লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবালের বিরুদ্ধে মসজিদের উন্নয়ন কাজে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

অপরাধ ও দূর্নীতি

লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলৗ মোঃ ইকবাল হোসেন এর বিরুদ্ধে সাধারন কাজের বিলে ৫

2026-06-10T15:45:55+00:00
2026-06-10T15:45:55+00:00
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক নিবন্ধিত
Advertisement
 
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম: বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ      সংবাদ প্রকাশের পর ঝুপড়ি ঘরে থাকা বৃদ্ধার দায়িত্ব নিলো জেলা প্রশাসক      তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সাথে ইউরোপিয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ      বাজারে চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল রয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী      ১২তম জাতীয় এয়ারগান চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর      ‘সার্কাস ও যাত্রাপালা মানোন্নয়ন কর্মশালা'-এর সমাপ্তি: অশ্লীলতা বর্জন করে সুস্থ সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনার প্রত্যয়      লাইলী বাউলের পাশে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়: ৩ লক্ষ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান      
লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবালের বিরুদ্ধে মসজিদের উন্নয়ন কাজে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম   (ভিজিট : ২৪৮)
লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবালের বিরুদ্ধে মসজিদের উন্নয়ন কাজে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী ইকবালের বিরুদ্ধে মসজিদের উন্নয়ন কাজে ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলৗ মোঃ ইকবাল হোসেন এর বিরুদ্ধে সাধারন কাজের বিলে ৫ শতাংশ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ২.৫ শতাংশ (পিসি) ঘুষ গ্রহনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ঠিকাদারদের সূত্রে জানা যায়, সদ্য যোগদান করেই এলজিইডি সদর উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইকবাল হোসেন টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালবার্ট নির্মাণসহ অন্যান্য কাজ শেষে বিল জমা দিলেই তাকে শতকরা ৫ শতাংশ হারে ও মসজিদ, কবরস্থানসহ অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ২.৫ শতাংশ হারে (পিসি) ঘুষ আদায় হওয়া ছাড়া বিলে স্বাক্ষর করেন না। চলমান কাজে পরিদর্শনে গেলে দিতে হয় মোটা অংকের টাকা ও ভিআইপি ভাবে খাওয়াতে হয়। টাকা দিলে কাজ টেকসই হয়েছে আর না দিলে কাজের ভূল ধরার শেষ নেই। 

সম্প্রতি লক্ষ্মীপর সদরে এলজিইডি’র জেএসআইডিপি’র প্রকল্পের আওতাধীন কিছু মসজিদের উন্নয়ন কাজ শেষে ঠিকাদার কর্তৃক বিল জমা দিলে তিনি পরিদর্শনের নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু কাজ চলমান সময়ে উপজেলা অফিস থেকে কাউকে তদরকি করতে দেখা যায় নি। ঠিকাদার যেমন খুশি কাজ করেন। পরিদর্শনের টাকা হাতে আসলে উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বেল্লাল হোসেন ও কেশব চন্দ দে এর মাধ্যমে মসজিদের কাজের বিলে ২.৫ শতাংশ ও অন্যান্য কাজে ৫ শতাংশ ঘুষ গ্রহন নিশ্চিত হলে বিলে সাক্ষর করেন। 

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায়, তিনি যোগদানের পর থেকেই লক্ষ্মীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য পানি সম্পদ মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে চলেন। দলীয় নেতা-কর্মীরা কিছু বলতে গেলে তিনি থামিয়ে দিয়ে বলেন, মন্ত্রী মহোদয় আমাকে এখানে এনেছেন। আমি কাউকে পরোয়া করি না। আপনাদের কোন বিষয় থাকলে মন্ত্রী আমাকে ফোন দিয়ে বলবেন। উপ-সহকারী বেল্লাল হোসেন এর বাড়ী পাশের উপজেলায় হওয়ায় তিনি প্রভাব খাটিয়ে গড়ে তুলেছেন এক ঘুষ বাণিজ্যের মহা সিন্ডিকেট। তিনি দীর্ঘ দিন সদর উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন। উক্ত বিষয়ে বেল্লাল হোসেন এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই। 

স্থানীয় ঠিকাদাররা আরো জানান, উপজেলা প্রকৌশলী ইকবাল হোসেনকে তার ঘুষের টাকা বুঝিয়ে দেওয়ার পরও তিনি দীর্ঘ দিন ফাইল আটকিয়ে রাখেন। ঠিকাদার গেলে তার ইচ্ছে মতো ঘন্টার পর ঘন্টা বসিয়ে রাখে, আবার বলে এটা উপজেলা ইন্জিনিয়ারের অফিস, এখানে তাগাদা করা যাবে না, বেশি বাড়াবাড়ি হলে বিল পরে হবে। সবাই মফিজের মতো তাঁর কাছে দাড়িয়ে স্যার স্যার করে কাজ আদায় করে নিতে হয়। তিনি ঠিকাদারদের মানুষই মনে করতে চান না। ইকবাল হোসেন বলেন আমি নারায়নগঞ্জে থাকতে এভাবেই চালিয়ে আসছি। এখনতো প্রমোশন হয়েছে। 

ঠিকাদাররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার আসার পর থেকেই মন্ত্রীর দোহাই দিয়ে সব ঠিকাদারদের জিম্মি করে ফেলেছেন। এই রকম ঘুষখোর ও দূর্নীতিবাজ অফিসারের বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহন না করলে লক্ষ্মীপুর এলজিইডি’র প্রতিটি কাজের মান খারাপ হবে, বদনাম হবে। এই বিষয়ে উপ-সহকারী প্রকৌশলী কেশব চন্দ্র দে এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি সাইট ভিজিটে আছেন বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। 

উক্ত বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইকবাল হোসেনের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার সরকারী নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়। এব্যাপারে নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ উজ্জল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে কাজ চলমান অবস্থায় তদারকির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভাই হাজারটা কাজ চলে কয়টা তদারকি করবো। সব কাজ তদারকি করা সম্ভব হয় না। কোন কাজে সু-নির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে আমরা ব্যবস্থা নিই। আমি এখন ব্যাস্ত আছি পরে কথা বলবো।








আরও খবর


Advertisement
Advertisement
Advertisement
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com
সম্পাদক ও প্রকাশক : এ এইচ এম তারেক চৌধুরী
সহ-সম্পাদক: এম এ ওয়াহেদ- ০১৮৫৯-৫০৬৬১৪

প্রধান কার্যালয় : নাহার ম্যানশন ৫ম তলা, ১৫০ মতিঝিল বা/এ, ঢাকা -১০০০। নিউজ রুম: ০২৪৭১১০৪৫৪, ০১৮৮৬৩৩৩০৭৪।
e-mail: 71sangbad@gmail.com, web: 71sangbad.com