চারদিনের নির্বাচনি ছুটি যেন ঢাকাকে একটু থামার সুযোগ দিয়েছিল। ফাঁকা রাস্তা, কম হর্ন, ধোঁয়াশাহীন আকাশ অল্প সময়ের জন্য হলেও রাজধানীকে চিনতে কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু ছুটি শেষ। ট্রেন, বাস, লঞ্চভর্তি মানুষ আবার ফিরছেন কর্মস্থলের শহরে। আর সেই ফেরা মানেই ঢাকার চেনা ছন্দ, চেনা কোলাহল, চেনা যানজট।
চারদিনের নির্বাচনি ছুটি যেন ঢাকাকে একটু থামার সুযোগ দিয়েছিল। ফাঁকা রাস্তা, কম হর্ন, ধোঁয়াশাহীন আকাশ অল্প সময়ের জন্য হলেও রাজধানীকে চিনতে কষ্ট হচ্ছিল। কিন্তু ছুটি শেষ। ট্রেন, বাস, লঞ্চভর্তি মানুষ আবার ফিরছেন কর্মস্থলের শহরে। আর সেই ফেরা মানেই ঢাকার চেনা ছন্দ, চেনা কোলাহল, চেনা যানজট।
ছুটির দিনগুলোতে যে রাস্তায় পা ফেলতে হতো সাবধানে, সেখানে গাড়ির সংখ্যা ছিল হাতে গোনা। কিন্তু আজ দৃশ্য ভিন্ন। প্রাইভেটকার, বাস, রিকশা, মোটরবাইক সব মিলিয়ে রাস্তায় আবার সেই চেনা চিত্র। ট্রাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির লম্বা সারি জানান দিচ্ছে, শহর আবার তার স্বাভাবিক গতিতে ফিরছে।
একজন যাত্রী বলছিলেন, ‘গ্রামে শান্তি আছে, কিন্তু কাজ তো ঢাকাতেই।’ এই এক বাক্যে যেন শহর-গ্রামের টানাপোড়েন ধরা পড়ে। গ্রামের সবুজ, স্বস্তি, আত্মীয়তার উষ্ণতা পেছনে ফেলে মানুষকে ফিরতেই হয় এই ব্যস্ত নগরে স্বপ্ন আর দায়িত্বের টানে।
একজন যাত্রী বলছিলেন, ‘গ্রামে শান্তি আছে, কিন্তু কাজ তো ঢাকাতেই।’ এই এক বাক্যে যেন শহর-গ্রামের টানাপোড়েন ধরা পড়ে। গ্রামের সবুজ, স্বস্তি, আত্মীয়তার উষ্ণতা পেছনে ফেলে মানুষকে ফিরতেই হয় এই ব্যস্ত নগরে স্বপ্ন আর দায়িত্বের টানে।
ঢাকার যানজট নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই যানজটই যেন শহরের বেঁচে থাকার প্রমাণ। গাড়ির সারি মানে মানুষ কাজে ফিরেছে, ব্যবসা খুলেছে, স্কুল-কলেজ সচল হয়েছে। তবু ভোগান্তি তো আছেই। অফিস টাইমে মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা বাসগুলো যেন সময়কে আটকে রাখে।