পৃথিবীর সঙ্গে যোগাযোগ থাকবে না আর্টেমিসের চার নভোচারীর

আর্টেমিস-২ মিশনের নভোচারীরা এখন পৃথিবীর যেকোনো মানুষের চেয়ে সবচেয়ে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করছেন। এই চার নভোচারী মহাকাশে পৃথিবী থেকে এতটাই দূরে অবস্থান করছেন যে, তাদের দৃষ্টিতে পৃথিবীর আকার ক্রমাগত ছোট হয়ে ধরা দিচ্ছে। এরপরও তারা যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের হিউস্টনে অবস্থিত নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে একটানা যোগাযোগ বজায় রেখেছেন।
নিয়ন্ত্রণকক্ষে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার কর্মীরা নভোচারীদের সঙ্গে তাদের পরিবারের সংযোগ তৈরি করে দিচ্ছেন, যা তাদের জন্য স্বস্তির। তবে সেই সংযোগও বিচ্ছিন্ন হতে চলেছে।
সোমবার যুক্তরাজ্যের সময় রাত ১১টা ৪৭ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট) নভোচারীদের বহনকারী যানটি যখন চাঁদের পেছন দিকে চলে যাবে, তখন পৃথিবীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বন্ধ থাকবে।
নভোযানে চড়ে চাঁদের পেছন ভাগটা ঘুরে আসতে নভোচারীদের যত সময় লাগবে, ততক্ষণ এমনটা চলবে। কারণ, ওই সময় মহাকাশযান ও পৃথিবীর মাঝখানে চাঁদের অবস্থান থাকবে এবং তা রেডিও ও লেজার সংকেত পৌঁছাতে বাধা দেবে।
মহাকাশযানে করে চাঁদের অপর পাশ ঘুরে আসার সময় প্রায় ৪০ মিনিট ধরে চারজন নভোচারী সম্পূর্ণ যোগাযোগবিচ্ছিন্ন থাকবেন। নিজ নিজ চিন্তা আর অনুভূতির ভেতর ডুবে মহাকাশের অন্ধকারে এগিয়ে চলবেন তারা। এটি হবে নিঃসঙ্গতা আর নীরবতার এক গভীর মুহূর্ত।
আর্টেমিস মিশনে থাকা ওরিয়ন নভোযানের পাইলট ভিক্টর গ্লোভার বলেন, তিনি আশা করেন, ওই সময়কে বিশ্ববাসী একত্র হওয়ার সুযোগ হিসেবে নেবে।









































