logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/অর্থনীতি
২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার - image

২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার

17 জুন 2026, বিকাল 4:16

দেশের জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে আন্তর্জাতিক স্পট মার্কেট থেকে আরও তিন কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক কোটেশনের মাধ্যমে আমদানি করা এই তিন কার্গো এলএনজির জন্য সরকারের ব্যয় হবে ২ হাজার ১১২ কোটি টাকা, যা চলতি ও গত মাসে কেনা সমপরিমাণ এলএনজি আমদানির খরচের তুলনায় কিছুটা কম।আজ বুধবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ২৭তম সভায় এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের আংশিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।তবে ‘আংশিক অনুমোদন’ বলতে ঠিক কোন অংশ অনুমোদিত হয়েছে, সে বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ উপদেষ্টা আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক ভাইটল এশিয়া এবং অ্যারামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পৃথকভাবে দুটি কার্গো এলএনজি সরবরাহ করবে। অপর একটি কার্গো সরবরাহ করবে যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড।এর আগে ৩ জুন অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত কমিটির সভায় বিপি সিঙ্গাপুর থেকে এক কার্গো এবং টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার থেকে দুই কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ওই তিন কার্গো আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ২ হাজার ৩৭২ কোটি টাকা।মে মাসের শেষদিকে হওয়া ক্রয় কমিটির সভায় দক্ষিণ কোরিয়ার পোসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে দুই কার্গো এবং টোটালএনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়। ওই চালানগুলোর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ৩৩০ কোটি ৮১ লাখ ৬৪ হাজার ৪৩২ টাকা।এরও আগে ৭ মে কমিটির ২০তম সভায় স্পট মার্কেট থেকে তিন কার্গো এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ভাইটল এশিয়া, বিপি সিঙ্গাপুর এবং গানভর সিঙ্গাপুর থেকে কেনা ওই তিন কার্গোর জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ২ হাজার ১৮৬ কোটি ৩৫ লাখ ৪৮ হাজার ২২২ টাকা।বুধবারের সভায় এলএনজির পাশাপাশি ১৫ হাজার টন রক সালফার (ব্রাইট ইয়েলো সালফার ক্রুড) এবং ২৫ হাজার টন বাল্ক গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির কয়েকটি প্রস্তাবও অনুমোদন পেয়েছে।/টি

জুন ১৭, ২০২৬

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে আবারও বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ অবসানসংক্রান্ত সমঝোতার বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ না হওয়া এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে—এমন আশঙ্কায় বাজারে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী চাপ তৈরি হয়েছে। ফলে মঙ্গলবার (১৬ জুন) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ও ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) উভয় তেলের দাম বেড়েছে।বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৮৩ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মানদণ্ড ডব্লিউটিআই তেলের দাম ৪৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ১২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগে সোমবার (১৫ জুন) যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতার ঘোষণা আসার পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৪ শতাংশের বেশি কমে গিয়েছিল।বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা নিয়ে এখনও অনেক প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। পাশাপাশি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে কত সময় লাগবে, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে। এসব কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বেড়েছে এবং তেলের দামে নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।এদিকে, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ইলেকট্রনিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নথিটিতে ট্রাম্প, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ স্বাক্ষর করেছেন। এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শান্তি প্রক্রিয়ার সফল সমাপ্তির প্রতি নিজের অঙ্গীকার তুলে ধরতেই ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে নথিটিতে স্বাক্ষর করতে আগ্রহী ছিলেন।/টিএ

