মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬,
২ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
শিরোনাম: সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ভারতের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব      বাতিল হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবীদের ‘বিশেষ সুবিধা’      ভারতের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে নতুন নির্দেশনা      ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশ: শিক্ষামন্ত্রী      দিল্লিতে রাষ্ট্রীয় সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন তথ্য উপদেষ্টা      দেশে ফিরেছেন ৫৬ হাজারের বেশি হাজি      
ফিচার
কিশোরগঞ্জে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে রক্তিম কৃষ্ণচূড়া
সাব্বির হোসেন, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

গ্রীষ্মের দাবদাহের মাঝেও কিশোরগঞ্জ শহরে প্রকৃতি ছড়িয়ে দিয়েছে রক্তিম সৌন্দর্য। শহরের স্টেশন রোড, সৈয়দ নজরুল চত্বর, গুরুদয়াল সরকারি কলেজের মুক্তমঞ্চসহ বিভিন্ন সড়ক ও প্রতিষ্ঠানের আশপাশজুড়ে ফুটে থাকা কৃষ্ণচূড়া ফুল এখন মুগ্ধ করছে মানুষকে। দূর থেকে তাকালে মনে হয় যেন লাল রঙের কোনো পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে সরেজমিনে শহরের সৈয়দ নজরুল চত্বরে গিয়ে দেখা যায়, কৃষ্ণচূড়া গাছে ফুটে থাকা রক্তিম ফুলে পুরো এলাকা যেন রঙিন হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড গরম উপেক্ষা করেও বিকেলের দিকে সেখানে ভিড় করছেন শহরবাসী। কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন, কেউ পরিবার নিয়ে উপভোগ করছেন প্রকৃতির সৌন্দর্য। গাছের ছায়া আর লাল ফুলের মনোমুগ্ধকর আবহ পুরো এলাকাজুড়ে সৃষ্টি করেছে এক উৎসবমুখর পরিবেশ।

জানা যায়, ২০১২ সালে নরসুন্দা নদী খনন ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের অংশ হিসেবে গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সামনে ‘কিশোরগঞ্জ মুক্তমঞ্চ’ গড়ে তোলা হয়। তখন সেখানে বেশ কয়েকটি কৃষ্ণচূড়া গাছ রোপণ করা হয়। প্রতিবছর গ্রীষ্ম মৌসুমে এসব গাছে ফুল ফুটে শহরের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে তোলে। তবে নগরায়ণ ও আবাসন সম্প্রসারণের কারণে শহরে কৃষ্ণচূড়া গাছের সংখ্যা আগের তুলনায় কমে গেছে। তারপরও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে এখনো কৃষ্ণচূড়া তার রূপ ছড়িয়ে যাচ্ছে।

বত্রিশ এলাকার বাসিন্দা রাজিব সরকার বলেন, ‘পুরো শহরজুড়েই এখন এক অন্যরকম সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে বিকেলের আলোয় কৃষ্ণচূড়ার রঙ আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। যদি আরও বেশি গাছ লাগানো হতো, তাহলে এসব এলাকা পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি পেতে পারত।’

গুরুদয়াল সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী হিমেল মিয়া বলেন, ‘এ বছর ফুলের পরিমাণ যেন আরও বেশি। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, পরিবেশটাও রক্ষা করতে হবে।’

লোকসংস্কৃতি গবেষক জাহাঙ্গীর আলম জাহান বলেন, ‘কৃষ্ণচূড়া শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ করা গেলে আবারও কিশোরগঞ্জ শহর কৃষ্ণচূড়ার রক্তিম সৌন্দর্যে ভরে উঠবে।’

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম পৌর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাদেকুর রহমান বলেন, ‘কৃষ্ণচূড়ার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। সাধারণত এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এ ফুল ফোটে। এটি শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না, নগরের তাপমাত্রা কমাতেও সহায়তা করে।’

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ফিচার- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close