logo
youtube logotwitter logofacebook logo
/জাতীয়
আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড - image

আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড

17 জুন 2026, বিকাল 4:42

চট্টগ্রামের আলোচিত পাঁচ বছর বয়সী শিশু আলিনা ইসলাম আয়াত হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. আবিরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে আরও পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম মহানগরের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে একমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক আসামি আবিরকে আদালতে হাজির করা হয়।রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় ৩৩ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও অন্যান্য প্রমাণ বিশ্লেষণ করে আদালত আসামির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত বলে মনে করেছেন। রায়ের পর নিহত আয়াতের বাবা ও মামলার বাদী সোহেল রানা আদালতের সিদ্ধান্তে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, তিনি ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রায় কার্যকরের দাবি জানান তিনি।মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় শিশু আয়াত। পরে পরিবারের আবেদনের পর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে। তদন্তে জানা যায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে ভাড়াটিয়া মো. আবির শিশুটিকে অপহরণ করেন। তবে পরিকল্পনা ব্যর্থ হলে তিনি তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।তদন্তে আরও উঠে আসে, হত্যার পর আবির শিশুটির মরদেহ টুকরো টুকরো করে কেটে সাগরপাড়, খালসহ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেন। এ ঘটনায় ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। অভিযোগপত্রে আবিরের পাশাপাশি তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকেও আসামি করা হয়। কিশোর হওয়ায় দ্বিতীয় আসামির পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বর্তমানে আবির কারাগারে রয়েছেন এবং অপর আসামির বিচার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।টি/

জুন ১৭, ২০২৬

বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে তারা জনগণের বন্ধু নয় : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন এ বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে তারা জনগণের বন্ধু নয়।  বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া কলেজ মাঠে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের উদ্বোধন শেষে বক্তব্যকালে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।তারেক রহমান বলেন, ‘যে বাজেটে ৬০টি পণ্যের উপর থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে, সে বাজেটকে একটি দল গণবিরোধী বাজেট বলেছে। জনগণের জন্য যে বাজেটে সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, সেই বাজেটকে যারা গণবিরোধী বলে তারা কি কখনও জনগণের বন্ধু হতে পারে? তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।’তিনি বলেন, ‘যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়, সেটা সংসদের ভেতরে হোক বা সংসদের বাইরে হোক, তাদের ব্যাপারে আপনাদেরকে সচেতন থাকতে হবে। কারণ এ লোকেরা, এ দলগুলো দেশে যদি অশান্তি করে সুযোগ পায় আমরা ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন করতে পারব না।’তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই বাজেটের মধ্যে বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করেছি, যাতে জিনিসের দাম না বাড়ে। জনগণের কথা চিন্তা করে আমরা ৬০টি নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের উপর থেকে কর প্রত্যাহার করেছি।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যতবারই এই বাংলাদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে, যতবারই দেশের জনগণ নিরপেক্ষভাবে ভোট দিতে পেরেছে, প্রত্যেকবারই মানুষ ধানের শীষকে বেছে নিয়েছে। যদি দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখতে হয়, তাহলে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। জনগণ যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে পারবে না। জনগণ ও ঐক্যবদ্ধ থাকলে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে কেউ নষ্ট করতে পারবে না।’/টি

জুন ১৭, ২০২৬

বেনজীরকে ফেরাতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া চলমান: তথ্য উপদেষ্টা