জুন ১৬, ২০২৬

আজকের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এক কোটিরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিস্তারের ফলে প্রতিনিয়ত বাড়ছে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন। প্রবাসী আয় দেশে পাঠানো, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে প্রতিদিনের মুদ্রা বিনিময় হার জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।বুধবার (১০ জুন ২০২৬) বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার প্রকাশ করা হয়েছে। এদিন প্রতি মার্কিন ডলারের বিনিময় মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১২১ টাকা ৬২ পয়সা। এছাড়া ইউরোপীয় ইউরো ও ইতালিয়ান ইউরোর মূল্য ১৪৪ টাকা ১৬ পয়সা এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের মূল্য ১৬৪ টাকা ৩৩ পয়সা রয়েছে।মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মুদ্রার মধ্যে সৌদি রিয়ালের মূল্য ৩২ টাকা ৭৯ পয়সা, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) দিরহাম ৩৩ টাকা ৪০ পয়সা, কাতারি রিয়াল ৩৩ টাকা ৭০ পয়সা এবং ওমানি রিয়াল ৩১৭ টাকা ৯০ পয়সা। অন্যদিকে বাহরাইনি দিনারের মূল্য ৩২৫ টাকা ৯২ পয়সা এবং কুয়েতি দিনার সর্বোচ্চ ৩৯৯ টাকা ৪৪ পয়সায় লেনদেন হচ্ছে।এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মুদ্রাগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়ান রিংগিতের মূল্য ৩০ টাকা ২৮ পয়সা, সিঙ্গাপুর ডলার ৯৫ টাকা ৩৭ পয়সা, অস্ট্রেলিয়ান ডলার ৮৬ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নিউজিল্যান্ড ডলার ৭১ টাকা ৪৯ পয়সা। এছাড়া কানাডিয়ান ডলার ৮৫ টাকা ৭৪ পয়সা, জাপানি ইয়েন ০.৭৬৮ টাকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ান ওনের মূল্য ০.০৮০৪৯৬৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে ভারতীয় রুপির মূল্য রয়েছে ১ টাকা ২৫ পয়সা, সুইস ফ্রাঁ ১৫০ টাকা ৪৬ পয়সা এবং দক্ষিণ আফ্রিকান র্যান্ড ৭ টাকা ৪৩ পয়সা। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহের ওপর ভিত্তি করে যে কোনো সময় মুদ্রা বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই বৈদেশিক লেনদেনের আগে সর্বশেষ হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।/টিএ

জুন ১০, ২০২৬

বাজেটে যেসব পণ্যের দাম কমতে ও বাড়তে পারে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, চিকিৎসাসামগ্রী, প্রযুক্তি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে কর ও শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব আসতে পারে। এতে এসব পণ্যের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে বিলাসী পণ্য, কিছু আমদানি পণ্য, রড ও তামাকজাত পণ্যের ওপর কর ও শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব থাকায় এসবের দাম বাড়তে পারে।আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন। বাজেটের সম্ভাব্য আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা এবং ঘাটতি ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা হতে পারে। প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ৬.৫ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশ নির্ধারণের সম্ভাবনা রয়েছে।এছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রাথমিকভাবে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার হতে পারে, যার মধ্যে বড় অংশ নিজস্ব ও বিদেশি অর্থায়ন থেকে আসবে।যেসব পণ্যের দাম কমতে পারেনিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যচাল, ধান, গম, আলু, পেঁয়াজ ও ভোজ্যতেলসহ প্রায় ৬০টি পণ্যে উৎসে কর কমিয়ে ০.৫ শতাংশ করা এবং কিছু ক্ষেত্রে রেগুলেটরি ডিউটি প্রত্যাহারের প্রস্তাব আসতে পারে।ভোজ্যতেল ও কৃষিখাতদেশীয় তৈলবীজ থেকে উৎপাদিত ভোজ্যতেলে ১০ বছরের কর অব্যাহতির পরিকল্পনা থাকায় স্থানীয় তেলের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।জ্বালানি তেলরিফাইনারি পর্যায়ে উৎসে কর ১.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার প্রস্তাব আসতে পারে।চিকিৎসাসামগ্রী ও ওষুধকিডনি ডায়ালাইসিস ফিল্টারের আগাম কর প্রত্যাহার, ওষুধের কাঁচামালে শুল্ক ও ভ্যাট ছাড় এবং হার্টের রিং ও চোখের লেন্সে ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব রয়েছে।মোবাইল ও টেলিযোগাযোগস্থানীয় মোবাইল উৎপাদনের কাঁচামালে কর কমানো, সিমের কর বাতিল এবং কিছু লাইসেন্স ফি–সংক্রান্ত কর প্রত্যাহারের সম্ভাবনা রয়েছে।বিদ্যুৎ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিদ্যুৎ উৎপাদনে উৎসে কর কমানো এবং সৌরবিদ্যুৎ খাতে দীর্ঘমেয়াদি কর অব্যাহতির প্রস্তাব থাকতে পারে।ইলেকট্রিক যানবাহনইভি চার্জিং স্টেশন, বাস ও ট্রাকে কর শূন্য করার পাশাপাশি নিবন্ধন ফি কমানোর পরিকল্পনা থাকতে পারে।সোনা ও প্রযুক্তিপণ্য সোনা উৎসে কর ও ভ্যাট কমানো এবং কম্পিউটারসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যে আমদানি কর হ্রাসের প্রস্তাব আসতে পারে।যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারেতামাক ও নিকোটিনজাত পণ্যসিগারেট ও নিকোটিন পাউচে উচ্চ হারে সম্পূরক শুল্ক আরোপের প্রস্তাব থাকায় দাম বাড়তে পারে।রড ও নির্মাণসামগ্রীমাইল্ড স্টিলসহ রডজাত পণ্যে ভ্যাট ও কর বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।বিলাসী ও আমদানি পণ্যবিদেশি প্রসাধনী, উচ্চমূল্যের খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন বিলাসী পণ্যে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ভ্যাট আরোপের সম্ভাবনা রয়েছে।কাজুবাদাম ও হিমায়িত মাছকাজুবাদামে শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে এবং হিমায়িত মাছ আমদানিতে ভ্যাট বাড়ানোর প্রস্তাব থাকতে পারে।/টিএ 

