সিডনি এক্সপোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্য প্রদর্শন

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যবস্থাপনায় ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
সিডনি এক্সপোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্য প্রদর্শন
সিডনি এক্সপোতে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক পণ্য প্রদর্শন |সংগৃহীত

অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের প্রচার ও দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সিডনিতে অনুষ্ঠিত ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো ২০২৬’-এ বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) পণ্য ও রফতানি সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পৃষ্ঠপোষকতায় এবং অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের ব্যবস্থাপনায় ১৬ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রদর্শনীর বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন অস্ট্রেলিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দীন। এ প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশী তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী ১১টি স্টল রয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমার্শিয়াল কাউন্সিলর রনি চাকমা এবং আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জুলি হোল্টসহ অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান ও অস্ট্রেলিয়ার আমদানিকারকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পোশাক, জুতা, টেক্সটাইল, ফ্যাশন সামগ্রী এবং হোম ফার্নিশিং পণ্যের জন্য অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক সোর্সিং প্রদর্শনী হিসেবে পরিচিত এ এক্সপোতে ২০টি দেশের ছয় শতাধিক প্রদর্শক অংশ নিচ্ছেন।

বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরতে ১৭ জুন ‘বাংলাদেশ আরএমজি অ্যান্ড আদার ইমার্জিং সেক্টরস : সাসটেইনেবল ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড নিউ হরাইজনস ফর অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ ট্রেড’ (বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও অন্যান্য উদীয়মান খাত : টেকসই উৎপাদন এবং অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত) শীর্ষক একটি সেমিনার হবে।

এছাড়া, বাজারে প্রবেশাধিকার এবং ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ সহজতর করার লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর প্রতিনিধিদের জন্য একটি ব্রিফিং সেশনেরও আয়োজন করে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশ মিশন জানিয়েছে, আয়োজনটি অস্ট্রেলিয়ার বাজারে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করবে এবং ‘বিজনেস-টু-বিজনেস’ আলোচনার মাধ্যমে রফতানি বৃদ্ধির নতুন পথ তৈরি করবে। বাসস