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে বিচারের মুখোমুখি করতে প্রত্যর্পণের বিষয়ে কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি বিষয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ সময় তিনি দিল্লি বিমানবন্দরে নিজের সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।জাহেদ উর রহমান বলেন, তার ওইদিন ভারতে থাকার কথা ছিল, কিন্তু ঘটনাক্রমে তিনি বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে নয়, সরকার ও রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসেবে ভারতে গিয়েছিলেন। বিমানবন্দরে যা ঘটেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানানো প্রয়োজন বলে মনে হওয়ায় তিনি ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। পরে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে প্রবেশ করে নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে চাইলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তার ভাষ্য, রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট বার্তা দেওয়া প্রয়োজন ছিল যে বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত সরকার এবং অন্য যেকোনো দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাদের একটি পরিষ্কার নীতি রয়েছে।তিনি বলেন, সরকারের নীতি হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। সেই নীতির ভিত্তিতেই অন্যান্য দেশের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। রাষ্ট্রের আত্মসম্মান বা আত্মমর্যাদা বিসর্জন দিয়ে কোনো দেশকে সুবিধা দেওয়ার নীতি সরকার অনুসরণ করবে না। তবে তিনি মনে করেন, দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে কোনো চাপ সৃষ্টি হওয়া উচিত নয়। বিষয়টি নিয়ে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী করণীয় নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তার মতে, এ ঘটনা দুই দেশের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক বা সহযোগিতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না।জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশ পরিবর্তন করা যায় না এবং এ বাস্তবতা ভারতের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভারত বাংলাদেশের সার্বভৌম মর্যাদা ও জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের অবস্থানকে সম্মান করবে। তিনি জানান, তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট এখনো জমা নেওয়া হয়নি এবং এ ঘটনার সঙ্গে পাসপোর্টের কোনো সম্পর্ক নেই। বিমানবন্দরে তার প্রতি প্রয়োজনীয় সৌজন্যের অভাব ছিল বলেই তিনি মনে করেন। ভবিষ্যতে যথাযথ আমন্ত্রণ পেলে তিনি আবারও ভারতে যাবেন এবং সমমর্যাদার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নত করার পক্ষে কাজ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে কোনোভাবেই ‘বিকিয়ে’ দিয়ে বর্তমান সরকার ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পরিচালনা করবে না।

জুন ১৬, ২০২৬

একনেকে সাত হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

দেশের বিভিন্ন খাতে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে নতুন পাঁচটি প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় প্রকল্পগুলো অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমান।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন, জনসেবা সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সৃষ্টির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে প্রকল্পগুলোর বিস্তারিত তথ্য ও খাতভিত্তিক ব্যয় বরাদ্দ পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার ধারাবাহিকতায় নতুন এসব প্রকল্প অনুমোদনকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে চলমান উন্নয়ন কর্মসূচির পাশাপাশি নতুন বিনিয়োগ ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এসব প্রকল্প ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।/টিএ

জুন ১৬, ২০২৬

যেভাবে গ্রেফতার হলেন বেনজীর আহমেদ

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দুবাইয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে আটক করে দুবাই পুলিশ। রোববার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পরে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদও বেনজীরের গ্রেফতারের তথ্য জানান।দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আদেশ দেন। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করা হয় এবং ইন্টারপোলের তথ্যভান্ডারে তাকে মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত করা হয়। এই রেড নোটিশের ভিত্তিতেই আন্তর্জাতিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর সহযোগিতায় তাকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের কাছে রেড নোটিশ জারির আবেদন করা হয়েছিল। বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) তিন ধাপে এসব আবেদন পাঠায়। এর মধ্যে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আবেদনে আর্থিক অপরাধের অভিযোগ তুলে ধরা হয়, আর অন্য কয়েকজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার তথ্য-উপাত্ত সংযুক্ত করা হয়।অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী এবং দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা দায়ের করে দুদক। মামলাগুলোতে পরিবারের বিরুদ্ধে ৭৪ কোটি ১৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার ও র‌্যাবের মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।/টিএ 

জুন ১৫, ২০২৬

রাজধানীর যানজট নিরসনে অগ্রগতি জানতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