জুন ০৯, ২০২৬

ভোক্তাদের আস্থায় গুঁড়া দুধের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আবুল খায়ের গ্রুপ

দেশের গুঁড়া দুধের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আবুল খায়ের গ্রুপ। বর্তমানে এ খাতে ৩৮ শতাংশ মার্কেট শেয়ার নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি দেশের সর্বোচ্চ আমদানিকারক ও বাজারনেতা হিসেবে অবস্থান করছে। গুণগত মান, পুষ্টিগুণ এবং ভোক্তাদের আস্থার ভিত্তিতেই এই অবস্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।আবুল খায়ের গ্রুপের চারটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড—মার্কস, আমা, স্টারশিপ ও অরা—দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এসব ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখো পরিবারের কাছে পুষ্টিকর দুধ পৌঁছে যাচ্ছে।১৯৯৭ সালে বাজারে আসা মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার দীর্ঘদিন ধরে গুণগত মান বজায় রেখে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন করেছে। জনপ্রিয় এই ব্র্যান্ডটি ‘সুপারব্র্যান্ড’ স্বীকৃতিও পেয়েছে।অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আমদানি করা মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, খনিজ উপাদান ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। পানীয় দুধ হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন মিষ্টান্ন ও দুগ্ধজাত খাদ্য তৈরিতেও এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।মার্কসের পণ্যের তালিকায় রয়েছে স্কুলগামী শিশুদের জন্য অ্যাকটিভ স্কুল ও অ্যাকটিভ স্কুল ২ ইন ১, তরুণদের জন্য ইয়াং স্টার, উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ডায়েট, উচ্চ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ গোল্ড এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ডায়াবেটিক ডায়েট।আন্তর্জাতিক মানের পণ্য সরবরাহের পাশাপাশি দেশের মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে আবুল খায়ের গ্রুপ। একই সঙ্গে শিশু ও তরুণদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি আয়োজন করছে ‘মার্কস অল রাউন্ডার’ প্রতিযোগিতা। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতিযোগিতাটি এখন ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বের অপেক্ষায় রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬

গুঁড়া দুধের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে আবুল খায়ের গ্রুপ

দেশের গুঁড়া দুধের বাজারে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠান আবুল খায়ের গ্রুপ। বর্তমানে এই খাতের মোট মার্কেট শেয়ারের ৩৮ শতাংশই প্রতিষ্ঠানটির দখলে, যা তাদের দেশের সর্বোচ্চ আমদানিকারক ও মার্কেট লিডারে পরিণত করেছে। মূলত পণ্যের গুণগত মান, ভোক্তাদের অবিচল আস্থা এবং সঠিক পুষ্টিগুণ নিশ্চিত করার মাধ্যমেই তারা এই সাফল্য বজায় রেখেছে।আবুল খায়ের গ্রুপের চারটি জনপ্রিয় ব্র্যান্ড— মার্কস, আমা, স্টারশিপ ও অরা— দেশের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে আসছে। এসব ব্র্যান্ডের মাধ্যমে প্রতিদিন লাখো পরিবারের কাছে পুষ্টিকর দুধ পৌঁছে যাচ্ছে।১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করে মার্কস ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার সর্বোচ্চ গুণগত মান বজায় রেখে অর্জন করেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি মানুষের আস্থা, পেয়েছে সুপারব্র্যান্ডের খেতাব। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান থেকে আমদানি করা মার্কস ফুল ক্রীম মিল্ক পাউডার ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, খনিজ উপাদান ও প্রোটিনে সমৃদ্ধ। এটি পানীয় দুধ হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন মিষ্টান্ন ও দুগ্ধজাত খাবার তৈরিতেও জনপ্রিয়।মার্কসের পণ্য তালিকায় আরও রয়েছে— স্কুলগামী শিশুদের জন্য মার্কস অ্যাকটিভ স্কুল ও অ্যাকটিভ স্কুল ২ ইন ১, তরুণদের জন্য মার্কস ইয়াং স্টার, উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ মার্কস ডায়েট, উচ্চ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ মার্কস গোল্ড, এবং ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মার্কস ডায়াবেটিক ডায়েট।আন্তর্জাতিক মানের পণ্য, সুষম পুষ্টি এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনের মাধ্যমে আবুল খায়ের গ্রুপ দেশের মানুষের পুষ্টি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।এছাড়াও, শিশু ও তরুণদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে মার্কস অল রাউন্ডার প্রতিযোগিতার আয়োজন করছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতিযোগিতাটি এখন ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। 

