logo
youtube logotwitter logofacebook logo

রামিসা

রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী - image

রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

21 মে 2026, বিকাল 5:35

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুতই শেষ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ । বৃহস্পতিবার (২১ মে) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে রামিসা হত্যাকাণ্ড ও সমসাময়িক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রো-অ্যাকটিভ কাজ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সরকার গঠনের পর এ জাতীয় ক্রাইম (ধর্ষণ-হত্যাকাণ্ড) যা হয়েছে, সবগুলোতেই পুলিশ কাজ করেছে। দ্রুত সময়ের আসামিদের মধ্যে গ্রেফতার করেছে। তিনি আরও বলেন, শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেইসঙ্গে আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষে চার্জশিট দাখিল করা হবে। সংক্ষিপ্ত সময়ে বিচারিক প্রক্রিয়াও শেষ হবে।গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার (৭) মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা হয়। প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে সোহেলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে সোহেল রানা। 

মে ২১, ২০২৬
রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী - image

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

21 মে 2026, বিকাল 11:12

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের বাসায় গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি রামিসার মা-বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এবং তাদের সান্ত্বনা দিতে সেখানে যান।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাতে মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষ করেই নিহত শিশুর পরিবারের খোঁজখবর নিতে সরাসরি পল্লবীতে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তিনি রামিসার শোকসন্তপ্ত মা-বাবার সঙ্গে বেশ কিছু সময় কাটান এবং এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।  

মে ২১, ২০২৬
নাটোরে শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন - image

নাটোরে শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন

23 মে 2026, বিকাল 1:36

নাটোর প্রতিনিধি, শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদ এবং এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নাটোরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে নাটোর প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি। তারা শিশু নির্যাতন ও হত্যার ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ সময় বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

মে ২৩, ২০২৬
রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী - image

রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু ঈদের পর: আইনমন্ত্রী

23 মে 2026, বিকাল 3:29

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ডিএনএ টেস্টের রিপোর্ট ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে ঈদের আগেই চার্জশিট দেওয়া সম্ভব বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৩ মে) রাজধানীতে লিগ্যাল এইডের এক অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।আইনমন্ত্রী জানান, ডিএনএ রিপোর্ট ছাড়া চার্জশিট দিলে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। তাই রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরপরই পুলিশ চার্জশিট দেবে। তিনি আরও বলেন, ঈদের ছুটির পরপরই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু হবে।উল্লেখ্য, গত ১৯ মে সকালে পল্লবীর একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে বাথরুম থেকে তার খণ্ডিত মাথা পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রধান আসামি সোহেল রানা গ্রেফতার হয়ে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

মে ২৩, ২০২৬
রামিসা হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে পুলিশের চার্জশিট - image

রামিসা হত্যা: সোহেল ও তার স্ত্রীকে অভিযুক্ত করে পুলিশের চার্জশিট

24 মে 2026, বিকাল 4:48

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলায় অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। এতে সোহেলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে হত্যায় সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়েছে।আজ রোববার (২৪ মে) দুপুরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতারে সক্ষম হয় পুলিশ।এ ঘটনায় পরের দিন বুধবার ভিকটিমের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা ওইদিনই আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে জবানবন্দিতে জানায় এই ঘাতক।জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এ সময় সোহেল তাকে গলাকেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানায়, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে তার পূর্ব কোনো শত্রুতা ছিল না।

মে ২৪, ২০২৬
রামিসা হত্যার বিচার শুরু, মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণ - image

রামিসা হত্যার বিচার শুরু, মঙ্গলবার সাক্ষ্যগ্রহণ

01 জুন 2026, বিকাল 3:43

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।আজ সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামীকাল মঙ্গলবার (২ জুন) সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর দিন ধার্য করা হয়েছে।এ দিন আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুল রহমান দুলু আসামিদের অভিযোগপত্র পড়ে শোনান। এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে প্রিজনভ্যানে করে তাদের আদালতে আনা হয়।মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামি সোহেল রানা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে যায়। পরে স্কুলে যাওয়ার জন্য রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে তার মা আসামিদের কক্ষের সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান। কোনো সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করলে সোহেল ও স্বপ্না আক্তারের শোবার ঘরে রামিসার মাথাবিহীন মরদেহ এবং একটি বালতিতে তার মাথা দেখতে পান। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন স্বপ্না আক্তার।ওই দিনই শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে আটক করে পুলিশ। পরদিন ২০ মে সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।/টিএ 

