শিরোনাম
প্রকাশ: ০০:০০, বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

আবদুল আউয়াল ঠাকুর
প্রিন্ট ভার্সন
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল প্রেসিডেন্ট শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের সামনে অত্যন্ত কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। একই সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়ও অপেক্ষা করছে। এই গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন সময়ে আমরা হেসেখেলে চললে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে সময়ের সেরা রিপোর্ট হিসেবে বিবেচনা করলে বলা যায়, সময়টা সত্যিই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, গত কিছুদিনে যা ঘটে চলেছে তা থেকে সমীকরণ টানা খুব সহজ নয়।  একটি সমাজকে বুঝতে হলে যেসব বিষয়ের দিকে চোখ রাখতে হয় তার মধ্যে রয়েছে আর্থসামাজিক বাস্তবতা; ২, অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি; ৩. আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি। সম্প্রতি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘের সাধারণ সভার সভাপতি নির্বাচনকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচনা করা গেলে বলা যায়, এটি একটি ইতিবাচক বাস্তবতা। বিগত ৪০ বছরের মধ্যে এটি বাংলাদেশের একটি বড় বিজয়। যদিও এর আগে যখন এ পদ বাংলাদেশ পেয়েছিল তখন দেশে গণতান্ত্রিক সরকার ছিল না বরং আঁতাতের রাজনীতি চলছিল। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট পরিচিতি অর্জন করেছে। এ নির্বাচনে পাকিস্তানের সমর্থনকেও হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হলেও অর্জন কম নয়। যিনি নির্বাচিত হয়েছেন তিনি মূলত ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতার ফসল। বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে বাংলাদেশে যে গণহত্যা হয়েছে জাতিসংঘের রিপোর্টে তার বিবরণ রয়েছে। সেদিক থেকে দেখলে এই বিজয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের বিজয়ের স্বীকৃতি। আন্তর্জাতিক এই বিজয়ের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা মিলালে ভিন্ন চিত্র আসে। গত কদিনে তিনটি প্রতীকী উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। ১. সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর হটলাইন বিচ্ছিন্ন। ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী সচিবালয়ে অগ্নিকাণ্ডের মতোই উদ্বেগজনক। ২. এক মায়ের প্রতি অবেহেলাকে কেন্দ্র করে জাতীয় বিবেকের উন্মেষ। যদিও এ ধরনের ঘটনা একটি নয়, সারা দেশে অজস্র ঘটছে। ৩. মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের প্রতি নরপশুর হামলে পড়ার ঘটনায় গোটা জাতি মানুষ্যরূপী হিংস্র হায়নার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