রাজধানীর যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনারয় কতখানি অগ্রগতি হয়েছে সেটি হালনাগাদ তথ্য জানতে বৈঠক করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন কক্ষে এই বৈঠক হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানিয়েছেন।তিনি বলেন, কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, সড়কে এআই ক্যামেরা কতগুলো বসানো হয়েছে, বাকিগুলো কবে নাগাদ বসানো হবে সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন।এছাড়া রাজধানীর পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ যানবাহনগুলো সরানোর বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন নির্দেশনা দিয়েছেন বলে রুমনের ভাষ্য।রুমন বলেন, “রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা বসানোর কাজ সম্পন্ন করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের বলেছেন।”রাজধানীর যানজট নিরসন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে এটি প্রধানমন্ত্রীর তৃতীয় বৈঠক।সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা সিটি করপোরেশন দক্ষিনের প্রশাসক আবদুস সালাম, উত্তরের প্রশাসন শফিকুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, স্বরাষ্ট্র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ঊধর্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরীক্ষামূলকভাবে গত ৭ মে থেকে ঢাকার বিভিন্ন ট্রাফিক পয়েন্টে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ। এআইভিত্তিক ক্যামেরাগুলোতে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ লঙ্ঘন শনাক্ত করার সফটওয়্যার সংযোজন করা হয়েছে।এছাড়া গেল মাসের মাঝামাঝিতে রাজধানীর মোট ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে চালু থাকা সিগন্যাল লাইট পয়েন্টে এআই প্রযুক্তির পিটিজেড ক্যামেরা বসিয়ে কাজ করার কথা বলছে পুলিশ।সফটওয়্যারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী আইন লঙ্ঘন হলেই সেই গাড়ি শনাক্ত করছে ক্যামেরা। সে অনুযায়ী ডিজিটাল মামলা দেওয়া হচ্ছে গাড়ির মালিককে।/টিএ

জুন ১৫, ২০২৬

১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল, কার বেতন কত?

১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল, কার বেতন কত?সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর অবশেষে এলো বহুল প্রতীক্ষিত সুখবর। ২০১৫ সালের পর, দীর্ঘ ১১ বছরের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর হতে যাচ্ছে নতুন পে-স্কেল বা নবম জাতীয় বেতন কাঠামো। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটে ঘোষিত এই নতুন কাঠামোতে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখেই মূল বেতন দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারি তহবিলের ওপর চাপ কমাতে পুরো পে-স্কেলটি ৩টি অর্থবছরে ধাপে ধাপে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করা হবে। সেই পরিaকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ১ জুলাই থেকে প্রথম ধাপে সংশোধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ আর্থিক সুবিধা দেওয়া শুরু হবে। জীবনযাত্রার আকাশছোঁয়া ব্যয়ের এই সময়ে নতুন পে-স্কেলের এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশাল এক স্বস্তি বয়ে এনেছে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকালে বাজেট বক্তব্যে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি সায় দিয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, সরকারি কর্মচারীরা বিগত প্রায় ১১ বছর যাবত একই বেতন কাঠামোতে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। ইতোমধ্যে মূল্যস্ফীতিজনিত কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা সরকারি কর্মচারিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও সহায়তার জন্য নতুন বেতন কাঠামো তথা নবম জাতীয় পে স্কেল আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিচ্ছি।তিনি আরও যোগ করেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও অবকাঠামোগত বৈষম্য কমিয়ে সমতাভিত্তিক সুষম উন্নয়নে বহুমুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। অর্থমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর এটি নিশ্চিত যে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো আগামী মাস থেকেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।সর্বশেষ ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ প্রায় ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন স্কেল বা গ্রেড বিন্যাস পাচ্ছেন। নতুন পে স্কেল খাতের জন্য আসন্ন বাজেটে ঠিক কত টাকা এককভাবে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি।নতুন বেতন কাঠামোতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ গ্রেডের মূল বেতনের মধ্যে ১:৮ অনুপাতে পার্থক্য রাখা হয়েছে। বর্তমানে যা ১:৯.০৭৬। এর আগের বেতনকাঠামোতেও একই অনুপাত রেখেছিল কমিশনগুলো।এছাড়া সব পর্যায়ে দ্বিগুণ থেকে আড়াইগুণের মতো মূল বেতন বাড়ানো হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোতে। এর ফলে সর্বনিম্ন গ্রেডে বাড়ি ভাড়াসহ মূল বেতনের সঙ্গে সব ভাতা যোগ করে দাঁড়াবে ৪১ হাজার ৯০৮ টাকা।গ্রেড ১: ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা।গ্রেড ২: ৬৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা।গ্রেড ৩: ৫৬ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ১৩ হাজার টাকা।গ্রেড ৪: ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ টাকা।গ্রেড ৫: ৪৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৬ হাজার টাকা।গ্রেড ৬: ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭১ হাজার টাকা।গ্রেড ৭: ২৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫৮ হাজার টাকা।গ্রেড ৮: ২৩ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৭ হাজার ২০০ টাকা।গ্রেড ৯: ২২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৫ হাজার ১০০ টাকা।গ্রেড ১০: ১৬ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩২ হাজার টাকা।গ্রেড ১১: ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ হাজার টাকা।গ্রেড ১২: ১১ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার ৩০০ টাকা।গ্রেড ১৩: ১১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৪ হাজার টাকা।গ্রেড ১৪: ১০ হাজার ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা।গ্রেড ১৫: ৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ হাজার ৮০০ টাকা।গ্রেড ১৬: ৯ হাজার ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৯০০ টাকা।গ্রেড ১৭: ৯ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার ৪০০ টাকা।গ্রেড ১৮: ৮ হাজার ৮০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২১ হাজার টাকা।গ্রেড ১৯: ৮ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার ৫০০ টাকা।গ্রেড ২০: ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা। 