জুন ০১, ২০২৬
রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার - image

রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববার

06 জুন 2026, বিকাল 3:12

রামিসা হত্যা মামলার রায় রোববাররাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা বহুল আলোচিত মামলার রায় রবিবার (৭ জুন) ঘোষণা করবেন আদালত।ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করবেন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছেন রাষ্ট্রপক্ষ।শনিবার (৬ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান দুলু বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে ভিকটিম রামিসাকে হত্যার অভিযোগ প্রমাণ করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। ট্রাইব্যুনাল স্বীয় বিবেচনায় আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমুল্যাহ বলেন, আমরা ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।এর আগে গত বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য ৭ জুন (রোববার) দিন নির্ধারণ করেন।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যায়।সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খোঁজাখুঁজি শুরু করেন তার মা। একপর্যায়ে আসামিদের কক্ষের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান।ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও ভবনের অন্যান্য বাসিন্দারা দরজা ভেঙে আসামির বাসার ভেতরে প্রবেশ করেন। সেখানে তারা শিশুটির খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান।এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।গত ২০ মে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা (৩০) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদের আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। একই দিন আদালত সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও (২৬) কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।তদন্ত শেষে ২৪ মে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। একই দিনে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চার্জশিট আমলে নেন।গত ১ জুন বিচারক মাসরুর সালেকীন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। মামলায় চার্জশিটভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন।এফ/এইচ

জুন ০৬, ২০২৬
রামিসা হত্যার ঘটনায় সোহেল ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত - image

রামিসা হত্যার ঘটনায় সোহেল ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

07 জুন 2026, বিকাল 12:46

রামিসা হত্যার ঘটনায় সোহেল ও তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ড দিল আদালতআমি খণ্ডিত লাশের বাবা হতে চাইনি, আমি তো একজন গর্বিত পিতা হতে চেয়েছিলাম! কন্যা হারিয়ে বুকভাঙা কান্না আর সমাজ ব্যবস্থার প্রতি এক রাস ক্ষোভ নিয়ে এভাবেই নিজের আকুতি প্রকাশ করেছিলেন নিহত রামিসার বাবা। এক বুক স্বপ্ন নিয়ে বেড়ে ওঠা নিষ্পাপ সন্তানের এমন নির্মম পরিণতি কোনো বাবার পক্ষেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। নিজের বুকের মাণিককে অমানুষিকভাবে হারিয়ে একজন পিতার এই অসহায় আর্তনাদ পুরো দেশের বিবেককে নাড়া দিয়েছিল। অবশেষে আজ সেই বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে এক যুগান্তকারী ও ঐতিহাসিক রায় এলো আদালতের পক্ষ থেকে।রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুন উভয়েরই মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। আজ রোববার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চাঞ্চল্যকর এই মামলার ঐতিহাসিক চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন। হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মাথায় এবং মাত্র ৪ কার্যদিবসের মধ্যে এই স্পর্শকাতর মামলার ট্রায়াল সম্পন্ন করে আজ এই চূড়ান্ত রায় দেওয়া হলো, যা বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ও দ্রুততম ঘটনা।মামলার তদন্ত ও সাক্ষ্যে প্রমাণিত হয়, গত ১৯ মে প্রতিবেশী রিকশা মেকানিক সোহেল রানা শিশু রামিসাকে ফুসলিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে ধর্ষণের পর গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই ঘটনার সময় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার আলামত ধ্বংস করতে এবং লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে গুম করার চেষ্টায় স্বামীকে সরাসরি সহযোগিতা করেছিলেন। আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, শিশুর ওপর এমন নির্মম ও বর্বরতা কোনোভাবেই ক্ষমাযোগ্য নয় এবং সমাজে অপরাধীদের প্রতি কঠোর বার্তা দিতেই এই দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।এই রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন এবং নজিরবিহীন এক অধ্যায়। স্বাধীন বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে নিম্ন আদালতে বিভিন্ন সময়ে শতাধিক নারীর ফাঁসির আদেশ হলেও, উচ্চ আদালতের আইনি প্রক্রিয়ায় দণ্ড হ্রাস পাওয়ায় এখন পর্যন্ত কোনো দেশীয় নারী আসামির ফাঁসি বাস্তবে কার্যকর হয়নি। এমনকি দেশের একমাত্র নারী কারাগার কাশিমপুরেও আজ অবধি কোনো ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করার প্রয়োজন পড়েনি। ফলে, আজ মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হওয়া স্বপ্নার এই রায় যদি শেষ পর্যন্ত উচ্চ আদালতে বহাল থাকে এবং কার্যকর হয়, তবে তা হবে স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে কোনো বাংলাদেশি নারীর ফাঁসি কার্যকর হওয়ার প্রথম ও অবিস্মরণীয় ঘটনা।আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এত অল্প সময়ে কোনো স্পর্শকাতর হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ করে রায় দেওয়ার ঘটনা অতীতে দেখা যায়নি। রামিসার বাবা শুরু থেকেই বলেছিলেন, এই বিচার দেশের ইতিহাসে একটি দৃষ্টান্তমূলক উদাহরণ হয়ে থাকবে। আজ সেই সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘশ্বাসের মাঝেও কিছুটা স্বস্তি খুঁজে পেয়েছে। এখন দেখার বিষয়, উচ্চ আদালতের আইনি লড়াইয়ে এই ঐতিহাসিক রায় কত দ্রুত চূড়ান্ত রূপ নেয়।এফ/এইচ

জুন ০৭, ২০২৬
footer small logo

যোগাযোগ :

এটিএন বাংলা, ওয়াসা ভবন, ২য় তলা, ৯৮ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫, বাংলাদেশ

ফোনঃ +88-02-55011931

সোশ্যাল মিডিয়া

youtube logotwitter logofacebook logo

Design & Developed by:

developed-company-logo