এ ধরনের ঘটনা এই প্রথম না হলেও মানুষের রোষ অতীতে কখনো এতটা পরিলক্ষিত হয়নি। এই বাস্তবতায় বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারকে জামায়াতের ভাষায় পথ দেখাতে ছায়া সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এদিকে গোটা জাতি যখন যৌন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে এককাট্টা, ঠিক তখন স্মরণকালের মধ্যে এই প্রথম জাতীয় প্রেস ক্লাবের একজন কথিত সদস্যকে নৈতিক স্খলনের অভিযোগে বহিষ্কার করা হয়েছে। সাংবাদিক ইউনিয়নও সে পথে হাঁটছে। এসব বিবেচনায় অবশ্যই বলা যায়, সমাজের শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরে বিশৃঙ্খলা গেড়ে বসেছে। এই বাস্তবতায় যেখানে জাতি গঠনে সামাজিক শৃঙ্খলা প্রত্যাবর্তনে সম্মিলিত কাজ করার আবশ্যিকতা জরুরি, সেখানে ভিন্নধারার আলামত পাওয়া যাচ্ছে। বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণে সেঞ্চুরি করে উল্লাসে ঘুরে বেড়ানোর মতো প্রগতিশীল পরিস্থিতি যখন সাধারণ চিত্রে পরিণত হয়েছিল, তখন জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির নেতা কাজী ফিরোজ রশীদ তাঁর এক বক্তৃতায় বলেছিলেন, আমাদের মেয়েরা যখন স্কুল-কলেজে যায়, তারা ইভ টিজিংয়ের শিকার হয়। বহু মেয়ে স্কুলে পড়া ছেড়ে দিয়েছে। অনেক মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। অনেকে বাসা পাল্টিয়ে ফেলেছে। বিশেষ করে গার্মেন্টে যাঁরা চাকরি করেন, তাঁদের অবস্থা আরও ভয়াবহ। কর্র্মক্ষেত্রে যাতায়াতের পথে তাঁরা প্রায়ই যৌন নিপীড়নের শিকার হন। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা অহরহ কিন্তু এ যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এর থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। রাজনৈতিক ফ্যাসিবাদের উচ্ছেদ হয়েছে প্রায় ২২ মাস। সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, গেল মে মাসে দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। মনিটরিং প্রতিবেদন অনুযায়ী এপ্রিল মাসে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ছিল ৩১২টি। মে মাসে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২৬টিতে। বলা হচ্ছে- ধর্ষণ সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, যৌন হয়রানি এবং আত্মহত্যার ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। সম্প্রতি যে মাত্রায় কন্যাশিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতন বেড়েছে, তাতে আমাদের কোন পরিবারই নিরাপদ, সে কথা কোনো বিবেচনাতেই বলা যাবে না। আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে একসময় অ্যাসিড সন্ত্রাসের মারাত্মক বিস্তার হয়েছিল। তিনি কঠোর হাতে তা দমন করেছিলেন। আর প্রেসিডেন্ট জিয়ার আমলে বলতে গেলে এসব ছিলই না। অথচ ১৯৭৩-’৭৪ সালের পত্রপত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, স্কুল-কলেজগামী কোনো মেয়ে নিখোঁজ হলে তাদের খুঁজতে গুলিস্তানের একটি যুবসংগঠনের অফিসে যেতে হতো। সুতরাং নারী-শিশুর প্রতি নরপশুদের হামলার পেছনে কোনো না কোনো মহলের ইন্ধন থেকে থাকতে পারে। এর নির্মূল জরুরি। চড়া সুদের ক্ষুদ্রঋণের মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব রয়েছে সমাজে। গ্রাম, মহল্লা, বস্তি বা বাসাবাড়িতে এ ঋণের বিরূপ প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামাজিক নৈরাজ্য বিশৃঙ্খলা এমনকি পারিবারিক হত্যা-আত্মহত্যার ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। ক্রমাগত বেড়ে যাওয়া মূল্যস্ফীতি বাজারদর সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় নানা সংস্থার কাছ থেকে বেঁচে থাকার নিমিত্তে যে কথিত ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করছে, তার পরিণতিতে জর্জরিত মানুষ শেষতক হয় বড় ধরনের জালিয়াতি, অভিনব প্রতারণার আশ্রয় নিচ্ছে। না কুলাতে পারলে শেষে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে। এই প্রবণতা রোধে সরকার শুরু থেকে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করছে ইতোমধ্যে তাকে প্রকাশ্যে ভুয়া বলে চিৎকার করা হচ্ছে। অর্থনৈতিক সংকটের মূলে রয়েছে কর্ম বিনিয়োগের বন্ধ্যত্ব। বেকারের হাতকে কর্মীর হাতে পরিণত করা না গেলে দয়া, দান বা কেবল সাহায্য-সহযোগিতা পরিস্থিতি উত্তরণের পথ বা পদ্ধতি নয়। হতে পারে না। সময় পাল্টেছে পাল্টাচ্ছে। তবু আল্লাহর রসুল (সা.)-এর উদাহরণটি বোধ করি নেওয়া যায়। ভিখারিকে তাঁর সামর্থ্যরে সম্বল বিক্রি করে কুঠার কিনে স্বাবলম্বী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন এবং এতে কাজ হয়েছে। ভিখারির হাতকে স্বাবলম্বীর হাতে পরিণত করেছেন। আমাদের সমাজে এখন শিক্ষিত বেকারসহ কর্মক্ষম শক্তির এক বড় অংশই বেকার। যা কাজ আছে তার মধ্যে যোগ্যতার চেয়ে তদবির বেশি। আসলে বিনিয়োগ বাস্তবতাকে কাজে লাগাতে হলে সুষ্ঠু নীতি ও তার প্রয়োগে সততার কোনো বিকল্প নেই। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে আস্থার ব্যাপারটি খুবই গুরুত্বপুর্ণ। দেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন সমভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বেকারত্ব মোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা না গেলে মাদকসন্ত্রাস রাজনৈতিক অস্থিরতা দমনে সফলতা অর্জন প্রায় অসম্ভব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া দেশীয় ব্যবসায়ীদের ইজ্জত রক্ষার্থে সব ভুলে নিজে লবিং করেছেন। জিম্মাদার হয়েছেন। তার সুফল তিনি পেয়েছেন।

দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন সমাজ শৃঙ্খলাকে ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। এটি ফ্যাসিবাদের চেয়েও মারাত্মক আকার নিয়েছে। চলমান ঘটনাবলি প্রমাণ করে সমাজের একশ্রেণির শিক্ষিত-অশিক্ষিত মানুষের কারণে সমাজ-শৃঙ্খলা বিনষ্ট হওয়ার পথে। একশ্রেণির রাজনীতিক শিক্ষক, আলেম, আমলা, ডাক্তার, প্রকৌশলী, সাংবাদিকসহ সমাজ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অধিকাংশ মানুষই ভুলে গেছে তাদের সামাজিক দায়দায়িত্ব। অর্থের নেশা, মাদকের নেশা, প্রমোশনের নেশা, রাতারাতি টপকে যাওয়ার নেশায় পরিবেশ-প্রতিবেশ চারপাশ সব ভুলে এক আদিম উন্মাদনায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। এই প্রবণতার মূলে কি-কেন হচ্ছে, সেটি দেখার দায়িত্ব সমাজবিজ্ঞানীদের। তাঁরা ঠিক ব্যাপারটিতে আছেন তা মনে হয় না। গভীর গবেষণা ছাড়াও এটা বলা যায়, সমাজে মূল্যবোধের মারাত্মক অবক্ষয় হয়েছে। বিনিময় ছাড়া মানুষ মানুষের উপকার করতে ভুলে গেছে। এ বিনিময়মূল্য কী কতটা কেমন তা নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। বলার অপেক্ষা রাখে না, যথাযথ তদারকির অভাবে সমাজগ্রন্থিতে পচন ধরেছে। মূলত একটি সমাজে নাগরিকরা যখন অধিকার বঞ্চিত থাকে ক্ষমতার দোর্দণ্ড প্রতাপে ও নিয়ন্ত্রণে থাকে তখন মানুষের হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। সমাজ যখন কর্তৃত্ববাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে, তখন সমাজের সামাজিক শক্তির অবক্ষয় অবধারিত হয়ে ওঠে। রাষ্ট্র সমাজে দীর্ঘ সময় কর্তৃত্ববাদের একচ্ছত্র অধিপত্য থাকায় সমাজে যে অচল অবস্থা দৃশ্যমান হচ্ছে এটিকে এক নম্বর সমস্যা হিসেবে শনাক্তকরণ জরুরি। বিষয়টি রাজনীতির অংশ হলেও বিদ্যমান বাস্তবতায় বিশেষ বিবেচনায় দেখা জরুরি। একসময় জাতীয়তাবাদীদের সভায় যাওয়া আলোচনা করাও যখন বিপজ্জনক ছিল তখন যে মানুষটি ঘরে ঘরে গিয়ে নিজের পয়সা খরচ করে নিয়ে এসেছেন পেশাজীবীদের ব্যানারে। আপসহীন নেত্রীকে যিনি মাতৃ সম্মানে দেখেছেন, তিনি এখন সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। সেই ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে সমাজের শ্রেণি-পেশার সহানুভূতিশীল মানুষদের নিয়ে জাতীয় সংস্কার আন্দেলন শুরু করা যেতে পারে। মায়ের প্রতি দায়িত্বে অবহেলার জন্য একজন আমলা সন্তানের ব্যাপারে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় যে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার মনিটরিং জরুরি। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর ফোনের তার যদি চুরি হয় তাহলে সেখানে মনিটরিংয়ের অবস্থা কী-বলার অপেক্ষা রাখে না। সারা দেশে টিএন্ডটির ল্যান্ডফোনের তার আর মাঠে নেই, চোরের পেটে। কেবল চুরির পর ক্যামেরা দেখে শনাক্ত নয়, বরং চুরির সময় হাতেনাতে ধরার ব্যবস্থা জরুরি বিবেচ্য। একে একটি সতর্কবার্তা হিসেবে নেওয়া কর্তব্য।  শিশু ও নারীর ওপর পাশবিকতাকে কঠোর হস্তে দমনের কোনো বিকল্প নেই। শেষ করার আগে শুধু এটুকু বলি, যারা সরকারের ভুল ধরে উচ্ছেদ উৎখাতের ব্যাপারে কোমরে গামছা বেঁধেছে বা বাঁধছেন তারা যদি এর বিপরীতে সামাজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যৌক্তিক ও যুগপৎ কাজ করেন, সেটি সময়ের দাবিকে বেশি প্রতিফলিত করবে। সীমান্তে অসন্তোষ অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা। সব মিলে বলা যায়, দেশ থাকলে ক্ষমতাও থাকবে। আগে দেশ রক্ষা করুন। সামজিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনুন। নাগরিকদের নিজ দেশ ভাবনায় ফিরিয়ে আনুন-সেটা হবে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে মূল ঐক্য।

♦ লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক

এই বিভাগের আরও খবর
বজ্রপাত নিরোধ কর্মসূচি
বজ্রপাত নিরোধ কর্মসূচি
তোষামোদ নয়, সত্য
তোষামোদ নয়, সত্য
মুমিনের আত্মায় ঝরে তওবার বৃষ্টি
মুমিনের আত্মায় ঝরে তওবার বৃষ্টি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
প্লাবনের শঙ্কা
প্লাবনের শঙ্কা
বেনজীর আটক
বেনজীর আটক
মহররম মাসের অপরিসীম গুরুত্ব
মহররম মাসের অপরিসীম গুরুত্ব
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনির করণীয় কী
মা-বাবা যখন অবহেলার শিকার
মা-বাবা যখন অবহেলার শিকার
মনে হওয়ার খেসারত
মনে হওয়ার খেসারত
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
ইসলামে সীমান্ত রক্ষার ৭টি পুরস্কার
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
অস্তিত্বের সংকটে তিতাস
সর্বশেষ খবর
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা
২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে মেসির স্পষ্ট বার্তা

১ সেকেন্ড আগে | মাঠে ময়দানে

আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’
আরও ৩ দেশে ফ্রিজ ও এসি রপ্তানি শুরু করলো ‘ভিশন’

৮ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম
হাবিপ্রবিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বিষয়ে সিম্পোজিয়াম

১২ মিনিট আগে | ক্যাম্পাস

ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের
ছোট ভাইয়ের কোদালের আঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের

১৩ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা
‘মেক্সিকান ওয়াল’ ওচোয়ার অবসরের ঘোষণা

১৩ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের
চুক্তির জন্য ইরানকে বিমানভর্তি অর্থ ঘুষ দিয়েছিলেন ওবামা, বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

১৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’
যুক্তরাষ্ট্রে টুম্পার নির্দেশনায় মামুনুর রশীদের নাটক ‘অমানুষ’

১৬ মিনিট আগে | শোবিজ

একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড
একইদিনে বিশ্বকাপের চার ম্যাচে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

১৮ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি
সংসদে সরকারি ফ্ল্যাটে ওয়াশিং মেশিন ও মাইক্রোওভেন চাইলেন জামায়াত এমপি

২২ মিনিট আগে | জাতীয়

পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির
পর্তুগালের সঙ্গে ভিসা মওকুফ চুক্তি সৌদির

২৪ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স
ইরান চুক্তির শর্তাবলী কেন প্রকাশ করা হচ্ছে না, যা বললেন ভ্যান্স

৩১ মিনিট আগে | পূর্ব-পশ্চিম

কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো
কঙ্গোর বিপক্ষে মাঠে নামলেই যে রেকর্ড গড়বেন রোনালদো

৩১ মিনিট আগে | মাঠে ময়দানে

কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি
কর্মসংস্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্মাননা পেল ইউসিবি

৩২ মিনিট আগে | কর্পোরেট কর্নার

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার : মীর হেলাল

৩৭ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত
কানাডায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

৪০ মিনিট আগে | পরবাস

অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই
অনলাইনে বিক্রির জন্য বাড়িতে রাখা ১৬ পাখি উদ্ধার, গ্রেফতার দুই

৪১ মিনিট আগে | নগর জীবন

সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী
সুস্থ ভূমি ছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়: পরিবেশমন্ত্রী

৪২ মিনিট আগে | মন্ত্রীকথন

রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন
রাজস্ব বাড়াতে আয়কর, ভ্যাট ও কাস্টমসে তিন টাস্কফোর্স গঠন

৫০ মিনিট আগে | অর্থনীতি

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে
ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টা, দুই অভিযুক্ত কারাগারে