জুন ১২, ২০২৬

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরা

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতাল ছাড়ছেন রোগীরাআদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পরিচালক (কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স) তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেছেন, ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনার জেরে লাইসেন্স বাতিল হওয়া আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ছাড়ছেন চিকিৎসাধীন রোগীরা। শুক্রবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ১৭৬ জন রোগী চলে গেছেন। তারিকুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার বিকালে যখন লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়, তখন ৪২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে প্রায় ২৫০ জনের মতো রোগী ভর্তি আছেন। বাকিরা বিভিন্ন সময় চলে গেছে।তিনি আরও বলেন, আমরা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আগামী রোববারের মধ্যে আমরা আপিল সম্পন্ন করব।এক প্রশ্নের জবাবে এই কর্মকর্তা বলেন, আমরা চাইলেও এত দ্রুত রোগীদের সরিয়ে দিতে পারি না। তাই যথাসাধ্য সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে অনেক রোগী চলে গেছে। এখন আপিলের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর সবকিছু নির্ভর করছে।গত ২৭ মে সকালে মগবাজারে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়। এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হয়।প্রতিবেদনে বলা হয়, অতিরিক্ত মানুষের উপস্থিতি; দীর্ঘক্ষণ এসি বন্ধ থাকা এবং বিকল্প কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা না থাকা; বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়াই শিশুগুলোর মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ।এ ঘটনায় দেওয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা ‘সন্তোষজনক না হওয়ায়’ বৃহস্পতিবার লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জুন ১২, ২০২৬

জুলাই শহীদ পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা দেয়ার ঘোষণা

চব্বিশের  জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে বিশেষ ভাতা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শহীদ পরিবারের জন্য মাসিক ২০ হাজার টাকা এবং আহত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ক্যাটাগরি অনুযায়ী ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া প্রত্যেকের পরিবারকে মাসিক ২০ হাজার টাকা সম্মানি ভাতা দেওয়া হবে। একই হারে ভাতা পাবেন গুরুতর আহত ‘এ’ ক্যাটাগরির জুলাই যোদ্ধারা। ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির আহতদের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা ভাতার প্রস্তাব করা হয়েছে।শুধু ভাতাই নয়, গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধাদের জন্য বিশেষ করসুবিধাও দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ করদাতাদের তুলনায় তাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে।‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ প্রতিপাদ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। ফলে বাজেট ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭ দশমিক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে দেশের ৫৫তম বাজেট উপস্থাপন করা হয়। বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এটি প্রথম বাজেট। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন অর্থবছর কার্যকর হবে।/টি

