মহাখালী ইনিস্টিটিউট অব হেল্থ টেকনোলজি গিলে খাচ্ছে অধ্যক্ষ ডা. মজিদ উদ্দিন ও সহকারী ফেরদৌস সরকার। এই দুজনে মিলে নিয়োগ বানিজ্য, কেনাকাটায় ভুয়া বিল ভাউচার, কোয়ার্টার ভাড়াসহ আই.এইচ.টি প্রতিষ্ঠানটিকে দুর্নীতির স্বর্গ রাজ্যে পরিনত করেছেন। জানা গেছে দুজনের গ্রামের বাড়ী একই এলাকায় হওয়ায় দুর্নীতিতে খুব ভালো ভাবে সমঝোতা করে চলেন।
সূত্রে জানা যায়, ফেসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর মাজেদুল পূর্বে ছিল পিয়ন, এখন সে কেরানী, সাজ্জাদ পূর্বে ছিল পিয়ন, এখন সে কেরানী, আরিফুল রহমানের নিয়োগ ছিল ঝাড়ুদার পদে এখন তাকে পদোন্নতি দিয়ে সহকারী লাইব্রেরীয়ান বানানো হয়েছে। একইভাবে নিম্ন পদে থাকা আরাফাত আরা বর্তমানে ক্যাশিয়ার এর দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এদের সকলকেই অধ্যক্ষ মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে নিয়োগ বিধির তোয়াক্কা না করে পদোন্নতি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র জানায়, অধ্যক্ষ মজিদ উদ্দিন ও প্রধান সহকারী ফেরদৌস উভয়ের বাড়ি রাজশাহী। অধ্যক্ষ ও প্রধান সহকারীর সহযোগিতায় মোটা অংকের ঘুষ নিয়ে নিয়োগ বিধির পরিপন্থী পদোন্নতি দিয়েছেন। এই ফেরদৌস অফিসের কেনাকাটা ও কোয়ার্টার ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যপক অনিয়ম করছেন। অফিস বরাদ্দের আশি ভাগ টাকা ভুয়া বিল ভাউচার দিয়ে মেরেছেন। যদিও ফেরদৌস সরকার জানায়, বিধি অনুযায়ী তিনি পদোন্নতি পেয়েছেন।
টেকনোলজিস্ট আইনুল ইসলাম মহাখালী আইএইচটি বদলি হয়ে আসার পর ফেরদৌস এর সাথে যোগ সাজসে কোয়ার্টার ও হোস্টেলের নিয়ম নিয়তির তোয়াক্কা না করে বাহিরের লোকদের নিকট বেশি টাকায় ভাড়া দেন। সিট থাকার পরও ইনিস্টিটিউটের ছাত্রদের বরাদ্ধ না দিয়ে টাল বাহানা করেন এবং ঘুষ দিলে তাকে সিট বরাদ্ধ দেন।
সূত্র আরো জানায়, আইএইচটি ক্যাম্পাসে চলছে ভয়াবহ মাদক ব্যবসা। সাবেক অধ্যক্ষ গোলাম রাব্বানীর সময় থেকে এখানে এখনো মাদক কেনাবেচা ও মাদক সেবীদের আনাগোনা গভীর রাত পর্যন্ত চলে। এতে ছাত্র-ছাত্রীরা নিরাপত্তা চিন্তায় ভুগছে। মহাখালী আইএইচটি দুর্নীতি মুক্ত ও এর ক্যাম্পাস মাদক মুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলমান রয়েছে, ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে।