সম্পাদকীয় থেকে আরও খবর
স্ক্রিনের বাইরেও একটা জীবন আছে
ডিজিটাল আসক্তি থেকে ফেরার আহ্বান
কিছু সহজ প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি। একটু বুক ছুঁয়ে বলুন তো, শেষ কবে সকালের সূর্যোদয় দেখেছেন? আজকাল সকালবেলা ঘুম থেকে উঠেই আমরা সবার আগে কী করি? জানালার বাইরে তাকিয়ে সুন্দর সকালটা দেখি, নাকি বালিশের পাশে রাখা মোবাইল ফোনটা খুঁজি? উত্তরটা আমাদের সবারই জানা। আমরা এক অদ্ভুত সময়ে বাস করছি, যেখানে আমাদের সকালটা শুরু হয় একটা জড় বস্তুকে ছুঁয়ে।
পদ্মার বুকে নতুন জাগরণ
তারেক রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনা
বাংলাদেশের ইতিহাসে কিছু প্রকল্প থাকে, যেগুলো শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং একটি জাতির ভবিষ্যৎ পুনর্গঠনের প্রতীক হয়ে ওঠে। পদ্মা ব্যারাজ তেমনই একটি স্বপ্ন, তেমনই একটি দূরদর্শী পরিকল্পনা। দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণা, সমীক্ষা ও পরিকল্পনার পর অবশেষে ‘পদ্মা ব্যারাজ (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্প চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
ডিগ্রি বাড়ছে, কর্মসংস্থান কমছে
শিক্ষিত বেকারত্বের ক্রমবর্ধমান সংকট
একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক হলো শিক্ষা। স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ শিক্ষার প্রসারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বর্তমানে দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৭০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিবছর লক্ষাধিক শিক্ষার্থী উচ্চমাধ্যমিক পেরিয়ে উচ্চশিক্ষায় প্রবেশ করছে এবং বিপুলসংখ্যক তরুণ-তরুণী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করছে।
বাজেট ২০২৬-২৭-এর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মূল্যস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের ব
জাতীয় বাজেট একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং জনগণের জীবনমান উন্নয়নের অন্যতম প্রধান নীতিগত দলিল। প্রতি বছরের মতো ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটও দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক নিরাপত্তা জোরদার এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য নিয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে বর্তমান বাস্তবতায় এই বাজেটের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হবেÑসাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে যতটা সম্ভাব্য স্বস্তি ফিরিয়ে আনা।
সীমান্ত প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্যের প্রয়োজন
বাংলাদেশ আজ এমন এক বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে, যেখানে সীমান্ত নিরাপত্তা কেবল আইনশৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তা, জনসংখ্যাগত ভারসাম্য, অর্থনীতি এবং ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রনীতির প্রশ্ন। অথচ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে ক্ষমতার লড়াই, ব্যাংক দখল ও প্রতিদখল, দলীয় অবস্থান শক্ত করার হিসাব-নিকাশ। সীমান্তের দিকে যেন কারও নজর নেই
ইরানের দেশপ্রেম বনাম ইউনূস সরকারের দেশবিরোধিতা
শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের মহাযজ্ঞ। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। তিন স্বাগতিক দেশে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে এবারের বিশ্বকাপ ফুটবলপ্রেমীদের আগামী দেড় মাস বুঁদ করে রাখবে। সবকিছু ভুলে ফুটবল উন্মাদনায় মাতবে গোটা বিশ্ব।
উত্তরণের উপায় কি?
কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বৈষম্য ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি
বর্তমানে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীদের অংশগ্রহণ এক অভাবনীয় উচ্চতায় পৌঁছেছে। ঘরের চার দেয়াল পেরিয়ে মহাকাশ থেকে শুরু করে করপোরেট অফিস—সবখানেই আজ নারীদের দৃপ্ত পদচারণা।
পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা
বাংলাদেশের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে গত এক দশকে অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। এক সময়ের জরাজীর্ণ সড়ক আর যানজটের চিরাচরিত চিত্র পেছনে রেখে এক আধুনিক ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। সড়ক, রেল, আকাশপথ এবং নৌপথের আধুনিকায়ন কেবল যাতায়াত সহজ করেনি, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কাঠামোকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এক দেশের বহু সংকট: আমরা কোন পথে যাচ্ছি
বাংলাদেশ আজ এক জটিল সময় অতিক্রম করছে। স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর দেশ যখন অর্থনৈতিক উন্নয়ন, অবকাঠামোগত অগ্রগতি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই একের পর এক সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক সংকট দেশের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের শত দিন
আগুনের বৃত্তে দাঁড়িয়ে বিশ্বের ভবিষ্যৎ
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যেন একশ দিন ধরে ঝুলে আছে আগুনের লাল সূর্য। প্রতিদিন সূর্য ওঠে, আবার অস্ত যায় কিন্তু যুদ্ধের ধোঁয়া সরতে চায় না। মানুষের সভ্যতা যত আধুনিক হয়েছে, যুদ্ধের ভাষাও তত পরিবর্তিত হয়েছে। একসময় যুদ্ধ মানে ছিল সীমান্তে সৈন্যের মুখোমুখি অবস্থান।
সুরক্ষিত শৈশব, নিরাপদ আগামী
একটি শিশুর হাসিমুখ একটি পরিবারের, তথা একটি রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য। কিন্তু প্রায়ই আমরা এমন ভয়াবহ ঘটনার মুখোমুখি হচ্ছি, শিশুর নিষ্পাপ হাসিকে মুছে দিচ্ছে বারবার। নিষ্পাপ ফুলের মতো আছিয়া, রামিসা, আব্দুল্লাহ অকালে ঝরে যাচ্ছে গোটা দেশকে কাঁদিয়ে। আমরা আমাদের দেশকে শিশুদের জন্য নিরাপদ করতে চাই।
খাদ্য নিরাপত্তার প্রভাব পড়ছে খাদ্যের সুরক্ষায়
খাদ্য নিরাপত্তা এবং খাদ্য সুরক্ষা দুটি ভিন্ন অথচ গভীরভাবে সম্পর্কযুক্ত ধারণা। খাদ্য নিরাপত্তা মানে হলো—প্রতিটি মানুষের জন্য সারাবছর পর্যাপ্ত, সহজলভ্য এবং সামর্থ্যের মধ্যে খাবারের ব্যবস্থা থাকা। অন্যদিকে খাদ্য সুরক্ষা বলতে বোঝায় সেই খাবারটি সঠিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন এবং যে কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিক, ভারী ধাতু বা রোগজীবাণুমুক্ত হওয়া।
















