শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

তপন কুমার ঘোষ
প্রিন্ট ভার্সন
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী

সম্প্রতি আমার এক নিকট আত্মীয় প্রয়াত হয়েছেন। স্ত্রী জানতে চেয়েছেন, স্বামীর নামে কেনা সঞ্চয়পত্রের নমিনি হিসেবে এখন তাঁর করণীয় কী? এ প্রশ্ন অনেকেরই। এ নিয়ে আলোচনা করার আগে সঞ্চয়পত্রসংক্রান্ত কিছু দরকারি তথ্য একঝলক দেখে নেওয়া যাক।

সঞ্চয়পত্রের বিভিন্ন স্কিম : মধ্যবিত্তের নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সঞ্চয়পত্র বিবেচিত হয়। বর্তমানে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের অধীনে চার ধরনের সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের সুযোগ আছে। এগুলো হচ্ছে পরিবার সঞ্চয়পত্র, পেনশনার সঞ্চয়পত্র, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র। এর মধ্যে তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ তিন বছর। বাকি সব সঞ্চয়পত্রের মেয়াদ পাঁচ বছর। সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা প্রাপ্তবয়স্ক এবং বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। নাবালক বা নাবালকের পক্ষে কোনো প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির সঞ্চয়পত্র কেনার বিধান নেই। সঞ্চয়পত্রের স্কিমভিত্তিক ক্রয়সীমা আছে। এই সীমা পরিবার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে ৪৫ লাখ টাকা ও পেনশনার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে ৫০ লাখ টাকা। পরিবার সঞ্চয়পত্র ও পেনশনার সঞ্চয়পত্র যুগ্ম নামে কেনা যায় না। এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এবং পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের ক্রয়সীমা উভয় ক্ষেত্রে একক নামে ৩০ লাখ টাকা এবং যুগ্ম নামে ৬০ লাখ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ ছাড়া সমন্বিত অর্থাৎ সব স্কিম মিলে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা আছে। পেনশনার সঞ্চয়পত্র বাদে বাকি তিনটি স্কিমে সমন্বিত বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা একক নামে ৫০ লাখ টাকা এবং যৌথ নামে ১ কোটি টাকা। আগেই বলা হয়েছে, পেনশনার সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা ৫০ লাখ টাকা নির্ধারিত আছে। মুনাফার হার নির্ধারণের সময় পুঞ্জীভূত অর্থাৎ সব স্কিমের মোট বিনিয়োগ বিবেচনাপূর্বক প্রযোজ্য হার নিরূপণ করা হয়।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফা : সরকার সঞ্চয়পত্র ইস্যু করে জনগণের কাছ থেকে অর্থ ধার করে। ২০১৯ সালে ‘জাতীয় সঞ্চয় স্কিম অনলাইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ চালুর পর সঞ্চয়পত্র কেনা, ভাঙানো ও পুনর্বিনিয়োগ সহজতর হয়েছে। মুনাফার হার নির্ধারণ পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ছয় মাস পর পর (জানুয়ারি থেকে জুন এবং জুলাই থেকে ডিসেম্বর ভিত্তিতে) সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তবে ইস্যুকালীন বিদ্যমান মুনাফার হার বিনিয়োগের পূর্ণ মেয়াদের জন্য বলবৎ থাকে। সঞ্চয়পত্র যেকোনো সময় ভাঙানো যায়। তবে মেয়াদপূর্তির আগে নগদায়ন করা হলে হ্রাসকৃত হারে মুনাফা প্রাপ্য হয়। পরিবার সঞ্চয়পত্র এবং পেনশনার সঞ্চয়পত্রের মুনাফা মাসিক ভিত্তিতে এবং তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মুনাফা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে পরিশোধ করা হয়। আর পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফা পরিশোধ করা হয় মেয়াদান্তে। পুনর্বিনিয়োগের জন্য আবেদন করা না হলে মুনাফাসহ আসল টাকা মেয়াদপূর্তিতে ক্রেতার ব্যাংক হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হয়। পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পুনর্বিনিয়োগের তারিখের মুনাফার হার প্রযোজ্য হবে।

ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় : সঞ্চয়পত্রের নমিনি সর্বোচ্চ তিনজন পর্যন্ত নিযুক্ত করা যায়। নাবালককেও নমিনি করা যায়। এ ক্ষেত্রে একজন প্রাপ্তবয়স্ক প্রত্যয়নকারী প্রয়োজন হয়, যার জাতীয় পরিচয়পত্র জমা রাখা হয়। যেকোনো সময় নমিনি পরিবর্তনও করা যায়। সঞ্চয়পত্রের ক্রেতার মৃত্যুর পর নমিনি সঞ্চয়পত্র নগদায়ন করে মুনাফাসহ আসল টাকা গ্রহণ করতে পারেন। নমিনির ব্যাংক হিসাবে এটা জমা হবে। নগদ উত্তোলনের কোনো সুযোগ নেই। নগদায়নের জন্য সঞ্চয়পত্র ইস্যুকারী ব্যাংক বা জাতীয় সঞ্চয় ব্যুরো অফিসে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে তার মধ্য আছে; ডাক্তার বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত ক্রেতার মৃত্যুসনদ, জন্ম-মৃত্যুনিবন্ধন কার্যালয় (ইউনিয়ন পরিষদ/সিটি করপোরেশন) প্রদত্ত অনলাইন মৃত্যুসনদ, কবরস্থানের রসিদ/শ্মশানের প্রত্যয়নপত্র, মৃত ব্যক্তির (ক্রেতার) জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি, নমিনির জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি, সঞ্চয়পত্রের ফটোকপি, নমিনির ব্যাংক হিসাব নম্বরসহ একটি চেকের পাতার ফটোকপি ও হিসাব বিবরণী। উল্লেখ্য সব ডকুমেন্ট ও ছবি সত্যায়িত হতে হবে। সঞ্চয়পত্র তাৎক্ষণিক নগদায়ন না করে মেয়াদ পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চলমান রেখে নিয়মমাফিক মাসিক বা ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে মুনাফা গ্রহণ করতে পারবেন নমিনি। তবে এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আবেদন করতে হবে। মেয়াদান্তে আসল টাকা নমিনির ব্যাংক হিসাবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জমা হবে। তবে এই অর্থ সঞ্চয়পত্রে পুনর্বিনিয়োগের কোনো সুযোগ নেই।

♦ লেখক : সাবেক ব্যাংকার ও প্রাবন্ধিক

এই বিভাগের আরও খবর
প্রাণ পাচ্ছে ৮ বিমানবন্দর
প্রাণ পাচ্ছে ৮ বিমানবন্দর
আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ
ইসলামে মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক
ইসলামে মুমিনদের পারস্পরিক সম্পর্ক
কর্মসংস্থানে চাই বিনিয়োগ পরিবেশ
কর্মসংস্থানে চাই বিনিয়োগ পরিবেশ
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক
বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে
বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে
বজ্রপাত নিরোধ কর্মসূচি
বজ্রপাত নিরোধ কর্মসূচি
তোষামোদ নয়, সত্য
তোষামোদ নয়, সত্য
মুমিনের আত্মায় ঝরে তওবার বৃষ্টি
মুমিনের আত্মায় ঝরে তওবার বৃষ্টি
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
সর্বশেষ খবর
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করেন বাবা
‘জীনে নিয়ে গেছে’ বলে গুজব, ২৫ হাজার টাকায় শিশুকে বিক্রি করেন বাবা

২ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?
কিউএস বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কত?

২১ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই
সাবেক প্রতিমন্ত্রী হারুন অর রশীদ আর নেই

৩২ মিনিট আগে | জাতীয়

মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়
মঙ্গলগ্রহে ঘূর্ণায়মান ‘ডাস্ট ডেভিল’ প্রথমবার স্পষ্টভাবে ধরা পড়ল ক্যামেরায়

৩৪ মিনিট আগে | বিজ্ঞান

পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট
পালানোর সময় ফোন ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করে ধরলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট

৪৫ মিনিট আগে | নগর জীবন

সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি
সকালের মধ্যে হতে পারে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি

৪৮ মিনিট আগে | জাতীয়

ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত
ডুয়েটে গবেষণার অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ‘অ্যানুয়াল পেপার মিট’ অনুষ্ঠিত

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?
এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপে কোন ম্যাচে সর্বোচ্চ দর্শক খেলা দেখেছে?

