ভালোবাসার লাল গোলাপ শুকোতে না শুকোতেই ক্যালেন্ডারের পাতায় যেন হালকা ঝাপটা লাগে। ১৪ ফেব্রুয়ারির মিষ্টি আবেশ শেষ হতেই ১৫ ফেব্রুয়ারি এসে হাজির হয় এক অদ্ভুত মজার ধারণা নিয়ে, যার নাম ‘থাপ্পড় দিবস’। শুনতে একটু নাটকীয় লাগলেও বিষয়টি আসলে পুরোপুরি হাস্যরসাত্মক ও প্রতীকী।
গতকাল যে হাতে ছিল চকলেট, কার্ড আর প্রেমের প্রতিশ্রুতি, আজ সেই হাতই নাকি দেয় বাস্তবতার হালকা চাপড়! এই ধারণা বাস্তব নয়, বরং প্রেমের অতিরঞ্জিত আবেগের ওপর মজার ব্যঙ্গ যেখানে ভালোবাসার রঙিন কল্পনার পাশে বসে থাকে বাস্তবতার ছোট্ট স্মরণপত্র।
ভ্যালেন্টাইনস ডে এমন এক দিন, যখন মানুষ নিজের অনুভূতিকে একটু বেশি সাজিয়ে তোলে। কেউ কবি হয়ে যায়, কেউ সিনেমার নায়ক-নায়িকা। কিন্তু বাস্তব জীবন তো সবসময় সিনেমার মতো চলে না। তাই পরদিনই যখন দেখা যায় মেসেজের রিপ্লাই আসেনি, গিফট পছন্দ হয়নি বা প্রত্যাশা মতো কিছু ঘটেনি, তখন সেই ছোটখাটো হতাশাগুলো নিয়েই তৈরি হয় এই মজার দিবসের ধারণা। এখানে থাপ্পড় মানে আঘাত নয়; বরং রোমান্টিক কল্পনার ওপর বাস্তবতার আলতো টোকা।
এই দিবসের কোনো আনুষ্ঠানিক ইতিহাস নেই। এটি মূলত ইন্টারনেট যুগের সৃষ্টি, যখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘অ্যান্টি-ভ্যালেন্টাইন উইক’ নামে একটি ট্রেন্ড জনপ্রিয় হয়। সেখানে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কয়েক দিন ধরে মজার সব দিবস বানানো হয় যেমন স্ল্যাপ ডে, কিক ডে ইত্যাদি।