো বুদ্ধিজীবীই পুরোপুরি নিরপেক্ষ নন। প্রত্যেকেই কোনো না কোনো সামাজিক শক্তির সাথে যুক্ত।
অন্যদিকে ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকো (মিশেল ফুকো ‘১৯২৬-১৯৮৪’ ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি দার্শনিক, ভাবধারার ঐতিহাসিক এবং সমাজতাত্তি¡ক, যার কাজ ক্ষমতা, জ্ঞান এবং সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে এদের সম্পর্ক বিষয়ক ধারণায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল। তিনি তার ‘প্রতœতাত্তি¡ক’ এবং ‘বংশানুক্রমিক’ পদ্ধতির জন্য সর্বাধিক পরিচিত, যা ব্যবহার করে তিনি পরীক্ষা করেছেন কীভাবে উন্মাদনা, যৌনতা এবং অপরাধপ্রবণতার মতো ধারণাগুলো ঐতিহাসিকভাবে নির্মিত হয় এবং সামাজিক ব্যবস্থার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।) -এর মতে, আধুনিক সমাজে বুদ্ধিজীবীরা আর সর্বজনীন সত্যের ধারক নন; বরং তারা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রভিত্তিক জ্ঞান উৎপাদন করেন এবং সেই জ্ঞানের মাধ্যমে ক্ষমতার কাঠামোকে প্রভাবিত করেন। অর্থাৎ, বুদ্ধিজীবী মানে শুধু চিন্তা করা নয় ক্ষমতা, জ্ঞান এবং রাজনীতির সাথে গভীর সম্পর্ক।
বাংলাদেশে “বুদ্ধিজীবী” শব্দটির একটি বিশেষ ঐতিহাসিক গুরুত্ব আছে। ভাষা আন্দোলন (১৯৫২) এই সময়ের শিক্ষিত তরুণ সমাজ ছাত্র, শিক্ষক, লেখক রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সরব হয়। তারা কেবল তাত্তি¡ক আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকেননি; সরাসরি আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের (১৯৭১) সময় বুদ্ধিজীবীরা ছিলেন একটি প্রধান লক্ষ্য। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পরিকল্পিতভাবে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসকসহ অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয় যা ইতিহাসে একটি নির্মম অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে। এই ইতিহাস আমাদের মনে একটি ধারণা তৈরি করেছে বুদ্ধিজীবী মানেই সত্যের পক্ষে ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষ।
বাংলাদেশে প্রায়ই একটি ভুল ধারণা দেখা যায়, যে কেউ শিক্ষক, সাংবাদিক বা লেখক হলেই তাকে “বুদ্ধিজীবী” বলা হয়। কিন্তু এই সংজ্ঞা অত্যন্ত সীমিত। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হতে পারেন দক্ষ গবেষক, কিন্তু তিনি যদি কখনো সামাজিক প্রশ্নে অবস্থান না নেন তাহলে কি তাকে বুদ্ধিজীবী বলা যাবে? একজন সাংবাদিক খবর প্রকাশ করেন কিন্তু যদি তিনি ক্ষমতার চাপে সত্য আড়াল করেন তাহলে তার ভূমিকা কী? এখানে মূল পার্থক্যটি হলো পেশা নয়, অবস্থানই বুদ্ধিজীবীকে সংজ্ঞায়িত করে।
বুদ্ধিজীবী আর পেশাজীবী এক নয়, তবে একজন মানুষ একই সাথে দুটোই হতে পারেন। বুদ্ধিজীবী হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি সমাজ, রাষ্ট্র, সংস্কৃতি, নৈতিকতা এসব বিষয়ে ভাবেন, বিশ্লেষণ করেন এবং মতামত দেন। তারা শুধু নিজের কাজেই সীমাবদ্ধ থাকেন না, বরং সমাজের দিকনির্দেশনা নিয়েও চিন্তা করেন। পেশাজীবী হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি নির্দিষ্ট একটি পেশার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং দক্ষতার সাথে কাজ করেন।
বাংলাদেশে “বুদ্ধিজীবী” শব্দটি একদিকে যেমন সম্মানের, অন্যদিকে তেমনি বিতর্কের। শহীদের স্মৃতি বহন করে এই পরিচয় বিশেষত ১৯৭১ সালের বুদ্ধিজীবী হত্যা কিন্তু স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রশ্ন উঠেছে: আজকের বুদ্ধিজীবীরা কি সত্যিই বুদ্ধির স্বাধীন চর্চা করেন, নাকি তারা কেবল পেশাজীবীর আরেক রূপ?