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম
প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে পরিবেশের উন্নয়ন করতে হবে : আব্দুস সালাম

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড
নোয়াখালীতে ইয়াবা সেবনের দায়ে সাতজনের কারাদণ্ড

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা
লেবাননে ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক
দীর্ঘ ১২ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান
প্রতিযোগিতামূলক বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ
মানিক মিয়া এভিনিউ এলাকা সবুজায়ন-নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’
‘হারিয়ে যাওয়া কাউ ঢেউয়া চালতা ফিরিয়ে আনতে হবে’

১ ঘণ্টা আগে | জীবন ধারা

অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা
অপহরণকারীর চিরকুটে বেরিয়ে আসল শিশু হত্যার মূলহোতারা

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা
টঙ্গীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন, কারখানাকে জরিমানা

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা
গ্রুপ পর্বে নেইমারকে পাচ্ছে না ব্রাজিল? যা বলছেন চিকিৎসকরা

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার
নরসিংদীতে সংঘর্ষের পর নদী থেকে আরও ১ মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত
ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে অজ্ঞাত দুইজন নিহত

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট
নরসিংদীতে শিক্ষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, টেবিলে মিলল চিরকুট

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর
ইউজিসি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিবুল, সম্পাদক দস্তগীর

১ ঘণ্টা আগে | ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করবে সরকার : প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

২ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান
চট্টগ্রাম হাসপাতালের আইসিইউ-ওটিতে অত্যাধুনিক কার্ডিয়াক মনিটর প্রদান

২ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার
সোনারগাঁয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কুড়িগ্রামে উপজেলা এসডিজি পরিকল্পনা নিয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই
বৈরি আবহাওয়া এড়াতে আইপিএল এগিয়ে আনতে চায় বিসিসিআই

২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

সর্বাধিক পঠিত
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী
গাবতলী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কোথায় স্থানান্তর হবে, জানালেন সড়কমন্ত্রী

৮ ঘণ্টা আগে | মন্ত্রীকথন

ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের
ইরানের হামলায় ‘হাজার হাজার’ মার্কিন সেনা নিহত: মুখ ফসকে গোপন তথ্য ফাঁস ট্রাম্পের

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা
কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার রোমাঞ্চকর বর্ণনা দিলেন ইরানি পাইলটরা

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প
ইরানের অর্থ ফেরত দিতেই হবে, না হলে ডলারের প্রতি আস্থা কমবে : ট্রাম্প

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার
আমার গোড়ালি ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেত না : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী
৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছেন হাজার হাজার কর্মী

৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের
ভারতের জন্য আকাশপথ বন্ধই থাকছে, নতুন নির্দেশনা জারি পাকিস্তানের

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি
জি-৭ সম্মেলন: জেলেনস্কির কাণ্ডে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির অস্বস্তি

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ
জামায়াত এমপিকে পর্দা ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন দিতে চাইলেন পার্থ

৬ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প
ইরানকে ‌‘জিতিয়ে’ ইসরায়েলের মহাপরিকল্পনায় শেষ পেরেক ঠুকলেন ট্রাম্প

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর
রোনালদোর পর্তুগালকে রুখে দিয়ে ইতিহাস কঙ্গোর

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প
ইরান যে আমাদের হাজার হাজার সেনাকে উড়িয়ে দিল, সেটার কী হবে: ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড
মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে কেইনের নতুন রেকর্ড

১৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি
নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. এজেডএম জাহিদ, প্রজ্ঞাপন জারি

৮ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ
ফের কালো তালিকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী, কঠোর অবস্থানে জাতিসংঘ

১৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন
চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন

৪ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প
ইরানের স্কুলে প্রাণঘাতী হামলা 'যুদ্ধের ভুল' : ট্রাম্প

১১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করা ঠিক হয়নি: ইসরায়েলি কর্মকর্তা

৮ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল
হাইতির বিপক্ষে নামার আগে সুখবর পেল ব্রাজিল

৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!
মেসিকে দলে নিতে চেয়েছিলেন ব্রাজিল প্রেসিডেন্ট!