৫১ মিনিট আগে | দেশগ্রাম

শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স
শিশু নিসার প্রতি পাশবিকতা গোটা সমাজকে লজ্জিত করেছে: প্রিন্স

৫৬ মিনিট আগে | রাজনীতি

স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক
সীমান্তে পুশ ইন তৎপরতায় মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে: সাইফুল হক

১ ঘণ্টা আগে | রাজনীতি

‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’
‘ফ্যামিলি কার্ড অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে’

১ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
রামগড়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ

১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ
ইবোলা-কোয়ারেন্টাইন পেরিয়ে কঙ্গোর রূপকথার সূচনা আজ

১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার
১৬ দিনে প্রবাসী আয় এলাে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি
চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু অপহরণ, বিছানায় মিলল ৩ লাখ টাকা মুক্তিপণের চিঠি

১ ঘণ্টা আগে | চট্টগ্রাম প্রতিদিন

জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার
জুনের ১৬ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠালেন ১৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলার

১ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

‘জেমস বন্ড’ সিনেমার স্মৃতিবিজড়িত সেই রিসোর্টে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি
‘জেমস বন্ড’ সিনেমার স্মৃতিবিজড়িত সেই রিসোর্টে হবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি

১ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

সর্বাধিক পঠিত
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’
‘ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চায় ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করল যুক্তরাষ্ট্র’

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্বই থাকত না: ট্রাম্প

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি
যে রেকর্ডটা বাকি ছিল, সেটাও ছুঁয়ে ফেললেন মেসি

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!
এমবাপ্পের মনটাই খারাপ করে দিলেন মেসি!

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
নেপালের বোর্ডিং পাসে ইতালি যাত্রা, বিমানের কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

১৯ ঘণ্টা আগে | জাতীয়

হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা
হ্যাটট্রিকে ক্লোসাকে ছুঁলেন মেসি, উড়ছে আর্জেন্টিনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের
‘ইসরায়েল ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের কোনও অস্তিত্ব নেই’— ট্রাম্পকে কটাক্ষ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

৬ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন
শৈলকুপায় বিয়ের দাবিতে যুবকের বাড়িতে গৃহবধূর অনশন

২১ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!
এবার ভারতের মাটিতে সফল পরীক্ষা টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রের!

২৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন
আনচেলত্তির কৌশল বদল, ব্রাজিল একাদশে বড় পরিবর্তন

২১ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)
দেখে নিন মেসির হ্যাটট্রিক (ভিডিও)

৪ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’
প্রতিপক্ষ নয়, বিশ্বকাপে জার্মানির বড় আতঙ্ক এখন ‘বিষাক্ত সাপ’

৭ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন
কেপ ভার্দের সেই গোলরক্ষকের মায়ের পাশে মার্কিন প্রশাসন

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ
আমরাই মেসিকে সুযোগ করে দিয়েছি: আলজেরিয়া কোচ

৫ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স
গোল, রেকর্ড, প্রতিশোধ সব একসঙ্গে: ম্যাচ জিতল ফ্রান্স

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা
রেকর্ড ভেঙে ফ্রান্সের চূড়ায়, এখনও ফুরোয়নি ‘প্রজেক্ট এমবাপ্পে’র ক্ষুধা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়
মেসি এই গ্রহের বাসিন্দা নন, মুগ্ধ  কিংবদন্তিরা ভাসাচ্ছেন প্রশংসায়

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে
মেসির গোলে বাংলাদেশের উৎসব পৌঁছে গেল আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমে

৮ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন
ঝুপড়ি ঘরে এসি-সিসি ক্যামেরা লাগানো সেই মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

২২ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

যখন নগরপিতাই নগরখেকো
যখন নগরপিতাই নগরখেকো

৯ ঘণ্টা আগে | নগর জীবন

তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা
তিনি মানলেন মেসিই সর্বকালের সেরা

১০ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত নয়, প্রয়োজনে আবারও ‘বোমা ফেলার’ হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

৩ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র
৩০০ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড নয়, ইরানে বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দেবে যুক্তরাষ্ট্র

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের
এক ম্যাচ খেলেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার মেয়াদ শেষ ইরানি ফুটবলারের

২৩ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার
রেকর্ডের রাতে এমবাপে, মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন ইতিহাস ফরাসি তারকার

১৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন
ঝিনাইদহে অত্যাধুনিক কসাইখানার উদ্বোধন

৫ ঘণ্টা আগে | দেশগ্রাম

রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক
রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

২৩ ঘণ্টা আগে | অর্থনীতি

রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো
রাতে বিশ্বকাপ মিশন শুরু পর্তুগালের, নেতৃত্বে রোনালদো

৬ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প
লেবাননে হামলা নিয়ে নেতানিয়াহুর ওপর চটলেন ট্রাম্প

১২ ঘণ্টা আগে | পূর্ব-পশ্চিম

মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা
মেসি ৩-০ আলজেরিয়া; আর্জেন্টিনার দারুণ সূচনা

১২ ঘণ্টা আগে | মাঠে ময়দানে

প্রিন্ট সর্বাধিক
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর
সচল হচ্ছে অচল আট বিমানবন্দর

পেছনের পৃষ্ঠা

পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু
পিলারের নিচের মাটি বিক্রি ঝুঁকিতে পদ্মা রেলসেতু

পেছনের পৃষ্ঠা

আজকের ভাগ্যচক্র
আজকের ভাগ্যচক্র

আজকের রাশি

শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী
শিশুর লাশ উদ্ধার ঘিরে রণক্ষেত্র ফলিমারী

প্রথম পৃষ্ঠা

মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান
মুশফিকুলকে দেখতে হাসপাতালে সেনাপ্রধান

প্রথম পৃষ্ঠা

নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা
নিয়ন্ত্রণে আসছে না আইনশৃঙ্খলা

প্রথম পৃষ্ঠা

প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়
প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়

প্রথম পৃষ্ঠা

নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের
নতুন কাঠামোয় কর বাড়ার শঙ্কা চাকরিজীবীদের

পেছনের পৃষ্ঠা

অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট
অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সিলেট

নগর জীবন

ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই
ছিনতাইকারীর হামলায় আহত ওসি এসআই

প্রথম পৃষ্ঠা

পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!
পচা শামুকে পা কাটার ভয় রোনালদোদের!

প্রথম পৃষ্ঠা

গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের
গাছে উঠে অনলাইনে হাজিরা প্রধান শিক্ষকের

পেছনের পৃষ্ঠা

ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি
ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ও ফুটবল রাজনীতি

সম্পাদকীয়

আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প
আসছে দেড় লাখ কোটি টাকার ৩৮ প্রকল্প

পেছনের পৃষ্ঠা

প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক
প্রেমের টানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চীনা যুবক

পেছনের পৃষ্ঠা

বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি
বেনজীরকে ফেরত চেয়ে আমিরাতকে দুদকের চিঠি

প্রথম পৃষ্ঠা

রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা
রেল যোগাযোগের আওতায় আসছে আরও ১০ জেলা

প্রথম পৃষ্ঠা

ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম
ক্রিকেটারদেরই সব কৃতিত্ব : তামিম

মাঠে ময়দানে

রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত
রাজশাহীর আমে মুগ্ধ মার্কিন রাষ্ট্রদূত

পেছনের পৃষ্ঠা

বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর
বড় বাজেটেও বঞ্চনায় রংপুর

নগর জীবন

আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না
আমি না থাকলে ইসরায়েলের অস্তিত্ব টিকত না

প্রথম পৃষ্ঠা

ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের
ডিজিটাল চুক্তি স্বাক্ষর যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের

প্রথম পৃষ্ঠা

বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল
বিনিয়োগ বাড়াতে চার কৌশল

পেছনের পৃষ্ঠা

পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে
পচন ধরেছে সামাজিক গ্রন্থিতে

সম্পাদকীয়

ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা
ডা. নাফিসার মৃত্যুতে স্বামী-শ্বশুরের বিরুদ্ধে মামলা

নগর জীবন

ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট
ঝুলে আছে রিজার্ভ চুরি মামলার চার্জশিট

নগর জীবন

দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি
দিল্লিতে আমার সঙ্গে ব্যবহার যথাযথ হয়নি

প্রথম পৃষ্ঠা

মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ
মেঘনার ভাঙন রোধের দাবিতে পাউবো ঘেরাও সড়ক অবরোধ

দেশগ্রাম

৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা
৩১ বছর পর ফেরদৌস আরা

শোবিজ

পবিত্র আশুরা ২৬ জুন
পবিত্র আশুরা ২৬ জুন

প্রথম পৃষ্ঠা