গ্রামশির “অর্গানিক ইন্টেলেকচুয়াল” ধারণা এখানে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলাদেশে অধিকাংশ বুদ্ধিজীবী কোনো না কোনো রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিক শক্তির সাথে যুক্ত যা তাদের স্বাধীনতা সীমিত বা নিয়ন্ত্রিত করে। এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীর মৌলিক পার্থক্য কোথায়, এবং কেন সেই সীমারেখা আজ এত ঝাপসা অস্পষ্ট। তাত্তি¡কভাবে, বুদ্ধিজীবী হচ্ছেন সমাজের বিবেক। তারা প্রশ্ন তোলেন, অস্বস্তিকর সত্য উচ্চারণ করেন, এবং প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেন।
হুমায়ূন আজাদ (ড. হুমায়ূন আজাদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ও প্রথাবিরোধী কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক, কলামিস্ট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তিনি তাঁর ক্ষুরধার লেখনী এবং সমাজ, রাজনীতি ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে স্পষ্টভাষী সমালোচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ২৮ এপ্রিল ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন বিক্রমপুরের শ্রীনগর উপজেলার রাড়িখাল গ্রামে। ১২ আগস্ট ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দে জার্মানির মিউনিখ শহরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রæয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে ফেরার পথে মৌলবাদীদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন।) একবার বলেছিলেন “বুদ্ধিজীবীরা হচ্ছে সেই মানুষ, যারা সমাজের অসুখ নির্ণয় করে।”
অন্যদিকে আহমদ ছফা (আহমদ ছফা একজন বাংলাদেশি লেখক, ঔপন্যাসিক, কবি। তিনি তাঁর লেখনী ও স্বাধীনচেতা অনমনীয় ব্যক্তিত্বের জন্য বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য স্থান অধিকার করে আছেন। প্রথাবিরোধী ব্যক্তিত্বের কারণে ‘লেখক শিবির পুরস্কার’ এবং বাংলা একাডেমির ‘সাদত আলী আখন্দ পুরস্কার’ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। ২০০১ সালের ২৮ জুলাই ৫৮ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।) বারবার দেখিয়েছেন, কীভাবে বুদ্ধিজীবীরা ক্ষমতার কাছে আত্মসমর্পণ করে নিজেদের অবস্থান হারান।
কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় দেখা যায়, অনেক তথাকথিত বুদ্ধিজীবী প্রশ্ন তোলেন না বরং তারা ক্ষমতার ভাষাকে আরও পরিশীলিত করে সমাজের সামনে উপস্থাপন করেন। তারা হয়ে ওঠেন “ক্ষমতার অনুবাদক” স্বাধীন চিন্তার বাহক নয়। পেশাজীবী মূলত কাজের মানুষ। তাদের পরিচয় নির্ধারিত হয় দক্ষতা, প্রশিক্ষণ ও পেশাগত নীতির মাধ্যমে। একজন ডাক্তার, আইনজীবী বা সাংবাদিক তাদের কাজ সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তাদের কার্যপরিধি সাধারণত নির্দিষ্ট সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ। সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন পেশাজীবী তার পেশাগত নিরাপত্তা রক্ষার জন্য সত্যকে এড়িয়ে যান। অর্থাৎ, তিনি জানেন সমস্যাটা কোথায়, কিন্তু বলেন না কারণ এতে তার অবস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বড় সংকট হলো পেশাজীবীরা খুব কমই বুদ্ধিজীবীর ভূমিকায় যেতে চান।
