বরিশালে অর্থনৈতিক শুমারিবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

‘পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য সংগ্রহে কোনো গাফিলতি থাকলে তা পুরো জাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ পরিসংখ্যানের তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে।’

আযাদ আলাউদ্দীন, বরিশাল ব্যুরো

Location :

Barishal
অর্থনৈতিক শুমারিবিষয়ক সেমিনার
অর্থনৈতিক শুমারিবিষয়ক সেমিনার |নয়া দিগন্ত

বরিশালে ‘অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪’-এর ন্যাশনাল রিপোর্টবিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকাল ৯টায় বিভাগীয় প্রশাসন ও পরিসংখ্যান অফিসের আয়োজনে নগরীর সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ। নির্ভুল ও মানসম্মত পরিসংখ্যানের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ‘পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তথ্য সংগ্রহে কোনো গাফিলতি থাকলে তা পুরো জাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ পরিসংখ্যানের তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘গবেষকরা বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণ পরিচালনায় পরিসংখ্যানের তথ্য ব্যবহার করেন। তাই অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণে শতভাগ নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বরিশাল জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো: খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে এবং জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপপরিচালক মো: আতিকুর রহমানের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের যুগ্ম সচিব সালমা পারভীন, বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো: মোস্তাফিজুর রহমান ও উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মী।

উল্লেখ্য, উপস্থাপিত রিপোর্ট অনুযায়ী বরিশাল বিভাগে বর্তমান অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয় লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৪টি। যার মধ্যে স্থায়ী ইউনিট তিন লাখ ৬৬ হাজার ৯৩৮টি, অস্থায়ী ইউনিট ১৯ হাজার ৯৪৬টি ও অর্থনৈতিক খানা রয়েছে দুই লাখ ৭০ হাজার ৬০টি। পক্ষান্তরে, ২০১৩ সালের শুমারিতে অর্থনৈতিক ইউনিটের সংখ্যা ছিল তিন লাখ ৬৮ হাজার ১২৯টি।

অর্থাৎ, বিগত এক দশকে বরিশাল বিভাগে অর্থনৈতিক ইউনিট বৃদ্ধির হার প্রায় ৭৮.৪৫ শতাংশ।