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ
জানা গেল মেসির সেই কান্নার কারণ

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব
আর্জেন্টিনার রাজধানীতে বাংলাদেশের নামে সড়কের নামকরণের প্রস্তাব

২ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব
তেহরানের বিপুল তহবিলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো নীরব

৫ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?
রোনালদো কি পর্তুগালের বোঝায় পরিণত হচ্ছেন?

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত চুক্তির পথে বাধা হতে পারে যে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান
নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেওয়ার আহ্বান

৭ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার পর বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম

১০ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক
সিটি গ্রুপকে সচল রাখতে ২৬,৬০০ কোটি টাকার ঋণ পুনর্গঠনে ৩৬ ব্যাংক

৮ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো
যুদ্ধ-অবরোধে কি ইরান লাভবান হলো, সিএনএনের বিশ্লেষণে যা উঠে এলো

৭ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা
রোনালদোকে নিয়ে সমালোচনা, সামনে এলো কোহলির সেই পুরোনো সতর্কবার্তা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
জাইমার অন্যরকম আড্ডা
জাইমার অন্যরকম আড্ডা

পেছনের পৃষ্ঠা

সবার আগে নকআউটে কারা
সবার আগে নকআউটে কারা

প্রথম পৃষ্ঠা

সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী
সাশ্রয়ী দামে তেল কিনতে সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন মন্ত্রী

প্রথম পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!
কোটি টাকার কাগুজে গাছ দিচ্ছে না ছায়া!

পেছনের পৃষ্ঠা

বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে
বিচারের জন্য বেনজীরকে ফেরাতেই হবে

সম্পাদকীয়

পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে
পথহারা কূটনীতি, ফেরাতে হবে সঠিক পথে

প্রথম পৃষ্ঠা

ফুটবল উন্মাদনায় দেশ
ফুটবল উন্মাদনায় দেশ

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি
স্বাস্থ্যের পিআইসিইউ প্রকল্পে ভয়াবহ দুর্নীতি

পেছনের পৃষ্ঠা

চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ
চট্টগ্রামে পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের রোডমার্চ

পেছনের পৃষ্ঠা

যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে
যারা বলে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের প্রতি সজাগ থাকতে হবে

প্রথম পৃষ্ঠা

পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য
পূর্বাঞ্চলে ‘ওপেন সিক্রেট’ আরএনবির বদলি বাণিজ্য

নগর জীবন

বিপাকে সানি লিওন
বিপাকে সানি লিওন

শোবিজ

কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা
কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলা

সম্পাদকীয়

বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের
বাংলাদেশে হাসপাতাল করতে ইরানকে প্রস্তাব জামায়াত আমিরের

প্রথম পৃষ্ঠা

মেয়র পদ যাবে কার দখলে
মেয়র পদ যাবে কার দখলে

প্রথম পৃষ্ঠা

স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ
স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

পেছনের পৃষ্ঠা

সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক
সীমান্তে পুশইন-পুশব্যাক

সম্পাদকীয়

দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল
দখল-দূষণে বিলীনের পথে নয়নের খাল

পেছনের পৃষ্ঠা

মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা
মেসি জাদুতে মুগ্ধ তারকারা

শোবিজ

অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট
অটোরিকশার ভাড়া বাড়ানোর লিফলেট

রকমারি নগর পরিক্রমা

স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড
স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যায় স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড

দেশগ্রাম

রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি
রিয়াদ মাহমুদ চৌধুরী স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংকের এমডি

নগর জীবন

টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা
টয়লেট অপসারণ দাবিতে সড়কে শিক্ষার্থীরা

দেশগ্রাম

হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ
হিমাগার ভাড়া বৃদ্ধি, মহাসড়কে আলু ফেলে বিক্ষোভ

দেশগ্রাম

সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন
সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন

প্রথম পৃষ্ঠা

ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য
ভারসাম্য রক্ষা পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য

প্রথম পৃষ্ঠা

চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া
চরাঞ্চলের হতদরিদ্ররা পেলেন ভেড়া

দেশগ্রাম

পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার
পল্লবীতে কিশোর গ্যাংয়ের তিন সদস্য গ্রেপ্তার

নগর জীবন

ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল
ঢাবিতে আর্জেন্টিনা ভক্তদের উল্লাস, আনন্দ মিছিল

নগর জীবন