জুন ০৬, ২০২৬

আজ থেকে নতুন দামে জ্বালানি তেল

দেশের বাজারে জুন মাসের জন্য পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা বৃদ্ধি করেছে সরকার। নতুন এই মূল্য আজ সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে ডিজেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, ফলে ভোক্তারা আগের নির্ধারিত মূল্যেই ডিজেল কিনতে পারবেন।গতকাল রোববার (৩১ মে) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপনে দেশের ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের নতুন বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি জানানো হয়।নতুন মূল্য অনুযায়ী, অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ১৪০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেরোসিনের দাম ১৩০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ডিজেলের দাম আগের মতোই লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা রাখা হয়েছে।মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ওঠানামার সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে দেশের বাজারে ভোক্তা পর্যায়ের বিক্রয়মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।এর আগে গত ১৮ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১১২ টাকা থেকে ১৩০ টাকা করা হয়। সর্বশেষ জুন মাসের মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে অকটেন, পেট্রোল ও কেরোসিনের দাম আরও এক দফা বৃদ্ধি পেল।/টিএ

জুন ০১, ২০২৬

আজকের মুদ্রাবাজার: ৩১ মে ২০২৬

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বর্তমানে এক কোটির বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পরিধি বাড়ার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনও প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে প্রবাসী আয় দেশে পাঠানো, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা এবং অন্যান্য আর্থিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার বিনিময় হার জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।রোববার (৩১ মে) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন ডলারের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য উভয়ই ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই দিনে ব্রিটিশ পাউন্ডের ক্রয়মূল্য ১৬৫ টাকা ৩৮ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৬৫ টাকা ৪৫ পয়সা। অন্যদিকে ইউরোর ক্রয়মূল্য ১৪৩ টাকা ৩৪ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ১৪৩ টাকা ৩৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া ভারতীয় রুপির ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য উভয়ই ১ টাকা ২৯ পয়সা। অস্ট্রেলিয়ান ডলারের ক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৩৫ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ৮৭ টাকা ৩৬ পয়সা। সিঙ্গাপুর ডলারের ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য ৯৫ টাকা ৭৭ পয়সা এবং বিক্রয়মূল্য ৯৫ টাকা ৮২ পয়সা। একই সময়ে চীনা ইউয়ানের ক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৯২ পয়সা ও বিক্রয়মূল্য ১৭ টাকা ৯৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।এদিকে জাপানি ইয়েনের ক্রয় ও বিক্রয় মূল্য উভয়ই ৭৭ পয়সা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারের পরিস্থিতি, বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা ও সরবরাহ এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকের ওপর ভিত্তি করে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই লেনদেনের আগে সর্বশেষ বিনিময় হার যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।/টিএ

মে ৩১, ২০২৬

বিশ্ববাজারে বাড়ল তেলের দাম

মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের পালটা হামলার পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে তেলের দামে।বৃহস্পতিবার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) জানায়, বন্দর আব্বাস বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে তারা একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের এ পদক্ষেপের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যায়।এর আগে হরমুজ প্রণালির কাছে হুমকি সৃষ্টি করায় ইরানের একটি সামরিক ঘাঁটি এবং চারটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক’ ড্রোন লক্ষ্য করে নতুন হামলা চালায় মার্কিন সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার পরিচালিত ওই হামলার বিষয়টি রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন এক মার্কিন কর্মকর্তা। ফলে দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বেড়েছে।বাজার সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ দশমিক ৫১ ডলার বা ৩ দশমিক ৭২ শতাংশ বেড়ে ৯৭ দশমিক ৮ ডলারে পৌঁছায়। মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কাই এ মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।তবে এর আগে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে এক মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছিল। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সংঘাত নিরসন এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার আশা থেকে বাজারে সেই পতন দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় সেই আশাবাদে ভাটা পড়েছে।/টি

