বর্ষার আগেই ঠাকুরানী খাল উদ্ধার করা হবে : পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, বর্ষার আগেই মোংলার ঠাকুরানী খাল উদ্ধার করা হবে। খালটি এখন বন্ধ হয়ে আছে। প্রতিনিয়ত মশার উপদ্রব বাড়ছে এবং জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। খালটি উদ্ধার হলে পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমবে।
আজ রোববার (১০ মে) বিকেলে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে মোংলা নদী পারাপার ঘাট সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বলেন, খালের উপর যারা স্থাপনা করেছে তারা অনেক শক্তিশালী হতে পারে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সম্পত্তির ক্ষেত্রে আমাদের নির্মোহ কাজ করতে হবে। যত দিন মোংলা নদীর উপর ঝুলন্ত ব্রিজ না হচ্ছে তত দিন এখানকার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ যেন স্বাচ্ছন্দ্যে নদী পারাপার হতে পারে সেজন্য টেকসই ঘাট ও ফুল টাইম দুটি ফেরি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঠাকুরানী খাল দখলমুক্ত, নদী পারাপার ঘাট নির্মাণ ও ফুল টাইম ফেরি চলাচলের দৃশ্যমান কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সব বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন ও মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার।
উপস্থিত ছিলেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমি, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি এবং পরিবেশবিদ নুর আলম শেখ।
মতবিনিময় সভায় বিআইডব্লিউটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, ইপিজেড, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পৌর কর্তৃপক্ষ, বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আবু হোসাইন সুমন, মোংলা