মূলত রাজনৈতিক মেরুকরণের কারনে এমন পরিস্থিতির সৃস্টি হয়েছে যে, মত প্রকাশ মানেই কোনো না কোনো পক্ষের সাথে যুক্ত হয়ে যাওয়া। চাকরি, পদোন্নতি, সুযোগ সবকিছুই অনেক সময় নির্ভর করে ক্ষমতার সাথে সম্পর্কের ওপর। এক্ষেত্রে ভিন্নমত মানেই “বিতর্কিত” বা “বিপজ্জনক” তকমা লেগে যাওয়। ফলে একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বা সাংবাদিক, যিনি সহজেই বুদ্ধিজীবী হতে পারতেন, তিনি নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখেন পেশার নিরাপদ গÐিতে। সবচেয়ে বড় পার্থক্যটি এখানেই বুদ্ধিজীবী হতে জ্ঞান যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন নৈতিক সাহস।
আজকের অনেক বুদ্ধিজীবী জ্ঞানে সমৃদ্ধ, কিন্তু অবস্থানে আপসকামী। তারা সত্য জানেন, কিন্তু বলেন না; অন্যায় দেখেন, কিন্তু নীরব থাকেন। এই নীরবতাই সবচেয়ে ভয়ংকর কারণ এটি অন্যায়কে বৈধতা দেয়। তবুও পুরো চিত্রটা অন্ধকার নয়। বাংলাদেশে এখনো এমন মানুষ আছেন, যারা পেশাজীবী হয়েও বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালন করছেন। যারা লেখেন, কথা বলেন, ঝুঁকি নেন। তাদের সংখ্যা কম, কিন্তু তারাই সমাজে চিন্তার আলো জ্বালিয়ে রাখেন। বুদ্ধিজীবী আর পেশাজীবীর পার্থক্য আসলে পরিচয়ের নয়। এটি অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য।
একজন পেশাজীবী প্রতিদিনই বুদ্ধিজীবী হয়ে উঠতে পারেন। যদি তিনি সত্যের পক্ষে দাঁড়ান, প্রশ্ন তোলেন, এবং নীরবতার বিনিময়ে নিরাপত্তা বেছে না নেন। অন্যদিকে, একজন বুদ্ধিজীবীও তার মর্যাদা হারাতে পারেন যদি তিনি ক্ষমতার আরামদায়ক ছায়ায় আশ্রয় নেন। সমাজ তখনই এগোয়, যখন তার বুদ্ধিজীবীরা স্বাধীন এবং তার পেশাজীবীরা সৎ। কিন্তু যখন বুদ্ধিজীবীরা নীরব এবং পেশাজীবীরা আপসকামী তখন উন্নয়ন শুধু পরিসংখ্যানে হয়, বাস্তবে নয়।
একজন বুদ্ধিজীবীর সবচেয়ে বড় শক্তি তার জ্ঞান নয় তার নৈতিক সাহস। অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা, জনপ্রিয় মতের বিপরীতে দাঁড়ানো, সত্যকে অস্বস্তিকর হলেও উচ্চারণ করান। এই গুণগুলো ছাড়া বুদ্ধিজীবী কেবল একজন “জ্ঞানকর্মী” কিন্তু সমাজের বিবেক নন। বুদ্ধিজীবীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আলোচিত বিষয় হলো নীরবতা। অনেকে মনে করেন, কথা না বলা মানে নিরপেক্ষ থাকা। কিন্তু বাস্তবে নীরবতা প্রায়ই একটি রাজনৈতিক অবস্থান। যখন অন্যায় ঘটে, তখন চুপ থাকা কি সেই অন্যায়কে মৌন সমর্থন দেওয়া নয়?
সমাজ বুদ্ধিজীবীদের কাছে অনেক কিছু আশা করে সত্য বলা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো, দিকনির্দেশনা দেওয়া। কিন্তু বাস্তবতা হলো রাজনৈতিক চাপ, পেশাগত ঝুঁকি, সামাজিক প্রতিক্রিয়া এসব কারণে অনেক সময় তারা আপস করতে বাধ্য হন। তাহলে প্রশ্ন হলো আমরা কি একজন “নির্ভীক বুদ্ধিজীবী” চাই, নাকি “বাস্তবতার সাথে মানিয়ে নেওয়া একজন মানুষ”? বুদ্ধিজীবী কোনো স্থির পরিচয় নয় এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। একজন মানুষ কখনো বুদ্ধিজীবীর ভূমিকা পালন করতে পারেন,
আবার কখনো সেই ভূমিকা থেকে সরে যেতে পারেন। বুদ্ধিজীবী হওয়া মানে শুধু জ্ঞান অর্জন নয়, বরং সেই জ্ঞানকে সমাজের সামনে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করা।
(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)