মে ৩০, ২০২৬

মাস্তুল ফাউন্ডেশনের কোরবানিতে ৫০ হাজার মানুষের মুখে হাসি

শিশুদের এই হাসি ঈদে এক টুকরো মাংস পাওয়ার আনন্দের, এই হাসি না-পাওয়ার দীর্ঘ বঞ্চনা ভাঙার। যুদ্ধ আর দারিদ্র্যের কঠিন বাস্তবতায় যেখানে উৎসব মানেই শূন্যতা, সেখানে ঈদের এই সামান্য প্রাপ্তিই তাদের কাছে স্বপ্ন পূরণের মতো। ত্যাগ আর ভাগাভাগির সেই মহিমা নিয়েই এবারের ঈদুল আজহা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৌঁছে গেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা ও সুদানে—মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে। দেশের ৩৬টি জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে ফিলিস্তিন ও সুদানের বিপন্ন মানুষের দোরগোড়ায় কোরবানির গোশত পৌঁছে দিচ্ছে দেশের অন্যতম দাতব্য সংস্থা মাস্তুল ফাউন্ডেশন। “একটি কোরবানি, হাজারো মুখে হাসি”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মাস্তুল ফাউন্ডেশন হাতে নিয়েছে এক বিশাল মানবিক কর্মযজ্ঞ। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে দুর্গম ও অবহেলিত অঞ্চলে ছুটে গিয়ে স্বেচ্ছাসেবকরা প্রান্তিক পরিবার, এতিম শিশু ও বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের মাঝে সুশৃঙ্খলভাবে পৌঁছে দিচ্ছেন পুষ্টিকর কোরবানির মাংস।শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি এই উদ্যোগ। যুদ্ধ, ক্ষুধা ও চরম দারিদ্র্যে বিপর্যস্ত গাজা এবং সুদানের মানুষের মুখে ঈদের হাসি ফোটাতে আন্তর্জাতিক মানবিক নেটওয়ার্কের সহায়তায় পরিচালিত হচ্ছে বিশেষ কার্যক্রম। অবরুদ্ধ গাজার জাবালিয়া, রাফাহ, খান ইউনিস, নুসেইরাতসহ মিশর সীমান্তবর্তী আল-আরিশ অস্থায়ী ক্যাম্পগুলোতেও পৌঁছে যাচ্ছে বাংলাদেশিদের পাঠানো কোরবানির এই সহায়তা।সব মিলিয়ে দেশে ও বিদেশে প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কাছে ঈদের আনন্দ পৌঁছে দিচ্ছে মাস্তুল ফাউন্ডেশন। ত্যাগের প্রকৃত অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। সেই মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করেই সীমানা পেরিয়ে সহমর্মিতার উষ্ণতা ছড়িয়ে দিচ্ছে এই উদ্যোগ—প্রমাণ করে দিচ্ছে, সদিচ্ছা থাকলে মানবতা কোনো সীমান্ত মানে না।/টিএ

মে ২৯, ২০২৬

২৬ মে ২০২৬ : আজকের স্বর্ণের দাম

সবশেষ সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম আরও এক দফা বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে মূল্যবান এই ধাতু দুটি সবশেষ নির্ধারিত উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে। সোমবার সকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর রয়েছে।নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৮ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে। এর আগে গত ২৩ মে বাজুস স্বর্ণের দাম কিছুটা কমিয়েছিল, যেখানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯৬৩ টাকা।স্বর্ণের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে রুপার দামও। ভরিতে ১১৭ টাকা বাড়িয়ে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৭৭৪ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৪০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৭২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৫৫৮ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে।মূল্য ওঠানামার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম রেকর্ড ৬৯ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩৭ বার দাম বাড়ানো এবং ৩২ বার কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, চলতি বছরে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৪০ বার; যার মধ্যে ২২ বার দাম বেড়েছে এবং ১৮ বার কমেছে। উল্লেখ্য, গত ২০২৫ সালেও বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার এবং রুপার দাম ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল।

মে ২৬, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo