উপসম্পাদকীয়

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় মিডিয়ার ব্যর্থতা

কারো প্রতি অনুরাগ বা বিরাগের বশে নয়; সংবাদপত্রের কালো দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে চাই। আমরা এই অঙ্গীকারে দীপ্ত হতে চাই যে, আমরা ঐক্যবদ্ধ, সোচ্চার, সাহসী ও সক্রিয় থাকব, যেন আর কোনো দিন এ দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে এবং গণতন্ত্র চিরকাল অটুট থাকে

জাপান পারলে বাংলাদেশ নয় কেন

জাপান পারলে বাংলাদেশ নয় কেন

পুরনো ট্রেডিং কোম্পানিগুলো যখন জাপানের রফতানি তথা বহির্বাণিজ্যে যথেষ্ট প্রভাব ও অবদান রাখতে সক্ষম বলে স্বীকৃত হতে শুরু করে, তখন জাপান সরকার ট্রেডিং কোম্পানি তথা শোগো শোসাদের সহায়তায় অনেকগুলো পদক্ষেপ নেয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, রাবার, চামড়া ও ফ্যাটের (জাপানিরা সে সময় বলত সানকো আতারাশি মনো বা নতুন তিন পণ্য) বাজার বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষায় উদ্ধার প্যাকেজ প্রদান, কর রেয়াত দ্বারা রফতানিবাজার বাতিল হওয়াজনিত ক্ষতি থেকে পুঁজি পুনর্গঠনের সুযোগ দিয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা। রফতানি নীতিতে এসব লক্ষ্যে বিভিন্ন রেয়াত ও সুবিধার সমাহার ঘটানো হয়। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতামূলক এসব পদক্ষেপে ট্রেডিং কোম্পানিগুলো বহির্বিশ্বে বাজার খুঁজে জাপানি পণ্য উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থায় বিশেষ অবদান রাখার মতো শক্ত সমর্থ হয়ে ওঠে।

বাটে ফেলে কি ডাঁটে চলা যায়

বাটে ফেলে কি ডাঁটে চলা যায়

চব্বিশের জুলাই বাংলাদেশের মানুষের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্ধকার ফুঁড়ে আলো জ্বেলে দিতে শিখে গেছেন তারা। তাকিয়ে দেখুন সীমান্তের দিকে, বিজিবি জওয়ানদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে জনতা। প্রতিরোধে শামিল আছেন ঘরের বউ-ঝিরাও। এই মানব ঢাল ভেদ করার সাধ্য কি ‘বন্ধুদেশে’র আছে?

কমিশনের আধিক্য : ফলাফল শূন্য!

কমিশনের আধিক্য : ফলাফল শূন্য!

শিক্ষার্থীদের স্বাধীন চিন্তার বিকাশ ও সৃজনশীলতা ধ্বংস হয়। বিগত আওয়ামী জমানায় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় দলীয়করণের কারণে শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়েছে। শিক্ষার্থীদের হলে নানা অপসংস্কৃতির বিস্তার ঘটেছে। কোথাও কোথাও ছাত্রদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা হয়েছে। শিক্ষক নিয়োগে মেধার পরিবর্তে ক্ষমতাসীন দলের অনুগত মেধাহীনদের বেছে নেয়া হয়েছে। ফলে শিক্ষার মান দ্রুত হ্রাস পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক রেটিংয়ে এখন বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নেই। এটা চরম লজ্জার

বাজেট ২০২৬-২৭ : লক্ষ্য অর্জন বনাম রূঢ় বাস্তবতা

বাজেট ২০২৬-২৭ : লক্ষ্য অর্জন বনাম রূঢ় বাস্তবতা

রাজস্ব প্রশাসনের আমূল ডিজিটাল রূপান্তর, ব্যাংক খাতে আপসহীন সুশাসন ও খেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, করজালের গুণগত সম্প্রসারণ এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির গুণগত মান নিশ্চিত করা না গেলে এ বাজেটও অতীতে পথ হারানো বাজেটগুলোর মতো আরেকটি বার্ষিক আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হবে। অর্থনীতির বর্তমান বাস্তবতায় তাই বাজেটের মূল প্রশ্নটি এখনো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে- এনবিআরের ছয় লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ কি আসলে আদায় হবে? কারণ এই একটি প্রশ্নের সঠিক উত্তরের ওপর নির্ভর করছে পুরো বাজেটের সাফল্য কিংবা ব্যর্থতা। আয়ের ঘরে শূন্যতা থাকলে ব্যয়ের পরিকল্পনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুখ থুবড়ে পড়বে।