জুন ১১, ২০২৬

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। দেশের ৫৫তম বাজেট আর বিএনপি জোট সরকারের সংসদে এটি প্রথম বাজেট। আজ  বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত এই বাজেট উত্থাপন করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ব্যয় প্রাক্কলন করা হয়েছে বাজেট প্রস্তাবনায়, যা জিডিপির ১৩.৭ শতাংশ এবং বিগত অর্থবছরের বাজেটের তুলনায় ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বেশি। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩ লাখ কোটি টাকাসহ মোট উন্নয়ন ব্যয় ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা এবং পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে মোট ৬ লাখ ২১ হাজার ৯২৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে, যা জিডিপির ১০.২ শতাংশ। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের মাধ্যমে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যান্য উৎস থেকে ৯১ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মোট উন্নয়ন ব্যয় চলতি অর্থবছরের বরাদ্দ (সংশোধিত) ২৭.২৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করার এবং পরিচালন ব্যয় চলতি অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে আগামী অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রদানের ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে অপরিহার্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি খাত ও তৃণমূলের মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি বিনিয়োগ ও টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে মোট ২ লাখ ৭৯ হাজার ১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ২৯.৭৪ শতাংশ। ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৮ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ১৮.৬৬ শতাংশ। সাধারণ সেবা খাতে প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ১১৭ কোটি টাকা, যা মোট বরাদ্দের ২৬.১৩ শতাংশ। সামাজিক খাতের বর্ধিত ও সর্বোচ্চ ব্যয় প্রস্তাব সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেয়ার প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়াবে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে মোট ঘাটতির মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে এবং ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা বৈদেশিক উৎস হতে নির্বাহ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ উৎসের মধ্যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা নির্বাহ করা হবে। চলতি ২০২৩-২৬ অর্থবছরে যা ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ ব্যাংকিং ব্যবস্থা থেকে ঋণ গ্রহণের পরিমাণ আগামী অর্থবছরে ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।/টি 

জুন ১১, ২০২৬

মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন

মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠকে জাতীয় সংসদে উপস্থাপনের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ মন্ত্রিপরিষদের অন্য সদস্যরা অংশ নেন।আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।অনুমোদিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বিকেল ৩টায় জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করবেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।ফলে আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান দাঁড়াচ্ছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। বাজেটের বিশাল এই ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—দুই উৎস থেকেই অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংকব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হবে। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। এ ছাড়া বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হবে এবং পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানিয়ে সই করবেন। ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর।/টি

জুন ১১, ২০২৬

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা এক গর্বের নাম : প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা এক গর্বের নাম বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অবদান এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশ্বমঞ্চে শান্তি, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং মানবতার পক্ষে বাংলাদেশ তার অবস্থান সুদৃঢ় রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।বুধবার (১০ জুন) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এক গৌরবের ইতিহাস হয়ে থাকবে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বমঞ্চে আমাদের শান্তিরক্ষীরা যে কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েই সম্ভব হয়েছে। দেশের এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয়, সেটি রক্ষা করা সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান কর্তব্য।এর আগে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বশান্তি রক্ষায় অসামান্য অবদান রাখা এবং কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গকারী বীর শান্তিরক্ষীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কর্মরত অবস্থায় ২০২৫ সালে সুদানে শাহাদাতবরণকারী ৬ সেনাসদস্যের স্ত্রীর হাতে বিশেষ সম্মাননা তুলে দেন। ওই হামলাসহ সম্প্রতি চলমান মিশনগুলোতে আহত সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের হাতেও সম্মাননা তুলে দেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেওয়া সদস্যদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি কুশল বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। /টিএ 

জুন ১০, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo