টি-২০ সিরিজ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের স্বল্প পুঁজি

শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল। ২.৫ ওভারে ২৭ রান তোলেন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান মিলে। তবে ওভারের শেষ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তামিম, আউট হন ৯ বলে ১০ রান করে।

নয়া দিগন্ত অনলাইন
শেখ মেহেদী ছাড়া আর কেউ আজ বলার মতো ভালো খেলতে পারেননি
শেখ মেহেদী ছাড়া আর কেউ আজ বলার মতো ভালো খেলতে পারেননি |সংগৃহীত

চট্টগ্রামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুটা মোটেও ভালো হলো না বাংলাদেশের। বুধবার টসে জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯ ওভারে ১৩১ রানেই গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ।

চোটের কারণে এই ম্যাচে খেলতে পারেননি অধিনায়ক লিটন দাস। তার বদলে দলের নেতৃত্ব দেন তাওহীদ হৃদয়। অধিনায়কত্বে অভিষেক হয় এই ব্যাটারের। তবে মুহূর্তটা স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি তিনি।

আজ ব্যাটিং অর্ডারে বেশ গভীরতা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবুও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। থিতু হতে পারেননি কেউ, হতে পারেননি ভরসা।

এদিকে লিটন না থাকায় ব্যাটিং অর্ডারে অদলবদল আসে। যা দলের জন্য ভালো হয়নি। সুবিধা করতে পারেননি কেউই। অযথা শট খেলে উইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছেন সবাই।

শুরুটা অবশ্য ভালোই হয়েছিল। ২.৫ ওভারে ২৭ রান তোলেন তানজিদ তামিম ও সাইফ হাসান মিলে। তবে ওভারের শেষ বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন তামিম, আউট হন ৯ বলে ১০ রান করে।

১৪ বলে ২০ রান নিয়ে পাওয়ার প্লেতে ফেরেন সাইফও। তবুও বাকি ব্যাটারদের নিয়ে আশা ছিল। কিন্তু সবাই হতাশ করেছেন। চারে নেমে ৫ বলে ৮ রানে শেষ হয় তাওহীদ হৃদয়ের দৌড়।

দুই বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে ফেরা সৌম্য সরকারও ছিলেন ব্যর্থ। ১৮ বল খেলে ১৭ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি। পাঁচে নামা পারভেজ ইমন করেন ১২ বলে ১০ রান। ৭৫ রানে ৫ উইকেট হারায় দল।

ছয়ে নামেন আব্দুল গাফফার সাকলায়েন। অভিষিক্ত এই অলরাউন্ডারকে রেখেই ফেরেন শামীম পাটোয়ারী (১)। সাকলায়েনের ব্যাটে আসে ১০ বলে ১০ রান। এরপর হাল ধরেন শেখ মেহেদী।

তার ব্যাটেই মান বাঁচায় বাংলাদেশ। স্পর্শ করে তিন অঙ্কের রান। তাকে রেখেই রিশাদ (৩) ও শরীফুল ইসলাম (৭) আউট হন। ১৭ ওভারে ১০৮ রানে ৯ উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

এরপর শেষ উইকেটে মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে জুটিতে ১২ বলে ২৩ রান যোগ করে দলকে লড়াই করার মতো পুঁজি এনে দেন শেখ মেহেদী। ২২ বলে ২৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার জুয়েল ডেভিস ও অ্যাডাম জাম্পার ৩ উইকেট ও ম্যাট রেনশর জোড়া উইকেটে এক ওভার বাকি থাকতে ১৩১ রান পর্যন্ত পৌঁছায় বাংলাদেশ।