ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে স্বস্তির ঈদ যাত্রা
কোনো ভোগান্তি বা বিড়ম্বনা ছাড়াই রাজধানী ছাড়ছেন দক্ষিণবঙ্গের মানুষ। বৃষ্টিস্নাত সকালে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও পদ্মা সেতু হয়ে নির্বিঘ্নে ও স্বস্তিতে ঈদের ছুটির প্রথম দিনে নাড়ির টানে নিজ নিজ ঠিকানায় ছুটছেন তারা।
আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত এই মহাসড়কটিতে ঈদ যাত্রাকে কেন্দ্র করে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেড়েছে। তবে আধুনিক এই এক্সপ্রেসওয়েতে অন্যান্য বছরের মতো কোনো দীর্ঘ যানজট বা দুর্ভোগ চোখে পড়েনি। বরাবরের মতোই স্বস্তিতে ও দ্রুততম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছেন দক্ষিণের যাত্রীরা।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের দীর্ঘ ছুটিকে সামনে রেখে রোববার রাত থেকেই মূলত রাজধানী ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। এ কারণে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়, যা সোমবার সকালেও অব্যাহত রয়েছে। এবারের ঈদ যাত্রায় এক্সপ্রেসওয়েতে দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি এবং মোটরসাইকেলের ব্যাপক আধিক্য দেখা গেছে।
এদিকে পদ্মা সেতুতে যানবাহন পারাপার দ্রুত ও নির্বিঘ্ন করতে সেতু কর্তৃপক্ষ বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। সেতুর টোল প্লাজায় ৮টি বুথ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে টোল আদায় করা হচ্ছে। মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য আলাদা দুটি অতিরিক্ত লেন সংযুক্ত করা হয়েছে এবং দ্রুত টোল দেওয়ার জন্য ইটিসি লেনও পুরোদমে চালু রয়েছে। ফলে টোল প্লাজায় এসে কোনো গাড়িকেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে না।
হাসাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুন অর রশিদ বলেন, পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের ধীরগতি ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সরাতে কিছুটা সময় লাগে। এছাড়া রেকার ঘুরে আসতেও সময় প্রয়োজন হয়। এ কারণে সকালে যান চলাচলে ধীরগতি দেখা দিয়েছিল। তবে এখন এক্সপ্রেসওয়েতে যান চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে।

মঈনউদ্দিন সুমন, মুন্সীগঞ্জ