মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করায় ফার্মেসির মালিককে কারাদণ্ড
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির দায়ে পপুলার মেডিসিন কর্নার অ্যান্ড সার্জিক্যাল ফার্মেসিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং মালিককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ বুধবার (৩ জুন) বিকেল ৫টায় পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের হাসপাতাল মোড় এলাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তামশিদ ইরাম খানের নেতৃত্বে এ অভিযান চালানো হয়।
দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন (৩৬) উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের সরদারহাট এলাকার আলেফ উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে।
জানা গেছে, সম্প্রতি বেসরকারি ক্লিনিকে গাইনি চিকিৎসকের পরামর্শ হুরে জান্নাত নামে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারী পার্শ্ববর্তী পপুলার মেডিসিন কর্নার অ্যান্ড সার্জিক্যাল ফার্মেসি থেকে এইচপিসি (হাইড্রক্সিপ্রোজেস্টেরন ক্যাপ্রোয়েট) ইনজেকশন কিনে শরীরে পুশ করার পর থেকে গর্ভপাতের আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন যাচাই-বাছাই করলে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়টি উঠে আসে এবং ভুক্তভোগী নারী থানায় এবং প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। সেই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আজ (বুধবার) বিকেলে উপজেলা প্রশাসন ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর জেলা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ফার্মেসির মালিক আনোয়ার হোসেনকে আটকসহ বেশকিছু মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল জব্দ করা হয়।
অভিযানে জেলা ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক মেহেদী হাসানসহ থানা পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করে।
মেহেদী হাসান জানান, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পল বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত ফার্মেসির মালিককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। আর কারও বিরুদ্ধে এমন অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

কৃষ্ণ কুমার চাকী, গাইবান্ধা