বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২১:০০, ১৭ জুন ২০২৬

এআরটি চুক্তি নিয়ে সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

এআরটি চুক্তি নিয়ে সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি)’ চুক্তিকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে সমালোচনা থাকলেও জাতীয় সংসদে এর পক্ষে অবস্থান তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। তিনি বলেছেন, এ চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে।

বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

প্রশ্নে সংসদ সদস্য জানতে চান, নতুন রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে কি না।

জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলনের আয়োজনের মাধ্যমে নতুন বাজার সৃষ্টি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি)’ স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ চুক্তির আওতায় মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। সরকারের প্রত্যাশা, এই চুক্তি দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়াতে, জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান সুদৃঢ় করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

তবে চুক্তিটি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ব্যবসায়ী এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। তাদের দাবি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ চুক্তি স্বাক্ষর করে। তাদের মতে, চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়েছে এবং এতে ১৩১টি শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।